Archive for the ‘মাসয়ালা’ Category

পবিত্র কুরবানীর পশু এবং কুরবানী সংশ্লিষ্ট কাজকে সম্মান করতে হবে


পবিত্র কুরবানীর পশু হলো মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্রতম নিদর্শন। যেহেতু পশু কুরবানীর মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল কারা যাবে। সেহেতু উক্ত পশু ও করবানী করার সংশ্লিষ্ট কাজগুলিও নিদর্শন মুবারকের অন্তর্ভূক্ত। এ প্রসঙ্গে খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ

জুতা চোর তারাই যারা ৮ রাকায়াত তারাবি পড়ে পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায়!


২০ রাকায়াত তারাবীহ নামায আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। কোনো জরুরত ছাড়া যারা ৮ রাকায়াত তারাবীহ পড়ে (৮ রাকায়াতে বিশ্বাসী) পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায় তারা নিশ্চয় জুতা চোর। এদের কে যেখানে পাবেন গণধোলাই দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিন। – নূরে মুজাসসাম

পবিত্র মসজিদ শরীফ উনার মধ্যে নামায পড়ার নামে টুল বা চেয়ারে বসা বিদয়াত


ইদানীং বিশেষ করে বেশ কয়েক বৎসর যাবৎ দেখা যাচ্ছে- খালিক মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর পবিত্র মসজিদ শরীফ উনার মধ্যে নামায পড়ার নামে কতিপয় মুসল্লী বিশেষ করে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও মসজিদ কমিটির লোকজনের কেউ কেউ টুল কিংবা চেয়ারে

বিষয়: ক্বাযা নামায 


সম্মানিত শরীয়ত অনুযায়ী প্রত্যেক ফরয ও ওয়াজিব নামাযের জন্য সময় নির্দিষ্ট আছে। সেই নির্দিষ্ট সময়ে নামায আদায় না করে পরে সেই নামায আদায় করাকে ক্বাযা নামায বলা হয়। বিশেষ কোন কারণ ব্যতীত ফরয বা ওয়াজিব নামায নির্দিষ্ট সময়ে আদায় না করা

সুওয়াল :


সুওয়াল : তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে পড়া জায়িয কিনা? জাওয়াব : না, তাহাজ্জুদ নামায জামায়াতে পড়া জায়িয নেই। তারাবীহ, কুসূফ (সূর্যগ্রহণ) ও ইস্তিসকা (বৃষ্টি চাওয়ার উদ্দেশ্যে নামায) এই তিনপ্রকার নফল (সুন্নত) নামায ব্যতীত অন্য কোন নফল বা সুন্নত নামায জামায়াতে আদায় করা

রোযা রেখে ইঞ্জেকশন,ইনসুলিন,ইনহেলার নেয়া যাবে??


ডাক্তারের কাজ ডাক্তারী করা ফতওয়া দেয়া না! অথচ পান্ডিত্যের নিদর্শন রাখতে গিয়ে কিছু ডাক্তার মনগড়াভাবে ফতওয়া দেয় আর কিছু দুনিয়াদার আলিম তথা উলামায়ে ছু’ এতে মদদ দেয়! নাউযুবিল্লাহ! এরা সাধারণ লোকদেরকে বিভ্রান্ত করে এই বলে যে,রোযাবস্থায় ইঞ্জেকশন,ইনহেলার,ইনসুলিন ইত্যাদি নিলে রোযা ভংগ

কথিত মে দিবস বা তথাকথিত শ্রমিক দিবস আদৌ শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণ করেনি বা করতে পারেনি এবং পারবেও না


পবিত্র দ্বীন ইসলাম মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে একমাত্র মনোনীত দ্বীন। আর পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কখনো বিজাতীয় নিয়মনীতি, তর্জ-তরীক্বার কোনোরূপ স্থান নেই। বিধায় মুসলমানগণ কখনো বিজাতীয় রীতিনীতি, তর্জ-তরীক্বায় ১লা মে দিবস বা তথাকথিত শ্রমিক দিবস পালনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ

নারীজাতিরা আজ সমঅধিকারের নামে যে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছে, সাইয়িদাতুন নিসা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনিই একমাত্র জানিয়ে দিচ্ছেন বুঝিয়ে দিচ্ছেন নারী পুরুষ কখনো এক হতে পারেনাঃ


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমরা যদি নিয়ামত উনার শুকরিয়া কর তাহলে নিয়ামত উনাকে বৃদ্ধি করে দেয়া হবে।” সুবহানাল্লাহ! আর মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে সমস্ত কায়িনাতবাসীর জন্য অন্যতম মহান নিয়ামত হলেন

হাক্বীকি পর্দা করা ফরয, অথচ এসম্পর্কে মুসলিম জাতি বড়ই বেখবর।


অ‌নেক ম‌হিলা এমন আ‌ছে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ প‌ড়ে রোযা রা‌খে এমন কি অ‌নেক নফল ইবাদত ক‌রে থা‌কে, কিন্তু পর্দা‌কে কোন গুরুত্ব ও দেয়না।এর ম‌ধ্যে অ‌নে‌কে বোরকা প‌ড়েনা অ‌নে‌কে বোরকা প‌ড়ে ও বোরকা না পড়ার সমান। কারন এই বোরকা‌তে তা‌দের ব‌ডির আকৃ‌তি

যেসব মুছল্লী দাঁড়িয়ে নামায পড়তে অক্ষম তারা কিভাবে নামায আদায় করবে? বসে বা দাঁড়িয়ে কোনভাবেই নামায পড়তে না পারলে তার জন্য মসজিদে জামায়াতে নামায পড়া জরুরত আছে কিনা?


: অক্ষম ও অসুস্থ ব্যক্তি কিভাবে নামায আদায় করবে তা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ও ফিক্বাহর কিতাবসমূহের মধ্যে সুস্পষ্ট বর্ণনা রয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- عن حضرت عمران بن حصين رضى الله تعالى عنه قال كانت بى

যে ঘরে প্রানীর ছবি থাকে সেখানে নামাজ হবেনাঃ-


  হাদীস শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে-   ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﺍﻧﻪ ﻛﺮﻩ ﺍﻟﺼﻠﻮﺓ ﻓﻲ ﺍﻟﻜﻨﻴﺴﺔ ﺍﺫﺍ ﻛﺎﻥ ﻓﻴﺤﻬﺎ ﺗﺼﺎﻭﻳﺮ   অর্থ : হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু আনহু যে ঘরে প্রনীর ছবি থাকতো, সে ঘরে নামাজ পড়া মাকরুহ

পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ হলো মহান আল্লাহ পাক উনার মাসঃ


খালিক্ব মালিক রব আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা তিনি এবং কুল-কায়িনাতের নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের ঘোষণাকৃত চারটি হারাম বা সম্মানিত মাস উনাদের মধ্যে একটি হলো পবিত্র