Archive for the ‘মুক্তিযুদ্ধ’ Category

সরকারকে মুক্তিযোদ্ধাদের কবরে মুনকার-নাকীরের সুওয়াল জাওয়াবেরও ব্যবস্থা করতে হবে


বাংলাদেশ ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ। অথচ এখানে হারাম গান-বাজনা, ভারতীয় টিভি চ্যানেল, ছবি, খেলাধুলা, বেহায়া-বেপর্দায় সয়লাব। নাউযুবিল্লাহ! এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান দুনিয়াতে শুধু শান্তি চায় না। ইন্তেকালের পরও শান্তি চায়। কিন্তু ইন্তেকালের পরে কি করে শান্তি পাবে? উক্ত সব হারাম কাজ

মুক্তিযুদ্ধের দলিল প্রমাণ করে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো দ্বীন ইসলাম কায়েম রাখার জন্য


বাংলাদেশের আলো বাতাসে হৃষ্টপুষ্ট, কিন্তু বিদেশীদের উচ্ছিষ্টভোগী কিছু নাস্তিক মহল আছে যারা প্রচার করে থাকে, ‘মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য’। এই প্রচারণার ভিত্তিতেই তারা বাংলাদেশের সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের কথা বলে থাকে। অথচ ১৯৭১ সালে সংগঠিত মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি কখনোই ধর্মনিরপেক্ষতা ছিলো

মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনা বাহিনীর লুটপাটের ইতিহাস ও সাহায্যের স্বরূপ


(সঙ্কলিত পোস্ট)- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তি বাহিনী যখন দেশের ৯৫-৯৯ শতাংশ অঞ্চল মুক্ত করে ফেলেছিল, ঠিক তখন ৩রা ডিসেম্বর ভারতীয় আরদালী বাহিনী লুটপাট করার জন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তারা ১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ জুড়ে নজির বিহীন লুটপাট চালিয়েছিলো। ৯৩ হাজার

শিবনারায়ণ দাস ছিল স্রেফ আঁকিয়ে, তাকে খোদ জাতীয় পতাকার ডিজাইনার বানিয়ে দেয়াটা মূর্খতা বৈ কিছুই নয়।


শিবনারায়ণ দাস ছিল স্রেফ আঁকিয়ে, তাকে খোদ জাতীয় পতাকার ডিজাইনার বানিয়ে দেয়াটা মূর্খতা বৈ কিছুই নয়। সম্প্রতি জয়ধ্বনি সাংস্কৃতির সংগঠন নামক একটি অখ্যাত সংগঠন দাবি করেছে, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার হলো শিবনারায়ণ দাস, যাকে নাকি তার প্রাপ্য ‘কৃতিত্ব’ দেয়া হচ্ছে না।

বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন- ‘পিন্ডির গুহা থেকে মুক্ত হয়ে দিল্লির কাছে বন্ধক দিতে পারি না’।


বাংলাদেশ সরকার ভারতকে এবং ভারত সরকার বাংলাদেশকে বন্ধুরাষ্ট্র বলে প্রচার করে থাকে। কিন্তু লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ হচ্ছে চরম বৈষম্য আর শোষণের শিকার। এটা বন্ধুত্বের নিদর্শন হতে পারে না। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন- ‘পিন্ডির গুহা থেকে মুক্ত হয়ে দিল্লির কাছে বন্ধক দিতে পারি না’।

আজ মহান স্বাধীনতা দিবস


পদ্মা মেঘনা যমুনা বিধৌত ব-দ্বীপের দেশ এই সোনার বাংলাদেশ শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ। বহু নদী বেষ্টিত এ ভূ-ভাগের এক বড় অর্জন- বাঙালি মুসলমানদের অনন্য এক ইতিহাস, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ। মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা

বাঙালি মুসলিম জাতির আজ ৪৫তম বিজয় বার্ষিকী ॥ * সব যুদ্ধাপরাধী রাজাকারের ফাঁসি কার্যকর ও তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার জোরদার দাবি সর্বমহলে * হানাদার ভারতীয় ‘র’-এর দালাল সাংবাদিক ও মিডিয়া বর্জনের ডাক সর্বত্র


আজ ১৬ ডিসেম্বর। মহান বিজয়ের ৪৫তম বার্ষিকী। ৪৫ বছর আগে এই দিনে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় এদেশের বাঙালি মুসলমানদেরকে এনে দিয়েছিলো আত্মপরিচয়ের স্বাধীন ঠিকানা। আজ স্বাধীনতা বিজয়ের নির্মল আনন্দ প্রকাশের দিন, স্বাধীন আবাস ভূমি পওয়ায় মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ১১ দফা দাবিতে- আওয়ামী ওলামা লীগসহ সমমনা ১৩ ইসলামী দলের বিশাল মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত


(১). মীর কাসেমসহ কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী সরকারকে দেশ ও জাতীর পক্ষ থেকে তথা দ্বীনপ্রাণ মুসলমান ও আলিম উলামাদের পক্ষ থেকে আন্তরিক মোবারকবাদ। বাংলার ইহুদী রাজাকার সাঈদীরও ফাঁসির ব্যবস্থা করতে হবে। (২). বশহীদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান

শুধু টিভির লাইসেন্স বাতিল করলে হবে না, ইনুর মন্ত্রীত্বও বাতিল করতে হবে


সৈয়দ আশরাফ কয়েকদিন আগে মন্তব্য করেছিল- ইনুকে মন্ত্রীত্ব দেয়ার প্রায়শ্চিত্ত আওয়ামী লীগকে ‘আজীবন’ করতে হবে। তারই প্রতিফলন দেখা গেল গতকাল গুলশান হামলায় মিডিয়ার ভূমিকায়। এই হামলাকে কেন্দ্র করে এদেশের মিডিয়াগুলো বিশ্বব্যাপী প্রচার করলো, হামলাকারীরা ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হামলা করেছে। এই প্রচারের

সজীব ওয়াজেদ জয়ের যখন জন্ম হয় তখন পুরো জাতি স্বাধীনতার জন্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত ছিল।


সজীব ওয়াজেদ জয়ের যখন জন্ম হয় তখন পুরো জাতি স্বাধীনতার জন্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত ছিল। এই বেলায় একটা আশ্চর্যজনক কন্ট্রাস্ট বা বৈপরীত্য দেখা যায়। যে পাক আর্মি সারা দেশে অসংখ্য নারীর প্রতি অমানবিক আচরন করেছে – সেই পাক আর্মিই জয়ের গর্ভবতি

এস কে সিনহা যে রাজাকার তা নিজেই স্বীকার করেছে।


এস কে সিনহা যে রাজাকার তা নিজেই স্বীকার করেছে। ১০ই সেপ্টেম্বর ২০১৪: বিচারপতি সিনহা তখন বলেঃ “এমন হতে পারে। মুক্তিযুদ্ধের সময় এমন একটা পরিস্থিতি ছিল যে একই বাড়িতে একজন আওয়ামীলীগ ও অন্য একজন পাকিস্তানের সমর্থক ছিল। আমি নিজেও শান্তি কমিটির সদস্য

ভারতীয় লুটেরা সৈন্য বাহিনীর ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে লুটপাটের ইতিহাস


১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তি বাহিনী যখন দেশের ৯৫-৯৯ শতাংশ অঞ্চল মুক্ত করে ফেলেছিল, ঠিক তখন ৩রা ডিসেম্বর ভারতীয় তস্কর বাহিনী লুটপাট করার জন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তারা ১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ জুড়ে নজিরবিহীন লুটপাট চালিয়েছিলো। ৯৩ হাজার পাকিস্তানী সৈন্যদের ফেলে