Archive for the ‘শিক্ষা’ Category

বিনামূল্যের বই পেয়ে খুশি হওয়ার আগে দেখুন, ভিতরে কতটুকু ঈমান আছে


দেশের বর্তমান শিক্ষানীতি অনুযায়ী যে সকল পাঠ্যবই প্রণীত হয়েছে, সেখানে পড়ানো হচ্ছে এমন কিছু বিতর্কিত বিষয় পড়ানো হচ্ছে যেগুলো কোনোভাবেই ইসলাম সমর্থন করে না। বরং ওই সকল পাঠবইয়ের গল্প, কবিতা, রচনাগুলো মুসলমানদের ঈমান ও মুসলমানিত্বকেই বিনষ্ট করে দিচ্ছে। পাঠ্যবইগুলোর অর্ন্তভুক্ত রচনা,

অপসংস্কৃতির বিস্তারে ব্যবহৃত হচ্ছে পাঠ্যপুস্তক


স্কুল, কলেজ, মাদরাসা যেখানেরই বই খোলা হোক সেখানেই অপসংস্কৃতি আর ইসলামবিদ্বেষী লেখক ও লেখনীর সমাহার। পহেলা বৈশাখের মতো একটি মূর্তিপূজারীদের কালচারকে পাঠ্যবইগুলোতে উপস্থাপন করা হয়েছে- বাঙালি সংস্কৃতি মানেই পহেলা বৈশাখ, বাঙালি সংস্কৃতি মানেই ভূত-পেঁচার ছবি নিয়ে যাত্রা করা, বটগাছ তলায় পান্তা

পাঠ্যবইয়ের রচনাগুলো গভীর ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ ॥ স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কেই চরম অবমাননাকর, বিভ্রান্তিকর ও কুফরী বক্তব্য


স্কুল, কলেজসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বইয়ের লেখাগুলোর বেশিরভাগই চরম গুমরাহ ধর্মবিদ্বেষী নাস্তিক, মূর্তিপূজারী, ফাসিক-ফুজ্জারদের লেখা। ২-১টি লেখাকে ‘ইসলামী’ তথা কথিত মুসলমান নামধারীদের হলেও সেগুলোও মুসলমানদের মত-পথ, আক্বীদা-আমলের সম্পূর্ণ বিপরীত। বইগুলোতে দু’একটি কথিত ইসলামী ভাবধারার যে রচনাগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যেই

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘সংস্কৃতি চর্চার’ নামে ‘হারাম কার্যক্রম’ হিতে বিপরীত হবে


শিক্ষার্থীদেরকে সন্ত্রাসবাদ বিমুখ করার লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (হারাম) সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়ানো হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রকৃতপক্ষে বাস্তবসম্মত নয়, বরং বাস্তবতার নীরিখে হওয়া উচিত ছিলো বিপরীত। অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ দেশের সর্বস্তরে সংস্কৃতির নামে হারাম কর্মকা- তুলে দিয়ে সঠিক

খাবার খাওয়ার আদবঃ


খাবার খাওয়ার মুবারক সুন্নতী তরতীব সমূহ: ==================== ১.খয়েরী রংয়ের দস্তরখানায় প্লেট রেখে খাবার খাওয়া। ২.কাঠের প্লেটে খাবার খাওয়া। ৩.খাবারের শুরুতে বিসমিল্লাহ শরীফ পাঠ করা। ৪.খাবারের শুরুতে লবণ খাওয়া। ৫.ডান হাত দিয়ে খাবার খাওয়া। ৬.নামাযের সূরতে বসে খাবার খাওয়া। ৬.মাথায় কাপড় দিয়ে

মিজান আযহারীর জনৈক ভক্ত আবুলের সাথে কথোপকথন


আমি: আবে হালা আবুইল্লা কেমন আছোছ? তোর বাপ হালায় কেমন আছে? আবুল: মুখ সামলে কথা বলেন। এটা কি ভদ্রলোকের ভাষা? আমার বাপকে গালি দিচ্ছেন কেন? আমি: আরে নাহ! গালি দিলাম কই মুহব্বত কইরা কইলাম । তোমার বাপ শুনছিলাম মূর্খ ছিলো। ১,২,৩

সিলেবাসে মুসলিম ব্যক্তিত্বগণের জীবন ও ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করতে হবে


শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশের শিক্ষানীতিতে বা সিলেবাসে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিশেষ ব্যক্তিত্বগণ উনাদের জীবনী মুবারক আলোচিত হবে, পঠিত হবে- এটাই স্বাভাবিক। কোনো বিধর্মী বা অমুসলিমদের জীবন-ইতিহাস কোমলমতি মুসলিম ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকে থাকতে পারে না। মুসলিম ব্যক্তিত্বগণ উনাদের মধ্যে

পাঠ্যপুস্তকে দ্বীন ইসলাম উনার শিক্ষা ও ঈমানী চেতনা সমৃদ্ধ লেখনী অন্তর্ভুক্ত করতে হবে


জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রণীত বইসমূহে সম্মানিত পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ব্যাপারে প্রচুর ভুল তথ্য তো রয়েছেই; পাশাপাশি রয়েছে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি বিদ্বেষমূলক কথা-বার্তা এবং বহু আক্বীদাগত ও তথ্যগত ভুলের ছড়াছড়ি। এছাড়াও রয়েছে কাফির-মুশরিকদের জীবন ও কর্মের অহেতুক

ভারতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে দেয়া হয় নি; অথচ এদেশে…!!


ভারতে একটি বিশাল জনগোষ্ঠী হচ্ছে মুসলমান, যা মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক। তারপরেও সেখানকার মুসলমানগণ একটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার অনুমতি পায় না। সম্প্রতি ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে হীরা ইসলামিক ইউনিভার্সিটি নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যেগ নেন কয়েকজন মুসলিম ধনাঢ্য ব্যবসায়ী। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জমিতে ৭

শিশুরাও সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের শিকার


স্যাটেলাইট টিভি, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে বিজাতি-বিধর্মীদের অপসংস্কৃতি মহামারি রূপে ছড়িয়ে পড়ছে। এর দ্বারা মুসলিম তাহযীব-তামাদ্দুন আস্তে আস্তে ভুলে যাচ্ছে এদেশের জনসাধারণ। এই অপসংস্কৃতি সবচেয়ে বেশি বদ-তাছীর করছে শিশুতোষ মেধা ও মননে। এ ব্যাপারে আমি একটি বাস্তব ঘটনা বর্ণনা করছি; আমি এক

ইংরেজরা মুসলমানদের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করেছে


ইংরেজদের প্রণীত শিক্ষানীতি সমাজে বিভক্তি ও শ্রেণীবৈষম্য সৃষ্টি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। গতকাল ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার) ইসলামাবাদে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তৃতায় তিনি বলেন, নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবচেয়ে বেশি শিক্ষার ব্যাপারে গুরুত্ব

সামুদ্রিক মাছের নানাবিধ উপকারিতা


সামুদ্রিক মাছের পুষ্টিগুণ মিঠা পানির মাছের তুলনায় অনেক গুন বেশি। সামুদ্রিক মাছ উচ্চ- প্রোটিন সমৃদ্ধ, এবং এতে ক্ষতিকারক ফ্যাট নেই বললেই চলে। সামুদ্রিক মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন ডি থাকে যা একাধিক জটিল রোগ থেকে আমাদেরকে দূরে