Archive for the ‘শিক্ষা’ Category

মুড়ি খাওয়ার উপকারিতা


মুড়ি শুধু স্বাদের জন্যই নয়, এর উপকারিতাও আছে অনেক। ইফতারে ছোলা-মুড়ির চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। শুধু কি ছোলা, মুড়ির সঙ্গে পেঁয়াজু, বেগুনি, চপ, শসা, টমেটো, জিলাপি মিশিয়ে তৈরি করা হয় আরো সুস্বাদু খাবার। মুড়ির রয়েছে প্রচুর উপকারিতা- ১৪ গ্রাম মুড়িতে রয়েছে

পাঠ্যপুস্তক, নাকি অমুসলিম-বিধর্মীদের ‘প্রশংসা-পুস্তক’?


বেখবর বাংলার কোটি কোটি মুসলমান! মুশরিক ও নাস্তিক-মুরতাদদের প্লানগুলো একে একে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্তরে হিন্দুকরণ ও নাস্তিকদের পদায়নের পর এখন এ দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকগুলোকে সেই নীলনকশা বাস্তবায়নের আয়ত্তে আনা হয়েছে এবং হচ্ছে। ক্লাস ওয়ান

এই সিলেবাস পড়ে আগামী প্রজন্ম কিভাবে ঈমানদার থাকবে?


মুসলমানের ঘরে জন্ম নিলে মানুষ মুসলমান হিসাবে গণ্য হয়। কিন্তু তাকে যদি ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস ও আদর্শের সাথে পরিচিত করানো না হয়, তাহলে সে কি প্রকৃত মুসলমান হতে পারবে? যে দেশের পাঠ্যপুস্তকের লেখাসমূহ বিধর্মীদের/নাস্তিকদের, সেদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কি প্রকৃত মুসলমান থাকবে?

মুসলমানদের উচিত সপ্তাহের বারসমূহের নাম পবিত্র হাদীছ শরীফ অনুযায়ী উচ্চারণ করা।


একজন বয়োঃপ্রাপ্ত ও সুস্থ বিবেকসম্পন্ন মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামায আদায় করতে হয়। এ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের নামকরণ পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারাই হয়েছে। যেমন ফজর, যুহর, আছর, মাগরিব ও ‘ইশা। আজ পর্যন্ত কোন মুসলমান এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাযকে ওয়াক্তের

১৪৪২ হিজরী সনের পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার চাঁদ দেখা গেছে


যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, মুজাদ্দিদে আ’যম, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, আহলু বাইতে রসূলিল্লাহ, রাজারবাগ শরীফ উনার মহাসম্মানিত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মুবারক পৃষ্ঠপোষকতায় ও দিক-নির্দেশনায় পরিচালিত “মাজলিসু রুইয়াতিল হিলাল” উনার সংবাদ অনুযায়ী বাংলাদেশের আকাশে গতকাল ইয়াওমুল খামীস

আন্তর্জাতিক পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র’ থেকে সংগ্রহ করুন সুন্নতী চামড়ার মশক


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনারা পানি সংরক্ষণে চামড়ার মশক ব্যবহার করেছেন। অর্থ্যাৎ চামড়ার মশক ব্যবহার করা খাছ সুন্নত মুবারক। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার

সিলেবাসের পরিবর্তন ছাড়া মুসলমানদের অধিকার কখনোই প্রতিষ্ঠিত হবে না


রাশিয়ায় কমুনিস্টরা ক্ষমতা দখল করেই প্রথম যে কাজটি করেছিলো সেটি ছিলো- সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। কমুনিস্টরা নতুন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা পর্যন্ত বেশ কয়েকবছর তাদের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখে। এরপর তারা কমুনিজমকে শিক্ষার মূল পাঠ্য করে সেভাবেই পাঠ্যপুস্তকগুলো রচনা করে। কমুনিজমকে বাধ্যতামূলক

আপনি মুসলমান? তাহলেতো শরীয়ত মুতাবিক চলতে হবে


হ্যাঁ, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, যখন আপনি নিজেকে একজন মুসলমান বলে দাবি করবেন তখন আপনাকে প্রথমেই ভাবতে হবে- আপনি কেন সৃষ্টি হলেন? আপনাকে কেন সৃষ্টি করা হলো? আপনার নিজের প্রতি কি দায়িত্ব? আপনার স্বজাতির প্রতি আপনার কি দায়িত্ব? আপনাকে আরো

সুন্নতি নালাইন ব্যবহার করা খাছ সুন্নত


সুন্নাতি নালাইন কাউকে হাদিয়া দেয়াও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু বর্ণনা করেন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’ফিতা বিশিষ্ট চামড়ার নালাইন শরীফ (স্যান্ডেল বা জুতা) পরিধান করতেন। (শামায়েলে তিরমিযী, জামউল ওসায়েল, আদাবুন নবী) অর্থাৎ

নাস্তিক্যবাদী পাঠ্যসূচীর কারণেই সামাজিক অবক্ষয় ও অস্থিরতা


যেকোনো শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অংশ বা ভিত্তি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষাকে সঠিকভাবে রূপায়ন করা গেলে সার্বিকভাবে শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে। কেননা, এ স্তরের প্রধান অংশ হলো শিশু, যার কচি হৃদয় ও মস্তিষ্ক থাকে সমস্ত পঙ্কিলতামুক্ত। যার

বিনামূল্যের বই পেয়ে খুশি হওয়ার আগে দেখুন, ভিতরে কতটুকু ঈমান আছে


দেশের বর্তমান শিক্ষানীতি অনুযায়ী যে সকল পাঠ্যবই প্রণীত হয়েছে, সেখানে পড়ানো হচ্ছে এমন কিছু বিতর্কিত বিষয় পড়ানো হচ্ছে যেগুলো কোনোভাবেই ইসলাম সমর্থন করে না। বরং ওই সকল পাঠবইয়ের গল্প, কবিতা, রচনাগুলো মুসলমানদের ঈমান ও মুসলমানিত্বকেই বিনষ্ট করে দিচ্ছে। পাঠ্যবইগুলোর অর্ন্তভুক্ত রচনা,

অপসংস্কৃতির বিস্তারে ব্যবহৃত হচ্ছে পাঠ্যপুস্তক


স্কুল, কলেজ, মাদরাসা যেখানেরই বই খোলা হোক সেখানেই অপসংস্কৃতি আর ইসলামবিদ্বেষী লেখক ও লেখনীর সমাহার। পহেলা বৈশাখের মতো একটি মূর্তিপূজারীদের কালচারকে পাঠ্যবইগুলোতে উপস্থাপন করা হয়েছে- বাঙালি সংস্কৃতি মানেই পহেলা বৈশাখ, বাঙালি সংস্কৃতি মানেই ভূত-পেঁচার ছবি নিয়ে যাত্রা করা, বটগাছ তলায় পান্তা