Archive for the ‘শিক্ষা’ Category

আবারো নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষীদের হাতেই সিলেবাস ও শিক্ষানীতি


বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় নবম ও দশম শ্রেণির ১২টি বইয়ের মধ্যে বাংলা সাহিত্য বইটি পরিমার্জনের দায়িত্ব দিয়েছে নাস্তিক্যবাদী ও চরম ইসলামবিদ্বেষী শ্যামলীকে, ইংলিশ ফর টুডে বইয়ের দায়িত্ব দিয়েছে মনজুরুলকে, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের দায়িত্ব দিয়েছে আখতারুজ্জামানকে, বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা বইয়ের দায়িত্ব দিয়েছে

প্রত্যেক জাতিই তার নিজ শত্রুকে চিনে অথচ তথাকথিত মুসলমানরা তাদের শত্রু চিনে না


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি মুসলমানদের শত্রু কারা তা সরাসরি বলে দিয়েছেন। আর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনিও তা মুসলমানদেরকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আজ সারাবিশ্বে মুসলমানদেরকে নিয়ে যে কুটকৌশল ও ষড়যন্ত্র চলছে তা

ইতিহাসের পাতা থেকে: মুসলমানদের শিক্ষা-দীক্ষার বিরোধিতায় বিধর্মী-অমুসলিমরা


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোর বিরোধিতা করেছিল বিধর্মীরা। তাদের প্রবল বিরোধিতার মোকাবিলা করেই ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এরপর প্রতিষ্ঠিত হয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৫৩ সালে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৬ সালে এবং জাহাঙ্গীরনগর ১৯৭০ সালে। দেখা যাচ্ছে, সাতচল্লিশের আগে এই বাংলার

বাংলাদশের স্কুল-কলেজের সিলেবাস দেখে প্রশ্ন জাগে- এটা কি ভারত, না বাংলাদেশ?


বাংলাদশের স্কুল-কলেজের সিলেবাস দেখে প্রশ্ন জাগে- এটা কি ভারত, না বাংলাদেশ? বাংলাদেশ ভারত নয়, ভারতের অঙ্গরাজ্যও নয়। তাহলে এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায়, সরকারি পাঠ্যপুস্তকে কেন বিধর্মী, নাস্তিক্যবাদ অপশিক্ষায় সয়লাব? যে দেশের রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম সেদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ১ম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত

ব্রিটিশ প্রবর্তিত SIR এবং MADAM বলা পরিহার করুন


SIR এবং MADAM শব্দ দুটো বেশ প্রচলিত। কথিত মুসলমানও বলে যাচ্ছে অবলীলায়। কিন্তু এই দুটি শব্দ কিভাবে এসেছে তা কি কখনো ভেবে দেখেছে? ১) SIR: কথিত ‘স্যার’ শব্দটি যতখানি কথিত সম্মানের, তার চেয়ে বেশি আত্মঘাতী। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিসে যার বহুল

সুন্নতি খাবার তালবীনার উপকারিতা


উম্মুল মু’মিনীন হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি কোন মৃতব্যাক্তির শোকে দুর্বল হয়ে পড়াদের তালবীনা খাওয়ার জন্য নছিহত মুবারক করেছেন। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বলতে শুনেছি- তালবীনা রোগাক্রান্ত ব্যক্তির হৃদপিন্ডের জন্য

ব্রিটিশ পত্রিকার দাবী, সৌদি চাঁদ না দেখে চাঁদের ঘোষণা দিয়েছে।


ব্রিটিশ মহাকাশবিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন আরবদের ঈদের চাঁদে নাকি ভেজাল ছিল। গ্রীনউইচ রয়াল অবজারভেটোরির মহাকাশবিজ্ঞানের ডাটা অনুযায়ী ৩ রা জুন কেবল সৌদী আরব নয় পৃথিবীর কোথাও চাঁদ দৃশ্যমান হয়নি। তাদের মতে আরবগন একদিন কম রোজা রেখেছেন। https://morningstaronline.co.uk/article/w/saudis-cause-controversy-in-the-muslim-world-for-celebrating-the-end-of-ramadan-a-day-earlier?fbclid=IwAR0jfNIUJMWWtoPXoendJ7tEmCdULP84vp6lL0HGKKBjhlptjx_XOneooa4

বিসিএস ই শেষ কথা নয় আরো আছে অনেক কিছু!


বিসিএসের পাশাপাশি রাখতে হবে অন্যান্য সুযোগের খোঁজ-খবর। ৩ মে অনুষ্ঠিত ৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেছেন প্রায় ৪ লাখ ১২ হাজার তরুণ, যেখানে সুযোগ পাবেন মাত্র ১৯০৩ জন। শুধু বিসিএস নয়, আরও নানা রকম পেশা বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে তরুণদের

জুতা চোর তারাই যারা ৮ রাকায়াত তারাবি পড়ে পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায়!


২০ রাকায়াত তারাবীহ নামায আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। কোনো জরুরত ছাড়া যারা ৮ রাকায়াত তারাবীহ পড়ে (৮ রাকায়াতে বিশ্বাসী) পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায় তারা নিশ্চয় জুতা চোর। এদের কে যেখানে পাবেন গণধোলাই দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিন। – নূরে মুজাসসাম

প্রচলিত ইসলামবিরোধী শিক্ষানীতি পরিবর্তনে সরকারকে বাধ্য করতে হবে


রাশিয়ায় কমুনিস্টরা ক্ষমতা দখল করেই প্রথম যে কাজটি করেছিলো সেটি ছিলো- সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। কমুনিস্টরা নতুন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা পর্যন্ত বেশ কয়েকবছর তাদের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখে। এরপর তারা কমুনিজমকে শিক্ষার মূল পাঠ্য করে সেভাবেই পাঠ্যপুস্তকগুলো রচনা করে। কমুনিজমকে বাধ্যতামূলক

হিজরী সন বাতিলের আকাঙ্খা থেকে ফসলী (বাংলা) সনের উৎপত্তি


বিগত ১৪২১ ফসলী সনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পহেলা বৈশাখ পালনের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘প্রদীপ্ত বৈশাখে দীপ্ত পদাচারণা’। জাবির উক্ত কার্যক্রম নিয়ে ২০১৪ সালের ২৫শে এপ্রিলে ‘দৈনিক যায়যায়দিন’ পত্রিকার ওয়েব ভার্সনে প্রকাশিত ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়: প্রদীপ্ত বৈশাখে দীপ্ত পদাচারণা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা

সিলেবাস থেকে ‘চারু ও কারুকলা’ বিষয়টি বাদ দিতে হবে


এনসিটিবি কর্তৃক প্রণীত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পাঠ্যপুস্তকের বিষয় তালিকার মধ্যে একটি বিষয় রয়েছে ‘চারু ও কারুকলা’। ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে নবম-দশম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এ বিষয়টি পড়তে বাধ্য হচ্ছে। চারু ও কারুকলা বিষয়টির মূল-ই হচ্ছে ছবি আঁকা, নকশা অঙ্কন, পুতুল, মূর্তি, ভাস্কর্য,