Archive for the ‘ষড়যন্ত্র’ Category

নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষীদের হাতেই কেন সিলেবাস ও শিক্ষানীতি?


বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয় বইগুলোর দায়িত্ব প্রায়ই দেয়া হয়ে থাকে চিহ্নিত নাস্তিক ও ইসলামবিদ্বেষীদের। এ পর্যন্ত বাংলা সাহিত্য, ইতিহাস ইত্যাদিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যতগুলোকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তাদের সম্পর্কে অনলাইন এবং অফলাইনে এদের কার্যকলাপ যতটুকু দেখেছি ও বুঝেছি এদের একজনকেও কখনো মুসলমান মনে

গোল্ডেন রাইস (জিএমও) চাষ করার বুদ্ধিদাতারা দেশ ও জাতির শত্রু


বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ জিএমও ক্রপ্স (জেনেটিক্যাল মডিফাইড খাদ্য শস্য) বাংলাদেশের মতো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি দেশে কী করে অনুমোদিত হতে পারে, তা সত্যিই আশ্চর্যের বিষয়। আমাদের দেশে এই আত্মঘাতী বীজ বাণিজ্যিকিকরণের পেছনে কে বা কারা কাজ করছে তাদেরকে চিহ্নিত করা ও খুঁজে বের

সংখ্যালঘুদের জন্য নতুন নতুন ছাত্রাবাস, আশ্রম তৈরির উদ্দেশ্য কি?


ভারতের উদ্যোগে বাংলাদেশে বেশ কিছু হিন্দুত্ববাদী প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়েছে। সেই প্রকল্পগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য- ১) ঢাকার রমনা কালি মন্দিরের ভেতরে ৫ তলা গেস্ট হাউস। ২) সাভারের ইস্কন মন্দিরের ভেতরে বহুতল আশ্রম ভবন নির্মাণ। ৩) ঢাকার রামকৃষ্ণ মিশনের ভেতরে হোস্টেল নির্মাণ। ৪)

বিশ্বভ্রাতৃত্ব’, ‘বিশ্ব নিরাপত্তা’, ‘জাতিগত বন্ধুত্ব’ ইত্যাদির অযুহাতে নিধন করা হচ্ছে মুসলমানদের মুসলমানরা আধুনিক অস্ত্রসজ্জিত হলে শান্তি নষ্ট হয়, আর বিধর্মীরা অস্ত্রসজ্জিত হলে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা হয়!


কী ছিল সেই ইহুদী প্রটোকলে: ‘বিশ্বভ্রাতৃত্ব’, ‘বিশ্ব নিরাপত্তা’, ‘জাতিগত বন্ধুত্ব’ ইত্যাদির অযুহাতে নিধন করা হচ্ছে মুসলমানদের মুসলমানরা আধুনিক অস্ত্রসজ্জিত হলে শান্তি নষ্ট হয়, আর বিধর্মীরা অস্ত্রসজ্জিত হলে ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা হয়! মুসলমানদের দমিয়ে রাখতে ইহুদীদের বহুল ব্যবহৃত তিনটি শব্দ- ‘বিশ্বভ্রাতৃত্ব’, ‘বিশ্ব

ভারতীয় আগ্রাসন থেকে মুক্ত না হলে প্রকৃত বিজয় কখনোই অর্জিত হবে না।


বারবার বিশ্বাসঘাতকতা করে এ অঞ্চলের স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল ভারতীয় হিন্দু সম্প্রদায়। ব্রিটিশ আমলের ১৯০ বছরের পরাধীনতা সেই বিধর্মীদেরই ষড়যন্ত্রের ফসল। একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে আটক যুদ্ধাপরাধীদের বিনা বিচারে ফেরত দিয়েছিল এই ভারতীয়রাই। সুতরাং ভারতীয় আগ্রাসন থেকে মুক্ত না হলে

মুসলিম শিক্ষার্থীদের থেকে বাড়তি ভর্তি ফি আদায় করায় কলেজের অধ্যক্ষকে আইনি নোটিশ


মুসলিম শিক্ষার্থীদের থেকে বাড়তি ভর্তি ফি আদায় করায় কলেজের অধ্যক্ষকে আইনি নোটিশ একাদশ শ্রেণী ভর্তি ফীতে হিন্দু শিক্ষার্থীদের চেয়ে মুসলিম শিক্ষার্থীদের থেকে বেশি ফি আদায় করায় সরকারি সুন্দরবন আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ অভিজিৎকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। মুসলিম রাইটস ফাউন্ডেশনের সহকারী সাধারণ

কুরআন শরীফ উনার ৭শ’ আয়াত শরীফ বাদ দেয়ার ষড়যন্ত্র সম্পর্কে জানা আছে কি?


খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। মহাসন্ত্রাসী আমেরিকার কথিত সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের অংশ হিসেবে সাবেক সউদী ওহাবী বাদশাহ আব্দুল্লাহ তার ওহাবী ধর্মগুরুদের পরামর্শে খ্রিস্টানদের পোপের সাথে যৌথ উদ্যোগে স্পেনের মাদ্রীদে আয়োজন করে বিশ্ব আন্তঃধর্ম সম্মেলন। সব ধর্মের মধ্যে সেতুবন্ধন করে সব ধর্মের অনুসারীরা

পাঠ্যপুস্তক, নাকি অমুসলিম-বিধর্মীদের ‘প্রশংসা-পুস্তক’?


বেখবর বাংলার কোটি কোটি মুসলমান! মুশরিক ও নাস্তিক-মুরতাদদের প্লানগুলো একে একে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্তরে হিন্দুকরণ ও নাস্তিকদের পদায়নের পর এখন এ দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকগুলোকে সেই নীলনকশা বাস্তবায়নের আয়ত্তে আনা হয়েছে এবং হচ্ছে। ক্লাস ওয়ান

সিলেবাস থেকে বিধর্মীদের বাদ দিয়ে মুসলিম ব্যক্তিত্বগণের জীবনী অন্তর্ভুক্ত করতে হবে


শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশের শিক্ষানীতিতে বা সিলেবাসে দ্বীন ইসলাম উনার বিশেষ ব্যক্তিত্বগণ উনাদের জীবনী মুবারক আলোচিত হবে, পঠিত হবে- এটাই স্বাভাবিক। কোনো বিধর্মী বা অমুসলিমদের জীবন-ইতিহাস কোমলমতি মুসলিম ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকে থাকতে পারে না। মুসলিম ব্যক্তিত্বগণ উনাদের মধ্যে বিশেষ

তাদের অসুবিধা শুধু দ্বীন ইসলাম পালন করলেই কেন?


পবিত্র ঈমানে মুফাসসাল উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, ‘আমি বিশ্বাস করলাম মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি, মহান আল্লাহ পাক উনার রাসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি, মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে প্রেরিত কিতাবসমূহের প্রতি, হযরত

পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে বড় ষড়যন্ত্র!


-কুরবানীর পশুর হাটকে শহরের বাইরে নেয়া হচ্ছে। -কুরবানীর পশুর হাটের সংখ্যা কমানো হচ্ছে। -সুবিধাজনক স্থানে পশু জবাই না করে সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট স্থানে জবাই করার নির্দেশ। -১৮ বছরের নিচের কাউকে কুরবানীর পশু জবাই নিষিদ্ধ করার নির্দেশ। …এভাবেই একের পর এক কুরবানীর

ক্ষতিকর মাস্ক পরিধান করতে জনগণকে বাধ্য করা এবং হয়রানী করা কি জুলুম নয়?


বাজারের প্রচলিত মাস্ক সবসময় পরিধান করার কারণে ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ সৃষ্টি হওয়ার বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণ থাকার পরেও জনগণকে মাস্ক পরতে কেন বাধ্য করা হচ্ছে? এই ক্ষতিকর মাস্ক পরিধান করতে জনগণকে বাধ্য করা এবং হয়রানী করা কি জুলুম নয়? করোনা ভাইরাসের দোহাই দিয়ে