Archive for the ‘ষড়যন্ত্র’ Category

গোল্ডেন রাইস (জিএমও শস্য) চাষ করার বুদ্ধিদাতা খলনায়করা দেশ ও জাতির শত্রু


বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ জিএমও ক্রপ্স (জেনেটিক্যাল মডিফাইড খাদ্য শস্য) বাংলাদেশের মতো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি দেশে কী করে অনুমোদিত হতে পারে, তা সত্যিই আশ্চর্যের বিষয়। আমাদের দেশে এই আত্মঘাতী বীজ বাণিজ্যিকিকরণের পেছনে কে বা কারা কাজ করছে তাদেরকে চিহ্নিত করা ও খুঁজে বের

দেশের গ্যাসখনি থেকেও উঠছে জ্বালানী তেল, তবুও…


গ্যাসফিল্ড থেকে গ্যাস উত্তোলনের সময় গ্যাসের সঙ্গে উচ্চমাত্রার সিসাযুক্ত কনডেনসেট (গ্যাসের সহজাত ক্রুড অয়েল বা অপরিশোধিত তেল) বেরিয়ে আসে। রিগ মেশিনে গ্যাস ও কনডেনসেট আলাদা হয়ে যায়। পরে উত্তোলিত কনডেনসেট রিফাইনারিতে রিফাইনের জন্য পাঠানো হয়। গ্যাসের এই উপজাত পরিশোধন করে অকটেন,

বিনামূল্যের বই পেয়ে খুশি হওয়ার আগে দেখুন, ভিতরে কতটুকু ঈমান আছে


দেশের বর্তমান শিক্ষানীতি অনুযায়ী যে সকল পাঠ্যবই প্রণীত হয়েছে, সেখানে পড়ানো হচ্ছে এমন কিছু বিতর্কিত বিষয় পড়ানো হচ্ছে যেগুলো কোনোভাবেই ইসলাম সমর্থন করে না। বরং ওই সকল পাঠবইয়ের গল্প, কবিতা, রচনাগুলো মুসলমানদের ঈমান ও মুসলমানিত্বকেই বিনষ্ট করে দিচ্ছে। পাঠ্যবইগুলোর অর্ন্তভুক্ত রচনা,

উন্নয়নের নামে মন্দির ভাঙ্গবেন না, তবে মসজিদ ভাঙ্গবেন! এটা কোন ধরণের জুলুম?


ইদানিং কথিত সৌন্দর্য বর্ধন ও উন্নয়নের নামে ঢাকার চারপাশে নদীকেন্দ্রীক ৭৭টি মহাসম্মানিত মসজিদসহ সারা দেশে বহু মসজিদ-মাদরাসা ভেঙ্গে দেয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছে সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা একটি কুচক্রী মহল। তবে এমন পরিস্থিতিতে সরকার সম্পূর্ণ নিরব তো বটেই; খোদ নৌসচিব

একটি ইতিহাস বিশ্লেষণ: মূর্তি দ্বারা মুসলিম উচ্ছেদই হলো বাবরি মসজিদের শাহাদাতের শিক্ষা, যা এখনও মুসলমানরা অনুধাবন করতে পারছে না


বাবরি মসজিদ ধ্বংস ও তৎপরবর্তী যেসব ঘটনা, তার সূত্রপাত ঘটেছিল ১৯৪৯ সালের একটি রহস্যজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ঐ বছরের ডিসেম্বর মাসে কোনো এক মধ্যরাতে বাবরি মসজিদের মিহরাবের মধ্যে কল্পিত শিশু রামের একটি মূর্তি রেখে আসা হয়। সকালে রটিয়ে দেয়া হয় যে,

খ্রিস্টান পাদ্রী মেকলের বক্তব্য: মুসলমানদের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধবংস করার মাধ্যমেই তাদেরকে গোলামের জাতিতে পরিণত করা সম্ভব (নাউযুবিল্লাহ!)


বলা হয়ে থাকে, ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড-’। কথাটি কাফির-মুশরিকরা যতোটা বুঝতে পারে, মুসলমানরা তার কিয়দংশও বুঝতে পারে না। যে কারণে ব্রিটিশরা ভারতবর্ষের মুসলমানদের মেরুদ-স্বরূপ যে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা, তাকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। এর ফলেই ব্রিটিশরা ১৯০ বছর তাদের শাসন জারি রাখতে পেরেছিল এবং

এক স্বঘোষিত ঈমানহারা, বেঈমানের মুখোশ উন্মোচন


‘অসীম ইলম মুবারক উনার অধিকারী’ বিশ্বাস করলে বা বললে যদি ঈমানহারা হতে হয়, তাহলে আইনুল হুদা ওরফে আইনুশ শয়তান লা’নাতুল্লাহি আলাইহি সদরল আমিনকে মাওলানা বলে এবং মাদরাসা থেকে ফারেগ হওয়া ব্যক্তিদেরকে মাওলানা বলা জায়েয বলে, সে নিজেই ঈমানহারা হয়ে বেঈমান হয়ে

মুসলমানদের ইবাদত-বন্দেগী নষ্ট করতে চাঁদ নিয়ে ষড়যন্ত্র


সউদী সরকার তবৎড় সড়ড়হ অনুযায়ী নতুন চন্দ্রমাস শুরু করে, যা শরীয়তসম্মত নয়। কারণ শরীয়তে চাঁদ চাক্ষুষ দেখা শর্ত। মূলত, Zero moon অনুযায়ী সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার চন্দ্র তারিখ ঘোষণা করার করণে এই তারিখ অনুযায়ী কেউ যদি রোযা শুরু করে, তবে যে

চাঁদ দেখতে আধুনিক যন্ত্র কিনবে সরকার! একটি লোক দেখানো বাগাড়ম্বরপূর্ণ সিদ্ধান্ত


এবার ঈদুল ফিতরের আগে অর্থাৎ শাওওয়াল মাসের চাঁদ দেখা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হওয়ায় নাকি এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিগত বহু বছর ধরে ইফার চাঁদ দেখা কমিটি যে চাঁদের সিদ্ধান্ত দিয়ে আসছে তার অধিকাংশই সঠিক ছিল। বিচ্ছিন্ন যে কয়টি রিপোর্টে অসঙ্গতি ছিল

স্বাধীনভাবে যদি দ্বীন ইসলামই পালন করা না যায়, তাহলে কি প্রয়োজন এই বাংলাদেশ নামক স্বাধীন ভূ-খণ্ডের?


বাংলাদেশ কেন স্বাধীন হলো? এর উত্তরে অনেকেই অনেক কিছু বলতে পারে, কিন্তু সঠিক উত্তর হলো- বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে সঠিকভাবে দ্বীন ইসলাম পালনের জন্য। যদি কেউ বলে যে, স্বাধীনতা এসেছে পূজা-অর্চনার জন্য, সংগীত গাওয়ার জন্য, পহেলা বৈশাখ উদযাপনের জন্য, তাহলে বলতে হবে-

“মসজিদ ভাঙ্গিয়া মন্দির গড়িব”- এটিই বিধর্মীদের জাতিগত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য


“কেহ চিৎকার করিতে লাগিল, “মার, মার নেড়ে মার।” কেহ গাহিল, “হরে মুরারে মধুকৈটভারে!” কেহ গাহিল, “বন্দে মাতরম।” কেহ বলে, “ভাই, এমন দিন কি হইবে, মসজিদ ভাঙ্গিয়া রাধামাধবের মন্দির গড়িব?” (আনন্দমঠ, তৃতীয় খণ্ড-, অষ্টম পরিচ্ছেদ) ‘আনন্দমঠ’কে বলা হয় বিধর্মীদের পলিটিক্যাল ডকট্রিন। আজকের

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘সংস্কৃতি চর্চার’ নামে ‘হারাম কার্যক্রম’ হিতে বিপরীত হবে


শিক্ষার্থীদেরকে সন্ত্রাসবাদ বিমুখ করার লক্ষ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (হারাম) সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়ানো হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে সরকার। কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্ত প্রকৃতপক্ষে বাস্তবসম্মত নয়, বরং বাস্তবতার নীরিখে হওয়া উচিত ছিলো বিপরীত। অর্থাৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ দেশের সর্বস্তরে সংস্কৃতির নামে হারাম কর্মকা- তুলে দিয়ে সঠিক