Archive for the ‘ষড়যন্ত্র’ Category

আজকের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কেমন জাতি গঠন করতে চায়?


শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড- শিক্ষার গুরুত্ব বুঝানোর জন্য এই কথাটিই সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ যে জাতি যতবেশী শিক্ষিত সে জাতি ততবেশী দৃঢ় মেরুদন্ডের অধিকারী। মেরুদন্ডের ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশী জানি যে দেহের আকৃতি ধরে রাখার জন্য মেরুদন্ডের কোন বিকল্প নেই। কিন্তু আমরা

হিন্দুদের প্যাঁনপ্যানানিই হিন্দুদের শক্তির উৎস


গত এক দশক ধরে বাংলাদেশে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে হিন্দুরা। সরকার ও প্রশাসন উভয়ই হিন্দুদের তোয়াজ করতে ব্যস্ত। এরই সাইড ইফেক্ট গিয়ে পড়েছে মুসলমানদের উপর। দেশের মোট জনসংখ্যার ৯৫% এর বেশী হয়েও মুসলমানরা আজকে অবহেলিত, নির্যাতিত। হঠাৎ করে এমন কোন সিক্রেট ফর্মূলা পেয়ে গেল হিন্দুরা যার বদৌলতে

গোল্ডেন রাইসের অবতারণা


বাংলাদেশে ২০১৮ অর্থাৎ এবছরই বাণিজ্যিকভাবে জেনেটিক্যালি মোডিফাইড ধান “গোল্ডেন রাইস” উৎপাদন শুরু হবে। এ নিয়ে দেশব্যাপী বিতর্কের শেষ নেই। সবাই একে প্রাণঘাতী, সর্বনাশা, ষড়যন্ত্রের ফসল ইত্যাদি নামে আখ্যা দিচ্ছেন। কিন্তু কিভাবে এই গোল্ডেন রাইসের উৎপত্তি হলো আর কিভাবে সেটা আমাদের দেশে পৌঁছালো সেটা

আসল সন্ত্রাসী কারা? মুসলমানরা, নাকি কাফিররা?


১. হিটলার ১ কোটি ১০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিলো। সে কিন্তু মুসলিম ছিলো না, ছিলো খ্রিস্টান। ২. জোসেফ স্টালিন ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও মুসলমান ছিলো না। নাস্তিক দাবি করতো। ৩. মাওসেতুং দেড় থেকে ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও

মুনাফিক ধ্বংসের জন্য বদ-দোয়া করুন প্রতিনিয়ত


হে দেশপ্রেমিক মুসলমান! নিজের প্রিয় দ্বীন- পবিত্র ইসলামের অস্তিত্ব রক্ষায় সবাই মহান আল্লাহ পাকের শাহী দরবারে হাত তুলুন- গুমরাহ শাসক, মুনাফিক, ধর্মব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে। গুমরাহ শাসক ও মুনাফিকরা এবার দেশের মাদরাসা শিক্ষা থেকে ‘জিহাদ বিষয়ক অধ্যায়’ বাদ দিয়ে ২০১৮ সালের বই ছাপাচ্ছে।

রকেট/ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে পথপ্রদর্শক টিপু সুলতান। পরে ওই প্রযুক্তিই গ্রহণ করে ইউরোপীয়রা


মহীশূরের মহান মুসলিম শাসক ও বৈজ্ঞানিক টিপু সুলতানের প্রশংসা করে উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুদের তোপের মুখে ভারতের রাষ্ট্রপতি। যা ভারতীয় অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মনিরপেক্ষতার ‘উজ্জ্বল’ দৃষ্টান্ত। কিন্তু কথায় বলে- ‘সত্য চেপে রাখা যায় না’। উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দুরা যতই হিংসা প্রকাশ করুক সত্য প্রকাশ হবেই

খেলাধুলা ও যৌনতা পরিপূরক


ক্রিকেট-ফুটবলারদের (অর্থাৎ খেলোয়ারদের) যৌন কুকীর্তি নতুন কিছু নয়৷ ফুটবল/ক্রিকেট আর যৌনতা যেন সেলিব্রিটি খেলোয়াড়দের জীবনে আষ্টেপিষ্টে জড়িয়ে রয়েছে৷ পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, যে প্লেয়ার যত বড়, তার যৌন কুকীর্তি ততটাই বেশি৷ ফুটবল-ক্রিকেট সংস্কৃতির (অর্থাৎ খেলাধুলার) সঙ্গে যেন পরিপূরক হয়ে গিয়েছে খোলোয়ারদের

যেভাবে হাতছাড়া স্বাধীন আরাকান


========== আজকের নির্যাতিত আরাকানের মুসলমানদের রয়েছে গৌরবময় অতীত। একসময় আরাকান রাজ্যের রাজা বৌদ্ধ হলেও সে মুসলমান উপাধি গ্রহণ করতো। তার মুদ্রায় ফারসি ভাষায় লেখা থাকত কালেমা শরীফ।   আরাকান রাজদরবারে কাজ করতেন অনেক বাঙালি মুসলমান। বাংলার সঙ্গে আরাকানের ছিল গভীর রাজনৈতিক

কুরবানি নিয়ে চক্রান্ত বন্ধ করুন!!!


আসুন আমরা বন্যাকবলিত এলাকায় যারা গরিব,দুখী আছেন,না খেয়ে জীবন যাপন করছেন।তাদের পাশে দাঁড়াই।আমরা তাদের জন্য নিজস্ব তহবিল থেকে চাল,ভাত,মাছ,গোশত,ডাল,দুধ,ঔষধ,কাপড়-চোপড়,স্যালাইন,বিশুদ্ধ পানি,চিড়া,মুড়ি,গুড়,চিনি ইত্যাদি জিনিস খাবারের উপযুক্ত করে তাদের কাছে পৌঁছে দিই।তারা যেন কোন কষ্টট ছাড়াই খাবার গুলো গ্রহণ করতে পারে। কেননা,আমরা যদি তাদেরকে

প্রাসঙ্গিক ভাবনা- ইসলামী সভ্যতা


(বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রিধারী যেসব জাহেল গোষ্ঠী জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-সভ্যতা সব কিছুতেই পশ্চিমা কাফিরদেরকে গুরু মানে তাদের বোধোদয়ের জন্য) ============ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে HP (Hewlett-Packard Company)-এর তৎকালীন CEO কার্লি ফিওরিনা (Carly Fiorina) মোটিভেশনাল স্পীচ দিয়েছিল। ২০০৫ সাল পর্যন্ত ফিওরিনা ছিলো Fortune 500 কোম্পানির

পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র


রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম-্এর দেশের সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তারা ইহুদী, মুশরিক, নাছারা অর্থাৎ বেদ্বীন-বদদ্বীনদের সুস্পষ্ট প্ররোচনায় ও উস্কানীতেই মুসলমানদের ওয়াজিব ইবাদত- পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। নাউযুবিল্লাহ! পবিত্র কুরবানীর বিরোধী একটি মহল অপপ্রচার করছে যে- ‘পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের কারণে যানজট সৃষ্টি

বিয়ে ও কুরবানীর পশু জবাইকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ করা প্রসঙ্গে !


কে কোন বয়সে বিয়ে করবে, কোন বয়স থেকে জবাই করবে ইত্যাদি আরো অনেক বিষয়েই এখন সিদ্ধান্ত দেয়া শুরু করেছে আ’লীগ সরকার। ভাবখানা এমন যেন- তাদের উপরও ওহী নাযিল হওয়া শুরু হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! নচেৎ বিয়ের বয়সের ক্ষেত্রে, জবাইকারীর বয়সের ক্ষেত্রে যেখানে ইসলামী