Archive for the ‘সমসাময়িক’ Category

নানা প্রলোভনে উত্তরাঞ্চল এবং পার্বত্যাঞ্চলের জনগোষ্ঠীকে খ্রিষ্টান বানাচ্ছে বৈদেশিক বিভিন্ন এনজিও।


বাংলাদেশে খ্রিষ্টান জনগোষ্ঠী বৃদ্ধি করে আলাদা খ্রিষ্টান রাষ্ট্র তৈরীর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে এনজিওগুলো। বিষয়টি অদূর ভবিষ্যতে গভীর শঙ্কার। রহস্যজনক কারণে নীরব সরকার। —————- একদিকে উত্তরাঞ্চল অপরদিকে পার্বত্য এলাকাকে ঘিরে এনজিও এবং আন্তর্জাতিক খ্রিস্টান লবি খ্রিস্টীয় সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ধর্ম প্রচারের লক্ষ্যে

‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ ঈমান ধ্বংসের একটি পাঁয়তারার নাম


সংবাদ মাধ্যমগুলো খ্রিস্টান, মুশরিকদের অনুষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশেও প্রচার-প্রসারে উঠেপড়ে লেগেছে। কথিত ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ হচ্ছে সে রকম নোংরা অপসংস্কৃতির আরেকটি নাম। এদেশে তথাকথিত ভালোবাসা দিবস প্রচলনকারী হলো- কাট্টা ইসলামবিদ্বেষী ও নাস্তিক ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকার প্রাক্তন মালিক শফিক রেহমান। সে ‘যায়যায়দিন পত্রিকার মাধ্যমে ১৯৯৩ সালে

“হিন্দু পুলিশ ডি চরম খারাপ”


গুরুত্বপূর্ণ  কাজে গিয়েছিলাম শরীয়তপুর নড়িয়ায়৷কাজ শেষে যখন নড়িয়া থেকে ভোজেশ্বর ফিরে আসছিলাম তখন একটি অটোতে উঠলাম৷ বসেছি সামনের সিটে ড্রাইভারের পাশেই৷ আমি স্বভাবতই গাড়িতে উঠলে চুপ করে থাকতে পারি না৷যাকে পাশে পাই তার সাথেই গল্প জোড়ে দেই৷আমার পাশে বসা ড্রাইভারের সাথেই

যেভাবে হাতছাড়া স্বাধীন আরাকান


========== আজকের নির্যাতিত আরাকানের মুসলমানদের রয়েছে গৌরবময় অতীত। একসময় আরাকান রাজ্যের রাজা বৌদ্ধ হলেও সে মুসলমান উপাধি গ্রহণ করতো। তার মুদ্রায় ফারসি ভাষায় লেখা থাকত কালেমা শরীফ।   আরাকান রাজদরবারে কাজ করতেন অনেক বাঙালি মুসলমান। বাংলার সঙ্গে আরাকানের ছিল গভীর রাজনৈতিক

পরকীয়ার পেছনের কথা…


অনেকদিন থেকেই লিখবো ভাবছিলাম…আজ সুযোগ হলো… সব মানুষই সুখের অন্বেষণে থাকে। কারো দুটো কথা আরেকজনের সাথে শেয়ার করার মধ্যেই সুখ, কারো আরেকজনের সাথে দিন কাটাতে সুখ, কারো গল্পে,আড্ডায় সুখ… এই মানুষগুলা যখন স্বাভাবিক জীবনের নানামুখী ব্যস্ততায় বিভিন্ন ধরণের অসুখী কর্মকান্ডের সম্মুখীন

প্রাসঙ্গিক ভাবনা- ইসলামী সভ্যতা


(বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রিধারী যেসব জাহেল গোষ্ঠী জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-সভ্যতা সব কিছুতেই পশ্চিমা কাফিরদেরকে গুরু মানে তাদের বোধোদয়ের জন্য) ============ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে HP (Hewlett-Packard Company)-এর তৎকালীন CEO কার্লি ফিওরিনা (Carly Fiorina) মোটিভেশনাল স্পীচ দিয়েছিল। ২০০৫ সাল পর্যন্ত ফিওরিনা ছিলো Fortune 500 কোম্পানির

মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় সেনা বাহিনীর লুটপাটের ইতিহাস ও সাহায্যের স্বরূপ


(সঙ্কলিত পোস্ট)- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তি বাহিনী যখন দেশের ৯৫-৯৯ শতাংশ অঞ্চল মুক্ত করে ফেলেছিল, ঠিক তখন ৩রা ডিসেম্বর ভারতীয় আরদালী বাহিনী লুটপাট করার জন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তারা ১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ জুড়ে নজির বিহীন লুটপাট চালিয়েছিলো। ৯৩ হাজার

যাকাত দেয়ার একমাত্র প্রতিষ্ঠান পবিত্র ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ’


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমরা নেকী ও পরহেজগারীতে সাহায্য-সহযোগিতা করো, পাপ ও শত্রুতার মধ্যে সহযোগিতা করো না।” মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শুদ্ধভাবে পবিত্র যাকাতসহ

পহেলা মে: ইহুদী-নাছারাদের একটি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা তোমাদের রব উনার হুকুম বা আদেশের প্রতি দৃঢ় থাকো। কোনো অবস্থাতেই গুনাহগার ও কাফিরদের অনুসরণ করো না।’ ‘পহেলা মে’ আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালিত হওয়ার নেপথ্যেও রয়েছে এই ইহুদী-নাছারা ও মুশরিকদের সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র।

কথিত মে দিবস বা তথাকথিত শ্রমিক দিবস আদৌ শ্রমিক স্বার্থ সংরক্ষণ করেনি বা করতে পারেনি এবং পারবেও না


পবিত্র দ্বীন ইসলাম মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে একমাত্র মনোনীত দ্বীন। আর পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে কখনো বিজাতীয় নিয়মনীতি, তর্জ-তরীক্বার কোনোরূপ স্থান নেই। বিধায় মুসলমানগণ কখনো বিজাতীয় রীতিনীতি, তর্জ-তরীক্বায় ১লা মে দিবস বা তথাকথিত শ্রমিক দিবস পালনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ

নারীজাতিরা আজ সমঅধিকারের নামে যে রাস্তায় বেরিয়ে পড়ছে, সাইয়িদাতুন নিসা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনিই একমাত্র জানিয়ে দিচ্ছেন বুঝিয়ে দিচ্ছেন নারী পুরুষ কখনো এক হতে পারেনাঃ


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমরা যদি নিয়ামত উনার শুকরিয়া কর তাহলে নিয়ামত উনাকে বৃদ্ধি করে দেয়া হবে।” সুবহানাল্লাহ! আর মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে সমস্ত কায়িনাতবাসীর জন্য অন্যতম মহান নিয়ামত হলেন

হাক্বীকি পর্দা করা ফরয, অথচ এসম্পর্কে মুসলিম জাতি বড়ই বেখবর।


অ‌নেক ম‌হিলা এমন আ‌ছে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ প‌ড়ে রোযা রা‌খে এমন কি অ‌নেক নফল ইবাদত ক‌রে থা‌কে, কিন্তু পর্দা‌কে কোন গুরুত্ব ও দেয়না।এর ম‌ধ্যে অ‌নে‌কে বোরকা প‌ড়েনা অ‌নে‌কে বোরকা প‌ড়ে ও বোরকা না পড়ার সমান। কারন এই বোরকা‌তে তা‌দের ব‌ডির আকৃ‌তি