Archive for the ‘সাহিত্য’ Category

“সুলতা বনাম বনলতা সেন”


   একটি তুলনামূলক কাব্য বিশ্লেষণ —ডঃ সৈয়দ এস আর কাশফি   কবি শফিকুল ইসলামের কবিতায় তার কাব্য প্রেয়সী সুলতার যে নান্দনিক ও শৈল্পিক সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া যায় তা সামগ্রিক ও কাব্যময়। কবি জীবনানন্দ দাসের বনলতা সেনের মতো কোন খন্ড চিত্রকল্প নহে।

এদেশের মুসলমানরা আর কতদিন হিন্দুঘেঁষা মিডিয়ার (দালাল সাংবাদিকদের) তৈরি রবীন্দ্র ঠগীয় গোলকধাঁধাঁয় ঘুরপাক খাবে?


রবীন্দ্র ঠগ ব্রিটিশদের সহযোগী দালাল ছিল, যা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু যা অধিকাংশ লোকই জানে না, তা হলো- ব্রিটিশরা তাদের এই দালালটির খ্যাতি-বৃদ্ধির জন্য নিয়োগ করেছিল কিছু এজেন্ট তথা ভাড়াটে লেখকদের। সেসব সাদা চামড়ার এজেন্টরা রবীন্দ্রের নামে প্রচলিত ইংরেজি লেখাগুলো লিখে

মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দেশ


মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার মকবুল মুনাজাত শরীফ উনার বেমেছাল রূহানীয়ত সমৃদ্ধ রোব মুবারক উনার ফলেই খোদায়ী গযবে পর্যুদস্ত বিশ্বের সকল কাফির-মুশরিকের দেশ   যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালিতে গৃহহীনদের বস্তি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর

একটি মুসলিম রাষ্ট্রে পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে মুসলিম শিক্ষার্থীদের কী শেখানো হচ্ছে? পাঠ্যপুস্তকে নাম দিয়ে যা শেখানো হচ্ছে তা দিয়ে কি একজন মুসলিম শিশু আদৌ ঈমানদার থাকবে? ৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের দৃষ্টিতে কুফরী এই সিলেবাস আর কত দিন চলবে? এই কুফরী সিলেবাস অবিলম্বে পরিবর্তন চাই। পরিবর্তন করতে হবে…


বর্তমান শিক্ষা সিলেবাস তথা পাঠ্যপুস্তকে শিক্ষাদানের নামে কোমলমতি মুসলিম শিশু-কিশোরদের এমন সব বিষয় শেখানো হচ্ছে, যা সত্যিই বিষ্ময়কর। এসব বিষয় পড়ে কোমলমতি মুসলিম শিক্ষার্থীরা সঠিক আক্বীদা থেকে ভ্রষ্ট হচ্ছে, নষ্ট হচ্ছে ঈমান-আক্বীদা, যা ৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশে কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে

ক্ষণিকের মোহ জীবনকে পাল্টে দিতে যথেষ্ট এক অমানুষিক ধ্বংস লীলায়।


মোহ,যৌনতা,কৌতুহলতা,রাগ ; এসকল কিছুই মানুষের স্বাভাবিক সহজাত প্রবৃত্তি। তবে এই ক্ষণিকের মোহ জীবনকে পাল্টে দিতে যথেষ্ট এক অমানুষিক ধ্বংস লীলায়। যার পরিণতি ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের চেয়ে প্রকাণ্ড। তাই সবারই বুঝে শুনে চলা উচিৎ !”!

ফুলগুলো আমায় বললো, “বন্ধু তোমার ঘরের ফুলদানীতে মোদের শোভাপায়”।


একদিন এক ফুল বাগানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম হঠাৎ চোখে পড়লো একটি গাছের দিকে খুব সুন্দর সুন্দর ফুল ফুটে আছে। মনে হলো ফুলগুলো আমায় ডাকছে মিতালি করার জন্য। কাছে যেতেই ফুল পাপড়ি বুজে দিল, ভাবলাম আমায় দেখে লজ্জা! চেষ্টা করলাম একটি পাপড়ি

কুসংষ্কারাচ্ছন্ন সাহিত্যকে পাঠ্যপুস্তকে কেন? 


পাঠ্যপুস্তকে হিন্দু লেখকের অধিক্য কেন? বাংলা সাহিত্যে কি মুসলিম কবি-সাহিত্যিকের অভাব পড়েছে? বাংলাদেশে পাঠ্যপুস্তকে এত হিন্দু লেখকদের কবিতা-গল্প কেন ? এমন প্রশ্নের উত্তরে অনেকেই বলেন- “আরে বাংলা সাহিত্যে মুসলমানদের কোন কবি-লেখক আছে নাকি? বাংলা সাহিত্যের পুরোটাই তো হিন্দুদের অবদান। তাই বাংলা

ধর্মীয় শিক্ষা থেকে দূরে সরার পরিণতি: বাড়ছে বিয়ে বহির্ভূত গর্ভবতী ও ভ্রুণহত্যা


আল ইহছান ডেস্ক, নিজস্ব প্রতিবেদক; রমিজ-সুমনা (ছদ্মনাম) পরিবারের সম্মতি নিয়ে বিয়ে করবেন বলে ঠিক করেছেন। রমিজের পরিবার রাজি না হওয়ায় বিয়েটা পিছিয়ে যায়। ইতোমধ্যে সুমনা জানতে পারেন তিনি মা হতে চলেছেন। প্রথম তিন মাস রমিজের পরিবারকে রাজি করানোর অপেক্ষা এবং পরের

রবীন্দ্রপূজার দ্বারা বাঙালি সাহিত্যিকরা কিছুই অর্জন করতে পারেনি


বাংলাদেশে এই বছরের ফসলী সনের ২৫শে বৈশাখ অন্যান্য বছরের তুলনায় ভিন্নভাবে কেটেছে। কারণ সাভার ট্র্যাজেডির মতো ঘটনার কারণে রবীন্দ্রপূজার এই দিনটিতেও পত্রিকা এবং মিডিয়াতে রবীন্দ্র নিয়ে কোন উচ্ছাস দেখা যায়নি। বিএনপি এই দিনে হরতাল দিলেও সুশীল গংদের কেউ কোন উচ্চবাচ্য করেনি।

বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতি ও বাংলা ভাষার অস্তিত ও রক্ষা


১৯১১ সালের ৪ সেপ্টেম্বর কলকাতায় বাংলাভাষী মুসলিমদের সাহিত্য চর্চার স্বাধীন ক্ষেত্র সৃষ্টি ও বিকাশের জন্য কলকাতাবাসী বাঙ্গালী মুসলিমদের উদ্দেগ্যে “বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতি” গঠন হয় । কবি আবদুল করিম ছিলেন বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতির প্রথম সভাপতি ও ডক্টর মুহম্মদ শহীদুলাহ ছিলেন

আসুন এক নজরে দেখি- বাংলাদেশের পাঠ্যবই থেকে কি বাদ দেওয়া হলো এবং কি প্রবেশ করলো..


পাঠ্যপুস্তকে বাংলা বই থেকে বাদ দেওয়া হলো- ১)) ক্লাস-২: ‘সবাই মিলে করি কাজ’ – শিরোনামে মুসলমানদের শেষ নবীর সংক্ষিপ্ত জীবন চরিত। ২) ক্লাস-৩: ‘খলিফা হযরত আবু বকর’ শিরোনামে একটি সংক্ষিপ্ত জীবন চরিত। ৩) ক্লাস-৪: খলিফা হযরত ওমর এর সংক্ষিপ্ত জীবন চরিত।

হিন্দু কাকের কা কা


ঠিক বুঝলাম না , বাদশা আওরংগজেবের সময় নাকি গরু যবেহ নিষেধ ছিল আর সেই আইন এখন চাচ্ছে কথিত হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র শাখা। তাও বাংলাদেশে। তাহলেতো মুসলমানদেরকে আবারও এই উপমহাদেশের শাসন ব্যবস্থা ফিরিয়ে দিতে হবে যেখানে হিন্দুরা মুসলমানদের পা