Archive for the ‘সিলেবাস’ Category

আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস ও বাংলাদেশে আরবী চর্চা


১৮ ডিসেম্বর পালিত হলো আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস। ১৯৭৩ সালের এদিনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ২৮তম অধিবেশনে ৩১৯০নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক আরবীকে জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ১৯০তম অধিবেশনে ১৮ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস হিসেবে

৯৮ ভাগ মুসলমানের পাঠ্যপুস্ত ইসলামী শিক্ষার বিপরীতে নাস্তিক্যবাদের শিক্ষায় পরিপূর্ণ!


বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ। কারণ এদেশের মোট জনগোষ্ঠীর ৯৮ ভাগ মুসলমান। এছাড়া আমাদের রাষ্ট্রধর্মও ইসলাম। আমাদের সংবিধানে ধর্ম হিসেবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে এবং সম্প্রদায় হিসেবে মুসলিম সম্প্রদায়কে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। যেহেতু বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক দেশ এবং গণতন্ত্রে অধিকাংশ জনগোষ্ঠীর

এই শিক্ষানীতি মুসলমানদের হতে পারে না!!


  পাঠ্যবইগুলোতে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী অর্থাৎ ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে আলোচনা নেই কেন? আমাদের এই দেশের বইগুলোতে খিস্টানদের ক্রিসমাস ডে’র কথা আছে, হিন্দু-মুশরিকদের পহেলা বৈশাখের কথা আছে, পূজার কথা আছে, বৌদ্ধদের পালিত দিবসের আলোচনা আছে।

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরী! আপনি কি জানেন- পাঠ্যবইগুলোর কারণেই আপনার সন্তান ইসলামবিমুখ হচ্ছে


বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য হলো- -বইগুলোতে হিন্দু কবি-সাহিত্যিকদের লেখা কবিতা, গল্প, রচনাকে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে -তাছাড়া অহিন্দু যেসব লেখক রয়েছে তারাও কেউ নাস্তিক, কেউ নাট্যকার-অভিনেতা, কেউ ছবি-মূর্তির শিল্পী। অর্থাৎ যারা ইসলামবিমুখ তাদের লেখাকেই সিলেবাসে গুরুত্ব সহকারে অন্তর্ভুক্ত

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন অত্যন্ত জরুরী! আপনি কি জানেন- পাঠ্যবইগুলোর কারণেই আপনার সন্তান ইসলামবিমুখ হচ্ছে


বর্তমানে আমাদের দেশের পাঠ্যবইগুলোর বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য হলো- -বইগুলোতে হিন্দু কবি-সাহিত্যিকদের লেখা কবিতা, গল্প, রচনাকে গুরুত্বসহকারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে -তাছাড়া অহিন্দু যেসব লেখক রয়েছে তারাও কেউ নাস্তিক, কেউ নাট্যকার-অভিনেতা, কেউ ছবি-মূর্তির শিল্পী। অর্থাৎ যারা ইসলামবিমুখ তাদের লেখাকেই সিলেবাসে গুরুত্ব সহকারে অন্তর্ভুক্ত

সরকারকে অবিলম্বে ইসলামবিরোধী এ শিক্ষানীতি পরিবর্তন করতে হবে।


শিক্ষা একটি জাতির জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর বিষয়। শিক্ষানীতির সঙ্গে এদেশের ৯৯ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান উনাদের ভবিষ্যৎ জড়িত। এ কারণেই শিক্ষানীতি আইন প্রণয়নের সময় ব্যক্তি বা দলীয় চিন্তা ও দৃষ্টিভঙ্গির বিপরীতে এদেশের ৯৯ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমান উনাদের চিন্তা চেতনা, আস্থা

একটি মুসলিম রাষ্ট্রে পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে মুসলিম শিক্ষার্থীদের কী শেখানো হচ্ছে? পাঠ্যপুস্তকে নাম দিয়ে যা শেখানো হচ্ছে তা দিয়ে কি একজন মুসলিম শিশু আদৌ ঈমানদার থাকবে? ৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের দৃষ্টিতে কুফরী এই সিলেবাস আর কত দিন চলবে? এই কুফরী সিলেবাস অবিলম্বে পরিবর্তন চাই। পরিবর্তন করতে হবে…


বর্তমান শিক্ষা সিলেবাস তথা পাঠ্যপুস্তকে শিক্ষাদানের নামে কোমলমতি মুসলিম শিশু-কিশোরদের এমন সব বিষয় শেখানো হচ্ছে, যা সত্যিই বিষ্ময়কর। এসব বিষয় পড়ে কোমলমতি মুসলিম শিক্ষার্থীরা সঠিক আক্বীদা থেকে ভ্রষ্ট হচ্ছে, নষ্ট হচ্ছে ঈমান-আক্বীদা, যা ৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত দেশে কখনোই গ্রহণযোগ্য হতে পারে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , আপনি দুই হাত তুলে আল্লাহ্‌র কাছে মুনাজাত করেন !


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , আপনি দুই হাত তুলে আল্লাহ্‌র কাছে মুনাজাত করেন ! আর আপনার সরকারের সিলেবাসের বইয়ে কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের হিন্দুদের দেবী অন্নপূর্ণার কাছে প্রার্থনা করতে শিখায় কেন ? বর্তমান সিলেবাসে নবম-দশম শ্রেণীর বইয়ে প্রবেশে করেছে ‘আমার সন্তান’ নামক একটি কবিতা। কবিতাটি

সুমহান ও বরকতময় ১৫ শা’বান শরীফ সম্পর্কে মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম-উনার ক্বওল শরীফ


 নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ সুমহান ও বরকতময় ১৫ শা’বান শরীফ- ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু

কবে উঠবে সেই দিগন্তের সূ্র্য যেদিন সঠিক আক্কীদা ভূক্ত সিলেবাস দ্বারা পাঠ্যপুস্তকে শিক্ষাদান করা হবে ।


বর্তমান শিক্ষা সিলেবাস  তথা পাঠ্যপুস্তকে শিক্ষাদানের নামে কোমলমতি মুসলিম শিশু-কিশোরদের এমন সব বিষয় শেখানো হচ্ছে, যা সত্যিই বিষ্ময়কর। এসব বিষয় পড়ে   কোমলমতি মুসলিম শিক্ষার্থীরা সঠিক আক্বীদা থেকে ভ্রষ্ট হচ্ছে, নষ্ট হচ্ছে ঈমান-আক্বীদা।  একটি মুসলিম রাষ্ট্রে  পাঠ্যপুস্তকের মাধ্যমে মুসলিম শিক্ষার্থীদের কী শেখানো

ষষ্ঠ শ্রেণীর ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বইয়ে কোরআন হাদীসের আরবী বানান লিখতে ৫৮টি ভুল


ষষ্ঠ শ্রেণীর ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বইয়ে কোরআন হাদীসের আরবী বানান লিখতে ৫৮টি ভুল, একথা শোনার পর এনসিটিবির প্রধান সম্পাদক প্রীতিশকুমার সরকার দায়ি করেছে স্কুলের ইসলাম ধর্ম শিক্ষকদের। তার কথা হচ্ছে, এতদিন ধরে বইয়ে ভুল ছিলো, কিন্তু শিক্ষকরা কেন সেটা ধরিয়ে

“আমার চোখের সামনে আমার মেয়ে বড় হচ্ছে,


নাস্তিক লুচ্চা হুমায়ূন আযাদ তাঁর এক বইতে লিখেছে, “আমার চোখের সামনে আমার মেয়ে বড় হচ্ছে, কিন্তু সামাজিক নিয়মের বেড়াজালে আমার হাত-পা বাঁধা”। বাংলাদেশে কিছু নাম করা জঘন্য ব্যক্তি আছে যারা পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট। তাদের মধ্যে একজনের নাম হচ্ছে হুমায়ুন আযাদ ।