Archive for the ‘হিন্দু’ Category

টাইম বোমার মতোই সুপ্ত বিপদ- আমাদের প্রতিবেশী বন্ধুবেশী বিধর্মী সম্প্রদায়


অন্যান্য দিনের মতোই ভারতের বোম্বের এক সকাল। এক বিধর্মী নাপিত তার দোকানের ঝাঁপ খুলে চুল কাটার জিনিসপত্র ঠিকঠাক করছে। এর মধ্যেই দোকানে এসে হাজির হলো এলাকার এক মুসলিম যুবক। পরিচিত সেই মুসলিম যুবকের সাথে বিধর্মী নাপিতটি খুব খোশগল্প ও হাসিঠাট্টা করতে

মুশরিক পূজারীদের ছায়া থেকে সরকারি আমলাদের সরে আসতে হবে


-বছর বছর যেখানে পূজামণ্ডপ বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেখানে বছর বছর কুরবানীর পশুর হাট কমানো হচ্ছে। -স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জাতীয় প্রতিষ্ঠানে পূজার আয়োজন হচ্ছে, অথচ কুরবানীর পশুর হাটগুলোকে শহরের বাইরে জনমানবহীন প্রান্তরে নেয়া হচ্ছে। -রথযাত্রা-পূজার নামে, অমঙ্গল যাত্রার নামে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোকে

সাবধান! আপনার সন্তানকেও দূরে রাখুন- পূজার মূর্তি দেখলে সন্তানের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে


অমুসলিমরা এক সময় তাদের নির্দিষ্ট মন্দিরে পূজা করলেও ইদানীং তাদেরকে বিভিন্ন রাস্তাঘাটে অলিগলিতে, স্কুল-কলেজের মাঠে ও বাজারে প্রকাশ্যে পূজামন্ডপ করতে দেখা যায়। যে কারণে দেখা যায় ইচ্ছা-অনিচ্ছায় মুসলমানদের অনেকেই সে সব পুজামন্ডপে যায়। এমনকি অনেকে তাদের শিশুদেরও সেখানে নিয়ে যায়। অথবা

মুসলমানদের ঈমানী পরিবেশ ও চেতনা রক্ষার্থে যত্রতত্র ও প্রকাশ্যে পূজা করা বন্ধ করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক বা অপবিত্র’। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮) বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান। এ দেশের রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম। এই ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত

পরিবেশ দূষণ ও নদীগুলোকে বাঁচাতে হলে অবশ্যই মূর্তি ডুবানো বন্ধ করতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই


প্রতিবছর বিধর্মীদের প্রতিমা বিসর্জনের নামে মূর্তি ডুবানোর ফলে একদিকে যেমন পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে অন্যদিকে নদীগুলো পড়ছে নাব্যতা সঙ্কটে। ভারতের মতো কট্টর বিধর্মীত্ববাদী দেশেও নদী বাঁচাতে গঙ্গাসহ বিভিন্ন নদীতে মূর্তি বিসর্জন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। খবরে এসছে, পানিতে দূষণ রোধ করতে ভারতের এলাহাবাদ

সম্প্রীতির নামে মূর্তিকে প্রশ্রয় দেয়া মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রুদের সাথে হাত মেলানোর শামিল


স্বয়ং যিনি মানবজাতির সৃষ্টিকর্তা, মহান প্রতিপালক আল্লাহ পাক তিনি নিজেই পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মানবজাতির সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও নাপাক শ্রেণীর পরিচয় প্রকাশ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২৮)

পূজা-উৎসবে যারা আনন্দ-উল্লাস করবে তারা কি করে মুসলমান দাবি করে?


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত কিতাব পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে কারা আল্লাহওয়ালা প্রকৃতির মানুষ আর কারা শয়তান প্রকৃতির মানুষ সেটা বর্ণনা করে দিয়েছেন। ঈমানদার-মুমিন উনাদের পরিচয় দিতে গিয়ে পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফ উনার ৬৩ নং

রবীন্দ্রদের যে চেহারা প্রকাশ করা হয় তা ব্রিটিশের বানানো


বাঙালিরা আবেগপ্রবণ, তাই বলা হয়- হুজুগে বাঙালি। মুসলমানগণ কি সঙ্কীর্ণমনা হিন্দুত্ববাদী কবি-সাহিত্যিকদের আসল রূপ চিনে? সত্যি চিনতে পারলে তাদের নিয়ে হৈ চৈ করার বদলে একরাশ ঘৃণা প্রকাশ করতো। বঙ্গভঙ্গ রোধে ব্রিটিশ পাচাটা রবীন্দ্র নামক কথিত ‘কবি’ ছিল অত্যন্ত সক্রিয়। বাংলা ভাগ

হিন্দুত্ববাদী বিজেপি নেতা: ‘কাশ্মীর যাও, সুন্দরীদের বিয়ে কর’


কাশ্মীরে গিয়ে সেখানকার সুন্দরী কাশ্মীরি মুসলিম তরুণীদের বিয়ের জন্য বিজেপির হিন্দু কর্মীদের পরামর্শ দিলো উত্তরপ্রদেশের বিজেপি দলীয় এক বিধায়ক। প্রদেশের মুজাফফরনগরে দলীয় সমাবেশে অংশ নিয়ে বিক্রম সাইনি বলেছে, সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল হওয়ায় এখন বিজেপির হিন্দু কর্মীরা কাশ্মীরি সুন্দরী তরুণীদের বিয়ে

ভারতের উগ্র মূর্তিপূজারী-বিধর্মীদের আস্ফালনের কারণেই তারা অতিসত্বর নিশ্চিহ্ন হবে ইনশাআল্লাহ


ভারতের উগ্র সাম্প্রদায়িক মূর্তিপূজারী-বিধর্মীরা নানাধরণের উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে বেড়াচ্ছে এবং নির্বাচনে মূর্তিপূজারী-বিধর্মীদের ভোট পাওয়ার লক্ষ্যে ভারতের মুসলমানদের উপর যুলুম-নির্যাতন সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তারই ধারাবাহিকতায়, বিশ্ব মূর্তিপূজারী-বিধর্মী পরিষদের নেতা প্রবীণ তোগাড়িয়া রাজকোটে একটি জনসভায় বলেছে, মূর্তিপূজারী-বিধর্মীপ্রধান এলাকা ছেড়ে মুসলমানদের চলে যেতে হবে।

মুলায়ম সিং এর ডিগবাজী এবং পুনরায় তথাকথিত “ভালো হিন্দু”দের মুখোশ উন্মোচন


গতকাল রাতে খবরে দেখলাম যে – উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও সমাজবাদী পার্টির নেতা মুলায়ম সিং নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসা করেছে এবং তাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চায়। তার এই বক্তব্যে বিষয়টি ছাপিয়ে গোটা উত্তরপ্রদেশে ছড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি।   এনডিটিভি লিঙ্ক –

পোলট্রি মুরগীর মতো মুসলমান !!!


আজ সকালে নিউজে দেখলাম – গত শনিবার রাতে আসামের তিনসুকিয়া জেলার ডুমডুমাতে ২ জন বাঙালী মুসলিমকে ( ইদ্রিস আলী ও শেখ মুহম্মদ) গলা কেটে খুন করেছে রাজু গোর নামে এক হিন্দু ( পদবী অনুযায়ী বোঝা যায় যে মারোয়াড়ী)। তাদের ২ জনকে