Archive for the ‘হিন্দু’ Category

মুলায়ম সিং এর ডিগবাজী এবং পুনরায় তথাকথিত “ভালো হিন্দু”দের মুখোশ উন্মোচন


গতকাল রাতে খবরে দেখলাম যে – উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও সমাজবাদী পার্টির নেতা মুলায়ম সিং নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসা করেছে এবং তাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চায়। তার এই বক্তব্যে বিষয়টি ছাপিয়ে গোটা উত্তরপ্রদেশে ছড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি।   এনডিটিভি লিঙ্ক –

পোলট্রি মুরগীর মতো মুসলমান !!!


আজ সকালে নিউজে দেখলাম – গত শনিবার রাতে আসামের তিনসুকিয়া জেলার ডুমডুমাতে ২ জন বাঙালী মুসলিমকে ( ইদ্রিস আলী ও শেখ মুহম্মদ) গলা কেটে খুন করেছে রাজু গোর নামে এক হিন্দু ( পদবী অনুযায়ী বোঝা যায় যে মারোয়াড়ী)। তাদের ২ জনকে

বয়লিং ফ্রগ সিনড্রোম ও মুসলিমদের প্রতিবাদহীনতা


একটা ব্যাঙকে যদি আপনি একটি পানি ভর্তি পাত্রে রাখেন এবং পাত্রটিকে উত্তপ্ত করতে থাকেন তবে ব্যাঙটি পানির তাপমাত্রার সাথে সাথে নিজের শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় রাখতে থাকে। ব্যাঙটি লাফ দিয়ে ওই পাত্র থেকে বেরোনোর পরিবর্তে পানির উত্তাপ সহ্য করতে থাকে।  

সাকরাইন পূজা: হিন্দুয়ানী অপসংস্কৃতির স্লো পয়জনিং


সাকরাইন উৎসব, মূলত পৌষসংক্রান্তি, ঘুড়ি উৎসব নামেও পরিচিত, বাংলাদেশে শীত মৌসুমের বাৎসরিক উদযাপন, ঘুড়ি উড়িয়ে পালন করা হয়। সংস্কৃত শব্দ ‘সংক্রান্তি’ ঢাকাইয়া অপভ্রংশে সাকরাইন রূপ নিয়েছে। পৌষ ও মাঘ মাসের সন্ধিক্ষণে, পৌষ মাসের শেষদিন সারা ভারতবর্ষে সংক্রান্তি হিসাবে উদযাপিত হয়। #মকর

মুসলমানরা তো হিন্দুদের খুশি করার জন্য দ্বীন ও ঈমান ত্যাগ করেছে, তবুও কি হিন্দুরা শত্রুতা করা ছেড়ে দিয়েছে ???


মুসলমানরা হিন্দুদের খুশি করতে তাদের ঈমান ও আমল সবকিছু ছেড়ে দিলেও হিন্দুরা কখনোই শত্রুতা করা বন্ধ করে নি, বরং তারা মুসলিম মুক্ত ভারত ও হিন্দু রাষ্ট্র ভারতের স্বপ্ন দেখেছে।   মুসলমানরা একে একে হিন্দুদের ধর্মীয় ও সামাজিক রীতি গ্রহণ করেছে ,

পিরিয়ডের সময় মেয়েদের বাড়ি থেকে বের করে দেয় হিন্দুরা


ভারতের সমস্ত রকম মিডিয়াতে একটি খবর এখন ভীষণভাবে প্রচারিত হয়, সেটা হল – কোর্টের রায় সত্বেও কেরালার শবরীমালা মন্দিরে পিরিয়ড হওয়ার বয়সী কোন মেয়েকে ঢুকতে দেওয়া হবে না।   এর কারণ কেউ খুঁজতে চেয়েছেন কি ?   আমি জানিয়ে দিই এর

আজকের শিক্ষা মন্ত্রণালয় কেমন জাতি গঠন করতে চায়?


শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড- শিক্ষার গুরুত্ব বুঝানোর জন্য এই কথাটিই সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ যে জাতি যতবেশী শিক্ষিত সে জাতি ততবেশী দৃঢ় মেরুদন্ডের অধিকারী। মেরুদন্ডের ব্যবহার সম্পর্কে আমরা সবাই কমবেশী জানি যে দেহের আকৃতি ধরে রাখার জন্য মেরুদন্ডের কোন বিকল্প নেই। কিন্তু আমরা

হিন্দুদের প্যাঁনপ্যানানিই হিন্দুদের শক্তির উৎস


গত এক দশক ধরে বাংলাদেশে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে হিন্দুরা। সরকার ও প্রশাসন উভয়ই হিন্দুদের তোয়াজ করতে ব্যস্ত। এরই সাইড ইফেক্ট গিয়ে পড়েছে মুসলমানদের উপর। দেশের মোট জনসংখ্যার ৯৫% এর বেশী হয়েও মুসলমানরা আজকে অবহেলিত, নির্যাতিত। হঠাৎ করে এমন কোন সিক্রেট ফর্মূলা পেয়ে গেল হিন্দুরা যার বদৌলতে

“হিন্দু পুলিশ ডি চরম খারাপ”


গুরুত্বপূর্ণ  কাজে গিয়েছিলাম শরীয়তপুর নড়িয়ায়৷কাজ শেষে যখন নড়িয়া থেকে ভোজেশ্বর ফিরে আসছিলাম তখন একটি অটোতে উঠলাম৷ বসেছি সামনের সিটে ড্রাইভারের পাশেই৷ আমি স্বভাবতই গাড়িতে উঠলে চুপ করে থাকতে পারি না৷যাকে পাশে পাই তার সাথেই গল্প জোড়ে দেই৷আমার পাশে বসা ড্রাইভারের সাথেই

৪৭-এ ভারত ভাগ- ভারতীয় মালউনদের বৈষম্য ও পীড়নের খন্ড চিত্র


সালাউদ্দিন আবু আসাদ। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে ছিল আসাদের বাড়ি। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান ভাগের পর আসাদ চলে আসেন তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে। দেশভাগের ৭০ বছর উপলক্ষে সালাউদ্দিন আবু আসাদের কথা। ১৯৪৬ সালের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে উগ্র হিন্দুদের সাম্প্রদায়িকতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। মুসলমানদেরকে সেখানে

আপনি জানেন কি “গাযওয়াতুল হিন্দ” কি? এর সম্পর্কে কে ভবিষ্যৎবানী করেছিলেন?


গাযওয়াতুল হিন্দ বা হিন্দুস্থানের যুদ্ধ হাদীস শরিফে বর্নিত আছে উগ্রবাদী, মৌলবাদী, হিন্দুদের ধ্বংসকারী গাযওয়াতুল হিন্দ অত্যাসন্ন ও অবশ্বাম্ভাবী। সারা পৃথিবীতে সবচে’ বড় জিহাদ যেটা হবে সেটা হবে হিন্দুস্তান তথা ভারতের মুশরিকদের সাথে। এই জিহাদে যাঁরা শরীক থাকবেন, উপস্থিত থাকবেন, অংশ গ্রহণ

সরকার সার্কুলার জারী করেছে সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মঙ্গলশোভাযাত্রার নামে হিন্দুদের পূজার অনুষ্ঠান করতে, নাউযু‌বিল্লাহ! নাউযু‌বিল্লাহ! নাউযু‌বিল্লাহ!


৯৮ভাগমুসলমা‌নের এই দেশের সরকার সাহস পেল কি করে সরকার সার্কুলার জারী করেছে সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মঙ্গলশোভাযাত্রার নামে হিন্দুদের পূজার অনুষ্ঠান করতে, নাউযু‌বিল্লাহ! নাউযু‌বিল্লাহ! নাউযু‌বিল্লাহ! মুসলমানরা কি সবাই সরকা‌রের ম‌তো হিন্দু হ‌য়ে‌ গে‌ছে? হিন্দু‌দের খু‌শি‌তে সরকার খু‌শি। হিন্দুদের কা‌ছে সরকা‌রের বি‌বেক