Archive for the ‘হিন্দু’ Category

সুন্নতি নালাইন ব্যবহার করা খাছ সুন্নত


সুন্নাতি নালাইন কাউকে হাদিয়া দেয়াও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত। হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু বর্ণনা করেন, হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দু’ফিতা বিশিষ্ট চামড়ার নালাইন শরীফ (স্যান্ডেল বা জুতা) পরিধান করতেন। (শামায়েলে তিরমিযী, জামউল ওসায়েল, আদাবুন নবী) অর্থাৎ

কাফিরদের শত্রু গন্য করতে হবে, বন্ধু নয়!


কাফিরদের শত্রু গন্য করতে হবে, বন্ধু নয়! ======== আমাদের মধ্যে জন্মগত অনেক মুসলমান রয়েছে। জন্মগত মুসলমান বলছি এ কারণে তারা শুধুমাত্র মুসলিম পিতা-মাতার ঘরে জন্মগ্রহণ করেছে। কুরআন শরীফ এবং হাদীছ শরীফ সম্পর্কে তাদের ন্যুনতম জ্ঞান নেই। কাফির-মুশরিকদের পক্ষ নিয়ে দীর্ঘক্ষণ তর্ক

বিধর্মী-মূর্তিপূজারীদের নামগুলো কি মানুষের নামের মতো শোনায়?


বিধর্মী-মূর্তিপূজারীপন্থী নাস্তিকগুলো মুসলমান বাঙালিদের নাম নিয়ে মাঝে মাঝে অপপ্রচার করে। তারা হিংসায় মরে যে, কেন মুসলমানরা আরবী-ফারসী নাম রাখে? জবাবে শুরুতে বলতে চাই, ‘বাঙালি নাম’ বলতে বিধর্মী-মূর্তিপূজারীরা যা বোঝায়, সেগুলো মূলত অর্ধ-তৎসম নাম। যেমন বৈষ্ণব থেকে বোষ্টম, কৃষ্ণ থেকে কেষ্ট এগুলো

হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে কটূক্তি -নাউযুবিল্লাহ


হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে কটূক্তি: বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের সাথে সংঘর্ষ -নিহত ৪, আহত শতাধিক ভোলায় মহান আল্লাহ পাক তিনি ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে এক হিন্দু

টাইম বোমার মতোই সুপ্ত বিপদ- আমাদের প্রতিবেশী বন্ধুবেশী বিধর্মী সম্প্রদায়


অন্যান্য দিনের মতোই ভারতের বোম্বের এক সকাল। এক বিধর্মী নাপিত তার দোকানের ঝাঁপ খুলে চুল কাটার জিনিসপত্র ঠিকঠাক করছে। এর মধ্যেই দোকানে এসে হাজির হলো এলাকার এক মুসলিম যুবক। পরিচিত সেই মুসলিম যুবকের সাথে বিধর্মী নাপিতটি খুব খোশগল্প ও হাসিঠাট্টা করতে

মুশরিক পূজারীদের ছায়া থেকে সরকারি আমলাদের সরে আসতে হবে


-বছর বছর যেখানে পূজামণ্ডপ বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেখানে বছর বছর কুরবানীর পশুর হাট কমানো হচ্ছে। -স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন জাতীয় প্রতিষ্ঠানে পূজার আয়োজন হচ্ছে, অথচ কুরবানীর পশুর হাটগুলোকে শহরের বাইরে জনমানবহীন প্রান্তরে নেয়া হচ্ছে। -রথযাত্রা-পূজার নামে, অমঙ্গল যাত্রার নামে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোকে

সাবধান! আপনার সন্তানকেও দূরে রাখুন- পূজার মূর্তি দেখলে সন্তানের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে


অমুসলিমরা এক সময় তাদের নির্দিষ্ট মন্দিরে পূজা করলেও ইদানীং তাদেরকে বিভিন্ন রাস্তাঘাটে অলিগলিতে, স্কুল-কলেজের মাঠে ও বাজারে প্রকাশ্যে পূজামন্ডপ করতে দেখা যায়। যে কারণে দেখা যায় ইচ্ছা-অনিচ্ছায় মুসলমানদের অনেকেই সে সব পুজামন্ডপে যায়। এমনকি অনেকে তাদের শিশুদেরও সেখানে নিয়ে যায়। অথবা

মুসলমানদের ঈমানী পরিবেশ ও চেতনা রক্ষার্থে যত্রতত্র ও প্রকাশ্যে পূজা করা বন্ধ করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক বা অপবিত্র’। (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ২৮) বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান। এ দেশের রাষ্ট্র দ্বীন ইসলাম। এই ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত

পরিবেশ দূষণ ও নদীগুলোকে বাঁচাতে হলে অবশ্যই মূর্তি ডুবানো বন্ধ করতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই


প্রতিবছর বিধর্মীদের প্রতিমা বিসর্জনের নামে মূর্তি ডুবানোর ফলে একদিকে যেমন পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে অন্যদিকে নদীগুলো পড়ছে নাব্যতা সঙ্কটে। ভারতের মতো কট্টর বিধর্মীত্ববাদী দেশেও নদী বাঁচাতে গঙ্গাসহ বিভিন্ন নদীতে মূর্তি বিসর্জন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। খবরে এসছে, পানিতে দূষণ রোধ করতে ভারতের এলাহাবাদ

সম্প্রীতির নামে মূর্তিকে প্রশ্রয় দেয়া মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রুদের সাথে হাত মেলানোর শামিল


স্বয়ং যিনি মানবজাতির সৃষ্টিকর্তা, মহান প্রতিপালক আল্লাহ পাক তিনি নিজেই পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মানবজাতির সবচেয়ে নিকৃষ্ট ও নাপাক শ্রেণীর পরিচয় প্রকাশ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২৮)

পূজা-উৎসবে যারা আনন্দ-উল্লাস করবে তারা কি করে মুসলমান দাবি করে?


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত কিতাব পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে কারা আল্লাহওয়ালা প্রকৃতির মানুষ আর কারা শয়তান প্রকৃতির মানুষ সেটা বর্ণনা করে দিয়েছেন। ঈমানদার-মুমিন উনাদের পরিচয় দিতে গিয়ে পবিত্র সূরা ইউনুস শরীফ উনার ৬৩ নং

রবীন্দ্রদের যে চেহারা প্রকাশ করা হয় তা ব্রিটিশের বানানো


বাঙালিরা আবেগপ্রবণ, তাই বলা হয়- হুজুগে বাঙালি। মুসলমানগণ কি সঙ্কীর্ণমনা হিন্দুত্ববাদী কবি-সাহিত্যিকদের আসল রূপ চিনে? সত্যি চিনতে পারলে তাদের নিয়ে হৈ চৈ করার বদলে একরাশ ঘৃণা প্রকাশ করতো। বঙ্গভঙ্গ রোধে ব্রিটিশ পাচাটা রবীন্দ্র নামক কথিত ‘কবি’ ছিল অত্যন্ত সক্রিয়। বাংলা ভাগ