Archive for the ‘হিন্দু’ Category

পবিত্র কুরবানীর বরকতময় রক্ত আরো বেশি প্রবাহিত হোক


পবিত্র কুরবানীর ঈদের দিন বৃষ্টির পানির সাথে কুরবানীর পশুর রক্ত প্রবাহিত হয়েছিলো শহরের অলিতে গলিতে, বিভিন্ন রাস্তায়। কিছু কুরবানীবিরোধী মিডিয়া ও কথিত পরিবেশবাদী এসব রাস্তার ছবি নিয়ে খুব হায় হুতাশ করেছে। ছবিগুলো সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেশ-বিদেশে ছড়িয়েছে। পক্ষে বিপক্ষে অনেক মন্তব্য

পহেলা বৈশাখ কোনো ইসলামী বা শরীয়তসম্মত উৎসব নয়, মুসলমানদের জন্য তা করা জায়িয নেই


বর্তমানে বাংলাদেশে ৯৮% মুসলমান রয়েছে। অথচ মুসলমানদের ঘরে ঘরে পালন হয় পহেলা বৈশাখ। প্রশ্ন হচ্ছে- পহেলা বৈশাখ কি? এটা কি কোনো ইসলামী বা শরীয়তসম্মত উৎসব? না, এটা কোনো শরীয়তসম্মত উৎসব নয়। এটা একটি বিধর্মীয় কুপ্রথা বা উৎসব। তাহলে কেন মুসলমারা এই

ঈদ মোবারক…ঈদ মোবারক…ঈদ মোবারক…


সবুজ বাংলা ব্লগের সকল সম্মানিত এডমিন, ব্লগার ও পাঠক সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক। ঈদুল আদ্বহা মোবারক।

শেষ মুঘল বাদশাহ বাহাদুর শাহ জাফর থেকে ইন্দিরা গান্ধী: যে কোন শাসকগোষ্ঠীর নির্বংশ হওয়ার জন্য কুরবানীর বিরোধিতা করাটাই যথেষ্ট। তা সেই শাসক যতোই শক্তিশালী হোক না কেন, যতোই নিজেকে মুসলমান দাবি করুক না কেন। (২) -গোলাম মুর্শিদ


    আমাদের পাক-ভারত উপমহাদেশে এমন বহু শাসক রয়েছে, যাদের পতন হয়েছে কুরবানীর বিরোধিতা করার কারণে। গরু কুরবানীর বিরোধী শাসকদের মধ্যে হিন্দু যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে ‘উলামায়ে সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারা বিভ্রান্ত মুসলমান শাসকগোষ্ঠী। তাদের সবাইকেই ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছে, কিন্তু হিন্দুর

শেষ মুঘল বাদশাহ বাহাদুর শাহ জাফর থেকে ইন্দিরা গান্ধী: যেকোনো শাসকগোষ্ঠীর নির্বংশ হওয়ার জন্য কুরবানীর বিরোধিতা করাটাই যথেষ্ট (১)


আমাদের পাক-ভারত উপমহাদেশে এমন বহু শাসক রয়েছে, যাদের পতন হয়েছে কুরবানীর বিরোধিতা করার কারণে। গরু কুরবানীর বিরোধী শাসকদের মধ্যে হিন্দু যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে ‘উলামায়ে সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ীদের দ্বারা বিভ্রান্ত মুসলমান শাসকগোষ্ঠী। তাদের সবাইকেই ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছে, কিন্তু হিন্দুর চেয়ে মুসলমান

এদেশ থেকে পবিত্র কুরবানী নয়, বরং যারা পবিত্র কুরবানীর বিরোধিতাকারী, অপ্রপ্রচারকারী ও চক্রান্তকারী তারাই দেশ থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। ইনশাআল্লাহ! দেশের কোটি কোটি মুসলমানদের ঈমানী দায়িত্ব হলো- দ্বীন ইসলাম উনার যেকোনো বিষয় নিয়ে যারাই চক্রান্ত করবে, অপপ্রচার করবে তাদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিবাদ করা। ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশের সরকার ও প্রশাসনের মনে রাখতে হবে- সংখ্যাগুরু মুসলিমদের স্বার্থ ও অধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া- সরকারের সাংবিধানিক দায়িত্ব ও কর্তব্য


রাজধানীতে কুরবানীর হাট বসেছে। পবিত্র কুরবানীর প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীরাও তাদের অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা তাদের শত শত এজেন্ট মাঠে নামিয়ে দিয়েছে, দেখো কোথায় কোথায় স্কুল মাঠে কুরবানীর পশুর হাট বসেছে, কোথায় রাস্তার পাশে, হাসপাতালের পাশে হাট বসেছে, কোথায় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া

সরকারী কর্মকর্তাদেরকে স্মরণ রাখতে হবে যে, তাদের জন্য সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার কোনো আদেশ ও নিষেধের উপর হস্তক্ষেপ করার কোনো অধিকার নেই।


প্রতি বছরই পবিত্র কুরবানীর সময় নানা অযুহাতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করে কিছু ইসলাম বিদ্বেষী মহল। তাই প্রতি বছরের মতো এবারেও পবিত্র কুরবানীতে বাধা সৃষ্টি করতে কিছু ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নে মরিয়া হয়ে পড়েছে প্রশাসন। তার মধ্যে একটি হচ্ছে পরিবেশ দুষণের মিথ্যা অজুহাতে

ইসলাম বিরোধী তর্জ-তরীক্বা প্রত্যাহার করে মুসলমানদেরকে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ মুতাবিক কুরবানী করার সুযোগ দিন


  বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকারের সম্মানিত কুরবানী ও ইসলাম বিদ্বেষী অপপ্রচার তাদের খুদ কুঁড়া লোভী কিছু পত্র-পত্রিকা ও টেলিভিশন চ্যানেলের ভাঙ্গা ও বিরক্তিকর রেকর্ড মুসলিম জনগণ ও মতের তোয়াক্কা না করে একটানা প্রচার করেই চলেছে। সরকারি ও চিহ্নিত বেসরকারি মহলের কুরবানীবিদ্বেষী ডামাঢোলের

ধনী-গরিব মুসলমান কোনোভাবেই যেন কুরবানীর ফযীলত থেকে বঞ্চিত না হয়- এ ভাবনায় মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার হৃদয় অনুক্ষণ জেগে রয়


স্বাভাবিকভাবে ধনী মুসলমানগণ তো কুরবানী করেই থাকে। এরপরেও কোন ধনী যেন খামখেয়ালীপনা করে এ মহান আমল থেকে বিরত না হয় এজন্য মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি একদিকে কুরবানী করার হৃদয়ে সাড়া জাগানো ফাযায়িল-ফযীলত নিয়ে দৈনিক আল ইহসান, মাসিক আল

কুরবানী নিয়ে মেয়রের বিতর্কিত পদক্ষেপ: এত প্রতিবাদ হচ্ছে, তারপরও সরকারের নির্লিপ্ততা রহস্যজনক


নিজের কিছু স্বার্থ আদায়ের জন্য মানুষ কতই না ভান ধরে, কতভাবে কাকুতি করে, তারপরও নিজের স্বার্থ উদ্ধার করাই চাই চাই। সবচাইতে আশ্চর্য হতে হয় তখন- যখন স্বার্থ আদায়কারী ব্যক্তি অকৃতজ্ঞের মতো উপকারীকে অস্বীকার করে বসে। আমাদের দেশের সরকারের আচরণকে অনেকেই এর

যতই তোমরা ‘কেউ-কেউ’ করো, কুরবানী নিয়ে তোমাদের কোনো চক্রান্তই সফল হবে না। ইনশাআল্লাহ


বেশ কয়েক বছর থেকেই তো তোমরা চক্রান্ত করে যাচ্ছো, কিন্তু একটিও কি সফল হয়েছে? ইনশাআল্লাহ এই বাংলার মাটিতে পবিত্র কুরবানীর বিরুদ্ধে তোমাদের কোনো চক্রান্ত ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। যালিম শাসক গৌরগোবিন্দ কিন্তু শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি। এভাবে কুরবানী নিয়ে আরো অনেকেই

যারা কুরবানীর হাটকে ‘অবৈধ’ ‘অবৈধ’ বলে চেঁচাচ্ছে, এদের চিনে রাখুন…


এই দেশটাকে মনে হয় তাদের কাছে ইজারা দেয়া হয়েছে। দেশপ্রেম যেন তাদের উথলে উঠছে। যখন রাজধানীর বুকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালগুলোতে আসা যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দিয়ে বৈশাখী মেলা হয়, হিন্দুদের রথযাত্রা হয়, গণজাগরণ মঞ্চ হয়, তখন তাদের এই দেশপ্রেম কোথায় থাকে?