Archive for the ‘sub category’ Category

‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পালন করা- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত।


মহান আল্লাহ পাক উনার মা’রিফাত-মুহব্বতে দগ্ধীভূত ব্যক্তি তথা মুসলমানগণ উনারা যে দিনটিকে মা’রিফাত-মুহব্বত লাভের উসীলা সাব্যস্ত করে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণে যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছেন সেই মুবারক দিনটি ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ হিসেবে মশহুর।

পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার পরিচিতি ও ফযীলত মুবারক


  আখির অর্থ শেষ, আর চাহার শোম্বাহ অর্থ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার। এক কথায় আখিরী চাহার শোম্বাহ অর্থ শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ বুধবারকে আখিরী চাহার শোম্বাহ বলা হয়। সাইয়্যিদুল

সম্মানিত শরীয় উনার ফায়ছালা মতে কুলাঙ্গার ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী


পাপিষ্ঠ ইয়াযীদ লা’নাতুল্লাহি আলাইহি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম অর্থাৎ পবিত্র বংশের অবমাননা করেছে। উনাদের নির্দয়ভাবে উৎপীড়ন করেছে। উনাদেরকে শহীদ করেছে। নাঊযুবিল্লাহ! এর চেয়ে বড় কুফরী আর কি হতে পারে?

পবিত্র আশূরা শরীফ মুসলমানদেরকে প্রতিক্ষেত্রে ইহুদী-নাছারা তথা তামাম কাফির গং-এর অনুসরণ থেকে ফিরে থাকার আহবান জানায়


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে পবিত্র আশূরা শরীফ-এ রোযা রাখার আদেশ মুবারক করলেন। কিন্তু এক্ষেত্রে ইহুদীদের খিলাফ করতে বললেন। ইহুদী-নাছারারা পবিত্র আশূরা শরীফ দিন রোযা রাখে এজন্য এ রোযা

পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার সাথে সংশ্লিষ্ট বিশুদ্ধ আক্বীদাসমূহ


১. সমস্ত হযরত নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা মাছুম বা নিষ্পাপ। উনাদের কোনো প্রকার দোষ-ত্রুটি এমনকি কোনো অপছন্দনীয় কাজ ও নেই। উনারা হচ্ছেন পবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। (আকাইদে নসফী) ২. হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন জলীলুল ক্বদর ছাহাবী,

ইয়াযীদকে খলীফা মনোনয়ন এবং কারবালার মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে নববী কাননের সুরভিত গোলাপ, জলীলুল ক্বদর ছাহাবী, কাতিবে ওহী, ছাহিবে সির হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনাকে যারা সমালোচনা করে, উনাকে নাক্বিছ বলে, উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে তারা সকলেই কাট্টা কাফির এবং জাহান্নামের স্থায়ী বাসিন্দা


সাইয়্যিদুশ শুহাদা, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, ইমামুছ ছালিছ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনার মর্মান্তিক শাহাদাতকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ নববী কাননের সুরভিত গোলাপ, কাতিবে ওহী, ছাহিবে সির, জলীলুল ক্বদর ছাহাবী হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার সমালোচনা করে থাকে

মুসলমানগণ উনারা এমন এক জাতি, যারা শহীদ হতে রাজি রয়েছেন তবুও বাতিলের নিকট মাথা নত করতে রাজি নন


পৃথিবীর সূচনালগ্ন থেকেই মুসলমানগণ উনারা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টি মুবারক পাওয়ার নিমিত্তে নিজেদের জান-মাল কুরবান করতে বিন্দু পরিমাণ ইতস্ততঃবোধ করেননি। উনারা বীরদর্পে বাতিলের মুকাবিলা

নিজস্ব পরিচয় বা দাবির ভিত্তিতে নয় বরং পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দৃষ্টিতে মু’মিন মুসলমান হতে হবে


যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ সূরা বাক্বারা শরীফ ১৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করে জানিয়ে দিয়েছেন যে, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যেরূপ ঈমান এনেছেন তদ্রƒপ অন্যান্য সকলকে

জামাত-শিবির মওদুদীবাদী বাতিল ফিরকার বইপত্র পড়লে আর পড়ালে ঈমান থেকে খারিজ হয়ে বেঈমান মুরতাদ হতে হবে


  বাতিল ফিরকা মওদুদীবাদী জামাত-শিবিরের পরিচালিত- শিবির অনলাইন লাইব্রেরীর মাধ্যমে শিশু-কিশোর যুব সমাজকে কঠিন ঈমান বিধ্বংসী কুফরী আক্বীদা শিখানো হচ্ছে প্রতিনিয়ত। যে ছাহাবা রদ্বিয়াআল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা হলেন ঈমানের মাপকাঠি। উনাদের মুবারক শানে অপবাদ দিয়ে ইহুদী, নাছারা, ফাসিক, ফুজ্জার, মুনাফিকদের রচিত

পবিত্র কুরবানীর বরকতময় রক্ত আরো বেশি প্রবাহিত হোক


পবিত্র কুরবানীর ঈদের দিন বৃষ্টির পানির সাথে কুরবানীর পশুর রক্ত প্রবাহিত হয়েছিলো শহরের অলিতে গলিতে, বিভিন্ন রাস্তায়। কিছু কুরবানীবিরোধী মিডিয়া ও কথিত পরিবেশবাদী এসব রাস্তার ছবি নিয়ে খুব হায় হুতাশ করেছে। ছবিগুলো সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে দেশ-বিদেশে ছড়িয়েছে। পক্ষে বিপক্ষে অনেক মন্তব্য

পহেলা বৈশাখ কোনো ইসলামী বা শরীয়তসম্মত উৎসব নয়, মুসলমানদের জন্য তা করা জায়িয নেই


বর্তমানে বাংলাদেশে ৯৮% মুসলমান রয়েছে। অথচ মুসলমানদের ঘরে ঘরে পালন হয় পহেলা বৈশাখ। প্রশ্ন হচ্ছে- পহেলা বৈশাখ কি? এটা কি কোনো ইসলামী বা শরীয়তসম্মত উৎসব? না, এটা কোনো শরীয়তসম্মত উৎসব নয়। এটা একটি বিধর্মীয় কুপ্রথা বা উৎসব। তাহলে কেন মুসলমারা এই

ঈদ মোবারক…ঈদ মোবারক…ঈদ মোবারক…


সবুজ বাংলা ব্লগের সকল সম্মানিত এডমিন, ব্লগার ও পাঠক সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক। ঈদুল আদ্বহা মোবারক।