Archive for the ‘sub category’ Category

ধনী-গরিব মুসলমান কোনোভাবেই যেন কুরবানীর ফযীলত থেকে বঞ্চিত না হয়- এ ভাবনায় মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার হৃদয় অনুক্ষণ জেগে রয়


স্বাভাবিকভাবে ধনী মুসলমানগণ তো কুরবানী করেই থাকে। এরপরেও কোন ধনী যেন খামখেয়ালীপনা করে এ মহান আমল থেকে বিরত না হয় এজন্য মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি একদিকে কুরবানী করার হৃদয়ে সাড়া জাগানো ফাযায়িল-ফযীলত নিয়ে দৈনিক আল ইহসান, মাসিক আল

পবিত্র কুরবানীর সময় কমপক্ষে ১০ দিন ছুটি দেয়া হোক


পবিত্র যিলহজ্জ মাস পবিত্র হজ্জ ও পবিত্র কুরবানীর মাস। এ মাসের প্রথম ৯ দিন রোযা রাখা সুন্নত এবং দশম দিনে পবিত্র কুরবানীর গোশ্ত দিয়ে আহার শুরু করাও সুন্নতের অন্তর্ভুক্ত। আবার পবিত্র যিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ রাত পবিত্র লাইলাতুল ক্বদরের রাতের মতো

পবিত্র কুরবানী উনার চামড়া দেয়ার উত্তম স্থান হলো- রাজারবাগ দরবার শরীফ কর্তৃক পরিচালিত মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ইয়াতীমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং


  মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি উনার তাজদীদপূর্ণ বয়ানে বলেন, “বর্তমানে অধিকাংশ মাদরাসাগুলোই হচ্ছে জামাতী, ওহাবী, খারিজী মতাদর্শের তথা সন্ত্রাসী তৈরির কেন্দ্র। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দোহাই দিয়ে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে

পবিত্র কুরবানীর কোনো বিকল্প নেই


  স্বয়ং নুরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “পবিত্র ঈদুল আদ্বহার দিন যে ব্যক্তি সামর্থ্যবান হওয়ার পরও কুরবানী করবে না, যে যেন ঈদগাহের নিকটেও না আসে।” কত শক্ত ও কঠিন বিষয় বলা হয়েছে কুরবানীর

চাঁদ না দেখে যিলহজ্জ মাস শুরু করলে হাজী সাহেবদের হজ্জ ও তার সংশ্লিষ্ট কোনো আমলই শুদ্ধ হবে না


সউদী আরবে পবিত্র যিলহজ্জ মাস সঠিক তারিখে চাঁদ দেখে শুরু না করলে পবিত্র আরাফা উনার ময়দানে উপস্থিত থাকার ফরয, মুজদালিফায় থাকার ওয়াজিব, কঙ্কর নিক্ষেপ করার ওয়াজিব, কুরবানী করার ওয়াজিব, চুল কাটার ওয়াজিব, তাওয়াফে যিয়ারত ও ইহরাম খোলার ফরযসহ সকল আমলসমূহ হাজী

ছবির মতো হারাম গুনাহ থেকে বিরত থাকা এবং ফিঙ্গারপ্রিন্ট পদ্ধতি চালু করা ফরয মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো”।


আমরা মুসলমান এবং এটি একটি মুসলিম দেশ। এদেশের ৯৮ ভাগ মুসলিম আর বাকি ২ ভাগ অমুসলিম। দুঃখজনক হলেও এটা সত্যি যে, ২ ভাগ অমুসলিম হয়েও তারা আমাদের দেশে যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারছে আমরা ৯৮ ভাগ মুসলিম হয়েও তা পারছি

কথিত দেবোত্তর সম্পত্তি নয়, লাখেরাজ সম্পত্তি


লাখেরাজ সম্পত্তি বলা হয় নিষ্কর ভূমিকে। মুসলিম শাসকগণ কর্তৃক এ অঞ্চলের মুসলিম ছূফী-দরবেশ ও আলিম-উলামাগণকে প্রশাসনের তরফ থেকে লাখেরাজ সম্পত্তি দেয়া হতো। যাতে উনারা পেরেশানীমুক্ত হয়ে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার পরচার-প্রসার কাজে ব্যাপৃত থাকতে পারেন। এই লাখেরাজ সম্পত্তি ব্যয় করা হতো

মাদকাসক্তি নিরাময়ের নামে অবৈধভাবে গজিয়ে উঠেছে হাজার হাজার নিরাময় কেন্দ্র। চলছে বহুমাত্রিক রমরমা ব্যবসা। মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রই মাদক সেবনের নিরাপদ আখড়া এবং এক একটা টর্চার সেল। মাদক দূর করতে হলে ইসলামী মূল্যবোধের বিকল্প নেই।


বেশিরভাগ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রগুলো এখন মাদক সেবনের নিরাপদ আখড়া! নিয়ন্ত্রণহীনভাবেই চলছে দেশের অধিকাংশ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের নাকের ডগায় বসে চলছে এসব প্রতিষ্ঠানের নানামাত্রিক বাণিজ্য। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরেরও তেমন কোনো ভ্রƒক্ষেপ নেই এসব অভিযোগের প্রতি। ঢাকাসহ

অল্প বয়সী বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা, তালাপ্রাপ্তা লাখো-কোটি মহিলা মানবেতর জীবন-যাপন করছে। দেশের অসহায় মহিলাদের প্রতি সরকারের বিশেষ হস্তক্ষেপ একান্ত জরুরী।


সমস্ত প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য; যিনি সকল সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

পবিত্র কুরবানীর চামড়া দিয়ে যারা ছদকায়ে জারিয়ার ছওয়াব হাছিল করতে চান তাদের জন্য একমাত্র ও প্রকৃত স্থান হলো ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ’


পবিত্র কুরবানী উনার চামড়া দান করে মুসলমান উনারা নেকী হাছিল করতে চান। কাজেই চামড়া বা চামড়ার মূল্যের দান যেন ভুল উদ্দেশ্য ও ভুল পথে পরিচালিত না হয় সেটাও খেয়াল রাখতে হবে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা নেক

বঙ্গবন্ধুর কবর প্রাঙ্গণে মীলাদ মাহফিল, অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী


: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪১তম শাহাদাত বার্ষিকীতে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় তার কবর প্রাঙ্গণে মীলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। গতকাল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) (১৫ আগস্ট) সকাল সোয়া ১০টার

দেশের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কি কুফরীতে নিমজ্জিত নয়?


বর্তমানে কে দ্বীনী আর কে দুনিয়াবী সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বই পুস্তুকে কুফরী আক্বীদা ও আমল শিক্ষা দেয়া হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! এ নিয়ে কেউই কোনো প্রতিবাদ করছে না, সকলেই নিরবে হজম করে যাচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! এখানে ৯৮ ভাগ অধিবাসী মুসলমান। মাত্র ২ ভাগ বিধর্মী অথচ