Archive for the ‘ইসলামের ইতিহাস’ Category

রাতের আঁধার ভেদে এক আরশী জ্যোৎস্নার প্রকাশ


রাতের আঁধার ভেদে এক আরশী জ্যোৎস্নার প্রকাশ স্নিগ্ধ মায়ার আবরণে তেজস্বী কিরণের আভাস। কাউছার লুটিয়ে পড়ে চুমে আপনার পাক কদম হে শাহযাদী ছানী আপনায় স্বাগতম । নীল আকাশ ছেড়ে পাখি খুঁজে ফিরে নীড়ের ছায়া কবিতার বাণী খুঁজে ছন্দ সুরের মায়া ঘন

স্রষ্টার কোন সৃষ্টি অযথা, নিষ্প্রোয়জনীয়, উদ্দেশ্যবিহীন নয়!


হযরত মুসা কালিমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি একদিন আল্লাহপাক উনাকে প্রশ্ন করলেন… “হে আল্লাহপাক! যদি ৪টি জিনিস হতো আর ৪টি জিনিস না হত তবে খুব ভাল হত, ১) যদি জীবন হত, মৃত্যু না হত । ২) যদি জান্নাত হত জাহান্নাম না হত।

যেভাবে হাতছাড়া স্বাধীন আরাকান


========== আজকের নির্যাতিত আরাকানের মুসলমানদের রয়েছে গৌরবময় অতীত। একসময় আরাকান রাজ্যের রাজা বৌদ্ধ হলেও সে মুসলমান উপাধি গ্রহণ করতো। তার মুদ্রায় ফারসি ভাষায় লেখা থাকত কালেমা শরীফ।   আরাকান রাজদরবারে কাজ করতেন অনেক বাঙালি মুসলমান। বাংলার সঙ্গে আরাকানের ছিল গভীর রাজনৈতিক

সাপের ডিম


বিশিষ্ট সাহাবী হযরত হাবীব বিন ফদীক রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু কোন এক জায়গায় যাচ্ছিলেন। ঘটনাক্রমে উনার পা একটি বিষাক্ত সাপের ডিমের উপর পড়ে। এতে ডিমটি ফেটে যায় এবং এর বিষ ক্রিয়ায় হযরত হাবীব বিন ফদীক রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার চোখ একেবারে ঘোলা

সুলতান সালাহুদ্দী আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কবরের পাশে সতেরো বছর কাটিয়েছে যে ব্যক্তি


সুলতান হযরত সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনিতে সাইফুল্লাহ নামক এক ব্যক্তি পাওয়া যায়, যার সম্পর্কে বলা হয়- কেউ যদি সুলতান হযরত সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আনুগত্য করে থাকে, সে হলো সাইফুল্লাহ। লোকটি সুলতানের ওফাতের পর সতেরো বছর জীবিত ছিলেন।

বুদ্ধিমতি বৃদ্ধা


এক মাওলানা এক বৃদ্ধাকে চরকায় সূতা কাটতে দেখে বললেন, বুড়ি! সাড়া জীবন কি শুধু চরকা ঘুরাতে রইলে, নাকি খোদাকেও জানার জন্য কিছু করলে? বৃদ্ধা উত্তর দিল, বেটা! এ চরকার মধ্যে আমি খোদাকে জানতে পেরেছি। মাওলানা সাহেব বললেন কি আশ্চর্য! তাহলে বলেন

অর্থ,সম্পদ সবক্ষেত্রে সমৃদ্ধি ছিলো যে সময়ে


কাফিররাও স্বীকার করতে বাধ্য যে ১৪০০ বছর আগের যুগটিই ছিলো স্বর্ণ যুগ,সত্য ও ন্যায়ের যুগ। ইনসাফের নিদর্শন ছিল সে সভ্যতার প্রতিটি বিষয়ে। খিলাফত চলাকালীন সময়েও সাম্যই বিরাজমান ছিলো। ছিলো সমৃদ্ধি। আমীরুল মু’মিনীন,খলিফায়ে ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত যুননূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকালে মুসলমানগণ

বেধর্মী মহিলা নাজাতপ্রাপ্ত হওয়ার কারন!


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি মক্কা শরীফ বিজয়ের পর মক্কা মুয়াজ্জমার এক বিধর্মী মহিলার ঘরের দেয়ালে ঠেস দিয়ে উনার কোন এক খাদিমের সাথে কথা বলছিলেন। সেই বিধর্মী মহিলা ঠেস দেওয়া দেখে , সে হিংসা ও বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে ঘরের

ইবলিশের পৌত্র


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জ্বীন , ইনসান সহ সকলের রাসূল। উনার দরবার জ্বীন ও ইনসান সকলের জন্য উম্মুক্ত ছিল। হযরত উমর ফারুক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্নিত, একদিন আমরা হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে তাহামার

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কাছে কোন কিছুই গোপন নেই


তাবুকের যুদ্ধে হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উষ্ট্রী হারিয়ে গিয়েছিল। এক মুনাফিক এক সাহাবীকে বললো, তোমাদের মুহাম্মদ তো নবী দাবী করে এবং তোমাদেরকে আসমানের কথা শুনায়। অথচ উনার উষ্ট্রীর হদিস উনার কাছে নেই। হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

প্রতিটি ময়দানে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার বিজয়ের রহস্য!


হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তলোয়ার) হিসেবে খ্যাত ছিলেন। তিনি যে কোন যুদ্ধে যাবার সময় নিজ টুপি নিশ্চয়ই মাথায় রাখতেন এবং সব সময় জয়ী হয়ে ফিরতেন। কোন সময় পরাজয়ের মুখ দেখেন নি। একবার ইয়ারমুকের যুদ্ধে যখন যুদ্ধের

কেমন ছিলেন সম্রাট আড়ঙ্গজেবের কণ্যা জেবুন্নেসা ?


মহীয়সী মুসলিম নারীদের নিয়ে ইতিহাস সব সময়ই তামাশা করেছে। পৃথিবীর অনেক নারী যারা বিশেষ কারনে জীবনে বিয়ে করেননি, উনাদেরকে নিয়ে অনেকে উপন্যাস লিখেছে। আর উপন্যাসে চিরকুমারী মুসলিম নারীদের চরিত্রহীনা না লিখলেই নয়! এই আঘাত থেকে বাদ যায় নি হযরত আড়ঙ্গজেব(আলমগীর) রহমতুল্লাহি