Archive for the ‘ইসলামের ইতিহাস’ Category

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ কিভাবে পালন করতে হবে? =


অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন যে, কিভাবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতে হবে? এই বিষয়ে অর্থাৎ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারনে, উনার বেলাদত শরীফ (আগমন) উনার সম্মানার্থে, কিভাবে সাইয়্যিদুল

What is Sayyidul Aayaad Sharif ? How to observance it?


  Sayyid means the best, and the Aaiyad is the plural of Eid, which means happiness. And Sharif means honorable or honorable. So Sayyidul A’ayad Sharif means that all Eid prayers or the best Eid. Saiyid al-A’yad Sharif is preparing his

আখেরী চাহার শোম্বাহ একটি বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ সুবহানাল্লাহ।


আখেরী চাহার শোম্বাহ কি ? এটা কি ইসলামী দিবস ?   হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আহলে বাইত শরীফ আলাইহিন্নাস সালাম ও হযরত সাহাবায়েকিরাম রদ্বীয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগনের একটি স্মৃতি বিজড়িত বরকতময় দিন আখেরী চাহার শোম্বাহ ।সুবহানাল্লাহ আখেরী শব্দের

অভিশপ্ত ইয়াজীদ লানতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে পূর্ব হতেই হযরত নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালামগণ অবগত ছিলেন


কারবালা প্রান্তরে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনা ও সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিস মিন আহলে বাইতি রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শহীদকারী ইয়াজীদ লানতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে পূর্ব হতেই হযরত নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালামগণ অবগত ছিলেন… ***হযরত আদম শফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম একটি রেওয়ায়েতে বর্ণিত

২৭ শে জিলহজ্জ শরীফ হযরত উমর ফারুক রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার শাহাদাত মুবারক গ্রহণ দিবস


আমর বিন মাইমুন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, যেদিন সকালে হযরত উমর রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু আহত হন, সেদিন সকালে আমি উনার সাথে দাঁড়ানো ছিলাম। আমাদের দুজনের মাঝে হযরত আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন। আর তখন ছিল পবিত্র ফজরের সময়। তিনি

১৪ ই যিলহজ্জ শরীফ; হযরত উসমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস


হযরত উসমান যুন নুরাইন আলাইহিস সালাম উনার লজ্জাশীলতা এতই ত্রীবতর  ছিল যে, তিনি যখন ঘরে থাকতেন এবং ঘরের দরজা বন্ধ থাকতো, তখনো তিনি গোসল করার জন্য শরীর মুবারক থেকে কাপড় সরাতেন না। এবং অধিক লজ্জাশীলতা উনাকে শিরদাঁড়া সোজা করে দাড়াতে বাধা

উম্মুল মু’মিনীন হযরত খাদিজা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা উনার মামাতো ভাই হযরত অাবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু সম্পর্কে !


  হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদিজা রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা উনার মামাতো ভাই। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু তিনি ছিলেন জন্মান্ধ।ইসলামের একেবারে সূচনার দিনগুলোতে নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কুরাইশী

সুন্নত মুবারক পালনের গুরুত্ব ও ফযীলত !


একটি সুন্নত পালনে যদি ১০০ শহীদের সওয়াব পাওয়া যায়, তাহলে সুন্নত উনার গুরুত্ব, মর্যাদা, ফযীলত কতটুকু নিচের ওয়াকিয়াটি পড়ে আমাদের ফিকির করা উচিত! হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতূম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন উম্মুল মুমিনীন হযরত খাদিজা রদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহা উনার

শিশুদের মুহব্বতের তরীকা


“কোন এক সময় এক বেদুঈন রাসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট এসে বললো, ‘ইয়া রসূলাল্লাহ্, ইয়া হাবীবাল্লাহ্ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কি শিশুদের চুমু দেন? আমি তো কখনো শিশুদের চুমু দেই না।’ জবাবে খাইরুল আলম, হাবীবাল্লাহ্ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু

মুসলিম শাসনামলের বিস্ময়কর আবিষ্কারক যাঁরা


মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশে মুসলিম শাসনামলের মনীষীদের অবদান অবিস্মরণীয়। যুগ যুগ ধরে গবেষণা ও সৃষ্টিশীল কাজে তাদের একাগ্রতা প্রমাণিত।   বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাদের নিজস্ব ধ্যান ধারণা সভ্যতার বিকাশকে করেছে আরও গতিশীল। রসায়ন, পদার্থ, জীববিজ্ঞান, কৃষি, চিকিৎসা, জ্যোতির্বিজ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস সর্বত্র ছিল

মুসলিম সেনাপতি খালিদ বিন ওয়ালিদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, ‍যিনি কখনো কোন যুদ্ধে পরাজিত হন নি


হযরত খালিদ বিন ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ছিলেন মুসলিম ইতিহাসে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এক মহান সেনাপতি। যিনি রণক্ষেত্রে নিজের শক্তি ও মেধার দ্বারা বাতিলের শক্তি মূলোৎপাটন করে তাওহীদের পতাকাকে বুলন্দ করেছিলেন। হযরত খালিদ ইবন ওয়ালীদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু ( ৫৯২–৬৪২) তিনি ছিলেন

অ্যাস্ট্রোনমারদের গবেষণায় নির্ভুলভাবে প্রমাণ হয় ১২ই রবিউল আউয়াল-ই হচ্ছে নবীজির আগমণ (জন্ম) এর দিন


অ্যাস্ট্রোনমারদের গবেষণায় নির্ভুলভাবে প্রমাণ হয় ১২ই রবিউল আউয়াল-ই হচ্ছে নবীজির আগমণ (জন্ম) এর দিন নবীজির বিদায় গ্রহণের দিন ছিলো: হিজরী সন: ১১ হিজরীর ১২ই রবিউল আউয়াল ঈসায়ী সন: ৬৩২ সাল, ৮ই জুন বার: সোমবার **(১ নং দ্রষ্টব্য দেখুন) Back Calculation করে