Archive for the ‘ইসলামের ইতিহাস’ Category

জুতা চোর তারাই যারা ৮ রাকায়াত তারাবি পড়ে পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায়!


২০ রাকায়াত তারাবীহ নামায আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। কোনো জরুরত ছাড়া যারা ৮ রাকায়াত তারাবীহ পড়ে (৮ রাকায়াতে বিশ্বাসী) পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায় তারা নিশ্চয় জুতা চোর। এদের কে যেখানে পাবেন গণধোলাই দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিন। – নূরে মুজাসসাম

ঐতিহাসিক সুমহান ১৫ই রজবুল হারাম শরীফ প্রসঙ্গ: সম্মানিত ক্বিবলা পরিবর্তনের ইতিহাস ও তাৎপর্য!


হিজরী দ্বিতীয় সনের ১৫ই রজবুল হারাম শরীফ সম্মানিত ক্বিবলা পরিবর্তন হয়। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র হিজরত মুবারক করার পর ১৬ বা ১৭ মাস

যেভাবে কানে-কানে কথা বলার সদকার হুকুম বাতিল হয়ে যায়!/১৩ ই রজবুল হারাম শরীফ ঈদে মীলাদে হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম


হযর‍ত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম বলেন, “আমিই সে ব্যক্তি যে কানাকানি কথা বলার জন্য হুযুর ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে একটি দিরহাম দিতে গেলে আল্লাহপাক উনার পক্ষ থেকে এ হাদিয়া দেয়ার হুকুম বাতিল হয়ে যায়। ” ইসলামের প্রথম যুগে মানুষেরা

৬ ই রজবুল হারাম শরীফ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস


সম্রাট আলমগীর (আড়ঙ্গজেব) রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদা হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মাজার শরীফ জিয়ারত করতে গেলেন৷ সেখানে তিনি দরবার শরীফে ফরিয়াদ রত এক অন্ধকে দেখতে পেলেন। অন্ধ ব্যক্তিটি আরজ করছেন, “ইয়া খাজা মুঝে আঁখ দে দো” অর্থ্যাৎ “ওহে

২১ শে জুমাদাল উখরা শরীফ ঈদে মীলাদে সাইয়্যিদাতুনা আন নূরুল আউয়াল হযরত যাইনাব আলাইহাস সালাম !


হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী সম্মানিত বয়স মুবারক ২৯ বৎসর পার হয়ে ৩০ বৎসর চলতেছিলো। আর উম্মুল মু’মিনীন আল উলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনার বয়স মুবারক চলছিলেন ৪৪ বৎসর পার হয়ে ৪৫ বৎসর । নুবুওওয়াত

মিসওয়াকের উপকারীতা ও সুন্নতী তরতীব


মিসওয়াকের উপকারিতা ================= মিসওয়াক করে নামায পড়া মিসওয়াক বিহীন নামাযের চেয়ে ৭৫ গুন বেশী সওয়াব পাওয়া যায়। মিসওয়াকের ৭২ টি উপকারিতা রয়েছে। তার মধ্যে সবচেয়ে ছোট ফায়দা হচ্ছে মউতের সময় কলেমা শরীফ নসীব হওয়া। মিসওয়াককারীর সাথে ফেরেশতা আলাইহিমুস সালামগণ মুছাফাহা করে।

নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফের দিন আল্লাহপাক উনার খুশি প্রকাশ!


হাবীবুুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সময় তথা জন্ম গ্রহনের সময়, মহান আল্লাহপাক কতটা খুশি মুবারক প্রকাশ করেছেন, তা কারো পক্ষে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।তবে হাদীস শরীফে সামাণ্যই এসেছে। যেমন, হযরত জিবরীল

সাহাবীগণ উনারা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যখন হিজরত মুবারক করে মদীনা শরীফ পৌছলেন, তখন মদিনা শরীফের আনসার সাহাবীগণ খুশি হয়ে ‘ত্বলায়াল বাদরু আলাইনা মিন সানিয়াতিল বিদা’ এই ক্বাসিদা শরীফটি সমুচ্চস্বরে পাঠ করে নবীজী

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ কিভাবে পালন করতে হবে? =


অনেকে প্রশ্ন করে থাকেন যে, কিভাবে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করতে হবে? এই বিষয়ে অর্থাৎ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারনে, উনার বেলাদত শরীফ (আগমন) উনার সম্মানার্থে, কিভাবে সাইয়্যিদুল

What is Sayyidul Aayaad Sharif ? How to observance it?


  Sayyid means the best, and the Aaiyad is the plural of Eid, which means happiness. And Sharif means honorable or honorable. So Sayyidul A’ayad Sharif means that all Eid prayers or the best Eid. Saiyid al-A’yad Sharif is preparing his

আখেরী চাহার শোম্বাহ একটি বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ সুবহানাল্লাহ।


আখেরী চাহার শোম্বাহ কি ? এটা কি ইসলামী দিবস ?   হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আহলে বাইত শরীফ আলাইহিন্নাস সালাম ও হযরত সাহাবায়েকিরাম রদ্বীয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগনের একটি স্মৃতি বিজড়িত বরকতময় দিন আখেরী চাহার শোম্বাহ ।সুবহানাল্লাহ আখেরী শব্দের

অভিশপ্ত ইয়াজীদ লানতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে পূর্ব হতেই হযরত নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালামগণ অবগত ছিলেন


কারবালা প্রান্তরে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনা ও সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিস মিন আহলে বাইতি রাসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শহীদকারী ইয়াজীদ লানতুল্লাহি আলাইহি সম্পর্কে পূর্ব হতেই হযরত নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালামগণ অবগত ছিলেন… ***হযরত আদম শফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম একটি রেওয়ায়েতে বর্ণিত