Archive for the ‘ইসলামী খেলাফত’ Category

জুতা চোর তারাই যারা ৮ রাকায়াত তারাবি পড়ে পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায়!


২০ রাকায়াত তারাবীহ নামায আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। কোনো জরুরত ছাড়া যারা ৮ রাকায়াত তারাবীহ পড়ে (৮ রাকায়াতে বিশ্বাসী) পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায় তারা নিশ্চয় জুতা চোর। এদের কে যেখানে পাবেন গণধোলাই দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিন। – নূরে মুজাসসাম

শহীদে বালাকোট হযরত সাইয়্যিদ আহমদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি – তিনি ভারতীয় উপমহাদেশে স্বাধীনতা আন্দোলনের জনক ! – পর্ব ১


প্রিয় বন্ধুগণ! আমরা নানা সময়ে আউলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের নিয়ে আলোচনা করে থাকি কিন্তু মহান মুজাদ্দিদ শহীদে বালাকোট হযরত সাইয়্যিদ আহমদ বেরেলভী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে আলোচনা হয় খুবই কম। আলোচনা হওয়া তো দূরের কথা, ব্রিটিশরা ও তাদের অনুগতরা উনার উপরে

হযরত কুতুবুদ্দীন আইবেক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনি সংক্ষেপে


  তিনি যখন ছোট ছিলেন জৈনিক সওদাগর তুর্কিস্থান থেকে নিশাপুর নিয়ে আসে।এবং উনাকে কাজী ফখরুদ্দীন ইবনে আব্দুল আজীজের কাছে বিক্রি করে দেয়। কাজী সাহেব ছিলেন হযরত ইমাম আবু হানীফা রহমতুল্লাহি উনার বংশধর। কাজীসাব উনাকে কৃতদাসের মত রাখলেন না বরং পুত্রসুলভ ব্যবহার

১৪ ই যিলহজ্জ শরীফ; হযরত উসমান যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস


হযরত উসমান যুন নুরাইন আলাইহিস সালাম উনার লজ্জাশীলতা এতই ত্রীবতর  ছিল যে, তিনি যখন ঘরে থাকতেন এবং ঘরের দরজা বন্ধ থাকতো, তখনো তিনি গোসল করার জন্য শরীর মুবারক থেকে কাপড় সরাতেন না। এবং অধিক লজ্জাশীলতা উনাকে শিরদাঁড়া সোজা করে দাড়াতে বাধা

উসমানী সাম্রাজ্যের সামাজিক শিষ্টাচার


  বাকির খাতা পরিশোধ =========== উসমানি সুলতানদের সুদীর্ঘ শাসনামলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আর্থিক সচ্ছলতা ছিল। বড় বড় শহরের ধনী ও বিত্তবান মানুষের সংখ্যা ছিল অনেক। সমাজের উচ্চবিত্তের লোকেরা সাধ্যেমতো গরিব ও অসহায় শ্রেনীর মানুষের পাশে দাড়াতেন। অনেক বিত্তবান ব্যক্তি গোপনে বিভিন্ন

উসমানী সম্রাজ্যের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি


খেলাফতে রাশেদা, খেলাফতে উমাইয়া, আব্বাসীদের পর উসমানী খেলাফত ব্যবস্থার উত্থান। সুদীর্ঘ ৬২৪ বছর ধরে টিকে ছিল এই খেলাফত ব্যবস্থা। পৃথিবীর ইতিহাসে উসমানী সম্রাজ্যের মত সুবিস্তৃত পরিধি ও দীর্ঘমেয়াদী ইসলামী খেলাফত মুসলিমদের ভাগ্যে জোটে নি। উসমানী সম্রাজ্যের সোনালী যুগে যত দূর পর্যন্ত

উসমানীয় সুলতানদের স্বভাব চরিত্র


সাম্রাজ্য শাসন ও নানা ধরনের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার পাশাপাশি বিদ্রোহ দমন এবং নতুন নতুন রাজ্য জয়ের সামরিক নেতৃত্ব দিতেন ওসমান সুলতানরা। ফলে দিনরাত তাদের সময় কাটতে ভীষণ ব্যস্ততায়। রাজা-মহারাজা, সুলতানদের জীবনে এটি স্বাভাবিক নিয়ম। তবে মানুষ হিসেবে প্রত্যেকে ভালোলাগা থাকে ওসমানী

একজন ‘সুলত্বানুল আরেফীন’ উনার মুবারক কথা


খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমার ওলীগণ আমার কুদরতী জুব্বা মুবারকের নিচে অবস্থান মুবারক করেন। উনাদেরকে আমার ওলীগণ ব্যতিত অন্য কেউ হাক্বীক্বীভাবে চিনতে পারেনা।” অর্থাৎ, সত্যিকার আল্লাহওয়ালা উনাদেরকে সাধারণ মানুষ হাক্বীক্বীভাবে

মসজিদ আল-আকসা ও ডোম অফ দ্য রক


মসজিদ আল-আকসা ও কুব্বাত আস-সাখরাহ:   ৬৩৭ খ্রিষ্টাব্দে মুসলিমরা বাইজেন্টাইন অধীনস্থ জেরুজালেম নগরী জয় করে। ইসলামের প্রথম কিবলা এবং মি’রাজের সাথে সম্পর্কিত জেরুজালেম (আরবী নাম আল-কুদস القدس al-Quds – The Holy One) ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে বিবেচিত। পুরনো জেরুজালেমে অবস্থিত

অর্থ,সম্পদ সবক্ষেত্রে সমৃদ্ধি ছিলো যে সময়ে


কাফিররাও স্বীকার করতে বাধ্য যে ১৪০০ বছর আগের যুগটিই ছিলো স্বর্ণ যুগ,সত্য ও ন্যায়ের যুগ। ইনসাফের নিদর্শন ছিল সে সভ্যতার প্রতিটি বিষয়ে। খিলাফত চলাকালীন সময়েও সাম্যই বিরাজমান ছিলো। ছিলো সমৃদ্ধি। আমীরুল মু’মিনীন,খলিফায়ে ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত যুননূরাইন আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকালে মুসলমানগণ

আপনি জানেন কি “গাযওয়াতুল হিন্দ” কি? এর সম্পর্কে কে ভবিষ্যৎবানী করেছিলেন?


গাযওয়াতুল হিন্দ বা হিন্দুস্থানের যুদ্ধ হাদীস শরিফে বর্নিত আছে উগ্রবাদী, মৌলবাদী, হিন্দুদের ধ্বংসকারী গাযওয়াতুল হিন্দ অত্যাসন্ন ও অবশ্বাম্ভাবী। সারা পৃথিবীতে সবচে’ বড় জিহাদ যেটা হবে সেটা হবে হিন্দুস্তান তথা ভারতের মুশরিকদের সাথে। এই জিহাদে যাঁরা শরীক থাকবেন, উপস্থিত থাকবেন, অংশ গ্রহণ

রহমত বাটেন আক্বা শাহযাদা


রহমানী ছিফতে রহমত বাটেন আক্বা শাহযাদা মাদানী নূরে রওশন করেন তাশরীফে মাওলা শাহেন শাহে মামদূহ সাইয়্যিদী মানজুর সুলত্বানুল ক্বাওনাইন নূরুন আলা নূর ॥ ইলাহী তায়ালা ইলান করেন সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ আজ হাবীবে খোদা আয়োজন করেন সাইয়্যিদুল আ’সইয়াদ আজ ঈদের আনন্দে মুখরিত জাহান