মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত মহাসম্মানিত ১০ম খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত মহাসম্মানিত ১০ম খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং সম্মানিত গাযওয়াতুল হিন্দ-১ সমস্ত প্রসংশা ও ছানা-ছিফত মুবারক যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য এবং অসংখ্য সম্মানিত দুরূদ 

যুলুমকারী কাফির অর্থাৎ ইহুদী, মুশরিক, নাছারা, মজুসী ও মুনাফিকগুলি শাস্তিস্বরূপ একের পর এক খোদায়ী গযবে পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি কাফির-মুশরিকদেরকে বলে দিন, তোমরা তোমাদের গোসসায় মরে যাও তথা ধ্বংস হয়ে যাও।” মহান আল্লাহ পাক তিনি যালিম বা অত্যাচারী সে যেই হোক; তাকে পছন্দ করেন না 

প্রচলিত ‘জাতীয় সঙ্গীত’ পরিবর্তনের দাবির যৌক্তিকতা রয়েছে


সরকারি আমলা ও প্রশাসন বিজাতী-বিধর্মীদের মতাদর্শকে যেভাবে প্রচার-প্রসারে নেমেছে তা দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ তথা ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠি মুসলমানদের সংস্কৃতির সাথে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেটা ভেবে দেখা অত্যন্ত জরুরী। নচেৎ প্রশ্ন থেকে যায়, তাহলে কি পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার তাহযীব-তামাদ্দুন অসম্পুর্ণ? নাউযুবিল্লাহ! কখনোই 

এক বাতিল ফিরক্বার লোকের সাথে কথোপকথন!


এক বাতিল ফিরক্বার লোকের সাথে কথোপকথন! আল হিলাল তবলীগী: একজন ওলীআল্লাহ উনার দরবারে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখি মানুষ উনাকে সিজদা করছে। আল হিলাল: আপনি যেখানে গিয়েছিলেন সেখানে আমি বহু বছর ধরে যাচ্ছি কিন্তু আমি কাউকে কখনোই উনাকে সিজদা করতে দেখিনি। 

বস্তুবাদী জীবনদর্শন, ভোগবাদী চিন্তা-চেতনা, স্বার্থবাদী মন-মানসিকতা এবং আত্মসর্বস্ব ধ্যান-ধারণা আজ মানবতাকে অক্টোপাসের ন্যায় আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছে … !


বস্তুবাদী জীবনদর্শন, ভোগবাদী চিন্তা-চেতনা, স্বার্থবাদী মন-মানসিকতা এবং আত্মসর্বস্ব ধ্যান-ধারণা আজ মানবতাকে অক্টোপাসের ন্যায় আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছে … ! তা মানব সমাজের রন্ধ্রে-রন্ধ্রে, শিরায়- উপশিরায় মহামারীর জীবাণুরূপে অনুপ্রবেশ করছে … ! মানুষের আচার-আচরণ, চাল-চলন, বিচার-বিশ্লেষণ, কাজ-কর্ম, কথা-বার্তা, পারস্পরিক সম্পর্ক, সর্বোপরি সবকিছুতেই ক্ষুদ্র 

কোনো ব্যক্তি কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান যদি পর্দা বা বোরকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়; তাহলে সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো- সে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাধ্যমে পর্দা বা বোরকা ফরয করেছেন। পর্দা বা বোরকা মুসলমানদের দ্বীনি অধিকার; খাছ করে মুসলিম মহিলাদের সম্মান এবং ব্যক্তিত্বেরও 

বিনামূল্যের বই পেয়ে খুশি হওয়ার আগে দেখুন, ভিতরে কতটুকু ঈমান আছে


দেশের বর্তমান শিক্ষানীতি অনুযায়ী যে সকল পাঠ্যবই প্রণীত হয়েছে, সেখানে পড়ানো হচ্ছে এমন কিছু বিতর্কিত বিষয় পড়ানো হচ্ছে যেগুলো কোনোভাবেই ইসলাম সমর্থন করে না। বরং ওই সকল পাঠবইয়ের গল্প, কবিতা, রচনাগুলো মুসলমানদের ঈমান ও মুসলমানিত্বকেই বিনষ্ট করে দিচ্ছে। পাঠ্যবইগুলোর অর্ন্তভুক্ত রচনা, 

এক আম আদমির সাথে কথোপকথন


এক আম আদমির সাথে কথোপকথন আল হিলাল আম আদমি: আপনাদের হুযূরদের মধ্যে এত দল, আমরা কোন্ দিকে যাবো? আল হিলাল: হুযূররা তাহলে আপনাকে সমস্যায় ফেলে দিলো? আপনি কি করেন? আম আদমি: গ্রামীনফোনে চাকরি করি। আল হিলাল: বাড়ি-গাড়ি কিছু করেছেন? আম আদমি: 

লক্বব বা উপাধি নিয়ে কথোপকথন!


লক্বব বা উপাধি নিয়ে কথোপকথন আল হিলাল ডাক্তার: আচ্ছা, অনেকের নামের সাথে অনেক লক্বব দেখা যায়। যেমন হাফিযুল হাদীছ, কুতুবুল আকতাব- এরকম আরো অনেক। বিষয়টি কি নিজের ঢোল নিজে পিটানোর মতো ব্যপার নয় কি? আল হিলাল: আচ্ছা তুমি নামের আগে ডাক্তার 

সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র ৬ই রজবুল হারাম শরীফ


সুলত্বানুল হিন্দ, হযরত খাজা গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। সুবহানাল্লাহ! এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে সকলের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে- উনার পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক আলোচনা করার লক্ষ্যে মাহফিল করা এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র 

” কাফের, মুশরিকদের বিরুদ্ধে বদদোয়া “


” কাফের, মুশরিকদের বিরুদ্ধে বদদোয়া ” অনেকে মনে করে কাফির, মুশরিকের বিরুদ্ধেও প্রিয় নবী, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোন বদ দোয়া করেন নি! কথাটা সঠিক নয়! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 

শয়তানের ওয়াসওয়াসার কারণে কোন গুনাহর কাজ সংগঠিত হলে উপায় কি?


শয়তান নিজে বিভ্রান্ত এবং সে মানুষকেও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা হিজর শরীফ উনার ৩৯ ও ৪০ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- قَالَ رَبِّ بِمَا اَغْوَيْتَنِىْ لَاُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِىْ الْاَرْضِ وَلَاُغْوِيَنَّهُمْ