সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিলাদতী ও পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের তারিখ প্রসঙ্গে!


কুতুবুল আলম, গউছুল আ’যম, ইমামুশ শরীয়ত ওয়াত তরীক্বত, সাইয়্যিদুল আউলিয়া হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ৪৭১ হিজরী সনের পবিত্র রমাদান মাস উনার ১লা তারিখে পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন। সে বছর পবিত্র রামাদান মাস উনার চাঁদ দেখা গিয়েছিলো ৭ 

পর্দানশীন ও তাক্বওয়াসম্পন্না মাতা উনার পবিত্র রেহেম শরীফ উনার মাধ্যমে আগমন ঘটে ষষ্ঠ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি


ষষ্ঠ হিজরী শতাব্দীর মহান মুজাদ্দিদ, গউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিতা মাতা তিনি ছিলেন অতি পর্দানশীন ও তাক্বওয়াসম্পন্না। উনার পবিত্র রেহেম শরীফ উনার মাধ্যমে এই মহান ওলী উনার আগমন ঘটে। একইভাবে যিনি পঞ্চদশ হিজরী সনের মহান মুজাদ্দিদ, যিনি 

সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ছিলেন ইলমে লাদুন্নীপ্রাপ্ত ওলীআল্লাহ!


সাইয়্যিদুল আউলিয়া, গউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক উনার মধ্যে একটি ঘটনা বর্ণিত রয়েছে যে, একবার এক ব্যক্তি একটি আমল করার নিয়ত করেছে এভাবে যে, তার সাথে ওই সময় আর কেউই যেন আমলটা করতে না 

গউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতো ওলীআল্লাহগণ উনারাই ইবলিস শয়তানের ধোঁকা থেকে সর্বাবস্থায় নিরাপদ!


কিতাবে বর্ণিত আছে, গউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহিব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি যখন কঠিন ইবাদত, রিয়াযত-মুজাহাদার সর্বোচ্চ সোপানে অধিষ্ঠিত, ঠিক সে সময় উনার সম্মুখে একটি আলোর ঝলক উদ্ভাসিত হলো, সেখান হতে এক প্রকার আকৃতিও জাহির হলো। সেই আকৃতি আওয়াজ করে বলে উঠলো, 

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা যমীনে যা হালাল তা ভক্ষণ কর।’ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা যমীনে যা হালাল তা ভক্ষণ কর।’ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে হালাল কামাই করা এবং হালাল ও পবিত্র খাদ্য খাওয়া ফরয। গাউছুল আ’যম হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মানিত পিতা 

পহেলা রমাদ্বান শরীফ বিলাদত(জন্মদিন) শরীফ উপলক্ষ্যে গাউসুল আ’যম বড়পির সাইয়্যিদ আব্দুল কাদির জিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সংখিপ্ত জীবনী হাদিয়া


পিতা মাতা যদি হন খালিছ অলীআল্লাহ তাহলে সন্তান কেমন হবে? সে মর্মে ওয়াকিয়াঃ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ আছেঃ ان الله يبعث لهذه الامة على رأس كل ما ءة سنة من يجدد لها دينها (ابو داود) অর্থঃ- প্রত্যেক হিজরী শতকের 

উত্তম আদবই পবিত্র ঈমান।


আদব অর্থ স্বাভাবিকতা। অর্থাৎ যা স্বাভাবিক তাই আদব। আর আদব শিক্ষার অর্থ নিজের মধ্যে সচ্চরিত্রের সমাবেশ ঘটানো এবং তা রক্ষা করা। যার মধ্যে উত্তম স্বভাব বিদ্যমান, সে চরিত্রবান ও ভদ্র। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا 

সউদি ওহাবী সরকার মুসলমান নয়, ইহুদি ।


জাজিরাতুল আরবকে মুসলমান সম্মান করে বিধায় এর শাসকগোষ্ঠীর প্রতি মুসলমানদের দুর্বলতা থাকে। আর এ দুর্বলতাকে পুরোপুরি অপব্যবহার করছে ইহুদি সউদি ওহাবী সরকার । কিন্তু কিছু বকলম , অজ্ঞ ,অথর্ব মুসলমান তাদের হাক্বিকত ফাস হবার পরেও বিশ্বাস করতে চায়না যে সউদি ওহাবী 

সেহরি নয়! সাহরী বলতে হবে!


সাহরী শব্দটি এসেছে সাহরুন থেকে । সাহরুন শব্দের অর্থ মধ্যরাতে রোজার জন্য খাদ্য গ্রহন। কিন্তু আমরা সাহরী না বলে সেহরি বলি যা সেহরুন বা সিহরুন থেকে এসেছে যার অর্থ যাদু । সূরা বাকারা-এর ১০৪ নং আয়াত শরীফ-এ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর 

মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে জানা ফরজ!


قُل لَّا اَسْاَلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرً‌ا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِى الْقُرْ‌بٰى. অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মতদেরকে বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোন বিনিময় চাই না (প্রকৃতপক্ষে উম্মতের পক্ষে বিনিময় দেয়াও সম্ভব নয়; বিনিময় দেয়ার চিন্তা করাটাও হবে কুফরীর শামিল 

সত্যিকার আলিম বা ওলীআল্লাহ উনার পরিচয়!


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই বান্দাদের মধ্য থেকে কেবল আলিমগণই মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করেন।” পবিত্র আয়াত শরীফ উনার ব্যাখ্যায় উল্লেখ রয়েছে, যার ভিতরে যতোবেশি আল্লাহভীতি থাকবে তিনি ততবড় আলিম।” (পবিত্র সূরা ফাতির শরীফ: পবিত্র আয়াত 

তারাবীর নামাজ ২০ রাকাতকে অস্বীকার করতে গিয়ে বুখারী শরীফের প্রথম হাদীসকে জাল বানালো সালাফীরা!


আজকে আপনাদের সালাফীদের একটা চমকপ্রদ জোচ্চুরী দেখাবো। চুরি বাটপারী করতে করতে তারা এতই নিচে নেমেছে যেটা বলার ভাষা নাই। তারাবীহর নামাযকে তারা কোন ভাবেই ২০ রাকাত মানতে পারছে না। কিন্তু তারা না চাইলে কি হবে ২০ রাকাততো সহীহ সনদে প্রমানিত। সালাফীদের