দুনিয়াব্যাপী তারাবীহর নামাজ ২০ রাকাত পড়া হয়েছে সেটা সালাফীরাই স্বীকার করেছে!


আজকে আপনাদের জন্য সেইরকম এক চমক নিয়ে উপস্থিত হলাম। তারাবীর রাকায়াত সংখ্যার মিমাংসা সালাফীরাই দিয়ে দিয়েছে। তাদের লিখনীতে স্পষ্টই ফুটে উঠেছে খুলাফায়ে রাশেদীন রদ্বিয়াল্লাহু আনহু, সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহু, তাবেয়িন রহমতুল্লাহি আলাইহি, চার মাযহাবের ইমামগন, অন্যান্য ইমাম মুস্তাহিদ রহমতুল্লাহি আলাইহিগন সহ 

পবিত্র রমযান মাসে তারাবী’র নামায কতো রাকাত পড়তে হয়!?


, তা নিয়ে যথেষ্ট বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে বর্তমানে। তাই মুসলমানদের ভালো করে জানা আবশ্যক যে বিগত ১৪’শ বছর ধরে মুসলিম উম্মাহ ন্যূনতম ২০ রাকাত তারাবী নামায পড়ে আসছেন (এমনকি হারামাইন শরীফাইনেও)। নূরে মুজাসসাম হাবিবুল্লাহ হুযুরপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, উনার সাহাবায়ে কেরাম 

বিসিএস ই শেষ কথা নয় আরো আছে অনেক কিছু!


বিসিএসের পাশাপাশি রাখতে হবে অন্যান্য সুযোগের খোঁজ-খবর। ৩ মে অনুষ্ঠিত ৪০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেছেন প্রায় ৪ লাখ ১২ হাজার তরুণ, যেখানে সুযোগ পাবেন মাত্র ১৯০৩ জন। শুধু বিসিএস নয়, আরও নানা রকম পেশা বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে তরুণদের 

জুতা চোর তারাই যারা ৮ রাকায়াত তারাবি পড়ে পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায়!


২০ রাকায়াত তারাবীহ নামায আদায় করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। কোনো জরুরত ছাড়া যারা ৮ রাকায়াত তারাবীহ পড়ে (৮ রাকায়াতে বিশ্বাসী) পবিত্র মসজিদ থেকে বের হয়ে যায় তারা নিশ্চয় জুতা চোর। এদের কে যেখানে পাবেন গণধোলাই দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দিন। – নূরে মুজাসসাম 

চাঁদ দেখে রমাদ্বান শরীফ শুরু ও শেষ করার হুকুম-আহকাম!


ان الله تعالى قد امده لرؤيته. অর্থ: “নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি চাঁদ দেখার সাথে মাস নির্ধারণ করেছেন।” (মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ) উপরোল্লিখিত প্রতিটি দিবসই চাঁদের সাথে সংশ্লিষ্ট। চাঁদ উঠার মাধ্যমে মাস শুরু হওয়ার পরই এ সকল মহিমান্বিত দিবস এবং 

রমাদ্বান শরীফ-এর বাইরেও সর্বপ্রকার অশ্লীল ও শরীয়ত বিরোধী কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। তবেই হাক্বীক্বী কামিয়াবি অর্জন করা ও


রমাদ্বান শরীফ-এর বাইরেও সর্বপ্রকার অশ্লীল ও শরীয়ত বিরোধী কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। তবেই হাক্বীক্বী কামিয়াবি অর্জন করা ও নাযাত লাভ করা সম্ভব হবে। কালামুল্লাহ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট অধিক সম্মানিত যে ব্যক্তি 

কুরআন শরীফ ও সুন্নাহ শরীফ-এর আলোকে পবিত্র মাহে রমাদ্বান শরীফ-এর ফাযায়িল-ফযীলত।


মাহে রমাদ্বান মাসটি উম্মতে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের জন্য ফযীলত হাছিলের মাস। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ ফরমান- يايها الذين امنوا كتب عليكم الصيام كما كتب على الذين من قبلكم لعلكم تتقون . উচ্চারনঃ ☞ ইয়া আইয়্যুহাল্লাজিনা আ’মানু কুতিবা 

ছাওম বা রোযা অবস্থায় মিসওয়াক করার হুকুম!


হযরত ইমাম শাফিয়ী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে, ছাওম অবস্থায় দ্বিপ্রহরের পর মিছওয়াক করা মাকরূহ তানযীহী। আর আমাদের ইমাম আযম হযরত ইমাম আবূ হানীফাহ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার মতে, ছাওম অবস্থায় দিনের বেলা মিছওয়াক করা জায়িয ও সুন্নত। সে মিসওয়াক হবে, যইতুন, নিম 

সম্মানিত মু’তাকিফ উনাদের জন্য নিষিদ্ধ কাজসমূহ!


যিনি ই’তিকাফ করেন, উনাকে মু’তাকিফ বলা হয়। সম্মানিত মুতাকিফ উনাদের জন্য কিছু কাজ নিষিদ্ধ। যদি উনারা সেই কাজগুলো করেন তাহলে ই’তিকাফ ভঙ্গ হবে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র মসজিদে ই’তিকাফ করাকালীন আপনারা আপনাদের স্ত্রীদের সাথে নিরিবিলি অবস্থান করবেন 

বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহর ‘রোযা অবস্থায় চিকিৎসা নেয়া’ সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ ভুল ও বিভ্রান্তিমূলক!


১৯৯৭ সালের জুনে মরক্কোতে “ইসলামের দৃষ্টিতে সমসাময়িক চিকিৎসা সমস্যা” শিরোনামে অনুষ্ঠিত সেমিনারের বিভ্রান্তিমূলক সিদ্ধান্তের বরাতে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহর ‘রোযা অবস্থায় চিকিৎসা নেয়া’ সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ ভুল ও বিভ্রান্তিমূলক! মূলত, শরীয়তের সঠিক ফতওয়া হলো- রোযা অবস্থায় ইনজেকশন, স্যালাইন, 

পবিত্র রোযা উনার কতক জরুরী বিষয়!


পবিত্র তারাবীহ নামায দশ সালামে বিশ রাকায়াত পড়া সুন্নত। পুরুষ-মহিলা প্রত্যেকের জন্যেই এ পবিত্র নামায সুন্নতে মুয়াক্কাদা। বিশ রাকায়াত হতে এক রাকায়াতও যদি কম পড়ে তাহলে সুন্নতে মুয়াক্কাদা তরক করার কারণে ওয়াজিব তরকের গুনাহে গুনাহগার হবে। তারাবীহ নামায জামায়াতে পড়া- তা 

তারাবীহ নামাযে দু’ রাকায়াত ও চার রাকায়াতের পর কি দুয়া পড়তে হয়? এবং কত রাকায়াত পর পর মুনাযাত করার


তারাবীহ্ উনার নামাযে দু’রাকায়াতের পর নিম্নোক্ত দুয়া পড়তে হয়- هذا من فضل ربى يا كريم المعروف يا قديم الاحسان احسن الينا باحسانك القديم ثبت قلوبنا على دينك برحمتك يا ارحم الرحمين. উচ্চারণ: হাযা মিন ফাদ্ব্লি রব্বী, ইয়া কারীমাল মা’রূফ, ইয়া ক্বদীমাল