যে সকল শব্দ মুসলমানদের ব্যবহার করা উচিত নয় – ২


যে সকল শব্দ মুসলমানদের ব্যবহার করা উচিত নয় – ২ আমরা অনেক শব্দ ব্যবহার করি যেগুলো বিধর্মীদের ব্যবহৃত খাছ শব্দ। যেমন- জল শব্দটি যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য হিন্দুদের খাছ শব্দ। আবার অনেক শব্দ রয়েছে যে শব্দগুলো ব্যবহার মূলত ইসলামকে ইহানত করার শামিল। 

একজন ধর্মব্যবসায়ী দলের কর্মীর সাথে কথোপকথন!


একজন ধর্মব্যবসায়ী দলের কর্মীর সাথে কথোপকথন! আল হিলাল দলের কর্মী: আপনি পীর ছাহেবের মুরীদ!!! আপনারা তো আবার মাযার পূজা করেন? ওরশ করেন- তাই না? আল হিলাল: পীর ছাহেবের মুরীদ হলেই মাযার পূজা করতে হবে বা করবে, ওরশ করতে হবে বা করবে- 

দ্বীন ইসলাম গ্রহণ না করা পর্যন্ত কাফির-মুশরিকদের সবকিছু বাতিল ও অগ্রহণযোগ্য!


দ্বীন ইসলাম গ্রহণ না করা পর্যন্ত কাফির-মুশরিকদের সবকিছু বাতিল ও অগ্রহণযোগ্য! ভারতের মুসলিম শাসনামলে হিন্দুরা মুসলমান শাসকদের অধীনে চাকরি করতে চাইলে হিন্দু থেকে মুসলমান হতে হতো না। তবে হিন্দুদেরকে সেক্ষেত্রে ফারসী ভাষা শিখতে হতো এবং মুসলমানদের ন্যায় পোশাক পরতে হতো। তবে 

সৌন্দর্যবর্ধন বা যে কোনো প্রয়োজনে পবিত্র মসজিদ ভাঙ্গা বা স্থানান্তর করা সম্পূর্ণরূপে হারাম, কবীরা গুনাহ ও কুফরী। নাউযুবিল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আপনি তো অবশ্যই জানেন যে, আমি আছহাবে ফীল বা আবরাহার কি অবস্থা করেছি! সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- রাস্তা উন্নয়ন, নদী সংরক্ষণ, মেট্রোরেল, ফ্লাইওভার নির্মাণ, সৌন্দর্যবর্ধন বা যে কোনো প্রয়োজনে পবিত্র মসজিদ ভাঙ্গা বা স্থানান্তর 

দিল্লীতে মুসলিম নিধনের পর ফেসবুকে একটা লেখা দেখা যাচ্ছে,


যেখানে বলা হচ্ছে- বিদায় হজ্জের ভাষণে নাকি মহানবী বলছেন- হিন্দুদের মন্দির রক্ষা করতে। কিন্তু আমি বিদায় হজ্জের ভাষণের বিভিন্ন লিঙ্ক ঘেটে এমন কোন কথা পাইলাম না। তবে আরেকটু ঘেটে যেইটা পাইলাম, বিদায় হজ্জের দিন কোরআনের একটা আয়াত নাজিল হইছিলো, সেটা ছিলো 

দিল্লীতে মুসলিমবিরোধী দাঙ্গা: মুসলিমদের চোখে এসিড নিক্ষেপ, লাশের পরিচয় গোপন


ভারতের দিল্লীতে ৫ দিন ব্যাপী যে মুসলিমবিরোধী দাঙ্গা চলছে তাতে ব্যাপক আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে মুসলমানরা। নতুন করে বেছে বেছে মসজিদে আগুন দিচ্ছে উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা। পাশাপাশি মুসলিম যুবকদের পিটিয়ে হত্যার খবরও পাওয়া যাচ্ছে। গতকাল দিল্লির মুস্তাফাবাদের ব্রিজপুরি এলাকায় আরেকটি মসজিদে আবার হামলা 

বর্তমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রীক সমাজ্যবাদ দীর্ঘস্থায়ী ও বিস্তৃতি লাভ করার পেছনের কারণ আমি বলেছিলাম- তারা দুইটি বিপরীত মতবাদের ব্লক বিশ্বজুড়ে


বর্তমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রীক সমাজ্যবাদ দীর্ঘস্থায়ী ও বিস্তৃতি লাভ করার পেছনের কারণ আমি বলেছিলাম- তারা দুইটি বিপরীত মতবাদের ব্লক বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছে। একটি ডেমোক্র্যাট ব্লক, অন্যটি রিপাবলিকান ব্লক। রিপাবলিকানদের কাজ হলো – ডাইরেক্ট মুসলিম মারা। আর ডেমোক্র্যাটদের কাজ হলো- তারা উপর দিয়ে 

সেক্যুলাররা মুসলমানকে মুসলমানের অস্তিত্ব বাচাতে দেয় না, মুসলমানকে দিয়ে সেক্যুলারিজমের অস্তিত্ব বাচায়।


ফেসবুকে দিল্লীতে মুসলিম নিধনের খবর পড়ছিলাম। খবরের নিচে বাংলাদেশী হিন্দু ও সেক্যুলারদের কমেন্টগুলো ছিলো দুই ধরনের- ১) বাংলাদেশী হিন্দু- আরে ভাই আপনারা দিল্লীর সংখ্যালঘু নিয়ে মাতছেন কেন ? বাংলাদেশে যে সংখ্যালঘু নির্যাতন হয় সেটা নিয়ে মাতেন। ২) সেক্যুলার- ক) আমরা একই 

প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মানহানী ও কটাক্ষ করে লেখা সমস্ত গ্রন্থ, পুস্তিকা ও পত্র-পত্রিকার লেখক, অনুবাদক,


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের মধ্য থেকে যে বা যারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম থেকে ফিরে যায় অর্থাৎ মুরতাদ হয়ে যায় অতঃপর সে বা তারা কাফির অবস্থায় মারা যাবে। যার ফ্ললে তাদের ইহকালীন ও পরকালীন সব আমলই নষ্ট হয়ে 

মুসলিমদের উপর হামলার সময় ১৩ হাজার ফোন পেয়েও নিষ্ক্রিয় ছিলো পুলিশ


ভারতের রাজধানী দিল্লিতে মুসলিমবিরোধী হামলার পর স্থানীয় পুলিশ কাছে ১৩ হাজার ২০০টি ফোন কল পেয়েও দিল্লী পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি বলে নতুন করে অভিযোগ উঠেছে। ফোন কলের মাধ্যমে মূলত পুলিশের কাছে সংঘর্ষের বিষয়ে জানানো হয়েছিল। কোথাও গুলি, কোথাও 

বাল্যবিবাহ পবিত্র খাছ সুন্নত; না জেনে বিরোধিতা করলেও ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে


শৈশবকালে বিয়ে করা খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। আমাদের প্রাণের আক্বা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনাকে শৈশবকালে অর্থাৎ উনার ছয় বছর বয়স মুবারকে পবিত্র নিকাহ মুবারক সম্পন্ন করেন। সুবহানাল্লাহ! 

মুসলমানদের উচিত সপ্তাহের বারসমূহের নাম পবিত্র হাদীছ শরীফ অনুযায়ী উচ্চারণ করা


একজন বয়োঃপ্রাপ্ত ও সুস্থ বিবেকসম্পন্ন মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য দৈনিক ৫ ওয়াক্ত নামায আদায় করতে হয়। এ পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের নামকরণ পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারাই হয়েছে। যেমন ফজর, যুহর, আছর, মাগরিব ও ‘ইশা। আজ পর্যন্ত কোন মুসলমান এই পাঁচ ওয়াক্ত নামাযকে ওয়াক্তের