গর্জে উঠো মুসলমান ,স্বাধীন করো হিন্দুস্তান


মুসলিম হিসাবে মুশরিক জালিম ভারতকে সাইজ করতে হলে– সকলে ভারতীয় সিরিয়াল দেখা আজ থেকেই চিরতরে বন্ধ করে দিন, চিকিৎসা সেবা ও আনন্দ ভ্রমনে ভারত বর্জন করুন, সকল ভারতীয় হিন্দু পন্যও ব্যবহারও একেবারেই ছেড়ে দিন। ভারতের সাথে ক্রিকেটসহ সব ধরনের খেলাধূলা চিরতরে 

মুসলিম এই দেশে মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর মসজিদকে ভাঙ্গার দুঃসাহস দিলো কে?


বাংলাদেশ মুসলিমপ্রধান দেশ। আর ঢাকা শহরকে বলা হয় মসজিদের শহর। অথচ এই মুসলিম দেশে মসজিদের শহর ঢাকায় একের পর এক মসজিদ ভাঙ্গা শুরু হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! (১). ঢাকার মুহম্মদপুরে মসজিদ ভেঙ্গে রবীন্দ্রপূজারী গায়িকা রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যাকে জমি দেবে সরকার। সে সেখানে রবীন্দ্র 

ফযীলতপূর্ণ রাতগুলো সৃষ্টি হয়েছে ‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’ উনার মুবারক উসীলায়


সম্মানিত হাম্বলী মাযহাব উনার ইমাম হযরত ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ফতওয়া দিলেন, “পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’’ উনার ফযীলত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল ক্বদর, পবিত্র লাইলাতুল বরাত এবং অন্যান্য ফযীলতপূর্ণ রাত্রি অপেক্ষা অনেক বেশি।” সুবহানাল্লাহ! তখন সমসাময়িক হযরত ইমাম ও 

সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে আহাল হিসেবে না পাওয়ার কারণে দুঃখ-অনুতাপে দুই শত কুরাইশী মহিলা উনাদের ইন্তেকাল


হযরত ইমাম আল্লামা আবূ সা’দ আব্দুল মালিক ইবনে মুহম্মদ ইবনে ইবরাহীম নীশাপুরী খরকূশী রহমতুল্লাহি আলাইহি (বিছাল শরীফ: ৪০৯ হিজরী) তিনি উনার বিশ্বখ্যাত কিতাব ‘শরফুল মুস্ত¡ফা শরীফ’ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন, فَلَمَّا ابْتَنٰى بِـهَا سَيِّدُنَا حَضْرَتْ ذَبِيْـحُ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ (سَيِّدُنَا حَضْرَتْ 

পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার মধ্যে রোযা রাখার ফযীলত


হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি হারাম মাসে (যিলক্বদ, যিলহজ্জ, মুর্হরম ও রজব) তিন (৩) দিন রোযা রাখবে, তার জন্য নয় (৯) 

নদী রক্ষার নামে পবিত্র মসজিদ ভাঙ্গা বা স্থানান্তর করা চলবে না, কারণ পবিত্র মসজিদ উনার মালিক কোন ব্যক্তি-গোষ্ঠি বা


রাস্তা-ঘাট, ফ্লাইওভার, মেট্ররেল, নদী সংরক্ষণ বা সরকারী-বেসরকারী যে কোন প্রয়োজনের নাম দিয়ে পবিত্র মসজিদ ভাঙ্গা, স্থানান্তর করা অথবা মসজিদ উনার জমি বিক্রয় করা চলবে না। কারণ পবিত্র মসজিদ উনার মালিক কোন ব্যক্তি-গোষ্ঠি বা কোন দেশের সরকার নয়। পবিত্র মসজিদ উনার একমাত্র 

পবিত্র রজবুল আছম্ম শরীফ মাস উনার বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফসমূহ উপলক্ষে আয়োজিত মাহফিলে খাছভাবে দুয়া কবুলের জন্যে পবিত্র সুন্নতী মসজিদে


দাওয়াতের অংশ হিসেবে সকলকেই সম্মানিত রাজারবাগ দরবার শরীফে আসার জন্য দাওয়াত দেয়া হচ্ছে, খালিছ ওলীআল্লাহ হওয়া, খাছভাবে দুয়া কবুল ও নাযাত পাওয়ার জন্য। যেহেতু মহান আল্লাহ পাক তিনি আরো ইরশাদ মুবারক করেন, وَمَا عَلَيْنَا إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ অর্থাৎ সুস্পষ্টভাবে দাওয়াত পৌছে 

সতীদাহসহ বিধর্মীদের বিভিন্ন অপসংস্কৃতি বন্ধ করেছিলেন পূর্ববর্তী মুসলিম শাসকরা


বর্বর একটি প্রথার নাম হচ্ছে ‘সতীদাহ প্রথা’। এ বর্বর নির্মম প্রথা অনুসারে স্বামীর মৃত্যুর পর চিতায় মৃত স্বামীর সাথে জীবন্ত স্ত্রীকেও পুড়িয়ে হত্যা করা হতো। মহিলাটি পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলে, তাকে টেনে-হেঁচড়ে, পিটিয়ে এরপর অগ্নিকুন্ডের মধ্যে নিক্ষেপ করতো। এটা বন্ধের ইতিহাস 

মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১২ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরিচিতি মুবারকঃ


মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১২ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরিচিতি মুবারকঃ মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১২ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন: ১. ইমামুল আউওয়াল আসাদুল্লাহিল গালিব সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ 

পবিত্র রজবুল আছম্ম শরীফ মাসের মর্যাদা-মর্তবা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ দ্বারাই প্রমাণিত


সম্মানিত রজবুল আছম্ম মাসের মর্যাদা-মর্তবা বলার অপেক্ষা রাখে না। বছরের যে পাঁচটি রাতে বিশেষভাবে দুয়া কবুল হয় ‘রজবুল আছম্ম মাসের পহেলা রাত্রটি’ তার মধ্যে সর্বপ্রথম। এ মাসের ‘প্রথম জুমুয়ার রাত্রটি হচ্ছে লাইলাতুর রগায়িব।’ এসব কারণেই এই মাসের মর্যাদা-মর্তবা বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে। 

যিনি যতবেশি তাক্বওয়া অবলম্বন করবেন তথা মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি ততবেশি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট ওই ব্যক্তি অধিক সম্মানিত, যিনি বেশি তাক্বওয়াধারী।’ সুবহানাল্লাহ! তাই যিনি যতবেশি তাক্বওয়া অবলম্বন করবেন তথা মহাসম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার পাবন্দ হবেন, তিনি ততবেশি 

মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুরীদের বৈশিষ্ট্য তুলনাবিহীন!


মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুরীদের বৈশিষ্ট্য তুলনাবিহীন! যামানার মহান মুজতাহিদ ও ইমাম, মুজাদ্দিদে আ’যম, নূরে মুকাররম, আহলে বাইতে রসূল, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার যারা মুরীদ-মু’তাকিদ উনাদের ইলিম-হিকমত, ঈমান-আক্বীদা, আমল-আখলাক্ব অন্যদের থেকে অনেক অনেক গুণে উন্নত। সুবহানাল্লাহ! বলার