মহিলা ও পুরুষদের চোখের দৃষ্টির পর্দা সম্পর্কে জানার কিছু বিষয়


প্রত্যেক মু’মিনা, মুসলিমা নারীদের পর্দা করা হলো ফরযে আইন। অনূরূপভাবে প্রত্যেক মু’মিন, মুসলমান পুরুষদের জন্যও পর্দা রক্ষা করা ফরযে আইন। তবে পুরুষদের পর্দা নারীদের পর্দার থেকে কিছুটা ব্যতিক্রম। পুরুষদের পর্দা বলতে বুঝায় হারাম কিছুর দিকে নজর না করা, পরনারী থেকে ইজ্জত 

উশর আদায় করা ফরয


উশর শব্দটি আরবী শব্দ عشر থেকে উদ্ভুত। যার অর্থ হলো এক দশমাংশ অর্থাৎ দশভাগের একভাগ। ফল ও ফসলাদির যাকাতকে উশর বলে। যাকাত দেয়া যেমন ফরয, জমিতে বা মাটিতে উৎপাদিত ফলও ফসলের যাকাত দেয়াও অনুরূপ ফরয। পবিত্র যাকাত না দিলে যেমন ফরয 

সম্মানিত ও পবিত্র রজবুল আছম্ম শরীফ মাস উনার সম্মানিত ১০ই শরীফ বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ শরীফ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وذكرهم بايام الله ان فى ذلك لايات لكل صبار شكور. অর্থ: আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মতকে তথা কায়িনাতবাসীকে মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিনসমূহের কথা স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এতে প্রত্যেক 

আজ মহান স্বাধীনতা দিবস।


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, ‘মাতৃভূমির মুহব্বত পবিত্র ঈমান উনার অঙ্গ।’ আজ মহান স্বাধীনতা দিবস। মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য যে সকল মুসলমান প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের জন্য সম্মানিত শরয়ী তর্য-তরীক্বা মুতাবিক, যেমন- পবিত্র কুরআন শরীফ খতম, পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র 

নানা প্রলোভনে উত্তরাঞ্চল এবং পার্বত্যাঞ্চলের জনগোষ্ঠীকে খ্রিষ্টান বানাচ্ছে বৈদেশিক বিভিন্ন এনজিও।


বাংলাদেশে খ্রিষ্টান জনগোষ্ঠী বৃদ্ধি করে আলাদা খ্রিষ্টান রাষ্ট্র তৈরীর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে এনজিওগুলো। বিষয়টি অদূর ভবিষ্যতে গভীর শঙ্কার। রহস্যজনক কারণে নীরব সরকার। —————- একদিকে উত্তরাঞ্চল অপরদিকে পার্বত্য এলাকাকে ঘিরে এনজিও এবং আন্তর্জাতিক খ্রিস্টান লবি খ্রিস্টীয় সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ধর্ম প্রচারের লক্ষ্যে 

মানুষের অনেকগুলো বদ স্বভাব আছে, যা থেকে অবশ্যই প্রত্যেকটা মানুষকে বেঁচে থাকতে হবে


মানুষের অনেকগুলো বদ স্বভাব আছে, যা থেকে অবশ্যই প্রত্যেকটা মানুষকে বেঁচে থাকতে হবে এবং এই বদ-স্বভাবগুলো যার মধ্যে থাকবে সেই হবে সবচেয়ে নিকৃষ্ট। যেটা হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে, হযরত আসমা ইবনে উমাইস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নূরে 

হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে উত্তম লক্বব মুবারকে স্মরণ করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَلِلّهِ الأَسْمَاء الْحُسْنَى فَادْعُوهُ بِهَا وَذَرُواْ الَّذِينَ يُلْحِدُونَ فِي أَسْمَآئِهِ سَيُجْزَوْنَ مَا كَانُواْ يَعْمَلُونَ অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত বরকতময় অসংখ্য উত্তম নাম মুবারক রয়েছেন। কাজেই উক্ত নাম মুবারক ধরেই উনাকে ডাকুন। আর 

সুলত্বানুল হিন্দ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি হাক্বীক্বী ওয়ারাছাতুল আম্বিয়া


এক কোটিরও বেশি বিধর্মী যে মহান ব্যক্তিত্ব উনার হাত মুবারক-এ হাত রেখে পবিত্র দ্বীন ইসলাম কবুল করেন, তিনিই হচ্ছেন সুলত্বানুল হিন্দ, সুলত্বানুল মাশায়িখ, সুমহান চীশতিয়া তরীক্বা উনার ইমাম ও প্রতিষ্ঠাতা, সপ্তম হিজরী শতকের মহান মুজাদ্দিদ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি 

সুলতানুল হিন্দ, গরীবে নেওয়াজ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার সম্মান ও মর্যাদা


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি যাকে ইচ্ছা উনাকেই উনার খাছ বান্দা হিসেবে মনোনীত করে থাকেন।” (পবিত্র সূরা শুরা শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৩) উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে 

সুলত্বানুল হিন্দ হযরত খাজা ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার স্মরণে ভারত-বাংলার সরকারের উদ্যোগ কোথায়?


পবিত্র শাহরুল্লাহিল হারাম রজবুল আছাম্ম উনার ৬ তারিখ বিশ্ববিখ্যাত ওলীয়ে কামিল, সুলত্বানুল হিন্দ, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজায়ে আ’যম চীশতি সানজরী আজমিরী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের সুমহান দিবস। ভারতবর্ষে মানবতার মুক্তির দিশারী হিসেবে উনার বিকল্প আর কেউ নেই। অর্থাৎ 

বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পন্ন। অথচ সরকার প্রচার করে বেড়ায় যে, দেশে খাদ্য ঘাটতি আছে।


বিভিন্ন মৌসুমে খাদ্য উৎপাদন এত বেশি হয় যে, সঠিক বিপণনের অভাবে কৃষক কোন মূল্যই পায় না। এমনকি কৃষকের উৎপাদন খরচও উঠে না। এই সময়টাতে সরকার কৃষক কাছ থেকে খাদ্যগুলো ন্যায্য মূল্যে সংগ্রহ করে, হিমাগারে সংরক্ষণ করলে। একদিকে কৃষক যেমন ন্যায্যমূল্য পেতো 

৬ ই রজবুল হারাম শরীফ সুমহান বিছলী শান মুবারক উনার দিবস


هذ ا حبيب الله مات في حب الله হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতী রহমাতুল্লাহি আলাইহি উনার । ৬ ই রজবুল হারাম শরীফ । জন্ম ১১৪১ কুরাশান (আধুনিক আফগানিস্তানে) বা এসফাহন (আধুনিক ইরানে) মৃত্যু ১২৩৬ খেতাব غریب نواز গরিব নেওয়াজ،سلطان الہند সুলতান-উল-হিন্দ (ভারতের