নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘আযীমুশ শান মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র


খায়বার বিজয়ের পর যখন উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল ‘আশিরাহ আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত খিদমত মুবারক-এ উপস্থিত হন, তখন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি উম্মুল মু’মিনীন 

মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছেন- মুসলমানদের চির শত্রু হলো- কাফেররা; তারা প্রকাশ্যে ও গোপনে ক্ষতিসাধনে লিপ্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,أ يٰاَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِّن دُونِكُمْ لا يَأْلُونَكُمْ خَبَالا وَدُّوا مَا عَنِتُّمْ قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْآيَاتِ إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ অর্থ: হে মু’মিনগণ! আপনারা 

এক নজরে উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল ‘আশিরহ্ আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পরিচিতি মুবারক


উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আল ‘আশিরহ্ আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মধ্যে বিশেষ ব্যক্তিত্বা মুবারক। সুবহানাল্লাহ! তিনি শুধু যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া 

আজ সুমহান ও বরকতময় ২৫শে মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ!


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার পবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করার জন্য।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান ও বরকতময় ২৫শে মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে 

ভারতীয় আগ্রাসন থেকে মুক্ত না হলে প্রকৃত বিজয় কখনোই অর্জিত হবে না।


বারবার বিশ্বাসঘাতকতা করে এ অঞ্চলের স্বাধীনতাকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল ভারতীয় হিন্দু সম্প্রদায়। ব্রিটিশ আমলের ১৯০ বছরের পরাধীনতা সেই বিধর্মীদেরই ষড়যন্ত্রের ফসল। একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে আটক যুদ্ধাপরাধীদের বিনা বিচারে ফেরত দিয়েছিল এই ভারতীয়রাই। সুতরাং ভারতীয় আগ্রাসন থেকে মুক্ত না হলে 

সলমান হিসেবে শক্তিশালী হতে চাইলে ‘মুসলমান’ পরিচয়কে আঁকড়ে ধরতে হবে


কাফির-মুশরিকরা ‘মুসলমান’ পরিচয়ের ভিত্তিতেই যুলুম-নিপীড়ন চালাচ্ছে, কারণ মুসলমানরা তাদের ‘মুসলমান’ পরিচয়ের ব্যাপারে সচেতন নয়। মুসলমানরা বর্তমানে ছাত্র-ব্যবসায়ী-পেশাজীবী প্রভৃতি পরিচয়কে যতোটা গুরুত্ব দেয়, তার ‘মুসলমান’ পরিচয়কে সে ততোটা গুরুত্ব দেয় না। উদাহরণস্বরূপ, কিছুদিন আগের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কথাই বলা যাক। সেসময় পুলিশ তাদের 

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সঠিক ইতিহাস চর্চাকে গুরুত্বহীন করার মাশুল দিতে হচ্ছে মুসলমানদের


ইতিহাসকে কেন্দ্র করে অমুসলিম-বিধর্মীরা অহরহ মুসলমানদেরকে সাম্প্রদায়িক আঘাত করে থাকে। বাবরি মসজিদ রামমন্দির ছিল কিংবা তাজমহল শিবমন্দির ছিল- এধরনের বিকৃত ইতিহাসকে কেন্দ্র করেই ভারতে বিজেপির রাজনীতি পরিচালিত হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বিধর্মীদেরই নিজস্ব কোনো ইতিহাসই নেই। বিধর্মীদের দাবিগুলোর সবকয়েকটিই দলিলবিহীন ও 

কথিত অভিনয়কারীদের “তারকা” বলে সম্বোধন করা কুফরী


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন “মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত ছাহাবায়ে ক্বিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের প্রতি সন্তুষ্ট উনারাও মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি সন্তুষ্ট।” সুবহানাল্লাহ! আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “আমার 

উলামায়ে সূ’ অর্থাৎ দুনিয়াদার মালানারাই সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিকৃতি ঘটায়


বর্তমানে উলামায়ে সূ’রা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতি করার কোশেশ করে থাকে এবং মুসলমানগণ উনাদেরকে বিভ্রান্ত করার কোশেশ করে থাকে। মুসলমানগণ উনাদের সমস্ত ইবাদত-বন্দেগীকে নষ্ট করতে চায়। এবং কামিলে-মুকাম্মিল ওলীআল্লাহগণ উনাদের নিকট বাইয়াত হতে বাধা দেয়। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক 

ওলীআল্লাহগণ উনারা ব্যতীত প্রতিটা মানুষই ইবলিসের ধোঁকার মধ্যেই নিমজ্জিত


বর্ণিত রয়েছে, হযরত ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী রহমতুল্লাহি আলাইহি; যিনি উনার যামানার বিখ্যাত আলিম ও মানতিকের ইমাম ছিলেন। তিনি জানতেন যে, ইবলিস মানুষের ইন্তিকালের সময় এসে ধোঁকা দেয় এবং আমার ইন্তিকালের সময়ও সে আসবে ধোঁকা দেয়ার জন্য এবং আমি যতবড় আলিম হই 

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বাই‘আতে আক্বাবাহ্ শরীফ এবং উনার শর্ত মুবারকসমূহ


আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহহির, আছ ছমাদ, মুজাদিদ্দে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বাই‘আতে আক্বাবাহ্ শরীফ তিন বার অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম 

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কারবালার হৃদয় বিদারক ঘটনার পর আর


কারবালার ঘটনার পর সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুর রবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখনই পানি দেখতেন, তখনই কারবালায় আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের পিপাসার কথা মনে পড়তো ও তিনি এতে অত্যন্ত ব্যথিত হতেন। তিনি কোনো