আহলু বাইত শরীফ বিরুধীতার জবাব ৩.


৩. আপনি রাজা হউন বা বাদশা হউন, আমি চাকুরীজীবি, ব্যবসায়ী, ছাত্র, কৃষিজীবি বা সাধারণ যে কোন ব্যক্তিই হইনা কেন, আপনি যদি মমিন, মুসলমান, ঈমানদার ও জান্নাতি হতে চান? আল্লাহ পাক উনার আযাব গজব থেকে মুক্তি পেতে চান? তাহলে অবশ্যই আপনাকে ইসলামের 

আহলু বাইত শরীফ বিরুধীতার জবাব ২.


২. আমরা কি ঈমানদার হতে চাই? আমরা কি মুসলমান হতে চাই? আমরা কি মুমিন হতে চাই? আমরা কি মুত্তাকী হতে চাই? আমরা কি জান্নাতী হতে চাই? আমরা কি জাহান্নাত থেকে মুক্তি পেতে চাই? আমরা কি আল্লাহর আযাব গজব থেকে মুক্তি পেতে 

আহলু বাইত শরীফ উনাতের বিরুধীতার জবাব ১.


১. কোন ব্যক্তি যদি কারো পিতা-মাতা ও পরিবার পরিজনকে গালিগালাজ করে বলে যে, উমুকের পিতা চোর বা ডাকাত অথবা যদি বলে তার মা পতিতা অথবা তার বোন জিনাকারী বা তার ছেলে বদচরিত্র তাহলে কি সেটা শুনে চুপ করে বসে থাকবে? সে 

চাঁদ না দেখে যিলহজ্জ মাস শুরু করলে হাজী সাহেবদের হজ্জ ও তার সংশ্লিষ্ট কোনো আমলই শুদ্ধ হবে না


সউদী আরবে পবিত্র যিলহজ্জ মাস সঠিক তারিখে চাঁদ দেখে শুরু না করলে পবিত্র আরাফা উনার ময়দানে উপস্থিত থাকার ফরয, মুজদালিফায় থাকার ওয়াজিব, কঙ্কর নিক্ষেপ করার ওয়াজিব, কুরবানী করার ওয়াজিব, চুল কাটার ওয়াজিব, তাওয়াফে যিয়ারত ও ইহরাম খোলার ফরযসহ সকল আমলসমূহ হাজী 

কেন দেশী গরু কিনা উচিত? এবং কেন ভারতীয় গরু কিনবেন না?


নিম্নমানের ভারতীয় গরু কিনবেন না। কারণ- ১। খাদ্যের অভাবে ভারতীয়রা যেমন কচুঘেচু খায়, তেমনি তাদের গরুগুলো কিছু খেতে না পেয়ে প্লাস্টিক খায়। ভারতের প্রতিটি মৃত গরুর পেটে ৩০ কেজি প্লাস্টিক পাওয়া যায়। ২। বিপরীতে আমাদের খামারীরা গরুকে খাওয়ায় উন্নত মানের খাবার। 

আর কত ষড়যন্ত্র করলে কুরবানীবিরোধী তৎপরতা বন্ধ হবে


পবিত্র কুরবানীর পশু যবাইয়ের জন্য স্থান নির্ধারণ, হাট কমানো, শহর থেকে দূরে সরিয়ে নিরবচ্ছিন্ন দুর্গম স্থানে নিয়ে যাওয়া, ১৮ বছরের নিচে কেউ যবেহ করতে না পারা, মেশিন দিয়ে যবাইয়ের জন্য আগাম প্রস্তুতি নেয়া, পশুর মধ্যে বিষ রয়েছে বলে গুজব ছড়ানো, কুরবানী 

কুরবানি নিয়ে চক্রান্ত বন্ধ করুন!!!


আসুন আমরা বন্যাকবলিত এলাকায় যারা গরিব,দুখী আছেন,না খেয়ে জীবন যাপন করছেন।তাদের পাশে দাঁড়াই।আমরা তাদের জন্য নিজস্ব তহবিল থেকে চাল,ভাত,মাছ,গোশত,ডাল,দুধ,ঔষধ,কাপড়-চোপড়,স্যালাইন,বিশুদ্ধ পানি,চিড়া,মুড়ি,গুড়,চিনি ইত্যাদি জিনিস খাবারের উপযুক্ত করে তাদের কাছে পৌঁছে দিই।তারা যেন কোন কষ্টট ছাড়াই খাবার গুলো গ্রহণ করতে পারে। কেননা,আমরা যদি তাদেরকে 

আহলু বাইত শরীফ উনাদের বিদ্বেষ পোষণ করা কুফুরি!!!


ওহে ঈমানদারেরা তোমরা কোথায়? ওহে মুসলমানেরা তোমরা কোথায়? ওহে বীরের জাতিরা তোমরা কি ঘুমিয়ে পড়েছো? তোমরা কিছু কাফির,মুশরিক, নাস্তিদের কাছে মাথা নত করেছ কি? তোমরা তো ঘুমাবার জাতি নও।তোমরা তো কারোও কাছে মাথা নত করিবার জাতি নও। *****তাহলে আজ কেন তোমাদের 

উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক এবং সম্মানিত পবিত্রতা মুবারক


বনী মুছত্বলিক্বের জিহাদ থেকে প্রত্যাবর্তনের সময় আফদ্বলুন নিসা বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত শান মুবারক উনার খিলাফ মিথ্যা অপবাদ রটনা করে মুনাফিক্ব সর্দার উবাই ইবনে সুলূল লা’নাতুল্লাহি আলাইহি এবং 

বিরান করার উদ্দেশ্যে যারা মসজিদ ভাঙ্গে, তারা মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- احب البلاد الى الله مساجدها অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক উনার কাছে প্রিয়তম স্থান হচ্ছে মসজিদ।” পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে- من بنى لله مسجدا بنى الله بيتا فى الجنة 

৪৭-এ ভারত ভাগ- ভারতীয় মালউনদের বৈষম্য ও পীড়নের খন্ড চিত্র


সালাউদ্দিন আবু আসাদ। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানে ছিল আসাদের বাড়ি। ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান ভাগের পর আসাদ চলে আসেন তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে। দেশভাগের ৭০ বছর উপলক্ষে সালাউদ্দিন আবু আসাদের কথা। ১৯৪৬ সালের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে উগ্র হিন্দুদের সাম্প্রদায়িকতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। মুসলমানদেরকে সেখানে 

মুনাফিক প্রসঙ্গে…


“তোমরা কি কিতাবের কিছু অংশ মানবে, আর কিছু অংশ অস্বীকার করবে? তোমাদের মধ্যে যারা এরূপ করবে (কিছু মানবে, কিছু অস্বীকার করবে), দুনিয়ায় তাদের বদলা বা শাস্তি হচ্ছে- লাঞ্ছনা-গঞ্জনা এবং ক্বিয়ামতের দিন তাদেরকে কঠিন শাস্তির দিকে ধাবিত করা হবে।” (সূরা বাক্বারা :