পবিত্র রমাদ্বান শরীফ হচ্ছেন- পবিত্র যাকাত উনার মাস।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমরা পরস্পর পরস্পরকে নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগীতা করো, পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগীতা করো না।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র রমাদ্বান শরীফ হচ্ছেন- পবিত্র যাকাত উনার মাস। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে সংগৃহীত যাকাত-ফিতরা দ্বারা প্রায় সারা 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে নিজেদের মতো ‘বাশার’ বা মানুষ বলা কাট্টা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক উনার অসংখ্য অগণিত ছিফত বা গুণের মধ্যে একটি হচ্ছে (صا بر) ‘ছাবির’ অর্থাৎ ধৈর্যশীল। আর আল্লাহ পাক উনার বান্দাদের মধ্যেও অনেকের নাম রয়েছে ছাবির। এখন কেউ কি একথা বলবে বা দাবি করবে যে, ছাবির নামের ব্যক্তিরা তারা আল্লাহ 

পবিত্র যাকাত: যা সমস্ত ইবাদত-বন্দেগীকে পূর্ণতা দান করে


সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ কুল-মাখলুকাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত। যে সম্মানিত ইবাদত উনার সাথে অন্য কোন ইবাদতের তুলনা চলবে না। এছাড়া অন্য সকল ইবাদতসমূহকে পূর্ণতা দানকারী ইবাদত হচ্ছেন সম্মানিত যাকাত। সম্মানিত যাকাত সঠিকভাবে আদায় না করলে এবং হক্কস্থানে না পৌঁছালে অন্য ইবাদত-বন্দেগী কবুল 

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি মুহব্বত ও আনুগত্য প্রকাশের সবচেয়ে বড়


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক ফরমান, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি লোকদেরকে বলে দিন যদি তারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করে, তবে যেন আপনার আনুগত্য প্রদর্শন করে।” উল্লেখ্য, 

৫টি প্রশ্নের জাওয়াব না দেয়া পর্যন্ত হাশরের ময়দানে কেউ তার পা নড়াতে পারবে না


ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ক্বিয়ামতের দিন পাঁচটি প্রশ্নের জাওয়াব না দেয়া পর্যন্ত কেউ এক পা নড়াতে পারবে না। (১) তার 

কোন অধিকারে- ক্ষুধার্ত মানুষকে আঘাত করা হচ্ছে?


ঘরে বসে থাকলে খাবার দিবে কে? এটাই এখন দেশের কোটি কোটি মানুষের প্রশ্ন। অথচ সরকারী আমলা-কামলারা সরকারের কথিত আদেশ-নিষেধ বাস্তবায়নের নামে এইসকল মানুষদের উপরই জুলুম শুরু করেছে। রাস্তায় বের হয়েছে কেন, মাস্ক পরেনি কেন, দোকান খুলেছে কেন, রিকশা চালাচ্ছে কেন ইত্যাদি 

সম্মানিত সুন্নত মুবারক পালনে হীনম্মন্যতা- এটা মুসলমানের পরিচয় হতে পারে না


একজন মুসলমান মারা গেলে তাকে সুন্নতী তর্জ-তরীকা অনুযায়ী গোসল, কাফন, দাফন ইত্যাদি কাজ সম্পন্ন করা হয়। অর্থাৎ মারা গেলে প্রত্যেককে ইচ্ছা-অনিচ্ছায় সম্মানিত সুন্নত পালন করতে হচ্ছে। কিন্তু বেঁচে থাকতে অনেকেই সম্মানিত সুন্নত পালন করতে অনীহা প্রকাশ করে। এখন একজন ফাসিক মুসলমানকেও 

মসজিদে যেতে বারণ করার অধিকার কাউকে দেয়া হয়নি


পবিত্র মসজিদ মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর। পবিত্র মসজিদ মুসলমানদের নিরাপত্তার স্থান, রহমত-বরকত লাভের স্থান। রোগ-শোক, আযাব-গযব থেকে রক্ষা পেতে দোয়া কামনার স্থান। পবিত্র ছলাত তথা নামায আদায় করার স্থান। একজন ঈমানদার, একজন মুসলমান মসজিদে যাবে, জামায়াতে নামায পড়বে, দোয়া-মুনাজাত করবে; 

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের করোনা সংক্রান্ত কুফরী ও শিরকীমূলক প্রদত্ত ফতওয়ার খন্ডনমূলক জাওয়াব


তারা যদি তাদের ফতওয়ার ব্যাপারে সত্যবাদী হয়ে থাকে তাহলে তারা যেন লিখিত দলীল পেশ করে। ✒সংক্রামক বা ছোঁয়াচে ও জামায়াত-জুমুয়া সংক্রান্ত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফতওয়া ✒ সুওয়াল: কিছুদিন পূর্বে ইসলামিক ফাউন্ডেশন “করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করার প্রেক্ষাপটে ইসলামের বিধি-বিধান অনুসরণের বিষয়ে 

পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে অকাট্য দলীল-আদিল্লাহর ভিত্তিতে ‘ছোঁয়াচে রোগে বিশ্বাসীদের’ ভ্রান্ত যুক্তির দাঁতভাঙ্গা জবাব


ক্বিল্লতে ইলম ও ক্বিল্লতে ফাহাম তথা কম জ্ঞান ও কম বুঝের কারণে কিছু সংখ্যক উলামায়ে সূ’ একখানা আছার এবং দুইখানা মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ দিয়ে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে বলেছেন, ‘ছোঁয়াচে বলতে কোনো 

স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছেন- মুসলমানদের চিরশত্রু বেদ্বীন-বদদ্বীনরা মুসলমানদের প্রকাশ্যে ও গোপনে ক্ষতিসাধনে লিপ্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, يٰاَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لا تَتَّخِذُوا بِطَانَةً مِّن دُونِكُمْ لا يَأْلُونَكُمْ خَبَالا وَدُّوا مَا عَنِتُّمْ قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاءُ مِنْ أَفْوَاهِهِمْ وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الْآيَاتِ إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ অর্থ: হে মু’মিনগণ! আপনারা 

মুসলমানদের উচিত জুলুমকারী কাফির-মুশরিকদের বিরুদ্ধে বেশি বেশি বদ-দোয়া করা


মুসলমানদের জন্য করণীয় হচ্ছে- যারা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার, সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের, হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু আনহুম উনাদের ও হযরত আউলিয়ায়ে