বাতিল বিনাশ এবং হক্ব প্রতিষ্ঠায় নববী নকশায় দেদীপ্যমান খলীফাতুল উমাম, ছানীয়ে মুজাদ্দিদে আ’যম, আল মানছূর, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুনা


বাতিল বিনাশ এবং হক্ব প্রতিষ্ঠায় নববী নকশায় দেদীপ্যমান খলীফাতুল উমাম, ছানীয়ে মুজাদ্দিদে আ’যম, আল মানছূর, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহিস সালাম তিনিই হলেন বারো জন খলীফা উনাদের মধ্যে এগারোতম! একজন মুজাদ্দিদ, তিনি অবশ্যই মুজাদ্দিদ। একজন মুজাদ্দিদে 

মুসলিম দেশের পাঠ্যপুস্তকে বিধর্মীদের কুফরী শিক্ষায় সয়লাব!!


মুসলিম দেশের পাঠ্যপুস্তকে বিধর্মীদের কুফরী শিক্ষায় সয়লাব!! বাংলাদেশ একটি স্বাধীন মুসলিম দেশ। এদেশ ভারত নয়, ভারতের অঙ্গরাজ্যও নয়। তাহলে এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায়, সরকারি পাঠ্যপুস্তকে কেন অমুসলিম, বিধর্মী, মূর্তিপূজারীদের অপশিক্ষায় সয়লাব? যে দেশের রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম সেদেশে শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রতিটি শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে বেশিরভাগ 

স্থল নদীপথ ও এয়ার ট্রানজিট এবং বাংলাদেশের বিপন্ন স্বাধীনতা


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে পবিত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা জালিমও হয়ো না। আবার মজলুমও হয়ো না।” বর্তমানে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ভারতকে বিনাশর্তে ব্যবহার করতে দেওয়ার মাধ্যমে মূলত বাংলাদেশকেই আজ অনানুষ্ঠানিক করদরাজ্যে পরিণত করা হচ্ছে। 

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার তথা পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গুরুত্ব, সম্মান মর্যাদা-মর্তবা উনার বিষয়টি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি রহমত ও ফযল করম ও দয়াদান ইহছান হিসেবে উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করেছেন সেজন্য 

ইবলিস শয়তানের প্রধান তিনটি ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকুন


ইবলিস শয়তান মানুষের জন্য প্রধান ও প্রকাশ্য শত্রু। সে চায় সবসময় মানুষকে ধোঁকা দিয়ে গোমরাহ বানাতে। তাই তার ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকতে হবে। ইবলিসের প্রধান তিনটি ধোঁকা- ১. মহান আল্লাহ পাক উনার মুবারক যিকির থেকে গাফিল রাখা। ২. হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম 

আন নি’মাতুল কুবরা কিতাব সম্পর্কে অপপ্রচারের জবাব,


সর্বশ্রেষ্ট সাহাবী ও ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম বলেন, مَنْ اَنْفَقَ دِرْهَمًا عَلَى قِرا ةَ مَوْ لِدِ النَّبىُ صلي اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَان رفيقي فىِ الجَنّةِ অর্থাৎ- “যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষ্যে এক দিরহাম খরচ 

সুমহান বরকতময় পবিত্র ২২শে জুমাদাল উখরা শরীফ- খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার পর যদি কেউ নবী হতেন, তবে নবী হতেন হযরত ফারুক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান বরকতময় পবিত্র ২২শে জুমাদাল উখরা শরীফ- খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা 

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী যেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকেই পুনরুজ্জীবিত করলো


পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী যেন ইসলাম উনাকেই পুনরুজ্জীবিত করলো। এ প্রসঙ্গে কিতাবে বর্ণিত আছে, وَقَالَ حضرت عُمَرُ عليه السلام مَنْ عَظَّمَ مَوْلِدَ النَّبِىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَدْ اَحْيَا الاِسْلامَ. অর্থ: সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, “যে 

বাঙালি মুসলমানরা কেন পাকিস্তানকে হারাতে পেরেছিল?


পাঞ্জাবী মুসলমানরা ছিল ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর মূল স্তম্ভ ও সবচেয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ। ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর অন্যান্য যেসব জাতি, যেমন শিখ, রাজপুত, মারাঠা এরা ছিল পাঞ্জাবী ও পাঠানদের তুলনায় সামরিক বিচারে নিম্নশ্রেণীর। যে কারণে দেশবিভাগের সময়ে পাকিস্তানের ভাগে ভারতের তুলনায় কম 

উন্নয়নের নামে মন্দির ভাঙ্গবেন না, তবে মসজিদ ভাঙ্গবেন! এটা কোন ধরণের জুলুম?


ইদানিং কথিত সৌন্দর্য বর্ধন ও উন্নয়নের নামে ঢাকার চারপাশে নদীকেন্দ্রীক ৭৭টি মহাসম্মানিত মসজিদসহ সারা দেশে বহু মসজিদ-মাদরাসা ভেঙ্গে দেয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে আসছে সরকারের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা একটি কুচক্রী মহল। তবে এমন পরিস্থিতিতে সরকার সম্পূর্ণ নিরব তো বটেই; খোদ নৌসচিব 

পার্বত্য এলাকায় সুবিধাভোগী উপজাতিরা, অবহেলিত বাঙালিরা


প্রাচীনকাল থেকে বাংলাদেশ রূপের ভান্ডার। আর এই রূপের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানে আঁকাবাঁকা পথ দিয়ে যেখানেই যাবেন দেখবেন শুধু সবুজ আর সবুজ। পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে নিচের পানিধারার দিকে তাকাতেই চোখ জুড়িয়ে যাবে। পাহাড় বেয়ে স্বচ্ছ পানির ঝর্ণাধারার এতো সৌন্দর্য আর 

সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২৩শে জুমাদাল উখরা শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আস সাবি’য়াহ আত্বওয়ালু ইয়াদান আলাইহাস


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার শাফায়াত ওই সকল উম্মত উনাদের জন্য, যাঁরা আমার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করে থাকেন। আর উনারাই হচ্ছেন আমার খাছ উম্মত তথা অনুসারী।’