ছবিযুক্ত আইডি কার্ড-এর কারণে মুসলিম নারীদের পর্দা পালনের অধিকার খর্ব হচ্ছে


আমি একজন মুসলিম নারী। পর্দা করি, সে কারণে ছবি তুলি না। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অনুসারে “যে ব্যক্তি ছবি তোলে, আঁকে, রাখে তারা জাহান্নামী।” আমার ধর্ম আমার পালন করার অধিকার আছে। সবাই যখন নিজ অধিকার নিয়ে কথা বলছে, আমাকে আপনারা অবজ্ঞা 

কেউ যদি মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ উনার প্রতি বিশ্বাসী হয়, তবে অবশ্যই তাকে কাফির-মুশরিকদের শত্রু


মুসলমান পুরুষ-মহিলা প্রত্যেকের জন্য ফরয হচ্ছে, কাফির-মুশরিকদেরকে শত্রু হিসেবে জানা। কোনো মুসলমান যদি কাফির-মুশরিকদেরকে শত্রু মনে না করে, তাহলে সে মুসলমান হিসেবে সাব্যস্ত হবে না। কেননা, সে মহান আল্লাহ পাক উনার কালাম পবিত্র কুরআন শরীফ উনার হুকুম বা আদেশ-মুবারক অস্বীকার বা 

দেয়ালে, বিলবোর্ডে অশ্লীলতা!! মুসলমানদের চরিত্র নষ্ট করার ষড়যন্ত্র


প্রত্যক্ষভাবে দেখা যাচ্ছে যে, সারাদেশে অসংখ্য বিল বোর্ডে লক্ষ লক্ষ অশ্লীল ছবি। এতে মুসলমানদের দৃষ্টিকে বিপদগামী করার কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। কোটি কোটি মুসলমানদের ঈমান আমল নষ্ট করে গুনাহের কাজে ধাবিত করার সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু মুসলমান এ থেকে সম্পূর্ণরূপে বেখবর। 

বাংলাদেশবিদ্বেষী ও ইসলামবিদ্বেষীদেরকে বহিষ্কার করা জরুরী


প্রতিদিন মুসলমান মারা হচ্ছে ভারতে। এমনকি মূর্তিপূজারীদের মুসলিমবিদ্বেষিতা ও বাংলাদেশবিদ্বেষিতা এতোটা চরম যে, প্রতিদিনই মুসলমানদের হত্যা, অপহরণ, নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে। সীমান্ত থেকে শুরু করে গোটা ভারত এখন মুসলমানদের জন্য উত্তপ্ত কড়াই। প্রতিটি পদে পদে, প্রতিটি ক্ষণে ক্ষণে সেখানে মুসলমানগণ উগ্রদের হামলার 

হারাম খেলার মাধ্যমে মানুষ যত গুনাহ করছে তার সবটাই উলামায়ে সূ’দের আমলনামায় যোগ হবে


খেলা নিয়ে ‘উলামায়ে সূ’ বা ধর্মব্যবসায়ী কওমী-দেওবন্দী-জামাতীরা মাঝে মাঝে প্রচার করে বেড়াচ্ছে- ওমুক দল খেলার মাঠে নামায পড়েছে বলে তারা খেলায় জয়লাভ করেছে’ কিংবা অমুক দলকে আল্লাহ ফিরিশতা দিয়ে সাহায্য করে জিতিয়ে দিয়েছে’ (নাউযুবিল্লাহ)। উল্লেখ্য, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান 

পাগড়ী মুবারক পরিধান করা খাছ সুন্নত মুবারক


পাগড়ী পরিধান করা দায়িমী সুন্নত মুবারক। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা পাগড়ী মুবারক পরিধান করতেন। পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয়ের সময় উনার মাথা মুবারকে কালো রংয়ের পাগড়ী মুবারক ছিল। পাগড়ী মুবারক সম্পর্র্কে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর 

সামনে আর পাঁচ বছর


১১৪৫ হিজরী সালে কাফির-মুশরেকরা একজোট হয়ে ৩০০ বছরের একটা পরিকল্পনা এঁটেছিল। পরিকল্পনার লক্ষ ছিল মুসলমানদের যমীন থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে তাদের দেশগুলোকে করায়ত্ব করা। তারা এই লক্ষমাত্রা অর্জনের পথে অনেক দূর এগিয়ে গেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। মধ্যপ্রাচ্যের সব দেশগুলোর উপরে 

জনগণ গণতন্ত্রের রঙ্গিন চশমায় শুধু ঘুঘু দেখে কিন্তু ঘুঘুর ফাঁদ দেখে না


সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রতিশ্রুতি ছিলো, ‘দেশে পবিত্র কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোনো আইন পাশ হবে না।’ অর্থাৎ দ্বীন ইসলাম উনার বিরুদ্ধে কোনো কিছু এদেশে চলবে না। দেশের ৯৮ ভাগ মুসলিম জনগোষ্ঠীর দ্বীনি সেন্টিমেন্টকে পুঁজি করে এসব মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে এখন একের 

বাংলার আকাশে বহুজাতিক শকুনের ছায়া। প্রসঙ্গ: গোল্ডেন রাইস


পুর্বেই বলা হয়েছে যে, Syngenta Ges Monsanto কোম্পানী USAID এর সাথে মিলে গোল্ডেন রাইসের প্রচার-প্রসার করে। এখন আমরা আলোচনা করবো যে, বাংলাদেশে এর কিরুপ প্রভাব পড়বে। National Security Study Memorandum 200 এর মধ্যে হেনরী কিসিঞ্জার কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করেছিলো যেগুলোর 

‘ছবি’ ফিতনার মূল


আমরা মুসলমান। কিন্তু কাফির-মুশরিকরা যখন বেহায়া-বেপর্দা ও ছবি-ক্যামেরার ফিতনাতে নাজেহাল তখন আমাদের কখনোই উচিত হচ্ছে না, শরীয়তবিরোধী ফিতনাকে সরকারিভাবে মদদ দান করা। সরকারের ভেবে দেখা দরকার দেশকে কীভাবে ফিতনা-ফাসাদ মুক্ত করা যায়। দেশের বিভিন্ন তথাকথিত নামি মহিলাদেরই অনেকে অকপটে স্বীকার করেছে, 

ব্রিটিশ প্রবর্তিত SIR এবং MADAM বলা পরিহার করুন


SIR এবং MADAM শব্দ দুটো বেশ প্রচলিত। কথিত মুসলমানও বলে যাচ্ছে অবলীলায়। কিন্তু এই দুটি শব্দ কিভাবে এসেছে তা কি কখনো ভেবে দেখেছে? ১) SIR: কথিত ‘স্যার’ শব্দটি যতখানি কথিত সম্মানের, তার চেয়ে বেশি আত্মঘাতী। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, অফিসে যার বহুল 

বিধর্মীরা যতটুকু সভ্যতা পেয়েছে তা মুসলিম শাসনামলে, বর্বরোচিত সতীদাহ প্রথাও বন্ধ করেছিলেন মুসলিম শাসকগণ


একথা সবারই জানা রয়েছে, একটি গোঁড়া বর্বর প্রথার নাম হচ্ছে ‘সতীদাহ প্রথা’। এ বর্বর নির্মম প্রথা অনুসারে স্বামীর মৃত্যুর পর চিতায় মৃত স্বামীর সাথে জীবন্ত স্ত্রীকেও পুড়িয়ে হত্যা করা হতো। মহিলাটি পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করলে, হিন্দুরা তাকে টেনে-হেঁচড়ে, পিটিয়ে এরপর অগ্নিকুন্ডের