সবুজ বাংলা ব্লগ


বিধর্মীদের মতো কুরবানীতে বাধা নয়, সহযোগিতামূলক আচরণই সরকার থেকে কাম্য


এতদিন হয়েছে অমুসলিমদের দেশে। এখন মুসলমান অধ্যুষিত দেশগুলোতেও শুরু হয়েছে। তবে বাংলাদেশের মতো ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে এটা সত্যিই বিস্ময়কর। হ্যাঁ! পবিত্র কুরবানীর পশু জবাই নিয়েই বলছি। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি অমুসলিম দেশ, যেমন- নেপালসহ ভারতে বেশ কয়েকটি প্রদেশে কুরবানীতে গরু 

নেক সঙ্গ মানুষকে আল্লাহওয়ালা করে দেয়


মহান আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করো, আর সত্যবাদী বা আল্লাহওয়ালা উনাদের ছোহ্বত ইখতিয়ার কর।” (পবিত্র সূরা তাওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১১৯) কারণ ছোহ্বত বা সঙ্গ বিষয়ে বলা হয়- الصحبة 

গযবের তাপ থেকে নেই কোন মাফ


নজিরবিহীন তাপে পুড়ছে পুরো ইউরোপ, আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়া, উত্তর কোরিয়া, জাপান, চীন, পর্তুগাল পাশ্ববর্তী মুশরেকগুলো অর্থাৎ কাফের-মুশরেকদের প্রায় সবগুলো দেশই গযবের তাপে পুড়ছে। তারা এটাকে অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গকারী গরম বলে অভিহিত করছে। গরমের তান্ডব দেখে তাদের তথাকথিত বুদ্ধিজীবিদের এবারকার বিবৃতি হচ্ছে- 

বদ আক্বীদা ও বদ আমলকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে পবিত্র কুরবানী পশুর চামড়া কিংবা চামড়া বিক্রির অর্থ প্রদান করা জায়িয


পবিত্র কুরবানী করার জন্য কুরবানী উনার পশু যেমন বিভিন্ন শরয়ী খুঁতমুক্ত হতে হয় তেমনি কুরবানী পশুর চামড়া বা চামড়া বিক্রির অর্থও শরয়ী খুঁতমুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানে প্রদান করতে হয়, নতুবা কুরবানী কবুল হবে না। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দেশ মুবারক 

সমস্ত মুসলমানদের জন্য ফরযে আইন হচ্ছে বেদ্বীন-বদদ্বীন, উলামায়ে সূ’, মুনাফিকদের অর্থাৎ সমস্ত কাফিরদের বিরুদ্ধে কঠিন বদদোয়া করার জিহাদে শরীক


মুজাদ্দিদে আ’যম, মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খ¦লীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছালাতু ওয়াস সালাম উনার সীমাহীন শান মুবারক উনাদের মধ্যে একখানা আখাচ্ছুল খাছ সম্মানিত বিশেষ শান মুবারক হচ্ছেন, যে সমস্ত ইহুদী, নাছারা, হিন্দু, বৌদ্ধ, মজুসী, মুশরিক, বেদ্বীন-বদদ্বীন, উলামায়ে সূ’, 

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে পশু কুরবানী মূলত নিছক গোশত খাওয়া কিংবা লোকপ্রদর্শনী নয়?


সেই দিন যদি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার খলীল হযরত ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম উনার প্রাণপ্রিয় আওলাদ, যবীহুল্লাহ হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম তিনি ছুরির নিচে জবেহ হয়ে যেতেন, তাহলে সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের প্রাণপ্রিয় সন্তানকেও কুরবানী করতে হতো। খালিক্ব মালিক রব 

তারা জনগণের নেতা হওয়ার অযোগ্য- যাদের নজর পবিত্র কুরবানীর পরিবর্তে মূর্তিপূজার প্রতি


বলা হয়ে থাকে- ‘পাগলেও নিজের ভালোটা বুঝে।’ কিন্তু বাংলাদেশের চলমান অবস্থা দেখে বিপরীতটাই মনে হয়। কারন এদেশের জনসংখ্যার মূল অংশ তথা ৯৮ ভাগই যেখানে মুসলিম, সে মুসলিমরাই আজ তাদের দ্বীনি অধিকার পালনের স্বাধীনতা পাচ্ছে না। মুসলমানদেরকে বলা হচ্ছে- সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট 

বিধর্মীদের পূজা-পার্বনের সময় এদের মানবতা কোথায় থাকে?


বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৯৮ ভাগই হচ্ছে মুসলমান। এ কারণে এদেশের সংবিধানে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে রাষ্ট্রদ্বীন হিসেবে বহাল রাখা হয়েছে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও উপজাতি সবমিলে রয়েছে মাত্র ১.৫ ভাগ। ওদের যে কোনো কল্পিত ধর্মীয় উৎসবের সময় দেখা যায় সরকার স্বয়ং 

এতো কম সংখ্যক হাট থেকে পবিত্র কুরবানীর পশু কেনা অত্যন্ত কঠিন


পবিত্র কুরবানীতে সরকারিভাবে রাজধানীতে পশুর হাট কমানো হয়েছে। নিরাপত্তা, যানজট ইত্যাদির অজুহাতে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ও বড় বড় হাটগুলো ঢাকার দূরবর্তী অঞ্চলে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এসব মূলত ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই নয়। স্মরণ রাখতে হবে, পশুর হাট অন্যত্র সরিয়ে নেয়া বা হাটের সংখ্যা 

‘পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের কারণে যানজট হয়’- এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা


একটি মহল কয়েক বছর যাবৎ অপপ্রচার করছে, পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের কারণে যানজট হয়। নাউযুবিল্লাহ! তারা যানজট এড়াতে হাটগুলোকে ঢাকার বাইরে নিয়ে গেছে। নাউযুবিল্লাহ! প্রকৃতপক্ষে ‘পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটের কারণে যানজট হয়’ এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। কারণ সারা বছর তো গরুর 

কুরবানী পশুর হাড়-শিং-এর ২০ কোটির বাজার ১শ কোটিতে নেয়া সম্ভব


কুরবানীর পশুর একটি হাড়ও ফেলনা নয়। হাড়, শিং, দাঁত ও খুর রফতানী ও এগুলোর দ্বারা তৈরি পণ্য বাজারজাত করে বর্তমানের ২০ কোটি টাকার বাণিজ্য ১শ কোটিতে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। হাড় ও শিং থেকে সামান্য পরিমাণে চিরুনী, বোতাম, হস্তশিল্প তৈরি করা হলেও 

পরিবেশ দূষণ ও যানজট থেকে এ শহর মুক্ত থাকে কখন?


কুরবানী আসলেই একটি অপশক্তি যানজট আর পরিবেশ দূষণের দোহাই দিয়ে থাকে। অথচ বিধর্মী-অমুসলিমদের পূজা-পার্বণ ছাড়াও সরকারী দলের মিছিল-মিটিং ইত্যাদির কারণে সারাবছর ঢাকা শহরে যানজট লেগে থাকে এবং পরিবেশ দূষণ হয়ে থাকে। (১) বিধর্মীদের রথযাত্রা, মিছিল, সমাবেশ ও রাস্তা বন্ধ করে পূজামন্ডপ