বাল্যবিবাহের বিরোধিতাকারীরা যেই হোক এবং তারা যেখানেই থাকুক তাদেরকে পাকড়াও করে মহাসম্মানিত শরীয়ত মুতাবেক শাস্তি দিতে হবে


যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার আইন সবার উর্র্দ্ধে। উনার আইনের উপস্থিতিতে অন্য কারও প্রণীত আইন মোটেও গ্রহণযোগ্য নয় বরং তা সম্পূর্ণরূপে পরিত্যাজ্য ও প্রত্যাখ্যাত। মহান আল্লাহ পাক তিনি ওহী মুবারক দ্বারা নাযিলকৃত কিতাব পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে 

মুসলমানদেরকে মসজিদে যেতে নিরুৎসাহিত করছে, কাতারে ফাঁক ফাঁক করে দাঁড়াতে বলে, মুসল্লি সীমিত করতে বলে তাদের জন্য- পবিত্র কুরআন


যে বা যারা কথিত ছোঁয়াচে রোগ নামক শিরকী বিশ্বাসে বিশ্বাসী হয়ে মুসলমানদেরকে মসজিদে যেতে নিরুৎসাহিত করছে, কাতারে ফাঁক ফাঁক করে দাঁড়াতে বলে, মুসল্লি সীমিত করতে বলে তাদের জন্য- পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অর্থ্যাৎ সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক রয়েছে 

ভারতের মতো বাংলাদেশের প্রশাসনও কি মুসলিমশূন্য হতে চলেছে?


সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগে, প্রতিটি পদে বিধর্মী, অমুসলিম, উপজাতিদের গণহারে নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এদের সংখ্যাধিক্য দেখলে এটাই স্পষ্ট যে, পরিকল্পিতভাবেই এধরণের বৈষম্যমূলক নিয়োগ চলছে। আমাদের এই দেশে ৯৮ ভাগ মুসলমান। সে হিসেবে দেশের প্রশাসনসহ প্রতিটি বিভাগে চাকরি-বাকরিতে মুসলমানদের প্রাধান্য থাকবে 

সাইয়্যিদাতুন নিসা, মুতহ্হারাহ্, মুতহ্হিরাহ্, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক


হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনারা অন্য কারো মতো নন, উনারা বেমেছাল শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক উনার অধিকারিণী সাইয়্যিদাতুন নিসা, সাইয়্যিদাতুন নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, মুতহ্হারাহ্, মুতহ্হিরাহ্, উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার সূরা মারইয়াম 

নামে মুসলমান, বাস্তবে তারা মুনাফিক ও মুরতাদ


বর্তমান সময় হচ্ছে আখেরী যামানা। বলা হয়, এক হাজার হিজরী সনের পর হতে আখেরী যামানা। এই আখেরী যামানার বিষয়ে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে মুসলমানের ঈমান- আক্বীদা, আমল-আখলাক্ব বিপর্যয় হওয়া সম্পর্কে বিভিন্ন বর্ণনা উল্লেখ রয়েছে। যেমন এক বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে, আখেরী 

পবিত্র কুরবানীতে শর্তারোপ করা ইবলিসী খাছলত


প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ষড়যন্ত্রমূলকভাবে কুরবানীর পশুর প্রয়োজন মাফিক বাাড়ানো হয়নি। এরপরও দেখা যাবে সিন্ডিকেট করে বেপারীদের দুরে কোথাও আটকে রেখে অল্প অল্প করে গরু ছাড়বে যাতে কুরবানীদাতা চড়া দামে পশুটা কিনতে বাধ্য হয়। ঢাকায় ঢোকার প্রতিটি মুখে সিন্ডিকেট বসিয়ে 

খাবারে লুকিয়ে থাকা হারাম উপাদান


রেনেট বা রেনিন (Rennet or Rennin): সদ্য হত্যাকরা প্রানীর পেট থেকে রেনেট এনজাইম সংগ্রহ করা হয় যা পনির বানানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। তবে পাশ্চ্যাতে রেনেট সংগ্রহ করা হয় শুকোরের পেট থেকে। এটি হারাম । এ কারণে বিদেশী (মুসলিম দেশ ছাড়া) 

অহিংসা পরম ধর্ম’, ‘জীবহত্যা মহাপাপ’ এসব গালসর্বস্ব বুলিই বৌদ্ধধর্মের একমাত্র বক্তব্য নয়


“বৌদ্ধরাও এই পঞ্চ ‘ম’ কারে অভ্যস্ত হয়েছিল। অনঙ্গবজ্রের প্রজ্ঞোপায় বিনিশ্চয়সিদ্ধি গ্রন্থে বলা হয়েছে যে, মহামুদ্রার অভিজ্ঞতার জন্য সাধককে নির্বিচারে নারী সম্ভোগ করতে হবে। শুধু তাই নয়, তত্ত্বযোগের চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য সাধককে তার মাতা কন্যা ভগিনী ও ভাগিনেয়ীর সঙ্গে উপগত হতে 

ক্ষতিকর মাস্ক পরিধান করতে জনগণকে বাধ্য করা এবং হয়রানী করা কি জুলুম নয়?


বাজারের প্রচলিত মাস্ক সবসময় পরিধান করার কারণে ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ সৃষ্টি হওয়ার বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণ থাকার পরেও জনগণকে মাস্ক পরতে কেন বাধ্য করা হচ্ছে? এই ক্ষতিকর মাস্ক পরিধান করতে জনগণকে বাধ্য করা এবং হয়রানী করা কি জুলুম নয়? করোনা ভাইরাসের দোহাই দিয়ে 

পবিত্র কুরবানীর সময় বেশি ছুটি প্রদান দেশের অর্থনীতির জন্যও লাভজনক


আমাদের দেশে একটি রীতি একরকম প্রচলিত হয়ে গেছে যে, পবিত্র কুরবানীর সময় তিন দিন ছুটি দেয়া হয়। সম্ভবত ব্রিটিশ বেনিয়ারা এটা জারি করেছিল কিন্তু অদ্যাবধি তার কোনো সংস্কার করা হয়নি। শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে এটার সংস্কার করার দরকার ছিল। কারণ, 

সুস্থ মানুষকে সুস্থ মানুষ থেকে দূরে থাকার ব্যাপারে ইফা’র ফতওয়া ও সরকারী নির্দেশনা সম্পূর্ণরূপে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র


১) করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশংকায় পবিত্র নামাযের কাতারে মুকতাদিদের ফাঁক ফাঁক করে দাঁড়ানো। নাউযুবিল্লাহ! মসজিদ মহান আল্লাহপাক উনার ঘর মুবারক উনাতে নামাযের কাতারের ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীল্লাহ হুযূর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের 

ঢাকা শহরের মতো জনবহুল শহরে নির্দিষ্ট স্থানে কুরবানী করতে বলা- এটা তো স্পষ্ট মূর্খতা


বাঙালি মুসলমানদের শত-সহস্র বছরের ঐতিহ্য হচ্ছে ‘ঘরে ঘরে কুরবানী’। কুরবানীর ঈদ বললেই চোখের সামনে ভেসে উঠে গরুর হাট, মুসল্লিদের তাকবীর ধ্বনি সম্বলিত পশু কুরবানী, গোশত ভাগাভাগি এবং বিতরণ, চামড়া সংগ্রহ, ঘরে ঘরে গোশত দিয়ে তৈরি হরেক রকম খাবারের সুবাস। এই ঐতিহ্যের