নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আলোচনা মুবারক করতে ও উনার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ-পবিত্র


এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اِنَّا اَرْسَلْنَاكَ شَاهِدًا وَّمُبَشِّرًا وَّنَذِيْرًا لِتُؤْمِنُوْا بِاللهِ وَرَسُوْلِهٖ وَتُعَزِّرُوْهُ وَتُوَقِّرُوْهُ وَتُسَبِّحُوْهُ بُكْرَةً وَّأَصِيْلًا অর্থ: নিশ্চয়ই আমি আপনাকে প্রেরণ করেছি স্বাক্ষিদাতা, অর্থাৎ হাজির হিসেবে, সুসংবাদদাতা ও ভয় প্রদর্শনকারী হিসেবে। যাতে তোমরা মহান আল্লাহ 

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের আলোকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদুল


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- قُلْ بِفَضْلِ اللهِ وَبِرَحْـمَتِهٖ فَبِذٰلِكَ فَلْيَفْرَحُوْا هُوَ خَيْرٌ مِّـمَّا يَـجْمَعُوْنَ. অর্থ: “আমার মাহবূব হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সবাইকে জানিয়ে 

ঐতিহাসিক, অবিস্মরণীয়, আযীমুশশ্বান, মহাপবিত্রতম কোটি কণ্ঠে মীলাদ শরীফ মাহফিল শরীফে যে বা যারা আর্থিক ও শারীরিকভাবে শরীক থাকতে পারবেন,


মহাপবিত্র আযীমুশ শান সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনে সীমাহীন ফাযায়িল ফযীলত সম্পর্কে সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- قَالَ رَسُوْلُ 

সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে কতিপয় মৌলিক আক্বীদা


عقيدة (আক্বীদা) অর্থ: দৃঢ় বিশ্বাস, ধর্মমত, দ্বীনিমত। হাক্বীক্বী মু’মিন, হাক্বীক্বী মুসলমান হওয়ার জন্য সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক শানে আক্বীদা বিশুদ্ধ হওয়া আবশ্যক। কেননা উনার মুবারক শানে বিশুদ্ধ আক্বীদাই ঈমানের মূল। 

মা’শূক্বে মাওলা, ছাহিবু ক্বাবা ক্বাওসাইনি আও আদনা, ছাহিবু লাওলাক, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার


মা’শূক্বে মাওলা, ছাহিবু ক্বাবা ক্বাওসাইনি আও আদনা, ছাহিবু লাওলাক, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশকালে অসংখ্য অগণিত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মু’জিযা শরীফ প্রকাশিত হয়েছেন, যা ভাষায় প্রকাশ করা কস্মিনকালেও 

পবিত্র ফালইয়াফরহূ শরীফ পালন যে সর্বশ্রেষ্ঠ আমল, হযরত বদরী ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা এ ব্যাপারে সর্বোৎকৃষ্ট প্রমাণ


পবিত্র মাক্কী সূরাসমূহ উনাদের অন্যতম একখানা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এই সূরা সমূহ উনাদের মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি মানবজাতিকে সম্বোধন করে (যেমন- يَا اَيُّهَا النَّاسُ উল্লেখ করে) পবিত্র আয়াত শরীফ নাযিল করেছেন। পক্ষান্তরে পবিত্র মাদানী সূরাসমূহ উনাদের অন্যতম একখানা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এই 

হামিলু লিওয়ায়িল হামদ, আকরামুল আউওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার হাত মুবারক


(১) হযরত ওয়াছিলা ইবনে আসক্বা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন। আমি আছহাবে ছুফফা উনাদের অন্যতম ব্যক্তি ছিলাম। আমার সাথী উনারা আমাকে বললেন, আপনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট গিয়ে আমাদের ক্ষুধার কথা জানান। আমি গিয়ে 

কায়িনাতবাসীকে সমস্ত নিয়ামতে সম্পৃক্তকরণে অনবদ্য তাজদীদ মুবারক


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছেন- عَنْ حضرة أَبِى هُرَيْرَةَ رضى الله تعالى عنه قال فِيمَا أَعْلَمُ عَنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ إِنَّ الله عز وجل يَبْعَثُ لِهذِهِ الأُمَّةِ عَلى رَأْسِ كُلّ مِائَةِ سَنَةٍ مَنْ يُجَدّدُ لَهَا 

মহাপবিত্র নূরে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বপ্রথম সৃষ্টি সংক্রান্ত ছহীহ হাদীছ শরীফ বিষয়ে আপত্তির জবাব


এক শ্রেণীর লোক সমাজে অপপ্রচার করে ও বিভিন্ন বই পুস্তক লিখে প্রচার করে সর্বপ্রথম সম্মানিত নূরে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সৃষ্টি সংক্রান্ত হাদীছ শরীফ উনার কোন সনদ নেই। তারা “মুসনাদে আব্দুর রাজ্জাক শরীফ” কিতাবের নুসখায় হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু 

সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- لقد كان فى قصصهم عبرة لاولى الالباب. অর্থ: ‘অবশ্যই উনাদের ওয়াকিয়া বা ঘটনাসমূহে জ্ঞানীগণের জন্য ইবরত-নসীহত রয়েছে। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা ইউসুফ আলাইহিস সালাম উনার মধ্যে হযরত ইউসুফ আলাইহিস 

শবে বরাতের ২ রাকায়াত নামায বনী ইসরাইলের এক বুযূর্গ ব্যক্তির পাথরের ভিতরে থেকে চারশত বছরের ইবাদতের চেয়ে উত্তম।’ সুবহানাল্লাহ!


শবে বরাতের ২ রাকায়াত নামায বনী ইসরাইলের এক বুযূর্গ ব্যক্তির পাথরের ভিতরে থেকে চারশত বছরের ইবাদতের চেয়ে উত্তম।’ সুবহানাল্লাহ! শবে বরাতের নামাযের ফযীলত সম্পর্কে ‘তাফসীরে রুহুল মায়ানীতে’ উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘যে ব্যক্তি শবে বরাতের নামায আদায় করবে সে ব্যক্তি ২০টি 

সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- পহেলা বৈশাখ পালন জঘন্যতম শিরক!


যে বদ আমলের দ্বারা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য ও সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করার পরিবর্তে পাপ অর্জিত হয় সে বদ আমলের মধ্যে শিরিক হচ্ছে সবচাইতে ভয়াবহ জঘন্যতম। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে যা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু