কি করলে গীবত হয়, আর কি করলে হয় না!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- অর্থ: তোমরা একে অপরের গীবত করো না। তোমরা কি তোমাদের মৃত ভাইয়ের গোশত খেতে পছন্দ কর? তোমরা তো তা অপছন্দ কর। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, 

আমরা ব্যস্ত!? হাতে সময় নেই!?


আমরা ব্যস্ত!? হাতে সময় নেই!? তবু কিন্তু মৃত্যুর পরোয়ানা নিয়ে হযরত আজরাইল আলাইহিস সালাম তিনি চলে আসবেন। মৃত্যুর কাছে ব্যস্ততা বা সময়ের কোন মূল্য নেই। এরপরও এই চরম সত্যকে ভুলে থাকা কেনো!? মৃত্যুর পরের জীবনের শুরু কবর দিয়ে। যে কবর দেখলে 

আজ সম্মানিত ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ।


সম্মানিত ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফই হচ্ছেন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ। যা কুল-কায়িনাতের সকল রাত ও দিনের চেয়েও লক্ষ-কোটিগুণ বেশি মর্যদাসম্পন্ন ও ফযীলতপূর্ণ রাত ও দিন মুবারক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ১২ রবীউল আউওয়াল শরীফ 

আজ সুমহান বরকতময় সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ শরীফ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ, মহাসম্মানিত মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমার হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আসমান ও যমীনবাসীদের জন্য নিরাপত্তা দানকারী।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময় 

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার গুরুত্ব বুঝতে হলে- চলো যাই রাজারবাগ দরবার শরীফ দলে দলে


পুঁথিগত শিক্ষা দ্বারা কখনো পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানার্জন হয় না। কেননা বই বা পুস্তক দেখে যদি শিক্ষার্জন করা যেতো তাহলে মাদরাসা, মক্তব, স্কুল, কলেজ, মহাবিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি বিদ্যাপীঠ স্থাপনের প্রয়োজন হতো না। প্রত্যেক ছাত্ররাই লাইব্রেরী থেকে বই-পুস্তক ক্রয় করে পড়ালেখা করতে পারতো। কিন্তু 

নূরে মুজাসসাম, হাবীবল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে কয়েকটি কুফরী আক্বিদার খন্ডনমূলক জবাব


নূরে মুজাসসাম, হাবীবল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মাটির তৈরি বলা কুফরী: “কুরআন শরীফ-এর যে সকল আয়াত শরীফ-এ বলা হয়েছে মানুষ মাটির তৈরী সে সকল আয়াত শরীফ-এর আলোচ্য বা লক্ষ হলেন “হযরত আদম আলাইহিস সালাম।” কেননা শুধুমাত্র হযরত আদম 

কাইয়্যুমে আউওয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ফাযায়িল-ফযীলত ও সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক


কাইয়্যুমে আউওয়াল হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি এমনই একজন উলিল আমর বা নায়িবে রসূল উনার সম্পর্কে স্বয়ং আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। যেমন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, 

আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ সাইয়্যিদুনা ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার সুমহান কারামত মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার ওলী উনাদেরকে অনেক মর্যাদা-মর্তবা, সম্মান দিয়েছেন। সেই মহান মর্যাদা-মর্তবার বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে উনাদের কারামত। কারামত সত্য। সমষ্টিগত কারামত উনাকে অবিশ্বাস করা কুফরী। তবে ব্যক্তি বিশেষে কারামতকে অস্বীকার করা আমভাবে কুফরী না হলেও খাছভাবে গুমরাহী বা বিভ্রান্তির কারণ। 

আজ সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক পবিত্র ২৮শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সম্মানিত হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে যারা মুহব্বত করবে আমার শাফায়াত মুবারক তাদের জন্য ওয়াজিব হবে।’ আজ সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক পবিত্র ২৮শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! 

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সুমহান সম্মানার্থে মাহফিল করা, সাধ্যমত খরচ করা ফরযে আইন এবং সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম ইবাদত


খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন, يَا ايُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءتْكُم مَّوْعِظَة مّن رَّبّكُمْ وَشِفَاء لّمَا فِى الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَة لّلْمُؤْمِنِينَ .قُلْ بِفَضْلِ اللّهِ وَبِرَحْمَتِه فَبِذلِكَ فَلْيَفْرَحُواْ هُوَ خَيْر مّمَّا يَجْمَعُونَ অর্থ 

সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ ও পবিত্র মীলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ সর্বত্র জারী করার গুরুত্ব ও ফযীলত


পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার লুগাতী বা আভিধানিক অর্থ বিলাদত (জন্ম) শরীফ উনার সময়। আর ইছতিলাহী বা ব্যবহারিক অর্থ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি 

মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফই হলেন ‘নিয়ামতে উজমা’


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদেরকে যে নিয়ামত মুবারক দেয়া হয়েছে, তোমরা সে নিয়ামত মুবারক উনাকে স্মরণ কর।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১০৩) এ পবিত্র আয়াত