মূর্তি প্রসঙ্গে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার আয়াত শরীফ


“তোমরা ছবি বা মুর্তির অপবিত্রতা বেঁচে থাকো এবং মিথ্যা কথা বা (গান-বাজনা, নাটক-সিনেমা, কাল্পনিক, মনগড়া-বানোয়াটি কাজ) থেকে বেঁচে থাকো।” (পবিত্র সূরা হজ্জ্ব শরীফঃ ৩০) এই আয়াত শরীফে মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদেকে ছবি-মূর্তি এবং قَوْلَ الزُّورِ বা মিথ্যা বলা (গান-বাজনা, নাটক-সিনেমা, 

ছহীহ ও বিশুদ্ধ মতে, নূরে মুজাস্সাম হাবীবল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সিনা মুবারক চাক করা হয়েছিল


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি কি আপনার সিনা মুবারক চাক ও প্রসারিত করিনি? অর্থাৎ আমি আপনার সিনা মুবারক চাক ও প্রসারিত করেছি।” শরহে ছুদূর মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম 

মি’রাজ শরীফ-এর পবিত্র রাতে কতিপয় পাপের শাস্তি অবলোকন


  মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, فمن يعمل مثقال ذرة خيرا يره ومن يعمل مثقال ذرة شرا يره. অর্থাৎ- “যে ব্যক্তি এক জাররা পরিমাণ নেকী করবে তার বদলা সে পাবে। আবার এক জাররা পরিমাণ পাপ কাজ করবে তার শাস্তিও সে 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র ‘শরহে ছুদূর বা পবিত্র সিনা মুবারক চাক’ সম্পর্কে


মহামহিমান্বিত এক মাস পবিত্র ‘রজবুল হারাম শরীফ’। এ মহাপবিত্র মাসে সবিশেষ আলোচিত ঘটনা হল ‘পবিত্র মি’রাজ শরীফ’। পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাসে পবিত্র মি’রাজ শরীফ প্রসঙ্গে আলোচনা করতে গিয়ে এক শ্রেণীর গুমরাহ লোক মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ 

বরকতময় পবিত্র শবে মি’রাজ শরীফ সরকারিভাবে তথা আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্বব্যাপী পালন করা সমস্ত মুসলমান শাসকদের ঈমানী দায়িত্ব ও কর্তব্য


পবিত্র ২৭ রজবুল হারাম শরীফ উনার রাত্রিটি পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার রজনী। চন্দ্র মাস অর্থাৎ আরবী তারিখ অনুযায়ী রাত্রি আগে গণনা করা হয় বিধায় ১৪৩৮ হিজরী সনের জন্য পবিত্র লাইলাতুল মি’রাজ শরীফ হচ্ছেন- পবিত্র রজবুল হারাম মাস উনার ২৬ তারিখ দিবাগত 

পবিত্র মি’রাজ শরীফ সংঘটনের সঠিক তারিখ কোনটি?


পবিত্র মি’রাজ শরীফ সম্মানিত রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার ২৭ তারিখ লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) রাতেই হয়েছে। এটাই মশহূর বা প্রসিদ্ধ, গ্রহণযোগ্য ও দলীলভিত্তিক মত। এর বিপরীত মতগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। পবিত্র মি’রাজ শরীফ সম্পর্কে মশহূর, গ্রহণযোগ্য ও দলীলভিত্তিক মত নিয়ে 

হাওরে পানিজপ্রাণীর মৃত্যুর জন্যে ভারতের ইউরেনিয়াম খনি কি দায়ী?


অতিবৃষ্টি বা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার ফলে বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বে সিলেট অঞ্চলে হাওরের ফসল নষ্ট হওয়ার খবর নতুন নয়। তবে এমন বন্যার পানিতে মাছ, ব্যাঙ ও হাঁসের মৃত্যুর ঘটনাটি জনমনে বেশ আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। তাই এর যথাযথ কারণ খোঁজা জরুরি। বাংলাদেশের সীমান্ত 

সম্মানিত রজব মাস উনার ২৭ তারিখ দিনটি হচ্ছে পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার দিন


সম্মানিত রজব মাস উনার ২৭ তারিখ দিনটি হচ্ছে পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার দিন। উক্ত ২৭ তারিখ সম্মানিত রাতটির ফযীলত যেমন বেমেছাল তেমনি সম্মানিত দিনটির ফযীলতও বেমেছাল। তাই রাতে যেরূপ দোয়া-মুনাজাত, তওবা-ইস্তিগফার, ইবাদত-বন্দেগী, ছলাত-সালাম, মীলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম শরীফ করা ইত্যাদি অশেষ 

মুসলমানদের জন্য কাফির-মুশরিক, বিধর্মী-বিজাতীয়দের প্রবর্তিত দিবসসমূহ পালন করা হারাম। যে পালন করবে, সে মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে যাবে আল্লামা


সম্মানিত মুসলমান উনাদেরকে যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি “আইয়্যামুল্লাহ” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত দিবসসমূহ পালন করার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন। বিপরতী পক্ষে মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বিজাতিদের প্রবর্তিত ও পালিত দিবসসমূহ পালন করতে নিষেধ 

গরুর গোশত খাওয়া সুন্নত ॥ অবজ্ঞা করা কুফরী


  মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللَّـهُ لَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا إِنَّ اللَّـهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ. وَكُلُوا مِمَّا رَزَقَكُمُ اللَّـهُ حَلَالًا طَيِّبًا وَاتَّقُوا اللَّـهَ অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! মহান আল্লাহ পাক তিনি 

ইতিহাসের পাতায় ওলীআল্লাহগণ উনাদের অঢেল অর্থ খরচের উদাহরণ এবং সেই অর্থের প্রতি বিধর্মীদের লোলুপ দৃষ্টি


চিশতীয়া তরীক্বা উনার একজন প্রধান ওলীআল্লাহ হযরত নিযামউদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি। দিল্লীতে ছিল উনার খানকা শরীফ। ইতিহাসে লেখা রয়েছে, খানকা শরীফ ও লঙ্গরখানার খরচ বহনের জন্য তিনি উনার খাদিমকে নির্দেশ মুবারক দিয়ে রেখেছিলেন, যদি কখনো অর্থের দরকার হয় অমুক তাকের মধ্যে 

রবীন্দ্রের পূর্বপুরুষ ছিল কুলি সর্দার! তার ‘ঠাকুর’ পদবী ব্রাহ্মণ অর্থে নয়, বরং কুলি সর্দার অর্থেই


কথিত কবি রবীন্দ্রের পূর্বপুরুষরা ছিলো খুবই সাধারণ অখ্যাত মানুষ। তাদের নামগুলোও ছিল অত্যন্ত মামুলি এবং আড়ম্বরবিহীন। যেমন কামদেব, জয়দেব, রতিদেব ও শুকদেব। কামদেব ও জয়দেব কাল্পনিত হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে মুসলমান হয়ে গিয়ে তাঁদের নাম হয়েছিল যথাক্রমে কামালুদ্দিন ও জামালুদ্দিন। রবীন্দ্রের পূর্বপুরুষরা