মসজিদে সিসি ক্যামেরা! নাউযুবিল্লাহ! 


খবর বেরিয়েছিলো, প্রশাসন কথিত সন্ত্রাসবাদ ঠেকানোর অজুহাতে মসজিদে মসজিদে সিসি ক্যামেরা লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু তখন ব্যাপারটিকে এত গুরুত্ব দিয়ে ভাবিনি। মনে করেছিলাম- গণতান্ত্রিক প্রশাসনতো এরকম উদ্ভট ও অযৌক্তিক কত কিছুই তো করার উদ্যোগ নিয়েছে, কিন্তু সবকিছুতো আর বাস্তবে করতে পারেনি। 

সরকার কার টাকা কার জন্য খরচ করছে? 


এদেশের ৯৮ ভাগ জনগণ মুসলমান। এদেশের অর্থনীতির চাকা ঘুরে মুসলমানদের টাকায়। এদেশের উন্নয়নের প্রতিটি ধাপে মুসলমানদের শ্রমের ঘাম মিশে আছে। অথচ আফসুস! আজ মুসলমানদের এই টাকাগুলোই খরচ হচ্ছে অমুসলিম, বিধর্মীদের জন্য, তাদের ধর্ম পালনের জন্য। নাউযুবিল্লাহ! প্রতিবছর পূজাম-পে কোটি কোটি টাকা 

পানির জন্য ভারতের দরকার নেই, নদী ড্রেজিংয়েই পর্যাপ্ত পানির যোগান দেয়া সম্ভব


বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে ভারত কৃত্রিম বাঁধ সৃষ্টি করে আমাদের নদীগুলো বালুচরে পরিণত করছে। এর ফলে আমাদের ফসল-ফলাদী ব্যাপকভাবে খরায় আক্রান্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আসলে পানির জন্য ভারতের দ্বারস্থ হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের নদীগুলো ১০০-১৫০ হাত গভীর করা 

ধর্মব্যবসায়ী ও বিধর্মীদেরকে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো থেকে অপসারণ জরুরী 


আমাদের দেশের প্রশাসন ও সরকার অনেক সময় হাক্বীকত না জেনে, না বুঝে বিধর্মী, মুশরিক, অমুসলিম, জামাতী খারেজী, ওহাবী, ধর্মব্যবসায়ীদেরকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও পদে বসিয়ে থাকে। অথচ তারা এরপর যে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতির ফলে প্রশাসন, সরকার ও দেশকে হুমকির মুখে ফেলে দেয় 

৫০ বছর আগে শুরু হওয়া ইজতেমা নিয়ে তাবলীগীদের মিথ্যাচার 


  ঢাকার টঙ্গিতে ছয় উছুলী তাবলীগীদের বিশ্ব ইজতেমা শুরু হয় ১৯৬৭ সালে। তাবলীগীদের এক কথিত মুরুব্বী তার প্রকাশিত ‘দাওয়াতে তাবলীগ (সমালোচনা কারীদের প্রশ্ন ও তার জবাব)’ নামক বইতে বিশ্ব ইজতেমায় নামায পড়ার ফজিলত সম্পর্কে লিখতে গিয়ে সে প্রসিদ্ধ হাদীছ শরীফ গ্রন্থ 

যথাযথ গবেষণা ব্যতিত জিএম ফুড অনুমোদন আইনের লঙ্ঘন 


ইদানিং সরকার বিদেশী বিভিন্ন আগ্রাসী কর্পোরেট কোম্পানীর সাথে জিএম ফুড নিয়ে চুক্তি করছে। এই চুক্তি করছে কোন রকম গবেষণা ছাড়াই। একটা জিএম ফুড বাজারে ছাড়ার আগে তার ক্ষতিকর দিক কি হতে পারে, বীজসত্ব কি হবে, খাদ্য নিরাপত্তা সংকটে পড়বে কি না 

বাংলা সাহিত্যের কিছু বিখ্যাত ইসলামিক কবিতা


বাংলা সাহিত্যের কিছু বিখ্যাত ইসলামিক কবিতা পাঞ্জেরি – ফররুখ আহমদ রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি? এখনো তোমার আসমান ভরা মেঘে? সেতারা, হেলাল এখনো ওঠেনি জেগে? তুমি মাস্তলে, আমি দাঁড় টানি ভুলে; অসীম কুয়াশা জাগে শূন্যতা ঘেরি। রাত পোহাবার কত দেরি পাঞ্জেরি? 

বাংলা কবিতায় ছন্দের ব্যবহার


আজ কাল কবিতা লেখা মানুষের কাছে একটা খেলা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেখা যাচ্ছে, কেউ একটু লেখা পড়া শিখেই মনের মাধুরী মিশিয়ে কবিতা লেখা শুরু করে দিচ্ছে। কি লিখছে নিজেও বুঝতে পারছে না। আবার এদিকে, নিজেকে কাজী নজরুল ইসলাম ভেবে বসে আছে। কিন্তু, 

পবিত্র সুন্নত মুবারক পালন করা ফরয 


পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে- “নিশ্চয়ই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যেই রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক।” পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যেও ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “আমার সুন্নত মুবারক উনাকে যে মুহব্বত করলো, 

পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠকালে সালাম পেশ করার তরতীব 


পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠকালে সালাম দাঁড়িয়েই দিতে হবে। এটাই মহান আল্লাহ পাক উনার নির্দেশ মুবারক এবং মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নির্দেশ মুবারক। যেমন: পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- إِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَه يُصَلُّوْنَ 

দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি আদব


  মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, إِنَّ الدِّيْنَ عِنْدَ اللهِ الْإِسْلَامُ অর্থ: ‘নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছেন ইসলাম।’ (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১৯) পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো ইরশাদ মুবারক 

হক্কানী-রব্বানী শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত গ্রহণ করা ফরয হওয়ার প্রমাণ 


  মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআনুল কারীম উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, أَطِيْعُوا اللهَ وَأَطِيْعُوا الرَّسُوْلَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ অর্থ: “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে ও উনার রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে অনুকরণ কর