চিরস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল চাই


সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকাকালীনই প্রধান বিচারপতি বলে এ দেশ ধর্ম নিরপেক্ষ। সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকতেই ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সহ্য করতে পারে না, হিন্দুরা মসজিদে আযান সহ্য করতে পারে না। হোলিতে রাস্তা-ঘাটে মুসলমান মা-বোনদের জোড়পূর্বক রং মাখিয়ে দেয়।কুরবানীর 

#চিরস্থায়ীভাবে_সংবিধানে_রাষ্ট্রধর্ম_ইসলাম_বহাল_চাই


একবার কিছু ইহুদী এসে খলিফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত উমর ফারুক্ব আলাইহিস সালাম উনাকে বললো, “হে খলিফাতুল মুসলিমীন! আপনাদের কুরআন শরীফ উনার মধ্যে একখানা আয়াত শরীফ নাজিল হয়েছে; তা এত গুরুত্বপূর্ন যে, সেটা যদি ইহুদীদের তাওরাত শরীফে, তাদের ধর্মে নাযিল হত, তাহলে 

‘মক্কা শরীফ-মদীনা শরীফবাসীরা এই আমল করে না’, তাহলে…?


সুন্নত নামায, নামাযের পর মুনাজাত, মীলাদ শরীফ এরকম আরো অনেক আমল নিয়ে অনেকেই বলে থাকে- “যে আমল পবিত্র মক্কা শরীফ ও পবিত্র মদীনা শরীফ উনাদের মধ্যে নেই, তা এদেশের মানুষ কেমনে করে। ইসলাম কি তারা আমাদের চেয়ে কম বুঝে?…” এমন প্রশ্ন 

সন্ত্রাসী কোপাকোপি বন্ধ করতে হলে ইসলামী অনুশাসন মুতাবিক পরিবার সমাজ গড়ে তুলতে হবে


প্রতিদিন খবর আসে, রাজনীতি নিয়ে, আধিপাত্য নিয়ে, জমিজমা নিয়ে, হারাম প্রেম নিয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় একে অপরকে কোপাকোপি করে আহত-নিহত করে যাচ্ছে। এছাড়া মৌলবাদী ওহাবী সন্ত্রাসবাদীরা তো সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিকৃত ও ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে কোপাকোপি করে। নাউযুবিল্লাহ! এরপর এসব 

আপনি যখন নিজেকে মুসলমান বলে দাবি করবেন, তখন আপনাকে কিছু বিষয় ভাবতেই হবে


হ্যাঁ, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, যখন আপনি নিজেকে একজন মুসলমান বলে দাবি করবেন তখন আপনাকে প্রথমেই ভাবতে হবে- আপনি কেন সৃষ্টি হলেন? আপনাকে কেন সৃষ্টি করা হলো? আপনার নিজের প্রতি কি দায়িত্ব? আপনার স্বজাতির প্রতি আপনার কি দায়িত্ব? আপনাকে আরো 

বাংলাদেশের চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চল আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাহিরে যাচ্ছে! অথচ দেখার কেউ নেই!


বাংলাদেশের পার্বত্য তিন জেলা বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি যা আমাদের খনিজ সম্পদের অন্যতম উৎস। এছাড়া এই তিন জেলা প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় অন্যতম ভূমিকা রাখে। অথচ উগ্রবাদী, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বৌদ্ধ উপজাতি এরা মায়ানমারের বৌদ্ধদের সাথে মিলিত হয়ে এই তিন জেলা নিয়ে “জুমল্যান্ড” নামক 

যুবক-যুবতী, পুরুষ-মহিলাদের চরিত্র রক্ষার্থে বাল্যবিবাহের সরকারী-বেসরকারীভাবে প্রচার-প্রসার প্রচলনের বিকল্প নেই


ইদানিং আমাদের দেশে বাল্য বিবাহ নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে অনেক যুক্তি তর্ক অনলাইন পত্র পত্রিকায় দেখা যাচ্ছে। মূলত: বাল্য বিবাহের মধ্যে সমস্ত বালাই বা উপকারীতা নিহিত। কেননা দেখা যাচ্ছে ছেলে-মেয়েদের অনেকেই বিয়ের উপযুক্ত হওয়া মাত্র বিয়ে না দিলে বিয়ে না করালে তারা 

হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের পূজা-পার্বণের সময় এদের মানবতা কোথায় থাকে?


বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৯৮ ভাগই হচ্ছে মুসলমান। এ কারণে এদেশের সংবিধানে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে বহাল রাখা হয়েছে। হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও উপজাতি সবমিলে রয়েছে মাত্র ২ ভাগ। ওদের যে কোনো কল্পিত ধর্মীয় উৎসবের সময় দেখা যায় সরকার স্বয়ং 

হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যমীনে মুবারক তাশরীফ আনেন যেদিন ; তা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ


যেদিন আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যমীনে মুবারক তাশরীফ আনেন- সেই মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র দিন মুবারক উনার নামকরণ করা হয়েছে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি 

যারা ছবি তুলে ও বেপর্দা হয়ে হজ্জ করবে, তাদের হজ্জ অবশ্যই হজ্জে মাবরূর হবে না


মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “যে ব্যক্তির হজ্জ ফরয, সে যেন নির্জন অবস্থান ও কোনো প্রকার নাফরমানীমূলক কাজ না করে।” (পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১৯৭) পবিত্র হাদীছ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি 

রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল হলে তার ফলাফল কি হবে?


রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল হলে তার ফলাফল কি হবে? ন্যূনতম সম্ভাব্য কিছু পরিনতি দেখে নিনঃ ১) সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার বাতিল হয়ে রবিবার হবে। ২) হিন্দুদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত এর দায়ে কোরবানি নিষিদ্ধ হবে। ৩) আধুনিক শিক্ষার অজুহাতে মাদ্রাসা বন্ধ হবে ৪) লতিফ সিদ্দিকীরা 

সন্তান কতটুকু হক্বদার?


বাবা মা মাত্রই সন্তানকে বিনাশর্তে মুহব্বত করেন। তাঁরা যত পরিশ্রমই করেন না কেন সমস্তই সন্তানের “ভালাইয়ের” জন্য। কিন্তু এই ভালাইয়ের সঙ্গা একেকজনের কাছে একেকরকম। তাই আসলেই সন্তানের ভালাই এবং তার প্রতি দ্বায়িত্ব কর্তব্য সম্পর্কে শরীয়ত কি বলে সেটা আমাদের জানতে হবে।