কথিত ছোঁয়াচে রোগ, মুসলমানদের জন্য এক ঈমানী পরীক্ষা


অসংখ্য বিশুদ্ধ ও মশহুর হাদীছ শরীফ উনার মাঝে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- لَا عَدْوٰى ‘ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই।’ কিন্তু এই আখেরী যামানায় এসে আজ দেখতে হচ্ছে- বিশ্বের কথিত ডাক্তার-বিজ্ঞানীরা আজ করোনা 

মুসলমানগণের ইবাদত-বন্দেগী নষ্টকরণে সউদী ওহাবী ইহুদী শাসকদের প্রতারণা


সউদী সরকার তবৎড় সড়ড়হ অনুযায়ী নতুন চন্দ্রমাস শুরু করে, যা শরীয়তসম্মত নয়। কারণ শরীয়তে চাঁদ চাক্ষুষ দেখা শর্ত। মূলত, তবৎড় সড়ড়হ অনুযায়ী সউদী ওহাবী ইহুদী সরকার চন্দ্র তারিখ ঘোষণা করার করণে এই তারিখ অনুযায়ী কেউ যদি রোযা শুরু করে, তবে যে 

কথিত লকডাউন এবং এক বেকুব শাসকের সাদৃশ্যতা


আগেকার যুগে কোন কোন দেশের শহরগুলোর প্রবেশপথে গেট ও দরজা থাকতো। প্রয়োজনে তা বন্ধ করা হতো। এখনো হয়তো কোথাও সেটা থাকতে পারে। একবার এক বুযুর্গ ব্যক্তি তিনি উনার এলাকা থেকে অন্য দূরবর্তী কোন এক শহরে যাবেন। যথাসময়ে তিনি সেই শহরের উদ্দেশ্যে 

তোমরা চাঁদ দেখে পবিত্র রোযা শুরু করো এবং চাঁদ দেখে ঈদ করো।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা চাঁদ দেখে পবিত্র রোযা শুরু করো এবং চাঁদ দেখে ঈদ করো। যদি কোনো কারণে ২৯শে শা’বান শরীফ চাঁদ দেখা না যায়, তবে শা’বান শরীফ মাস ত্রিশ দিন 

বিজাতীয় পন্থায় দ্বীন ইসলাম কায়িম করার অলীক স্বপ্ন


ক্ষমতালোভী ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে ‘সূ’রা গণতন্ত্র করে। তাদের যুক্তি হচ্ছে- গণতন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় গিয়ে তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিধিবিধান জারি করবে। তারা হারাম নারী নেতৃত্ব মেনে থাকে। এক্ষেত্রে তারা ধোঁকাপূর্ণভাবে বলে থাকে- পবিত্র দ্বীন ইসলাম কায়িমের জন্য সাময়িক সময়ের জন্য এটা 

নিজের ভুল-ত্রুটির জন্য শরীয়ত নিয়ে মিথ্যাচার কেন?


অনেকেই ইনিয়ে-বিনিয়ে নানা রকম অজুহাত তুলে ও যামানার দোহাই দিয়ে শরীয়ত নিষিদ্ধ বিষয়কে জায়িয বা হালাল করতে চায়। তারা তাদের এ আকাঙ্খা বাস্তবায়িত করতে গিয়ে মিথ্যাচারও করে থাকে। পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ সম্পর্কে মিথ্যাচার করে থাকে। নাউযুবিল্লাহ! আখিরী 

নাস্তিক্যবাদী পাঠ্যসূচীর কারণেই সামাজিক অবক্ষয় ও অস্থিরতা


যেকোনো শিক্ষা ব্যবস্থার প্রধান ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অংশ বা ভিত্তি হলো প্রাথমিক শিক্ষা। প্রাথমিক শিক্ষাকে সঠিকভাবে রূপায়ন করা গেলে সার্বিকভাবে শিক্ষার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে। কেননা, এ স্তরের প্রধান অংশ হলো শিশু, যার কচি হৃদয় ও মস্তিষ্ক থাকে সমস্ত পঙ্কিলতামুক্ত। যার 

নিজের যাকাত ফিতরা নিজেরাই বিতরণ করাটা শরীয়তসম্মত নয়


মাসয়ালাটি শুনে নতুন মনে হতে পারে কিন্তু এটাই সত্য ও সঠিক মাসয়ালা যে, নিজের যাকাত ফিতরা নিজেরাই বিতরণ করাটা শরীয়ত সম্মত নয়। কেবল যাকাত-ফিতরার ক্ষেত্রেই নয় অনেক মাসয়ালাই মানুষ মনগড়াভাবে এবং সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ আমল করে থাকে। যেমন বাজার থেকে 

সর্বোচ্চ নিয়ামত মুবারক হলো পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা স্পষ্টভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে খুশি প্রকাশ করা প্রমাণিত। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, 

পবিত্র যাকাত দেয়ার উত্তম ও সঠিক স্থান হলো- ‘রাজারবাগ দরবার শরীফস্থ মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা’। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেকী ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য-সহযোগিতা করো। পাপ ও নাফরমানির মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করো না।’ সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে-পবিত্র যাকাত দেয়া যেরূপ ফরয; তদ্রুপ সঠিক স্থানে পবিত্র যাকাত দেয়াও ফরয এবং পবিত্র যাকাত কবুল 

গোল্ডেন রাইস (জিএমও শস্য) চাষ করার বুদ্ধিদাতা খলনায়করা দেশ ও জাতির শত্রু


বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ জিএমও ক্রপ্স (জেনেটিক্যাল মডিফাইড খাদ্য শস্য) বাংলাদেশের মতো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি দেশে কী করে অনুমোদিত হতে পারে, তা সত্যিই আশ্চর্যের বিষয়। আমাদের দেশে এই আত্মঘাতী বীজ বাণিজ্যিকিকরণের পেছনে কে বা কারা কাজ করছে তাদেরকে চিহ্নিত করা ও খুঁজে বের 

পবিত্র আযান মানুষকে সময় সচেতন করে, কর্মঘন্টা রক্ষা করে


বর্তমানে কিছু পরিবেশবাদী নাস্তিক বের হয়েছে, যারা বলে থাকে আযানে শব্দ দূষণ হয়। নাউযুবিল্লাহ! আমি তাদেকে চ্যালেঞ্জ করে বলবো! আযানে কখনো শব্দ দূষণ হয় না, বরং আযান আমাদের লাখ লাখ কর্মঘণ্টা ও শব্দ দূষণ মুক্ত করতে সহায়তা করে। পবিত্র দ্বীন ইসলাম