সর্ব প্রথম সুপারিশকারী


  হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ণনা করেন যে, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া, তাফসীরে কালামে ইলাহী হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, “আমি সর্ব প্রথম সুপারিশকারী হব। আর সর্ব প্রথম আমার সুপারিশই গ্রহণ করা হবে।” সুবহানাল্লাহ (মুসলিম শরীফ) শেয়ার করুন 

মহান আল্লাহ পাক উনার সমকক্ষ সাব্যস্ত করো না।


মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ فِرَاشًا وَالسَّمَاءَ بِنَاءً وَأَنزَلَ مِنَ السَّمَاءِ مَاءً فَأَخْرَجَ بِهِ مِنَ الثَّمَرَاتِ رِزْقًا لَّكُمْ ۖ فَلَا تَجْعَلُوا لِلَّـهِ أَندَادًا وَأَنتُمْ تَعْلَمُونَ ﴿٢٢﴾ অর্থঃ “যিনি তোমাদের জন্য যমীনকে বিছানা স্বরুপ এবং আসমানকে ছাদ 

উত্তম আচরণ সম্পর্কে…


এক বৃদ্ধা আপনমনে গজগজ করতে করতে তার বাক্স পেটরা গোছাচ্ছে। মুসলমানগণ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক নেতৃত্বে পবিত্র মক্কা শরীফ বিজয় করেছেন। যদিও কাফিরদের প্রতি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছে, তবুও অনেক কাফিরই পবিত্র মক্কা শরীফ ছেড়ে পালিয়ে 

মুসলমান ব্যতীত , পৃথিবীর সব জাতি সম্প্রদায়িক!


  মুর্শিদাবাদের কথা বলতেই মনে পড়ে মুসলমান মুর্শিদকুলি খাঁর নাম।  তিনি মুসলমান , কিন্তু তিনি মুসলমান ছিলেন বলেই উনার অপরাধ ছিলো না, বরং উনার বড় অপরাধ ছিলো তিনি বাক্ষ্মনের সন্তান হয়েও ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিলেন। হিন্দু মুসলমান ভালবাসার এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত ‘শেঠ’ 

“সত্যি, সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম তিনি এমনই ছিলেন! তিনি এমনই ছিলেন!”—পবিত্র হাদীছ শরীফ


উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছা সাইয়্যিদাতুনা হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে, “আমি উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত খাদিজাতুল কুবরা আলাইহাস সালাম উনাকে দেখিনি। তবে উনার প্রতি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার 

সাইয়্যিদে ঈদে আযম! সাইয়্যিদে ঈদে আকবর! সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ!


মহান আল্লাহ পাক নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকে ইরশাদ মুবারক করেন, কাফেররা আল্লাহ পাক উনার “নূর” উনাকে মূখের ফুৎকারে নিভিয়ে দিতে চায়,অথচ আল্লাহ পাক উনার “নূর” উনাকে অবশ্যই পূর্ন করবেন। যদিও কাফেররা তা পছন্দ 

সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ, মু’মিন ও মুনাফিক্বদের পার্থক্যকারী


একবার একটা কথা শুনেছিলাম, “১২ই রবীউল আঊয়াল শরীফ আসলেই মু’মিন আর মুনাফিক্বদের পার্থক্য করা যায়।” কথাটা অনেক চিন্তা করে দেখেছি, আসলেও বিষয়টা তাই। রবীউল আঊয়াল শরীফ নিকটবর্তী হলেই হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আশিক্ব উম্মতগণ, নতুন উদ্যমে নবীজী উনার 

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিদায়ের দিন ইবলিশ খুশি হয়েছিল’, কথাটি কতটুকু কুরআন শরীফ, সুন্নাহ শরীফ সম্মত?


  কথাটি মোটেও কুরআন শরীফ সুন্নাহ শরীফ সম্মত নয়। কুরআন শরীফ, সুন্নাহ শরীফ দ্বারা প্রমাণিত প্রত্যেক নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিলাদত শরীফ, বিছাল শরীফ উম্মতদের জন্য কল্যাণকর। কেননা আল্লাহপাক প্রত্যক নবী, প্রত্যক রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব দিয়ে দুনিয়ার পাঠিয়েছেন। 

১০ই রবীউল আউওয়াল শরীফঃ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস


দুনিয়াবী দৃষ্টিতে যখন হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বয়স মুবারক মাত্র ছয়, তখন উনার মহাসম্মানিতা আম্মা আলাইহাস সালাম উনাকে নিয়ে মদীনা শরীফ যান। উনাদের সাথে হযরত উম্মু আইমন আলাইহাস সালাম তিনিও ছিলেন। উনারা মদীনা শরীফে বেশ কিছু দিন অবস্থান 

সন্তানসম্ভাবা মহিলাদের কতিপয় আমল:-


প্রথম মাসে সূরা-আলে ইমরান পড়লে সন্তান দামী হবে। দ্বিতীয় মাসে সূরায়ে ইউসুফ পড়লে সন্তান সুন্দর হবে। তৃতীয় মাসে সূরায়ে মারয়াম পড়লে সন্তান সবরকারী হবে। চতুর্থ মাসে সূরায়ে লোকমান পড়লে সন্তান হেকমত ওয়ালা হবে। পঞ্চম মাসে সূরায়ে মুহাম্মাদ পড়লে সন্তান চরিত্রবান হবে। 

হে কায়িনাতের মা! খোশ আমদেদ স্বাগতম!


একবার একটা বিষধর সাপ হযরত ইমাম আবু হানিফা রহমতুল্লাহি উনার দর্সগৃহে প্রবেশ করে উনাকে দংশন করল। তিনি তখন দরস দিচ্ছিলেন। তিনি এতো অধিক হুজুরী ও আদবের সাথে কুরআন শরীফ-হাদীস শরীফের তালীম দিতেন যে, একটু নড়াচড়া তো করলেনই না, এমনকি উফ শব্দ 

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে পোষ্ট নং-০৩ (‘নওরোজ’ বা নববর্ষ ও ‘মিহিরজান’ নামক ২টি কুফরী দিবস বাতিল করে মুসলমানদের


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَدِمَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ وَلَـهُمْ يَوْمَانِ يَلْعَبُوْنَ فِيْهِمَا فَقَالَ‏ مَا هٰذَانِ الْيَوْمَانِ‏،‏ قَالُوا كُنَّا نَلْعَبُ فِيْهِمَا فِي الْـجَاهِلِيَّةِ،‏ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى