ভারতীয় গরু কেনা থেকে সাবধান! বাংলাদেশী মুসলমানদের ক্ষতি করতে ইনজেকশন দিয়ে গরুতে ক্রনিক রোগ ঢুকিয়ে দিচ্ছে ভারতীয়রা


দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে একটা গুমোট সত্য তথ্য তুলে ধরতে হচ্ছে। ভারত আমাদের গরু দিবে না বলে স্রেফ জানিয়ে দিয়েছিলো কিছু দিন আগে। কিন্তু এ সিদ্ধান্তের ফলে নিজেদের ৬০ হাজার কোটি টাকা লাভ থেকে বঞ্চিত হতে হবে, তাই টাকার লোভে 

পাঠ্যপুস্তকে ছবি সংযোজন প্রসঙ্গে


আমরা সকলেই জানি যে, বাংলাদেশের বর্তমান পাঠ্যপুস্তকের প্রায় প্রতি পৃষ্ঠাই প্রাণীর ছবি সম্বলিত। আমরা আগেই জেনেছি যে, প্রাণীর ছবি থাকলে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার করুণা তথা রহমত বর্ষিত হয় না। আর খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার 

শুধু রাজধানীকেন্দ্রিক উন্নয়ন নয়, প্রতিটি জেলায় উন্নয়ন ছড়িয়ে দিতে হবে


বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় মূল সমস্যা হলো যানজট। কিন্তু যানজট নিরসনের উপায় আপনারা কি জানেন? আগে জানতে হবে যানজট কেন হচ্ছে। যানজট হওয়ার মূল সমস্যা হলো ঢাকায় বসবাস করে অনেক মানুষ। ঢাকায় কিভাবে মানুষের বসবাস কমানো যায়, সেই বিষয় বের করতে হবে। 

দেশের মানুষ মুসলমান! সরকারী আমলারা মুসলমান!! কিন্তু কুফরী শিক্ষানীতি এখনও বহাল!!!


৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ এই আমাদের বাংলাদেশ। এদেশের ৯৮ ভাগ জনগণ চায় মুসলমান হিসেবে থাকতে। কিন্তু মুসলমান সরকার এবং সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিলো- “পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের বিরোধী কোনো আইন পাস হবে না।” যদি তাই হয়ে 

আত-তাকউইমুশ্ শামসী সন অনুসরণের মধ্যেই রয়েছে রহমত, বরকত ও সাকীনা


গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নামটি হয়েছে পোপ গ্রেগরির নামে। সোজা ভাষায়- গ্রেগরিকে মনে রাখার জন্যই তার নামে এই গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার। কিন্তু মনে রাখবো কেন? সে কি এই ক্যালেন্ডারের রচয়িতা? মোটেও না। সে কি জুলিয়ান ক্যালেন্ডারের সংশোধনকারী? না, তাও না। সে কি মহাকাশ বা 

পবিত্র কুরবানীতেও বৈষম্যের শিকার দেশের মুসলমানগণ! মুসলমানদের অবজ্ঞা করে, অবহেলা করে, অগ্রাহ্য করে সরকারি কর্মকর্তারা কতদূর এগুবে?


দেশের কোটি কোটি মুসলমানগণ পবিত্র কুরবানীর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সারাদেশের গরু, ছাগল ব্যবসায়ীরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। প্রতিদিন হাজার হাজার কোটি কোটি টাকার লেনদেন হচ্ছে। দেশের কোটি কোটি মুসলমানদের এই ব্যস্ততা, কোটি কোটি টাকার লেনদেন এমনই এক চরম মুহূর্তে দেশের সরকারি কর্মকর্তারাও 

ইতিহাস পর্যালোচনা: এক সময় বিধর্মী, বিজাতীয়রা মুসলমানদের পোশাক-আশাকে সজ্জিত হয়ে গর্ববোধ করতো, কিন্তু এখন…?


ভারতের মুসলিম শাসনামলে বিধর্মীরা মুসলমান শাসকদের অধীনে চাকরি করতে চাইলে অমুসলিম থেকে মুসলমান হতে হতো না। তবে বিধর্মীদেরকে সেক্ষেত্রে ফারসী ভাষা শিখতে হতো এবং মুসলমানদের ন্যায় পোশাক পরতে হতো। তবে যেহেতু তারা অন্তরের দিক দিয়ে বিধর্মীই থেকে যেত, সেহেতু তারা বাড়িতে 

নিদিষ্ট স্থানে কুরবানী করার কথা বলা হয়, কিন্তু যত্রতত্র পূজামণ্ডপ হয় কিভাবে?


এদেশের মূল জনগোষ্ঠী হলো মুসলমান। ১.৫ ভাগেরও কম হলো বিধর্মী। অথচ এই গুটিকতক পূজারীদের পূজার সময় দেশের কোটিকোটি মুসলমানগণ অত্যন্ত কষ্ট পেয়ে থাকেন। সারাদেশে যে হারে মুসলমান জনগণের সংখ্যা বাড়ছে সে হারে সংখ্যালঘুদের সংখ্যা না বাড়লেও তাদের পূজাম-পের সংখ্যা বেড়েই চলছে। 

১৯৭১ সালে ভারতীয় বাহিনীর লুটপাট!!


১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বীর মুক্তি বাহিনী যখন দেশের ৯৫-৯৯ শতাংশ অঞ্চল মুক্ত করে ফেলেছিল, ঠিক তখন ৩রা ডিসেম্বর ভারতীয় আরদালী বাহিনী লুটপাট করার জন্য বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তারা ১৬ ডিসেম্বরের পর বাংলাদেশ জুড়ে নজির বিহীন লুটপাট চালিয়েছিলো। ৯৩ হাজার পাকিস্তানী সৈন্যদের 

বিধর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব, মুসলমানগণের সাথে বিরোধিতা!


পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, মুসলমানগণের ফরয আমল তথা পর্দার বিরোধিতা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মানহানি করা, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানি করা, মুসলমানগণের পবিত্র মসজিদ তৈরিতে 

হিন্দুয়ানী পোশাকে মুসলমানদের ঈদ পালন? নাউযুবিল্লাহ!!


আমাদের দেশে যতগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান পালন করা হয় তার মধ্যে পবিত্র ঈদ হলো বিশেষ উল্লেখযোগ্য। অনুষ্ঠানটি বিশেষভাবে একমাত্র মুসলমানদের জন্যই। তাই এই বিশেষ দিনটি ইসলামী রীতিনীতিতে পালিত হবে এটাই স্বাভাবিক ছিলো। কিন্তু সারাদেশের শপিংমল আর কাপড়ের দোকানের হালচাল দেখলে মনে হয় 

নাফরমানী ও গোলামী


বিশ্বখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা এই বাংলার প্রাচুর্যতা দেখে বলেছিলেন- ‘জান্নাতের দরজা’। এই ‘জান্নাতের দরজা’কে করায়ত্ত করার জন্য কাফিরদের ছিলো ব্যাপক খায়েশ। কিন্তু এদেশের মুসলমানদের ঈমানী জোশ আর জযবার কাছে তারা পরাস্ত হয়েছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এক সময় মুসলমানরা মহান আল্লাহ