দাসপ্রথা ও ইসলাম


ইসলাম বিদ্বেষীরা প্রায়ই রটনা করে থাকে যে, ইসলাম দাসপ্রথাকে ত্বরান্বিত করেছে, দাসদের উপর যৌন নির্যাতন চালানোকে বৈধতা দিয়েছে, মানুষকে পণ্য-সামগ্রী হিসেবে কেনাবেচার বৈধতা দিয়েছে-ইত্যাদি।   যিনি খ্বালিক, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, فَكُّ رَقَبَةٍ অর্থ: “আর 

পরিপূর্ণভাবে সুক্ষাতিসুক্ষ পুঙ্খানুপুঙ্খ সুন্নত মুবারক পালন এবং জারি করনে তিনি বেমেছাল, অতুলনীয়, অদ্বিতীয়, কিংবদন্তী, সর্বজনস্বীকৃত ও বিশ্বসমাদৃত অনন্য ব্যক্তিত্ব


“কামিল শায়েখ উনার সর্বশ্রেষ্ঠ কারামত মুবারক হচ্ছেন- সুক্ষাতিসুক্ষ পুঙ্খানুপুঙ্খ সুন্নত মুবারক পালন।” পরিপূর্ণভাবে সুক্ষাতিসুক্ষ পুঙ্খানুপঙ্খ সুন্নত মুবারক পালন এবং জারি করণে যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ 

রহমত পেতে হলে রহমতপ্রাপ্ত যাঁরা উনাদের নিকট যেতে হবে


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যামানায় গীবতের দুর্গন্ধ অনুভব করা যেত। কারণ তখন গীবতের অস্তিত্ব ছিল খুবই কম। কিন্তু এখন চারিদিকে এতো গীবতের ছড়াছড়ি যে মানুষ এতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। ফলে আলাদা করে এর দুর্গন্ধ অনুভূত 

জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরের অধিবাসী “উলামায়ে ছু” সম্পর্কে…


হাদীস শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “জাহান্নামের দরজা এই পৃথিবীর ঘর-বাড়ির দরজার মতো নয়; বরং উপরে-নিচে স্তরে স্তরে বিন্যস্ত এবং এক দরজা হতে অপর দরজা পর্যন্ত সত্তর বছরের পথ পরিমাণ দূরত্ব। উপরের দিক থেকে প্রথম দরজার তুলনায় দ্বিতীয়টির এবং এভাবে পরবর্তী দরজাগুলোর 

সম্মানিত ইলমে তাসাউফ ব্যতীত হাক্বীক্বী ঈমানদার হওয়া এবং মুহব্বত-মা’রিফত অর্জন করা সম্ভব নয়।


  সমস্ত হাদীছ শরীফ উনাদের মূল “উম্মুল হাদীছ শরীফ” হচ্ছেন- لا يؤمن أحدكم حتى أكون أحبَّ إليه من ولده ووالده والناس أجمعين وفي الرواية الأخرى من ماله ونفسه. অর্থ: নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক 

মুহব্বত করাই হচ্ছে ঈমান


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, শাফেউল মুজনেবীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সমস্ত কায়িনাত বা সৃষ্টি জগতের মূল উৎস। তিনি আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার সকল নিয়ামতের উৎস। উনার সন্তুষ্টি ব্যতিত আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি কখনোই 

নিয়ামতরাজী


মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “আমি আমার নেককার বান্দাগণের জন্য এমন সব নিয়ামতরাজী রেখেছি যা কোন চোখ কখনো দেখেনি, কোন কান কখনো শুনেনি, কোন মানুষ তা অন্তরে চিন্তাও করেনি।” সুবহানাল্লাহ! সর্বোপরি মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وازلفت الجنة للمتقين 

সুওয়াল


প্রশ্নঃ- পবিত্র বিছাল শরীফ গ্রহণের অব্যবহিত পর কার কপাল মুবারকে নূরানী অক্ষরে লিখিত হয়েছিলো ? هذا حبيب الله مات فى حب الله উত্তরঃ- ৭ম হিজরী শতকের সুমহান মুজাদ্দিদ, সুলত্বানুল হিন্দ, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ হযরত খাজা মুঈনুদ্দীন হাসান চীশতী সাঞ্জারী ছুম্মা আজমিরী 

আক্বীক্বা


প্রশ্নঃ- আক্বীক্বা সম্পর্কে জানতে চাই । উত্তরঃ- শিশু সন্তান জন্মগ্রহণ করার পর সে উপলক্ষে কোন পশু জবাই করাকে আক্বীক্বা বলা হয়। সম্মানিত হানাফী মাযহাব মতে সন্তান জন্মগ্রহণের সপ্তম দিনে আক্বীক্বা করা সুন্নত। তবে সেদিন আক্বীক্বা করতে না পারলে ১৪তম দিনে করবে। 

কাফির ব্যতিত, সৃষ্টিকুলের সবাই জানেন হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আল্লাহর রসূল


বনী নজারের বাগানে এক পাগলা উট কোথা হতে এসে আশ্রয় নিল। বাগানে কেউ গেলে, সেই উট তাকেই কামড় দেয়ার জন্য দৌড়ে আসতো। লোকেরা বড় সমস্যায় পড়ল এবং হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খেদমত মুবারকে এসে সমস্ত ঘটনা আরয করলো। 

শিয়ারা মুসলমান দাবী করলেও ইসলামী দৃষ্টিকোন থেকে তারা মুসলমান নয়!


কারবালার ময়দানে যখন হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম তিনি ইয়াযীদ বাহিনীকে অকাট্য যুক্তির মাধ্যমে বুঝাতে চাইলেন যে,   জুলুম অত্যাচার থেকে বিরত থাকো, আমার রক্ত দ্বারা তোমাদের হাত রন্জিত করো না।আমি তোমাদের কোন ক্ষতি করিনি।আমি তো কূফাবাসীর আহবানে এসেছি। তারা যখন 

✅কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস ধারাবাহিক পর্ব-১৪ (কূফাবাসীর বেঈমানী )


✅কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস ধারাবাহিক পর্ব-১৪ (কূফাবাসীর বেঈমানী ) ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহির অনুসারীদের মধ্যেও অনেকে কূফায় অবস্থান করতো। তারা যখন দেখলো, হযরত মুসলিম বিন আকীল রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার হাতে চল্লিশ হাজার লোক বাইয়াত গ্রহণ করেছে, তখন তারা ইয়াযীদ লা’নতুল্লাহি আলাইহিকে এ