যাকাত…২


পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, وَتَعَاوَنُواْ عَلَى الْبرِّ وَالتَّقْوَى وَلَا تَعَاوَنُواْ عَلَى الإِثْـمِ وَالْعُدْوَانِ وَاتَّقُواْ اللهَ اِنَّ اللهَ شَدِيْدُ الْعِقَابِ তোমরা নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে সহযোগিতা করো; পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে সহযোগিতা করো না। এ ব্যাপারে মহান 

যাকাত


যাকাত না দিলে ইবাদত-দোয়া কবুল হয়না —————————————————————- পবিত্র হাদীছ শরীফ- “যে ব্যক্তি পবিত্র যাকাত প্রদান করে না, তার নামায কবুল হয় না।” (আততারগীব ওয়াত তারহীব, তাফসীরে কুরতবী, রুহুল মায়ানী, তাফসীরে খযীন ও বাগবী শরীফ)। জাহান্নামী হতে হয়: ——————————————————————— لاَيَدْخُلُ الْـجَنَّةَ جَسَدُ 

” একজন গ্রাম্য লোকের শিক্ষনীয় ঘটনা “


মাওলানা রুমী রহমতুল্লাহি আলাইহি একটি ঘটনা লেখেন, বাগদাদের সন্নিকটে এক গ্রামে এক ব্যক্তি বাস করত। লোকটির একদিন সাদ জাগলো বাদশার দরবারে গিয়ে তার সাথে সাক্ষাত করবে। বাদশাও তো আর এ যুগের বাদশাদের মত নয়, অর্ধ দুনিয়ার শাষক। তখনকার মানুষ বাদশার কাছে 

যাকাত ফরজ হওয়ার শর্তাবলী ও নিসাব


যাকাত ফরজ হওয়ার কিছু শর্ত রয়েছে যেগুলো পূর্ণ হলেই যাকাত ফরজ হবে, শর্তগুলো নিম্নরূপঃ ১ – ইসলাম, অতএব অমুসলিমের পক্ষ থেকে যাকাত প্রদান শুদ্ধ হবে না। ২ – স্বাধীনতা, অতএব দাসের ওপর যাকাত ফরজ হবে না। ৩ – নিসাব পরিমাণ সম্পদের 

ইতিকাফের ফজীলত ও গুরুত্ব


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রতি রমাদ্বান শরীফ মাসেই ই’তিকাফ করেছেন। এক রমাদ্বান শর‌্যীফ মাসে বিশেষ কোন কারণে ই’তিকাফ করতে না পারায় পরবর্তী রমাদ্বান শরীফ মাসে ২০ দিন ই’তিকাফ করেন। এমনকি উনার বিছাল শরীফ গ্রহণ করার 

যেদিকেই তাকাই শুধু মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন তথা রূপ দেখিতে পাই!!!


চারিদিকে তাকালে শুধু যিনি খালিক্ব, মালিক, রব, মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত, কুদরত দেখতে পাই। দেখতে পাই মানে বান্দা মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ও কুদরত দ্বারা বেষ্টিত। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন যে, 

আমি মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব। আর আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত কর আমার মুহব্বতে।”


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,   “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি জানিয়ে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে 

হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি বলেন,আমি তোমাদের কারো মত নই।


ছহীহ বুখারী শরীফ, ও মুসলিম শরীফে বর্নিত রয়েছে,হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেন,   অর্থ:”আমি তোমাদের কারো মত নই।”   আরো ইরশাদ মুবারক করেন,   অর্থ:তোমাদের মধ্যে কে রয়েছে আমার মত?   অর্থাৎ আল্লাহপাক উনার রসুল ছল্লাল্লাহু 

ইতিকাফ এর ফযীলত


হাদীছ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, যে ব্যক্তি রমাদ্বান শরীফ-এর শেষ দশ দিন (সুন্নতে মুয়াক্কাদায়ে কিফায়া) ই’তিকাফ করবে, আল্লাহ পাক তাকে দুটি হজ্জ ও দুটি ওমরাহ করার সমতুল্য ছাওয়াব দান করবেন। আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, আল্লাহ পাক তার পিছনের গুনাহখতা ক্ষমা করে 

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে যাকাত দিলে কুফরী হবে এবং অভিশপ্ত হতে হবে।


প্রতিবছর কুফরীতে পরিপুর্ন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন কোটি কোটি টাকা যাকাত আদায় করে থাকে যা তারা সম্পুর্ন কাফিরদের পিছনে খরছ করে । যাকাত আল্লাহ পাক কতৃক মুসলমানদের জন্য এক নিয়ামত। যাকাত মুসলমানদের উপর ফরয ,কাফিরদের উপর নয়। তেমনি যাকাত গ্রহন ও মুসলমানের জন্য 

পবিত্র যাকাত উনার ফাযায়িল-ফযীলত


 যাকাত দ্বীন ইসলাম উনার বুনিয়াদ বা স্তম্ভ ৫টি স্তম্ভের ৩য় বা মধ্যবর্তী স্তম্ভ, যা ছাড়া দ্বীন ইসলাম নামক ঘর টিকবে না। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- بُنِيَ الإِسْلاَمُ عَلَى خَمْسٍ: شَهَادَةِ أَنْ لاَ إلهَ إِلاَّ اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّداً 

তিনি মহাবীর সিংহ পুরুষ, তিনি যুদ্ধংদেহী, তিনি দুর্বার…..


দ্বীন ইসলাম উনার কোন জিহাদের প্রসঙ্গ আসলেই সবার আগে যে মহান ব্যক্তিত্ব উনার নাম মুবারক মনে আসে তিনি হলেন ইমামুল আউওয়াল, সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম। উনার বীরত্ব, সাহসিকতা, শক্তি এককথায় অতুলনীয়। আসাদুল্লাহ, জুলফিকার, হায়দার প্রভৃতি লক্বব মুবারকে উনার