যেসব পত্রিকা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মুখালিফ সেগুলোকে বর্জন করুন


মুনাফিক লাদেন, আইএস, তালেবান, সউদী ওহাবী শাসক বা তার সমগোত্রীয়রা কি বলছে সে সমস্ত অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিক কথাগুলো বেশি বেশি লেখালেখি করে থাকে এক শ্রেণীর পত্রিকা। ইহুদী-নাছারা সর্বাবস্থায় চায় কি করে মুসলমানদের ক্ষতি করা যায়। বর্তমান কালের মুসলমানদের ঈমানের জযবা, ঈমানী 

পবিত্র মি’রাজ শরীফের দিনের বেলায় রোযা রাখবে তার আমলনামায় ৬০ মাসের রোযা রাখার ছওয়াব লেখা হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,”আপনি স্বরণ করিয়েদিন আল্লাহর বিশেষ দিবসসমূহের কথা।এতে শোকরগুজার ও ধৈর্য্যশীল বান্দাদের জন্য রয়েছে নিদর্শন। “(সূরা ইবরাহীম :০৫) উল্লেখ্য, হুজুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে দিন মহান আল্লাহর দীদারে গিয়েছেন এবং বান্দা-বান্দী,উম্মতের জন্য ৫ ওয়াক্ত নামাজ 

পবিত্র আজান উনাকে কটাক্ষা করে বক্তব্য : সন্ত্রাসবাদী সনু নিগমকে দেশ থেকে বের করে দেয়ার দাবি


  ভারতের বিতর্কিত গায়ক সনু নিগমের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মুম্বাইতে তার বাসভবনের আশেপাশে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। সম্প্রতি পবিত্র আজান এবং পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে নিয়ে কটূক্তি করায় ভারত ও বাংলাদেশে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে সনু নিগম।   

সমস্ত মুসলমান উনাদের দায়িত্য কর্তব্য হচ্ছে নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি সর্বোচ্চ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি কি আপনার সিনা মুবারক চাক ও প্রসারিত করিনি? অর্থাৎ আমি আপনার সিনা মুবারক চাক ও প্রসারিত করেছি।”শরহে ছুদূর মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম উনার 

‘”””‘মহান আল্লাহ পাক উনার সঙ্গে আমার এমন নিগূঢ় নৈকট্য, যেখানে কোনো নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম, কোনো ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম অথবা


    ছাহিবুল ওহী, ছাহিবুল কাওছার, ছাহিবুল ওয়াসীলাহ, মাশুকে মাওলা, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন: “মহান আল্লাহ পাক উনার সঙ্গে আমার এমন নিগূঢ় নৈকট্য, যেখানে কোনো নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম, কোনো ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম অথবা অন্য 

বাল্যবিবাহ এবং হক্ব-নাহক্ব পার্থক্য


সম্মানিত কুরআন শরীফ উনার মধ্যে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমাদের জন্য নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে রয়েছেন উত্তম আদর্শ মুবারক”। সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর 

পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার ঘটনাকে কাফিরের মুখে শুনে বিশ্বাস করার কারণে ‘ছিদ্দীক্ব’ (চরম সত্যবাদী) উপাধি পেয়েছেন খলীফাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আনুষ্ঠানিক পবিত্র নুবুওওয়াত প্রকাশের এগারতম বৎসরে ২৭শে পবিত্র রজবুল হারাম ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ বা সোমবার রাত্রিতে পবিত্র মি’রাজ শরীফ হওয়ার পর তিনি সকালবেলা পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার ঘটনা বর্ণনা করছিলেন। 

কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে যাকাত দিলে কুফরী হবে এবং অভিশপ্ত হতে হবে


প্রতিবছর কুফরীতে পরিপুর্ন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন কোটি কোটি টাকা যাকাত আদায় করে থাকে যা তারা সম্পুর্ন কাফিরদের পিছনে খরছ করে । যাকাত আল্লাহ পাক কতৃক মুসলমানদের জন্য এক নিয়ামত। যাকাত মুসলমানদের উপর ফরয ,কাফিরদের উপর নয়। তেমনি যাকাত গ্রহন ও মুসলমানের জন্য 

মৃত্যু যেহেতু আছেই, তবে প্রকৃত ঈমানদার-মুসলমান হয়েই মৃত্যুবরণ করুন


মৃত্যু যে শ্বাশত সত্য- এটা মহান আল্লাহ পাক তিনিও পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন। এ সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “প্রত্যেক নফসকে, প্রত্যেক মানুষকে তথা জিন-ইনসানসহ সমস্ত মাখলুকাতকে মৃত্যুবরণ করতে হবে।” (পবিত্র সূরা আল 

চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী যেমনি অপরাধী! ভাস্কর্য, স্ট্যাচু, ম্যানিকিন তেমনি মূর্তি!


যারা মানুষের মাল-সম্পদ লুণ্ঠন করে এমন অপরাধীদেরকে আমরা চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী বিভিন্ন নামে অবহিত করে থাকি। চোর, ডাকাত, ছিনতাইকারী এইসব অপরাধীদের নামের মধ্যে ভিন্নতা লক্ষণীয়। কিন্তু অনিস্বীকার্য সত্য যে, এই অপরাধমূলক কর্মকা- প্রতিটির অর্থ কিন্তু একই সেটা হচ্ছে মানুষের মাল-সম্পদ লুণ্ঠন। 

অমঙ্গল যাত্রা উপলক্ষে ব্যয় হওয়া টাকা পয়সা ফকির গরীব মিসকীনদের জন্য দান করা উচিত ছিল


সম্মানিত ইসলামবিদ্বেষী কিছু মহল রয়েছে, যারা সবসময় পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতিসাধনে লিপ্ত থাকে। তারা বলে থাকে, সম্মানিত কুরবানীর টাকা গরীব, মিসকীনদের দিয়ে দেয়া হোক। যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে শিরকীপূর্ণ, কুফরী, হারাম অমঙ্গল যাত্রা উপলক্ষে সরকার অঢেল টাকা পয়সা খরচ 

জাহান্নামের এক মূহুর্তই পার্থিব সমস্ত সুখ-সাচ্ছন্দ্য ভুলিয়ে দেবার জন্য যথেষ্ট!


আজকাল কি কেউ ১০০ বছর বাঁচে? আচ্ছা যদি বাঁচেও, তার এই দীর্ঘ জীবন পরকালীন জীবনের কতটুকুর সমান? বড়জোর ৩ ঘন্টা! ভাবতেও অবাক লাগে, এই তিন ঘন্টার জীবন নিয়ে মানুষের কত আক্ষেপ আর কত উল্লাস!   জান্নাতের অধিবাসীদের মাঝে যে এই দুনিয়াতে