নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট কুল-মাখলুক্বাতের সবকিছুই হাযির এবং তিনি সবকিছুই নাযির বা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, (আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) ‘নিশ্চয়ই আমি আপনাকে শাহিদ অর্থাৎ হাযির-নাযির হিসেবে প্রেরণ করেছি।’ সুবহানাল্লাহ! একথা দিবালোকের ন্যায় সুস্পষ্ট যে, যিনি শাহিদ উনার জন্য যেরূপ হাযির বা উপস্থিত থাকা শর্ত, তদ্রুপ নাযির বা 

স্বয়ং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কেই চরম অবমাননাকর ও


স্কুল কলেজগুলোর অধিকাংশ রচনা বা লেখনীগুলোর কোন অমুসলিম, কোনটা বিধর্মী, কোনটা নস্তিক, কোনটা ইসলামবিদ্বেষী লেখকদের লেখা। এছাড়া বাকি যে লেখাগুলো আছে তার লেখকরাও কি ধরনের মুসলমান সেটাও প্রশ্নবিদ্ধ। কারন সেগুলোও মুসলমানদের মত-পথ, আক্বীদা-আমলের সম্পূর্ণ বিপরীত। বইগুলোতে দু’একটি কথিত ইসলামী ভাবধারার যে 

ঐতিহাসিক পবিত্র ২৮শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! হাদ্বিনাতু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মী বা’দা উম্মী আলাইহাস সালাম


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে যারা মুহব্বত করবে আমার শাফায়াত মুবারক তাদের জন্য ওয়াজিব হবে।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান বরকতময় ঐতিহাসিক পবিত্র ২৮শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করে বা শুনে উনার প্রতি


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যার সম্মুখে আমার পবিত্র নাম মুবারক উচ্চারণ করা হয়, অথচ সে আমার প্রতি পবিত্র ছলাত শরীফ পাঠ করে না, সে হালাক ও জাহান্নামী।’ নাউযুবিল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর 

সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম শরীফ মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আসতে আর মাত্র ১৩ দিন বাকি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ফদ্বল মুবারক ও মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ 

৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকার প্রধান ওয়াদা করেছে- ‘পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “মহান আল্লাহ পাক তিনি যা নাযিল করেছেন তা অর্থাৎ পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুসরণ করো।” সুবহানাল্লাহ! ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকার প্রধান ওয়াদা করেছে- ‘পবিত্র কুরআন শরীফ, 

সরকারের অনেক ভালো কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায় ইসলামবিদ্বেষী পত্র-পত্রিকা, মিডিয়াগুলো


বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন নামক শরীয়ত বিরোধী কুফরী আইনটি নিয়ে খোজ-খবরটি নিয়ে জানা যায়- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ নির্দেশে ও মহিলা-শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টদের অভিমতে ১৮ বছরের নিচের মেয়েদের জন্য বিশেষ কারণে বিবাহ গ্রহণযোগ্য করার যৌক্তিকতা গ্রহণযোগ্য হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর এই অনুশাসনের 

পবিত্র ছফর শরীফ মাসে ঈমান-আক্বীদা পরিশুদ্ধ করুন; মাসের মধ্যে অশুভ বলতে কিছুই নেই


সাধারণের অনেকেরই মনে ধারণা রয়েছে যে, ছফর মাস অশুভ, কুলক্ষনযুক্ত, অপয়া ইত্যাদি। নাউযূবিল্লাহ! যে কারণে এ মাসটির নতুন চাঁদ দেখাসহ অনেক কাজের সূচনা থেকেই অনেকে বিরত থাকে এবং কোন রকমে মাসটি পার হলে যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে। সাধারণ মানুষের সমাজ জীবনেও 

একটি ইতিহাস বিশ্লেষণ: মূর্তি দ্বারা মুসলিম উচ্ছেদই হলো বাবরি মসজিদের শাহাদাতের শিক্ষা, যা এখনও মুসলমানরা অনুধাবন করতে পারছে না


বাবরি মসজিদ ধ্বংস ও তৎপরবর্তী যেসব ঘটনা, তার সূত্রপাত ঘটেছিল ১৯৪৯ সালের একটি রহস্যজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ঐ বছরের ডিসেম্বর মাসে কোনো এক মধ্যরাতে বাবরি মসজিদের মিহরাবের মধ্যে কল্পিত শিশু রামের একটি মূর্তি রেখে আসা হয়। সকালে রটিয়ে দেয়া হয় যে, 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রকার পবিত্র ইলম মুবারকসহই সৃষ্টি হয়েছেন এবং যমীনে তাশরীফ


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমাকে সমস্ত পবিত্র ইলম মুবারক হাদিয়া মুবারক করা হয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বপ্রকার পবিত্র ইলম মুবারকসহই সৃষ্টি হয়েছেন এবং যমীনে 

আক্বীদা বিশুদ্ধ রাখার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা


আর ‘সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম’ উনার মধ্যে প্রবেশ করার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছেন ‘সম্মানিত ঈমান’। সুবহানাল্লাহ! যখন কেউ সম্মানিত ঈমান আনেন, তখন তিনি সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে প্রবেশ করেন। আর সম্মানিত ঈমান সুসংঘঠিত হয়ে থাকেন সম্মানিত আক্বীদাহ মুবারক 

সংখ্যালঘুদের জন্য সারাদেশে ছুটি দেয়া চরম মূর্খতা


একটি রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে হলে তাকে ছুটি দেয়ার সময় অবশ্যই লাভ-ক্ষতির হিসেব কষতে হবে। দেশের সামান্য কিছু লোকের ছুটির প্রয়োজনে গোটা দেশের মানুষের ছুটি দিয়ে দিলে নিয়ম-শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকবে না। কেননা একদিন ছুটি দেয়া মানে দেশের অর্থনীতিকে পুরোপুরি অবশ