আসল সন্ত্রাসী কারা? নিঃসন্দেহে বিধর্মী-কাফিররা!


আসল সন্ত্রাসী কারা? নিঃসন্দেহে বিধর্মী-কাফিররা! ১. হিটলার ১ কোটি ১০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিলো। সে কিন্তু মুসলিম ছিলো না, ছিলো খ্রিস্টান। ২. জোসেফ স্টালিন ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও মুসলমান ছিলো না। নাস্তিক দাবি করতো। ৩. মাওসেতুং ১.৪-২ কোটি মানুষকে 

পবিত্র সূরা ফাতিহা উনার মধ্যেই বিধর্মীদের থেকে দূরে থাকতে আদেশ করা হয়েছে!


পবিত্র সূরা ফাতিহা উনার মধ্যেই বিধর্মীদের থেকে দূরে থাকতে আদেশ করা হয়েছে! পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ এমন একটি সূরা শরীফ, যেই সূরা শরীফ পাঠ ছাড়া কোনো নামায হয় না। বিশেষ করে মুসলমানেরা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে থাকে। এ পাঁচ ওয়াক্ত 

শয়তানের প্ররোচনা থেকে বাঁচতে হলে- হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত হয়ে ইলমে তাছাউফ শিক্ষা করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই!


শয়তানের প্ররোচনা থেকে বাঁচতে হলে- হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার নিকট বাইয়াত হয়ে ইলমে তাছাউফ শিক্ষা করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই! মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করোনা, সে হচ্ছে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।” 

পরিশুদ্ধ অন্তর ব্যতীত কোনো কামিয়াবী নেই!


পরিশুদ্ধ অন্তর ব্যতীত কোনো কামিয়াবী নেই! মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “ক্বিয়ামতের দিন কেউ কোনো ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি দিয়ে ফায়দা হাসিল করতে পারবে না একমাত্র ঐ ব্যক্তি ছাড়া, যে সুস্থ অন্তকরণ নিয়ে এসেছে।” (পবিত্র সূরা 

মুজাদ্দিদে আ’যম, গউছুল আযম সাইয়্যিদুনা মামদুহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলাহ আলাইহিস সালাম উনার বিশেষ তাজদীদ মুবারক হচ্ছেন ‘বিবাহ দোহরানো’ তথা


এক হাজার হিজরী শরীফ উনার পর থেকে শুরু হয়েছে আখিরী যামানা , আর বর্তমানে চলছে ১৪৪১ হিজরী শরীফ যেটা হচ্ছে আখিরেরও আখির যামানা । মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عن حضرت انس رضي الله تعالى عنه 

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ২২শে জুমাদাল উলা শরীফ কি এবং এ দিবসে কি করা হয়?


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِـىْ ذٰلِكَ لَاٰيٰتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُوْرٍ অর্থ: “আর আপনি তাদেরকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ তথা মহান আল্লাহ পাক উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশেষ বিশেষ দিন 

সর্বোচ্চ নিয়ামত মুবারক হলেন পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র আয়াত শরীফ ও সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা স্পষ্টভাবে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে খুশি প্রকাশ করা প্রমাণিত। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, 

ইহুদী-নাছারা, মুশরিক-বৌদ্ধ, মজুসী-মুশরিকদের সর্বপ্রকার ষড়যন্ত্র থেকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘অধিকাংশ আহলে কিতাব তথা কাফির-মুশরিকরা চায়- তোমরা পবিত্র ঈমান আনার পর তোমাদেরকে হিংসা বা শত্রুতাবশতঃ কাফির বানিয়ে দিতে।’ নাউযুবিল্লাহ! ইহুদী, মুশরিক, বৌদ্ধ, মজুসী, নাছারা প্রকৃতপক্ষে সমস্ত বিধর্মীরা মুসলমানদের চরম শত্রু।। তাই তারা সূক্ষ্মকৌশলে মুসলমানদের 

এদেশে সংখ্যালঘুদের ছুটি ঐচ্ছিক করুন: অর্থনীতির চাকা সচল রাখুন


বাংলাদেশের জনসংখ্যার ক্ষদ্র থেকে ক্ষুদ্রতম একটি অংশ অমুসলিমরা। এই গুটিকয়েক সংখ্যালঘুদের জন্য দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে ছুটি কাটাতে হয়। অর্থাৎ মাত্র কয়েক ভাগ অমুসলিমদের ছুটিতে দেশের ৯৮ ভাগ জনসংখ্যাকে অলস বসিয়ে রাখায় দেশের অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকারের উচিত হবে মাত্র 

অতিসত্বর বাল্যবিবাহ বিরোধী আইন উঠিয়ে নেয়া হোক


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মাঝে নিহিত রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ মুবারক।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২১) এতদ্বসত্ত্বেও ব্রিটিশ কুচক্রীদের 

পবিত্র ২২ জুমাদাল ঊলা শরীফ উনার শাহী আয়োজনে শরীক থেকে বিবাহ দোহরায়ে শান্তিময় জীবন নিয়ে বসবাস করুন


২২শে জুমাদাল উলা শরীফ: বিবাহ দোহরানোর শাহী মজলিস। যে মজলিসে স্বয়ং আওলাদে রসূল যামানার লক্ষস্থ্যল আহলে বাইত ওলীআল্লাহ, খাযিনাতুস সুন্নাহ, হাদিয়াতুস সুন্নাহ, মুহইউস সুন্নাহ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, নূরে মুকাররম, হাবীবুল্লাহ, যামানার শ্রেষ্ঠতম ইমাম ও মুজতাহিদ, সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম 

স্বাধীনভাবে যদি দ্বীন ইসলামই পালন করা না যায়, তাহলে কি প্রয়োজন এই বাংলাদেশ নামক স্বাধীন ভূ-খণ্ডের?


বাংলাদেশ কেন স্বাধীন হলো? এর উত্তরে অনেকেই অনেক কিছু বলতে পারে, কিন্তু সঠিক উত্তর হলো- বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে সঠিকভাবে দ্বীন ইসলাম পালনের জন্য। যদি কেউ বলে যে, স্বাধীনতা এসেছে পূজা-অর্চনার জন্য, সংগীত গাওয়ার জন্য, পহেলা বৈশাখ উদযাপনের জন্য, তাহলে বলতে হবে-