বাংলাদেশের এমপি-মন্ত্রীদের কি পরকালের কথা মনে পড়ে না?


কিছুদিন আগে একজন মন্ত্রী মৃত্যুবরণ করেছে। সে মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে ধূমপান ও সভায় ঘুমানোর কারনে সাংবাদিকদের কাছে বেশ আলোচিত ছিলো। কিন্তু তার চেয়ে বেশি সমালোচিত ছিলো ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের কাছে। তবে সেটা ভালো মানুষ হিসেবে নয়। কারণ সে প্রকাশ্যেই মেয়েদের পর্দা করার 

তাই বলে কি কাফির ঈমানদার হয়ে গেলো?


সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশে জাকির নায়েক ওরফে কাফির নালায়েকের পরিচালিত ‘পিস টিভি’ সাময়িক বন্ধ করায় নালায়েক ভক্তদের দাবি- ‘জাকির নালায়েক যদি আসলেই হিন্দু-মুশরিকদের দালাল হতো, তাহলে কি করে ভারত সরকার তার বিরুদ্ধে গেলো?’ নালায়েক ভক্তদের কথা মুতাবিক ভারত সরকার কারো বিরুদ্ধে 

মহিলাদের জামায়াত বন্ধ করতে হবে


পবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে মহিলাদের পাঁচ ওয়াক্ত, জুমুয়া, ঈদাইন, তারাবীহসহ সর্বপ্রকার নামাযের জামায়াতের জন্য মসজিদ বা ঈদগাহে যাওয়া হারাম ও কুফরী। তা পবিত্র রমাদ্বান শরীফে হোক অথবা গাইরে রমাদ্বান শরীফে হোক। বিশিষ্ট ছাহাবী আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস 

পাঠ্য বইয়ে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অন্তর্ভুক্ত চাই


“হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তারা যে মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ হতে ‘ফযল ও রহমত’ পেয়েছে সে জন্য তারা যেনো খুশি প্রকাশ করে। নিশ্চয় তাদের এ খুশি প্রকাশ করাটা তাদের সমস্ত সঞ্চয়ের থেকে উত্তম।” সুবহানাল্লাহ! 

পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার বরকতপূর্ণ আমল সম্পর্কে মুসলমানরা আজ পুরোই বেখবর


বর্তমানে আমরা দেখতে পাই আমাদের দেশে বাঙালি সংস্কৃতির নামে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। যেমন: পহেলা বৈশাখ, বসন্ত উৎসব, নবান্ন উৎসবসহ আরো কতো উৎসব। যার কোনোটাই মুসলমানদের সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্ত নয় এবং এসব অনুষ্ঠান পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ 

পবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বতের ব্যাপারে হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম উনার অমূল্য ক্বওল মুবারক


এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عن حضرة عبد الله رضى الله تعالى عنه بن حضرة عمر فاروق عليه السلام قال قال حضرة ابو بكر صديق عليه السلام ارقبوا مـحمدا صلى الله عليه وسلم فى اهل بيته 

সুমহান ৫ই মুহররমুল হারাম শরীফ ১৪৪০ হিজরী


সুমহান ৫ই মুহররমুল হারাম শরীফ! সাইয়্যিদাতুন নিসা, উম্মু উম্মিল উমাম, মাহজুবা, ত্বাহিরা, ত্বইয়িবা, তাওশিয়া, তাজিমা, তাকরিমা, শাফিয়াহ, মুশাফ্ফায়া, হাবীবাতুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নানী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল শান-মান, মর্যদা-মর্তবা ও মুবারক কারামত প্রসঙ্গে। “নিশ্চয়ই যে সকল 

দুনিয়া বা ধন-সম্পদের মুহব্বতই যে সমস্ত গুনাহের মূল তা পবিত্র কারবালা উনার হৃদয় বিদারক ঘটনা থেকে ভালোভাবে বুঝা যায়


৬১ হিজরী সনের পবিত্র ১০ই মুহররম শরীফ-এ যেসব তথাকথিত মুসলমান হাক্বীক্বতে কাফির সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুছ ছালিছ আলাইহিস সালাম উনার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, তারা কি জানতো না উনি কে? তারা কি জানতো না উনি জান্নাতে যুবকদের সাইয়্যিদ, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব 

মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার সাথে সংশ্লিষ্ট বিশুদ্ধ আক্বীদাসমূহ


১. সমস্ত হযরত নবী রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা মাছুম বা নিষ্পাপ। উনাদের কোনো প্রকার দোষ-ত্রুটি এমনকি কোনো অপছন্দনীয় কাজ ও নেই। উনারা হচ্ছেন পবিত্র ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। (আকাইদে নসফী) ২. হযরত মুয়াবিয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি ছিলেন জলীলুল ক্বদর ছাহাবী, 

আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত মুবারক মুসলমানদের জন্য ফরযে আইন


মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্পর্কে ইরশাদ মুবারক করেন- قُل لَّا اَسْأَلُكُمْ عَلَيْهِ اَجْرً‌ا اِلَّا الْمَوَدَّةَ فِي الْقُرْ‌بٰى অর্থ: “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি (উম্মতদেরকে) বলুন, আমি তোমাদের নিকট কোন বিনিময় চাই 

কোন দিন ভালো খাবেন?


সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে পহেলা মুহররমুল হারাম শরীফ কিংবা নববর্ষ উপলক্ষে পহেলা তারিখে যেমন পহেলা বৈশাখ, পহেলা জানুয়ারি ইত্যাদি তারিখে ভাল খাদ্য খাওয়ার জন্যে কোন তাগিদ করা হয়নি। বরং দশই মুহররমুল হারাম শরীফ প্রত্যেক পরিবারের প্রধান ব্যক্তিকে তার পরিবারের সদস্যবর্গকে 

প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য ফরয-ওয়াজিব হচ্ছে সর্বপ্রকার গান-বাজনা শোনা, গাওয়া থেকে বিরত থাকা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “গান-বাজনা অন্তরে নিফাকী পয়দা করে”। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে একাধিক পবিত্র আয়াত শরীফ রয়েছে এবং অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণিত রয়েছে- যার দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, সর্বপ্রকার গান-বাজনাই হারাম। কেউ কেউ বলে