সমস্ত মুসলমানদের উচিৎ ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার মধ্যে এসে সমস্ত মাহফিল মুবারকে শরীক হয়ে নিয়ামত হাছিল করা


সমস্ত মাখলুকাতের মধ্যে ইনসান হচ্ছে আশরাফুল মাখলুকাত, তথা শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। আর তা এক মাত্র নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইনসানের মাঝে মুবারক তাশরীফ আনার কারণে। সুবহানাল্লাহ! আর সমস্ত উম্মতের মধ্যে মুসলমানরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত। এবং তা সম্ভব 

নাফরমানী ও গোলামী


বিশ্বখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা এই বাংলার প্রাচুর্যতা দেখে বলেছিলেন- ‘জান্নাতের দরজা’। এই ‘জান্নাতের দরজা’কে করায়ত্ত করার জন্য কাফিরদের ছিলো ব্যাপক খায়েশ। কিন্তু এদেশের মুসলমানদের ঈমানী জোশ আর জযবার কাছে তারা পরাস্ত হয়েছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এক সময় মুসলমানরা মহান আল্লাহ 

পুরুষদের ন্যায় মহিলাদেরও দ্বীনী তা’লীম গ্রহণ করা ফরযে আইনের অন্তর্ভুক্ত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য ইলম অর্জন করা ফরয।” বর্তমানে দেখা যায়, দেশে-বিদেশে পুরুষরা বাইয়াত গ্রহণ করে, যিকির-ফিকির করে আমল করে। কিন্তু মেয়েদেরকে কিতাবাদি পড়তে বা যিকির-ফিকির করতে খুব একটা দেখা যায় না। বরং 

দুই সিজদাহর মাঝখানে দোয়া পাঠ করার আহকাম ও মাসয়ালা


দুই সিজদার মাঝখানে দোয়া পড়ার সময় সাবধান থাকতে হবে। কারণ দুই সিজদার মাঝখানে দোয়া পড়ার দুই রকমের হুকুম রয়েছে। যথাঃ (১) ফরয, ওয়াজীব, সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামায জন্য এক ধরনের হুকুম। (২) নফল ও সুন্নতে যায়েদা নামাযের জন্য আলাদা হুকুম। (১)ফরয,ওয়াজীব, সুন্নতে 

খুনাখুনি, কোপাকুপি, সংসারে বিশৃঙ্খলা রোধে পর্দা পালনের বিকল্প নেই


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে দেখে এবং দেখায় তার উপর মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” কাজেই এই লা’নত থেকে বাঁচার জন্য এবং মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া 

যারা পবিত্র মসজিদ উচ্ছেদের সাথে জড়িত থাকবে, তারা প্রত্যেকে ইসলামবিদ্বেষী মুনাফিক হিসেবে সাব্যস্ত হবে


পত্র-পত্রিকায় এসেছে সম্প্রতি নৌ-মন্ত্রণালয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ হয়েছে নদীর তীরে গড়ে উঠা মসজিদ ভেঙ্গে ফেলা হবে। এই পবিত্র মসজিদগুলো ভেঙ্গে ফেলার পেছনে অজুহাত হিসেবে বলা হচ্ছে নদী দূষণ ঠেকানো। কোনো মুসলমান মসজিদ উচ্ছেদের মতো জঘন্য পাপ কাজের সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পারে না। 

পবিত্র কুরবানী উনার পশুর পর্যাপ্ত সংখ্যক হাট মুসলমানদের দ্বীনি অধিকার, সেই অধিকার নিশ্চিত করুন


বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১(১)(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক নাগরিকের যেকোনো ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।’ ১২(ঘ) ধারায় বলা হয়েছে- “কোনো বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন বিলোপ করা হইবে।” উপরে বর্ণিত সংবিধানের ধারাসমূহ দ্বারা এটা স্পষ্ট, 

‘মুক্তমনা’ বিষয়টি মুসলমানদের জন্য নয়, এটি অমুসলিম-নাস্তিকদের জন্যই খাছ


মডারেট বা আধুনিকতার নামে এখন বিশেষ একটি শব্দের ব্যবহার খুব শুনা যাচ্ছে। সেটি হলো -‘মুক্তমনা’। শব্দটিকে একটু ব্যাখ্যা করলে মোটামুটি বুঝা যায় এরকম- মনের মাঝে যা আসে তাই করা বা বলা। অর্থাৎ মনের স্বাধীনতা। কিন্তু প্রশ্ন হলো- এই মনের স্বাধীনতা বা 

হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের ফাযায়িল-ফযিলত মুবারক


মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেন, وَمَا يَنْطِقُ عَنِ الْـهَوٰى. اِنْ هُوَ اِلَّا وَحْىٌ يُّوْحٰى অর্থ: “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সম্মানিত ও পবিত্র ওহী মুবারক ব্যতীত কোনো কথা মুবারক বলেন না, কোনো কাজ 

মহিলাদের মসজিদে গমনে নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে বুখারী শরীফ উনার বিখ্যাত ব্যাখ্যাকার হযরত আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার প্রণিধানযোগ্য ব্যাখ্যা


‘বুখারী’ শরীফ উনার বিখ্যাত ব্যাখ্যাকার আল্লামা হযরত বদরুদ্দীন আইনী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “মহান খোদা তায়ালা উনার পানাহ! আজকের যুগে মহিলারা যে বিদয়াত আর নিষিদ্ধ জিনিস অবলম্বন করছে, পোশাক-পরিচ্ছদ আর রূপচর্চায় তারা যে নিত্যনতুন ফ্যাশন আবিষ্কার করছে; যদি উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা 

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনকারীদের জন্য শাফায়াত মুবারক এবং নাজাত সুনিশ্চিত।


পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ (ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বিরুধীতাকারীরা বলে থাকে “পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের আগে নাকি নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাত ঠিকমত আদায় করতে হবে।কিয়ামতের ময়দানে নাকি এসবের হিসেব নেওয়া হবে, পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ 

পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট নিয়ে জটিলতা বাড়াচ্ছে কারা?


পবিত্র কুরবানীর পশুর হাটগুলোকে ঢাকা শহরের প্রান্তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ঢাকা শহরের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব কিংবা পশ্চিম প্রান্তের কোনো এক হাট থেকে কুরবানীর পশু কিনে শহরের অভ্যন্তরে নিয়ে আসতে হবে। কিন্তু ঢাকা শহরটা একেবারে এমন ছোট শহর নয়। কমপক্ষে ২০০