সন্ত্রাসবাদ নয়; জিহাদী যোগ্যতা অর্জন করা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ অনুযায়ী ফরয


মুসলমান মাত্রই পবিত্র বিদায় হজ্জ উনার কথায় আগেবতাড়িত হন। পবিত্র বিদায় হজ্জ উনার খুতবায় অনুপ্রাণিত হন। পবিত্র বিদায় হজ্জ উনার খুতবার প্রথমদিকেই বর্ণিত হয়েছে, “আজকের এদিন যেমন পবিত্র, তেমনি প্রতিটি মুসলমানের জান-মাল অনেক পবিত্র।” আপন জান-মাল রক্ষার্থে মুসলমান যে যুদ্ধ করবে, 

বাল্যবিবাহ বিরোধীরা তিন শ্রেণীভুক্ত ১. কাফির ২. মুনাফিক ৩. উলামায়ে ‘সূ’


প্রথমতঃ সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করার জন্যেই ইহুদী, নাছারারা তথা তাবৎ কাফির-মুশরিকরা বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে আসছে। যেমন- ১৯২৯ সালে ব্রিটিশ সরকার বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন 

শুধু পবিত্র হজ্জই নয়, যে কোনো ইবাদতেই শরীয়তবিরোধী কাজ করলে তা আদায় হবে না


রোযা সম্পর্কে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে। হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি 

হক্কানী রব্বানী ওলীআল্লাহ উনাদের মুবারক ছোহবত ছাড়া কোন কামিয়াবী নেই


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবরক করেন- اِنَّ رَحْمَةَ اللهِ قَرِيْبٌ مِّنَ الْمُحْسِنِيْنَ অর্থ : “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত হক্কানী রব্বানী ওলীআল্লাহগণ উনাদের নিকট রয়েছে।” আর মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ছাড়া কোনো ব্যক্তিই দুনিয়াবী কোনো 

“সম্মানিত সুন্নত মুবারক ইতায়াত বা অনুসরণে সমস্ত কামিয়াবী নিহিত”


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইতায়াত তথা সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনার অনুসরণ-অনুকরণ করা স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনারই নির্দেশ মুবারক। যেমন এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “ হে ঈমানদারগণ! 

১১ হিজরী সনের পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার আরবিয়ায়িল আখির বা শেষ বুধবারের সঠিক তারিখ প্রসঙ্গে


‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ আমাদের কাছে অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ এবং বরকত, রহমত, সাকীনা হাছিলের দিন। হাদিয়া মুবারক দেয়া এবং দান-ছদক্বা করার দিন। ‘আখির’ অর্থ শেষ এবং ‘চাহার শোম্বাহ’ অর্থ ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)। হিজরী সনের পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ ইয়াওমুল 

সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী মুবারক


পরিচিতি মুবারক: সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনার সম্মানিত পিতার নাম ছিল হযরত শামউন আলাইহিস সালাম। যিনি ছিলেন মিশরের সম্ভ্রান্ত ক্বিবতি বংশিয় এবং ঈসায়ী ধর্মাবলম্বী। উনার সম্মানিতা মাতা রোমান ঈসায়ী সম্প্রদায়ভূক্ত। তিনি নূরে মুজাস্সাম, 

আরবী হরফ কেন্দ্রিক গণনাপদ্ধতিও যখন মুসলমানদের অবহেলায় খ্রিস্টানদের নামে প্রচলিত হয়ে যায়


আমরা জানি যে, প্রতিটি আরবী হরফ উনার নিজস্ব সাংখ্যমান রয়েছে। উল্লেখ্য, আমরা যেভাবে ‘আলিফ’, ‘বা’ এরপর ‘তা’ পড়ে এসেছি মক্তবের সিপারাহসমূহে, সাংখ্যমান অনুযায়ী আরবী মানের ক্রম সেরকম নয়। সাংখ্যমান অনুযায়ী ‘আলিফ’, ‘বা’ তারপর ‘জীম’ তারপর ‘দাল’ এরকম হয়ে থাকে। যেমন ‘আলিফ’ 

আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৪শে মাহে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম


আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৪শে মাহে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে উম্মুল মুমিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আছ ছানিয়াহ আশার আলাইহাস সালাম উনাদের নিসবাতুল আযীম শরীফ দিবস। গোটা উম্মাহ ও মুসলিম বিশ্বের প্রত্যেক 

‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পালন করা- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত


মহান আল্লাহ পাক উনার মা’রিফাত-মুহব্বতে দগ্ধীভূত ব্যক্তি তথা মুসলমানগণ উনারা যে দিনটিকে মা’রিফাত-মুহব্বত লাভের উসীলা সাব্যস্ত করে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণে যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছেন সেই মুবারক দিনটি ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ হিসেবে মশহুর। 

মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, আফযালুন নাস ওয়ান নিসা’ বা’দা রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র উম্মুল মু’মিনীন


একটি বিষয় খুব ভালোভাবে উপলব্ধি আবশ্যক যে, শুধু যাহিরী বা কিতাবী বর্ণনার দ্বারা সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতিটি বিষয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ের ফায়ছালা দেয়া কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিষয়টি এরূপ ঘটে থাকে যে, যাহিরী বা কিতাবী বর্ণনা এক রকম 

আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৪শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ বিশেষ রাত ও দিনগুলো তাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিন।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বরকতময় পবিত্র ২৪শে ছফর শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন