যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি স্বয়ং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া


বিশ্বসমাদৃত “আননি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম” কিতাবে বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদাতুল উম্মাহাত, মালিকাতুল জান্নাহ, হাবীবাতুল্লাহ, সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত উম্মু রসূলিনা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশকালে আমি দেখতে পেলাম, 

মুসলমানরা তো হিন্দুদের খুশি করার জন্য দ্বীন ও ঈমান ত্যাগ করেছে, তবুও কি হিন্দুরা শত্রুতা করা ছেড়ে দিয়েছে ???


মুসলমানরা হিন্দুদের খুশি করতে তাদের ঈমান ও আমল সবকিছু ছেড়ে দিলেও হিন্দুরা কখনোই শত্রুতা করা বন্ধ করে নি, বরং তারা মুসলিম মুক্ত ভারত ও হিন্দু রাষ্ট্র ভারতের স্বপ্ন দেখেছে।   মুসলমানরা একে একে হিন্দুদের ধর্মীয় ও সামাজিক রীতি গ্রহণ করেছে , 

এই তিন ধরণের লোক থেকে সাবধান! 


একদিন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ২য় খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি হযরত যিয়াদ বিন হুদাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বললেন, আপনি কি জানেন কোন্ ব্যক্তি বা কারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতিসাধন করে থাকে। তখন তিনি বললেন, আমার সেটা 

যাবতীয় বালা-মুছিবত থেকে উদ্ধার পেতে প্রতিটি ঘরে ঘরে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা অপরিহার্য 


মুসলিম বিশ্বে যিনি সবচেয়ে বেশি কিতাব লিখেছেন, যিনি দশম হিজরী শতাব্দীর মুজাদ্দিদ ও ইমাম, সুলত্বানুল আরিফীন হযরত মাওলানা জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘ওসায়িল ফী শরহি শামায়িল’ নামক কিতাবে উল্লেখ করেছেন, “যখন কোনো মুসলমান নিজ বাড়িতে পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে 

দেশে সরকারিভাবে সব নাগরিকের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করতে হবে 


মুসলমানের জান-মাল রক্ষা করা যেমন ফরয, তেমনি তা রক্ষার জন্য জিহাদী যোগ্যতাও অর্জন করা জরুরী। পবিত্র মুসলিম শরীফ’ ও ‘মুসনদে আহমদ শরীফ’ উনাদের মধ্যে রয়েছে- হযরত সালমান ইবনে আকওয়া রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, “মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে 

পবিত্র যাকাত ব্যতীত ইবাদত-বন্দেগী অপূর্ণ রয়ে যায় 


  সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ কুল-মাখলুকাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত। যে সম্মানিত ইবাদত উনার সাথে অন্য কোন ইবাদতের তুলনা চলবে না। এছাড়া অন্য সকল ইবাদতসমূহকে পূর্ণতা দানকারী ইবাদত হচ্ছেন সম্মানিত যাকাত। সম্মানিত যাকাত সঠিকভাবে আদায় না করলে এবং হক্কস্থানে না পৌঁছালে অন্য ইবাদত-বন্দেগী 

ইমামতির জন্য বা ইমাম হওয়ার জন্য শর্ত 


ইমাম হওয়ার জন্য অনেক শর্ত-শারায়িত উল্লেখ রয়েছে। তবে যেসব শর্ত না হলে কারো জন্য মসজিদের ইমাম হওয়া কিংবা ইমাম নিয়োগ দেয়া উচিত নয় তা হচ্ছে- (১) ক্বিরায়াত বিশুদ্ধ হওয়া, (২) ইমাম হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মাসয়ালা-মাসায়িল জানা এবং ক্বলবী ইলম তথা ইলমে 

পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ থেকে বাল্যবিবাহের স্পষ্ট দলীল


পবিত্র সূরা নিসা শরীফ উনার ৩নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, وَإِنْ خِفْتُمْ أَلَّا تُقْسِطُوا فِي الْيَتَامَىٰ فَانكِحُوا مَا طَابَ لَكُم مِّنَ النِّسَاءِ مَثْنَىٰ وَثُلَاثَ وَرُبَاعَ অর্থ: “আর যদি তোমরা ভয় কর যে, ইয়াতীম মেয়েদের 

জুমাদাল ঊলা মাসের আইয়্যামুল্লাহ সমূহ


১. ৯ জুমাদাল ঊলা: পবিত্র ঈদে বিলাদতে মাহিউল বিদয়াত, কুতুবুল আলম, সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম। সাইয়্যিদুনা হযরত হাদিউল উমাম আলাইহিস সালাম পবিত্র ৯ জুমাদাল ঊলা শরীফ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (ইছনাইনিল আযীম শরীফ) ফজর মাকরূহ ওয়াক্ত অতিবাহিত হওয়ার পর 

ক্বলব ও রক্তকণিকা থেকে পাপের ছাপ উঠাবেন কিভাবে?


কাপড়ে দাগ পড়লে আমরা কতো না চেষ্টা করি সেই দাগ পরিষ্কার করতে। সাবান দিয়ে পরিষ্কার না করতে পারলে নানা মেডিসিনের ব্যবহার করি। চেষ্টার কোনো ঘাটতি থাকে না। কিন্তু পাপের দাগ যে মানুষের ক্বলবে ও রক্তকণিকায় পড়ে সে ব্যাপারে মানুষ উদাসীন কেন? 

নাজাতপ্রাপ্ত একটি দল


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। তন্মধ্যে একটি দল হবে নাজাতপ্রাপ্ত। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নাজাতপ্রাপ্ত দলটির 

সুন্নতী বাল্যবিবাহ কুফরকে মিটিয়ে দেয় এবং পরষ্পরের নিকট ‘অর্ধেক ঈমান’ জমা রাখে


মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, وَمِنْ آيَاتِهِ أَنْ خَلَقَ لَكُم مِّنْ أَنفُسِكُمْ أَزْوَاجًا لِّتَسْكُنُوا إِلَيْهَا وَجَعَلَ بَيْنَكُم مَّوَدَّةً وَرَحْمَةً ۚ অর্থ: মহান আল্লাহ পাক উনার অন্যতম নিদর্শন মুবারকগুলোর মধ্যে ‘তিনি আহাল ও আহলিয়াকে একে অন্যের