সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান শান মুবারক হানীকারীর দুনিয়াতে


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, قَالَ حَدَّثَنَا ابْنُ عَبَّاسٍ، أَنَّ أَعْمَى، كَانَتْ لَهُ أُمُّ وَلَدٍ تَشْتُمُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَتَقَعُ فِيهِ فَيَنْهَاهَا فَلاَ تَنْتَهِي وَيَزْجُرُهَا فَلاَ تَنْزَجِرُ – قَالَ – فَلَمَّا كَانَتْ ذَاتَ لَيْلَةٍ جَعَلَتْ تَقَعُ 

তিনটি বিষয় যথাযথ আদবের সাথে শিক্ষা না দিলে তা ক্ষতির কারণ হবে


অনলাইনে অনেক ইসলামিক ঘটনা বা হাদীস শরীফ দেখি। কিন্তু সেগুলোর স্টার্টিং দেখলেই আর পড়তে ইচ্ছা করেনা। একটা উদাহরণ দেই, একটা আর্টিকেল পড়তে গেলাম। তার হেডলাইন হল “মুহাম্মাদ (সঃ) এর আয়েশা (র) প্রতি ভালবাসা”।   আমাদের সম্মানিত নবী, যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালিন, যিনি 

চন্দ্রগ্রহণ ও সূর্যগ্রহণ সম্পর্কে ইসলাম কি বলে?


অনেকে চন্দ্র অথবা সূর্যগ্রহণের সময় গর্ভবতী মা কোন কিছু কাটলে বা ছিঁড়লে বাচ্চা ঠোঁট কাটা জন্মাবে, কোন কিছু ভাঙলে বা বাঁকা করলে সন্তান বিকলাঙ্গ হয়ে জন্মাবে ইত্যাদি ইত্যাদি বলে ধারণা করে । কিন্তু সম্মানীত দ্বীন ইসলাম বলে, সূর্য গ্রহন ও চন্দ্র 

মুসলমানের বেশ ধারণ করে সউদী ওহাবী সরকার বছর বছর ধরে মুসলমানের পবিত্র হজ্জ নষ্ট করে যাচ্ছে


এখনো কি তাদের বোধোদয় হবে না? দলীল-প্রমাণ মিলেছে সউদী শাসনকারী বাদশাহদের পূর্বপুরুষ ছিলো ইহুদী। সে সূত্রে বর্তমান সউদী ওহাবী সরকার মুসলমানের বেশ ধারণ করে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রাণকেন্দ্র পবিত্র মক্কা শরীফ-এ বসে ইহুদী ধ্যান-ধারণা নিয়ে ইহুদী স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে। 

চাঁদ দেখে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস শুরু করার ব্যাপারে সউদী ওহাবী সরকারকে চাপ প্রয়োগ করতে হবে


সউদী ওহাবী সরকার প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার চাঁদ না দেখে শুরু করতে যাচ্ছে। যার ফলে যারা পবিত্র হজ্জ করতে যাবেন তাদের পবিত্র হজ্জ এবারও আদায় হবে না। সউদী আরবে গিয়ে যেহেতু পবিত্র হজ্জ পালন করতে হয়, 

ইতিহাসের পাতায় ওলীআল্লাহগণ উনাদের অঢেল অর্থ খরচের উদাহরণ এবং সেই অর্থের প্রতি বিধর্মীদের লোলুপ দৃষ্টি


চিশতীয়া তরীক্বা উনার একজন প্রধান ওলীআল্লাহ হযরত নিযামউদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি। দিল্লীতে ছিল উনার খানকা শরীফ। ইতিহাসে লেখা রয়েছে, খানকা শরীফ ও লঙ্গরখানার খরচ বহনের জন্য তিনি উনার খাদিমকে নির্দেশ মুবারক দিয়ে রেখেছিলেন, যদি কখনো অর্থের দরকার হয় অমুক তাকের মধ্যে 

ঢাকা শহরসহ সারাদেশে পশুরহাট বৃদ্ধি করে মুসলমানদের পবিত্র কুরবানীর পশুর সহজলভ্যতা নিশ্চিত করুন।


বাংলাদেশ পৃথিবীর দ্বিতীয় মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। এদেশের শতকরা ৯৮ ভাগই মুসলমান হলেও এই জনগোষ্ঠী বিভিন্নভাবে স্বদেশী-বিদেশী মুশরিক, মজুসী, খ্রিস্টীয় চেলা-চামুন্ডাদের দ্বারা নিজ সমাজেই অবহেলিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত। এই মুসলিম দেশে যখনই কোনো ইসলামী অনুষ্ঠান যেমন, পবিত্র ঈদুল ফিতর, পত্রি ঈদুল আযহা অর্থাৎ 

সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে নয়, বরং নিজ বাড়িতেই মুসলমানদের কুরবানী করতে দিতে হবে


সেই শুরু থেকেই বাংলাদেশের মুসলমানরা নিজ বাড়িতে কুরবানী করে থাকে। নিজ ও পরিবারের সব সদস্য মিলে গোশত কাটে, কুরবানী ঈদে এটাই যেন সবচেয়ে বড় আনন্দের বিষয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বাংলাদেশ প্রশাসন বলছে- নিজ বাড়িতে আর কুরবানী করা যাবে না। পশুকে 

বাংলাদেশের রাজা যখন রাজাকার পুত্র


শুনতে অবাক শোনা গেলেও বাংলাদেশের জন্য এটা চরম সত্য। বর্তমান সরকার যখন ৭১ এর যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে অনেককে ফাঁসি দিয়েছে, এমনকি যুদ্ধাপরাধীর নাম করে তাদের সন্তানদের গ্রেফতার করছে, তাদের চাকুরী-বিসিএস আটকে দিচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ সরকারই আরেক রাজাকার পুত্রকে রাজা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে 

বাবা মায়ের নামে যারা কুরবানী করে, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক নামে তারা কুরবানী করে কি?


আমার বাবা মা, মামা, চাচা প্রায় সব আত্নীয়স্বজনকেই দেখেছি প্রতি কুরবানীতে নিজ নামে কুরবানী করার সাথে সাথে মৃত বাবা মায়ের জন্যও কুরবানী করতে। এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে উনারা জানান, “আমাদের উপর বাবা মায়ের হক্ব আছে। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন থেকে 

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সম্পর্কিত আর্টিকেল লেখার জন্য ইংরেজি ভাষার কিছু সংস্কার করা আবশ্যক


বর্তমানে সারাবিশ্বে সবার নিকট বোধগম্য ভাষা বলতে ইংরেজিকেই বোঝানো হয়। অন্যান্য ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় বিভিন্ন প্রবন্ধ ও আর্টিকেল লিখে ছড়ানো হয়, যেন তা অন্যান্য ভাষাভাষীর নিকট পৌঁছানো যায়। তবে এখানে একটি সমস্যা রয়েছে, তা হচ্ছে প্রচলিত ইংরেজি ভাষায় আদব, শরাফত, 

যেসব পত্রিকা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মুখালিফ সেগুলোকে বর্জন করুন


মুনাফিক লাদেন, আইএস, তালেবান, সউদী ওহাবী শাসক বা তার সমগোত্রীয়রা কি বলছে সে সমস্ত অপ্রয়োজনীয় ও অপ্রাসঙ্গিক কথাগুলো বেশি বেশি লেখালেখি করে থাকে এক শ্রেণীর পত্রিকা। ইহুদী-নাছারা সর্বাবস্থায় চায় কি করে মুসলমানদের ক্ষতি করা যায়। বর্তমান কালের মুসলমানদের ঈমানের জযবা, ঈমানী