সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে পোষ্ট নং-০৩ (‘নওরোজ’ বা নববর্ষ ও ‘মিহিরজান’ নামক ২টি কুফরী দিবস বাতিল করে মুসলমানদের


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اَنَسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قَدِمَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَدِينَةَ وَلَـهُمْ يَوْمَانِ يَلْعَبُوْنَ فِيْهِمَا فَقَالَ‏ مَا هٰذَانِ الْيَوْمَانِ‏،‏ قَالُوا كُنَّا نَلْعَبُ فِيْهِمَا فِي الْـجَاهِلِيَّةِ،‏ فَقَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى 

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে পোষ্ট নং-০২(ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার জন্য হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার জন্য হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পক্ষ থেকে ওয়াদা মুবারক নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وَاِذْ اَخَذَ اللهُ مِيْثَاقَ النَّبِيّـِيْنَ لَمَا اٰتَيْتُكُم 

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মু রসূলিনা আলাইহাস সালাম উনার তুলনা কেবল তিনি নিজেই


  যদি হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার না’লাইন (স্যান্ডেল) শরীফ উনার ধূলাবালি মুবারকের স্পর্শে আরশে আযীম ধন্য হয়ে যান, সৃষ্টিজগতের উপর ফখর করেন…..তাহলে যিনি উনাকে দীর্ঘ আট মাস বারো দিন নিজ রেহেম শরীফে ধারণ মুবারক করলেন, উনার ফায়সালা কি?! 

বাঙ্গালি জাতির শ্রেষ্ঠ গাদ্দার মীর জাফর


নবাব সিরাজদ্দৌলা নিয়ে পড়া শেষ না হতেই দেখলাম , উনার নামে মিথ্যাচার ।মানুষ কিভাবে পারে ছয়কে নয় বলে প্রচার করতে(?)। আমাদের জনা থাকা উচিত, নবাব সিরাজদ্দৌলার শাসনকাল ছিল অল্প সময়।তার পলাশীপ্রান্তে পরাজয়ের পরই ইংরেজরা ভারতবর্ষে প্রায় দু’শ বছর শাসন করেছিল।ছোটকালে সোস্যাল 

৪ঠা রবীউল আউওয়াল শরীফ মুবারক হো!


  হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন যে, উনার সম্মানিত পিতা ইন্তেকালের সময়ে বারবার বলছিলেন, “আমি আমার অন্তরে হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের মুহব্বত অনুভব করছি।” সুবহানাল্লাহ! পিতার ঐ কথাটি তিনি তখন ফিকির করেননি। কিন্তু পরে চিন্তা করে 

সুমহান ৩রা রবীউল আউওয়াল শরীফ মুবারক হো!


এক লোক নিজেকে মোটামুটি পরহেজগার মনে করত। কিন্তু তার আক্বীদা ছিল যে, দ্বীন ইসলাম উনার তৃতীয় খলিফা, হযরত উছমান যুন্নুরাইন আলাইহিস সালাম তিনি ইহুদী ছিলেন। নাউযুবিল্লাহ! এই বিষয়টা সেই সময়ের একজন প্রখ্যাত ওলীআল্লাহ উনার কর্ণগোচর হল। তিনি লোকটিকে ডেকে পাঠালেন। সে 

তিনি ইলমে গইব উনার অধিকারী


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইলমে গইব উনার অধিকারী, আল্লাহপাক উনাকে সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ সমস্ত ইলম উনাকে হাদিয়া করেছেন।এটাই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের আক্বীদা। ইলমে গইব সংশ্লিষ্ট কতক ঘটনা দেওয়া হলো, বদরের যুদ্ধে আল্লাহ তাআলা যখন মুসলমানগণকে জয়যুক্ত করলেন 

মহান আল্লাহ পাক উনার কর্তৃক পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অর্থাৎ পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اِنَّ اللهَ وَمَلَا ئِكَتَ يُصَلُّوْنَ عَلَى النَّبِيّ ۚ يَا اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلّمُوْا تَسْلِيْمًا অর্থ : “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং উনার হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, 

আহলান সাহলান ইয়া শাহরুল আযম!


আজকের সন্ধ্যায় তারাই আকাশে চাঁদ খুঁজেছেন, তাদের কণ্ঠই তাকবীরে মুখরিত হয়েছে, তারাই খুশি প্রকাশ করেছেন; যারা হাক্বীকিভাবেই, সাইয়্যিদুল আসইয়াদ, সাইয়্যিদুশ শুহূর, শাহরুল আ’যম, মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ উনার প্রতীক্ষায় ছিলেন। সারাবছর ব্যাপী যে মহান মাসের জন্য হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 

শাক দিয়ে মাছ ঢাকা না গেলেও, চেষ্টা কিন্তু ঠিক-ই অব্যাহত আছে !


ইতিহাস বিকৃতি নতুন কিছু নয়, বেধর্মীরা কিছু পারুক না পারুক মুসলানদের বীরত্বগাথাঁ ইতিহাস খুব ভালো বিকৃত করতে পারে , এর প্রমান মিলে অন-লাইন ইউটিউবে।   “যদি তোমরা ইসলাম গ্রহণ করো তাহলে কাপড় পড়ার অধিকার পাবে”। হযরত টিপু সুলতান রহমতুল্লাহি আলাইহির এই 

বড় জানতে ইচ্ছা করে,আমাদের দেশের লোকদের কাছে-


নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গুরুত্ব বেশি ? নাকি ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মতুর্জার গুরুত্ব বেশি? গত তিন দিন আগে বাংলাদেশের জাতীয় ক্রিকেট টীমের অধিনাক মাশরাফি বিন মর্তুজার সাথে মারমুখি আচরন করায় অনলাইন অফলাইন ছিলো রণক্ষেত্র। জনগন দাবি করলো – মাশরাফি 

যুগে যুগে উলামায়ে ‘সূ’রা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার চরম ক্ষতি করেছে


শের শাহ শূরীর নিকট পরাজিত সম্রাট আকবরের পিতা সম্রাট হুমায়ূন যখন সপরিবারে পলায়ন করছিল, তখন বর্তমান পাকিস্তানের অমরকোটে এক রাজপ্রাসাদে আকবরের জন্ম। প্রথম জীবনে লেখাপড়ার সুযোগ না পেলেও বৈরাম খাঁর নিকট যুদ্ধ বিদ্যায় হাতেখড়ি তার। অপরিণত বয়সেই তাকে সাম্রাজ্যের দায়িত্ব নিতে