খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার তরফ থেকে নীলনদের প্রতি সম্মানিত ফরমান মুবারক!


খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার তরফ থেকে নীলনদের প্রতি সম্মানিত ফরমান মুবারক! খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়া মিসরের শুষ্ক নীলনদের প্রতি ফরমান মুবারক লিখে পাঠিয়ে 

‘তালেবান জঙ্গি’(1)


‘তালেবান জঙ্গি’(1) -মুহম্মদ আমিনুল ইসলাম। যারা দাবি করে থাকে শরিয়া তথা ইসলামিক বিশ্ব প্রতিষ্ঠা করাই তাদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্যে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে তারা চালিয়ে যাচ্ছে তাদের কার্যক্রম। কিন’ কতটুকু সত্য তাদের দাবি? মুসলমান নামধারী হলেও কতটুকু ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করে 

‘শহীদ’ শব্দ মুবারক কেবলমাত্র ঈমানদার ব্যক্তি উনাদের জন্যই!


‘শহীদ’ শব্দ মুবারক কেবলমাত্র ঈমানদার ব্যক্তি উনাদের জন্যই! যারা মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামিন উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের সন্তুষ্টির জন্য, সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার পথে হক্বকে প্রতিষ্ঠা আর কুফরীকে দমন করার 

সকল মুসলমানের দেনমোহর ‘মোহরে যাহরা’ শরীফ হওয়া উচিত কারণ এটাই খাছ সুন্নত!


সকল মুসলমানের দেনমোহর ‘মোহরে যাহরা’ শরীফ হওয়া উচিত কারণ এটাই খাছ সুন্নত! মুসলমানের বিবাহ-শাদীতে মোহর নির্ধারণ করা ফরয। আর সে মোহর যথাযথভাবে পরিশোধ করে দেয়াটাও ফরয। কারণ, এটা স্ত্রী বা আহলিয়ার হক। আজকাল বিয়েতে কে কত বেশি মোহর ধার্য করবে তার 

হুযূরী ক্বলব ব্যতীত নামায হয় না। তাই নামায আদায় বা কবুল হওয়ার জন্য অবশ্যই হুযূরী ক্বলব নিয়ে নামায আদায়


হুযূরী ক্বলব ব্যতীত নামায হয় না। তাই নামায আদায় বা কবুল হওয়ার জন্য অবশ্যই হুযূরী ক্বলব নিয়ে নামায আদায় করতে হবে। এটা ফরযে আইনের অন্তর্ভূক্ত। হুযূরী ক্বলববিহীন নামায পড়ার কারণেই আজকে নামাযীর স্বভাব-চরিত্রে পরিবর্তন দেখা যায় না। তারা নামাযও পড়ছে আবার 

বাতিল বিনাশ এবং হক্ব প্রতিষ্ঠায় নববী নকশায় দেদীপ্যমান খলীফাতুল উমাম, ছানীয়ে মুজাদ্দিদে আ’যম, আল মানছূর, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুনা


বাতিল বিনাশ এবং হক্ব প্রতিষ্ঠায় নববী নকশায় দেদীপ্যমান খলীফাতুল উমাম, ছানীয়ে মুজাদ্দিদে আ’যম, আল মানছূর, আওলাদে রসূল, হাবীবুল্লাহ, সাইয়্যিদুনা হযরত শাহযাদা হুযূর ক্বিবলা কা’বা আলাইহিস সালাম তিনিই হলেন বারো জন খলীফা উনাদের মধ্যে এগারোতম! একজন মুজাদ্দিদ, তিনি অবশ্যই মুজাদ্দিদ। একজন মুজাদ্দিদে 

মুসলিম দেশের পাঠ্যপুস্তকে বিধর্মীদের কুফরী শিক্ষায় সয়লাব!!


মুসলিম দেশের পাঠ্যপুস্তকে বিধর্মীদের কুফরী শিক্ষায় সয়লাব!! বাংলাদেশ একটি স্বাধীন মুসলিম দেশ। এদেশ ভারত নয়, ভারতের অঙ্গরাজ্যও নয়। তাহলে এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায়, সরকারি পাঠ্যপুস্তকে কেন অমুসলিম, বিধর্মী, মূর্তিপূজারীদের অপশিক্ষায় সয়লাব? যে দেশের রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম সেদেশে শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রতিটি শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে বেশিরভাগ 

স্থল নদীপথ ও এয়ার ট্রানজিট এবং বাংলাদেশের বিপন্ন স্বাধীনতা


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে পবিত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা জালিমও হয়ো না। আবার মজলুমও হয়ো না।” বর্তমানে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ভারতকে বিনাশর্তে ব্যবহার করতে দেওয়ার মাধ্যমে মূলত বাংলাদেশকেই আজ অনানুষ্ঠানিক করদরাজ্যে পরিণত করা হচ্ছে। 

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার তথা পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গুরুত্ব, সম্মান মর্যাদা-মর্তবা উনার বিষয়টি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি রহমত ও ফযল করম ও দয়াদান ইহছান হিসেবে উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করেছেন সেজন্য 

ইবলিস শয়তানের প্রধান তিনটি ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকুন


ইবলিস শয়তান মানুষের জন্য প্রধান ও প্রকাশ্য শত্রু। সে চায় সবসময় মানুষকে ধোঁকা দিয়ে গোমরাহ বানাতে। তাই তার ধোঁকা থেকে বেঁচে থাকতে হবে। ইবলিসের প্রধান তিনটি ধোঁকা- ১. মহান আল্লাহ পাক উনার মুবারক যিকির থেকে গাফিল রাখা। ২. হযরত আওলিয়ায়ে কিরাম 

আন নি’মাতুল কুবরা কিতাব সম্পর্কে অপপ্রচারের জবাব,


সর্বশ্রেষ্ট সাহাবী ও ইসলামের প্রথম খলিফা হযরত ছিদ্দীকে আকবর আলাইহিস সালাম বলেন, مَنْ اَنْفَقَ دِرْهَمًا عَلَى قِرا ةَ مَوْ لِدِ النَّبىُ صلي اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ كَان رفيقي فىِ الجَنّةِ অর্থাৎ- “যে ব্যক্তি মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষ্যে এক দিরহাম খরচ 

সুমহান বরকতময় পবিত্র ২২শে জুমাদাল উখরা শরীফ- খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার পর যদি কেউ নবী হতেন, তবে নবী হতেন হযরত ফারুক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান বরকতময় পবিত্র ২২শে জুমাদাল উখরা শরীফ- খলীফায়ে ছানী, আমীরুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদুনা