তারা ইসলামবিদ্বেষী! যারা কুরবানী নিয়ে স্বাস্থ্যগত ও দূষণের উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার চালাচ্ছে


ইসলামবিদ্বেষী, নাস্তিক, কথিত কুষিল সমাজ আর দালাল মিডিয়া প্রতিবছর কুরবানী এলেই পশুর হাট, গরুতে বিষাক্ততা, পশু কুরবানীর স্থান নিয়ে অপপ্রচার করে। তারা যুক্তি দেয় যে- ‘কুরবানী পশুর হাটের কারণে মানুষের দুর্ভোগ হয় আর হাসপাতালে রোগীদের কষ্ট হয়। আবার যত্রতত্র জবাই করার 

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শান মুবারক উনার খিলাফ বুখারী শরীফে একটি জাল


বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ নাম শুনলে পৃথিবীবাসীর কাছে আর যেন কোন দলীলই প্রয়োজন হয়না। এখানে যা আছে চোখ বুজে মানুষ মেনেও নেয়। যেহেতু হাদীছ শরীফ উনার কিতাব সেহেতু মেনে নিবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আক্বীদার ক্ষেত্রে উছূল হচ্ছে যখন এমন কোন বর্ণনা 

পবিত্র কুরবানী উনার পশুর চামড়া যথাস্থানে দিতে হবে। যেখানে সেখানে বা যেকোনো প্রতিষ্ঠানে দেয়া যাবে না।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেক কাজে ও পরহেযগারীতে পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো। বদ কাজে অর্থাৎ পাপে ও শত্রুতায় পরস্পর পরস্পরকে সাহায্য করো না।’ পবিত্র কুরবানী উনার পশুর চামড়া যথাস্থানে দিতে হবে। যেখানে সেখানে বা যেকোনো প্রতিষ্ঠানে দেয়া 

সাইয়্যিদাতুন নিসা, ফক্বীহাতুন নিসা, রাহনুমায়ে দ্বীন, হাদীয়ে যামান, সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল উমাম আলাইহাস সালাম উনার মহামূল্যবান নছীহত মুবারক“মহিমান্বিত দশ


ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আদ্বহা দুই ঈদের রাত্রি জাগ্রত থেকে ইবাদত-বন্দেগী, তাসবীহ-তাহলীল, কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, দরুদ শরীফ, মীলাদ শরীফ পাঠ ও দোয়া করতে হবে। কেননা সম্মানিত হাদীছ শরীফে বর্ণিত রয়েছে- اِنَّ الدُّعَاءَ يُسْتَجَابُ فِىْ خَمْسِ لَيَالٍ اَوَّلُ لَيْلَةٍ مِّنْ رَّجَبَ وَ 

পানি পান করা পবিত্র সুন্নত মুবারক; যা নিয়মিত ও পরিমিত পানে ৮০% রোগমুক্তিসহ অনেক উপকারীতার কারণ


পানি পান করাও পবিত্র সুন্নত মুবারক। যা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে। তবে পানি পান করার সুন্নতী তরতীব জেনে নেয়া একান্ত আবশ্যক। পানি পান করার সুন্নতী তরতীব হলো:- * কাঠের পেয়ালাতে পানি পান করা। * ডান হাতে পানি পান 

মহল্লায় মহল্লায় পূজামন্ডপ হয়, কিন্তু কুরবানীর হাট মহল্লায় মহল্লায় হতে বাধা!!


বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে প্রতিবারই পাড়ায়-পাড়ায়, মহল্লায়-মহল্লায়, মোড়ে-মোড়ে পূজামন্ডপ বসাতে দেখা যায়। সংখ্যালঘুরা পাড়ায়-পাড়ায়, মহল্লায়-মহল্লায় পূজামন্ডপ বসাতে পারে তাহলে ৯৮ ভাগ মুসলমানদের সুবিধার্থে কেন প্রতিটি এলাকায় কুরবানীর হাট বসানো হবে না? মুসলমানদের জন্য প্রতিটি এলাকা, পাড়া-মহল্লা সবখানইে কুরবানীর হাট বসাতে 

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক বলে কোন রোগ নাই “ছোঁয়াচে বিশ্বাস করা শিরক”


মহামারীসহ যে কোন রোগই তা মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টি এবং উনার পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রনাধীন। রোগের নিজস্ব কোন ক্ষমতা নাই যে, মহান আল্লাহ পাক উনার হুকূম ছাড়া অন্যের উপর আক্রমন করবে। এবং তিনি কোন রোগকে এমন কোন ক্ষমতাও দেন নাই যে, সে 

নছীহতপূর্ণ ও শিক্ষণীয় ওয়াকেয়াসমূহ


বনী ইসরাইলের মধ্যে তিনজন লোক ছিল। একজন কুষ্ঠরোগী (أَبْرَصَ), একজন মাথায় টাকওয়ালা (أَقْرَعَ) আর একজন অন্ধ (أَعْمى)। মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদেরকে পরীক্ষা করার ইচ্ছা মুবারক করলেন। এই লক্ষে তিনি তাদের নিকট একজন ফেরেশতা আলাইহিস সালাম উনাকে প্রেরণ করলেন। হযরত ফেরেশতা 

এক পেয়ালা পানি হিরার চেয়েও দামি


পবিত্র বুখারি শরিফ উনার একটি পূর্ণ অধ্যায়ের নামকরণ করা হয়েছে – পানি পান করানোর ফজিলত শিরোনামে। হযরত আবু হুরায়রা রাদ্বিয়াল্লাহু তাআলা আনহু বর্ণনা করেন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুজূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ইরশাদ মুবারক করেন, একদা জনৈক ব্যক্তি 

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি কান চিলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার মতই


এদেশের মানুষ হুজুগে মেতে উঠতে অভ্যস্ত। এজন্য হুজুগে বাঙাল বা হুজুগে বাঙ্গালী কথাটি বেশ পরিচিত। ঘটনা হচ্ছে, কোন এক ব্যক্তির পাশ দিয়ে চিল তার শিকারীকে ছোঁ মেরে উড়ে যাচ্ছিল আর উক্ত ব্যক্তির পাশে থাকা আরেক ব্যক্তি তাকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলো যে, 

পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার দশ তারিখ ছুবহে ছাদিক হতে বারো তারিখ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যদি কোনো


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আপনার যিনি মহান রব তায়ালা উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের জন্য (ঈদের) নামায আদায় করুন এবং পবিত্র কুরবানী করুন।’ সুবহানাল্লাহ! সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার ফায়ছালা হলো- পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার দশ তারিখ ছুবহে ছাদিক 

পবিত্র কুরবানীতে বাধা দিলে লানতগ্রস্ত হতে হবে


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নেক কাজে পরস্পরকে সহায়তা কর, পাপ ও বদকাজের মধ্যে সহায়তা করো না’। সুগভীর তাৎপর্যপূর্ণ এই মহান নির্দেশ মুবারক মুসলমান মাত্রেরই জানা রয়েছে। তবে ফিকিরের বিষয়