এগারো হিজরী সনের পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার আরবিয়ায়িল আখির বা শেষ বুধবারের সঠিক তারিখ প্রসঙ্গে


‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ আমাদের কাছে অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ এবং বরকত, রহমত, সাকীনা হাছিলের দিন। হাদিয়া মুবারক দেয়া এবং দান-ছদক্বা করার দিন। ‘আখির’ অর্থ শেষ এবং ‘চাহার শোম্বাহ’ অর্থ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার। হিজরী সনের পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ 

যারা বিনা হিসাবে জান্নাত লাভ করতে চায়; তাদের জন্য ফরয হচ্ছে ‘পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ’ পালন করা


প্রত্যেক মুসলমান মাত্রই সম্মানিত জান্নাত প্রত্যাশী। আর তা সম্ভব কেবল পবিত্র ঈমান উনার সাথে দুনিয়া থেকে বিদায় নিতে পারলেই। অতএব, যারা চায় তাদের দুনিয়া থেকে বিদায়টা হোক পবিত্র ঈমান উনার সাথে, তাদের জন্য বিশেষ খোশ সংবাদ হচ্ছে, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত 

Akhari Chahar Samba is a special Ayyamullah Subhanullah


What is the Akhari Chahar Shomba ? Is this Islamic day?   The Holy Prophet Hozor pak sallallaho alihi wa sallam (peace and blessings of Allaah be upon him) was blessed with a memoryday of Ahl al-Bayt Sharif and the Prophet’s 

আখেরী চাহার শোম্বাহ একটি বিশেষ আইয়্যামুল্লাহ সুবহানাল্লাহ।


আখেরী চাহার শোম্বাহ কি ? এটা কি ইসলামী দিবস ?   হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আহলে বাইত শরীফ আলাইহিন্নাস সালাম ও হযরত সাহাবায়েকিরাম রদ্বীয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগনের একটি স্মৃতি বিজড়িত বরকতময় দিন আখেরী চাহার শোম্বাহ ।সুবহানাল্লাহ আখেরী শব্দের 

” মুসলমানদের পারিবারিক বন্ধনের প্রতি হিংসা করেই বিধর্মীরা বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে থাকে “


বাল্যবিবাহ নিয়ে পশ্চিমা বিশ্ব এবং তাদের প্ররোচনায় এদেশেও বহু আলোচনা হচ্ছে। সরকার না বুঝে ব্রিটিশদের তৈরি আইন বলবৎ রাখছে। আমাদের সমাজের রীতিনীতি নিয়া এই সব অসভ্যদের এতো মাথা ব্যথা কেন? যাদের সমাজ থেকে বিবাহ প্রথা উঠে গেছে, যারা সমলিঙ্গে বিয়ের নামে 

মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার বিশেষ সংখ্যায় বিজ্ঞাপন দিন


নিয়মিত পড়ুন ঈমান ও আক্বিদা হেফাযত করুন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান সম্মানার্থে ও উনার সাথে নিসবত মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ গবেষণা কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ বিশেষ সংখ্যায় বিজ্ঞাপন দিন। 

ইসলামের জন্য যেসকল আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে রাজারবাগ দরবার শরীফের পক্ষ থেকে


১) মাদ্রাসায় জাতীয় সংগীত রিট: কুড়িগ্রামের একটি ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম মিয়া ও ঢাকার কদমতলা মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থীর অভিভাবক এ রিট দায়ের করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তৈমুর আলম খন্দকার। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমhttps://goo.gl/5qKche ২) সাইয়্যিদুল 

বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় মুসলিম সন্তানরা কি শিখছে? “আধুনিকতার নামে বেহায়াপানা নয় কি?”


বর্তমান সমাজে শিক্ষা ব্যবস্থাকে এতটাই বাড়াবাড়ি পর্যায়ে নেয়া হয়েছে যে, বেপর্দা-বেহায়াপানাকে শিক্ষার অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ! অথচ এটা পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার এই অবনতির মূল কারণ হচ্ছে পাঠ্যপুস্তকগুলো। যেখানে শালীনতার কোন প্রকাশ 

দুনিয়ার ” রিযিক পৃথিবীতে আসার পূর্বেই দান করা হয়েছে; কিন্তু পরকালের পাথেয় অর্জন করতে হবে দুনিয়া থেকেই “


পার্থিব জীবন-যাপন করতে অর্থের যেমন প্রয়োজন, তেমনি পরকালে মিযানে হিসাব নিকাশে ছওয়াব প্রয়োজন। এই দুনিয়ায় অর্থ উপার্জনের ব্যবস্থা থাকলেও আখিরাতে ছওয়াব অর্জনের ব্যবস্থা নেই। এই পৃথিবীতেই অর্থ এবং ছওয়াব অর্জন করতে হবে। যারা পরকালের বিষয়টায় উদাসীন তাদের দুঃখের সীমা থাকবে না। 

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারীর জন্য শুভ সংবাদ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “হযরত আবু দ্বারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আমির আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার গৃহে উপস্থিত 

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ অস্বীকার করলে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত ঈসা রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি দোয়া করেছিলেন, “আয় আল্লাহ পাক! আয় আমাদের রব! আমাদের জন্য আপনি আসমান হতে (বেহেশতী খাদ্যের) খাদ্যসহ একটি খাঞ্চা নাযিল করুন। খাঞ্চা নাযিলের উপলক্ষটি অর্থাৎ খাদ্যসহ খাঞ্চাটি যেদিন 

মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট পছন্দনীয় ও পবিত্র মাস হচ্ছেন ছফর শরীফ মাস


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট আসমান-যমীনের সৃষ্টির শুরু থেকে গণনা হিসেবে মাসের সংখ্যা ১২টি। তন্মধ্যে ৪টি হচ্ছে হারাম বা পবিত্র মাস। এটা সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান। সুতরাং তোমরা এ মাসগুলোতে নিজেদের প্রতি যুলুম