খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পথে দান ছদকা করলে তা বহু গুনে বৃদ্ধি পায়


খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক এবং উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের রিযামন্দি সন্তুষ্টি মুবারক লাভের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় দান ছদকা করা। ইবাদতসমূহ উনার মধ্যে অন্যতম 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরেই হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের বিষয় উল্লেখ


প্রায় সমস্ত সীরাত বা জীবনী গ্রন্থসমূহ পাঠে দেখা যায় যে, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পর হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের অতঃপর হযরত আশারায়ে মুবাশ্শারা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের 

পবিত্র সুন্নত উনার বিরোধিতাকারীরাই পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতাকারী এবং পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনারও বিরোধিতাকারী


হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘মুয়াত্তা শরীফ’-এ উল্লেখ করেন, আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “আমি তোমাদের জন্য দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, এই দুটি জিনিস যতদিন তোমরা আঁকড়িয়ে ধরে থাকবে, ততদিন তোমরা গোমরাহ হবে 

মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলইহিমুস সালাম উনাদের মহাসম্মানিত ১২ ইমাম আলাইহিমুস সালাম উনারা হচ্ছেন


(১). ইমামুল আউওয়াল আসাদুল্লাহিল গালিব সাইয়্যিদুনা হযরত আলী কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম। (২). ইমামুছ ছানী সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হাসান আলাইহিস সালাম। (৩). ইমামুছ ছালিছ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম। (৪). ইমামুর রাবি’ সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম আলী আওসাত্ব জয়নুল আবেদীন আলাইহিস 

চেতনার অভাবে মুসলিম সমাজ


বর্তমানে মুসলিম সমাজ কঠিন সঙ্কটের পথে। মুসলিম সমাজ নিজেই জানে না, তাকে কোন পন্থায় এ সমস্যা উত্তরণ করতে হবে। এ সঙ্কট উত্তরণে মুসলিম বুদ্ধিজীবি মহলও যে খুব এগিয়ে এসেছেন তাও নয়, ফলে দ্রুত দুর্বল থেকে দুর্বলতর হয়ে পড়ছে মুসলমানরা। আমি বিষয়টি 

অবশেষে মুজাদ্দিদে আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার তাজদীদী প্রভাবে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি


ওহাবীদের আক্বীদা বিশ্বাসই হচ্ছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহিমান্বিত শান-মান মুবারকের খিলাফ বলা। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে উসীলা দিয়ে দুআ করা যাবে না। নাউযুবিল্লাহ! অন্যান্য সম্মানিত ব্যক্তিদের মতোই উনার 

যে বা যারা সম্মানিত শরীয়ত উনার খিলাফ কাজ করে, তাদেরকে অনুসরণ করা জায়িয নেই। তারা অনুসরণের অযোগ্য


আমরা প্রত্যেকেই কাউকে না কাউকে অনুসরণ করে থাকি। তবে বাজার দরে সবাইকে অনুসরণ করা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম, সম্মানিত শরীয়ত উনার সম্পূর্ণ খিলাফ ও গুনাহের কাজও বটে। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার সম্মানিত কালাম পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক 

আসমাউর রিজাল, জারাহ ওয়াত তা’দীল, উছুলে হাদীছ শরীফ উনার অপব্যাখ্যা করে অসংখ্য ছহীহ হাদীছ শরীফ উনাকে জাল বলছে ওহাবী


জারাহ করার বিষয়ে পূর্ণ ইলিম ছাড়া নফসানিয়াত প্রকাশ পেলে বুখারী শরীফ মুসলিম শরীফসহ অসংখ্য পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার কিতাবেও জারাহ হয়ে যাবে: হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি ইমরান ইবনে হিত্তান সূত্রে পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন। অথচ ইমরান ইবনে হিত্তান 

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আহলু বাইতি


মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সম্মানিত শান মুবারক-এ আখাচ্ছুল খাছ বিশেষ তিনখানা সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফ, যেই সম্মানিত ও পবিত্র হাদীছ শরীফসমূহ মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম 

সাইয়্যিদুনা মুজাদ্দিদে আ’যম ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার সুমহান তাজদীদ মুবারক


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আমি আপনার আলোচনা বা সম্মান মুবারক উনাকে বুলন্দ করেছি।” মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার 

হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করার মাধ্যমে মহান আল্লাহ পাক উনাকে ও উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম


(হে হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আপনি (বান্দা-বান্দি, উম্মতদেরকে) জানিয়ে দিন বা বলে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোন প্রতিদান বা বিনিময় চাচ্ছি না আর তোমাদের পক্ষে তা দেওয়া কস্মিন কালেও সম্ভব নয়। তবে তোমাদের দায়িত্ব কর্তব্য হচ্ছে আমার যারা 

মূর্তি এবং ভাস্কর্যের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।


প্রাণীর প্রতিকৃতি যেকোনো উদ্দেশ্যে তৈরি করা হোক না কেন, সবই মূর্তির অন্তর্ভুক্ত। মূর্তি এবং ভাস্কর্যের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। যারা মূর্তি এবং ভাস্কর্যের মাঝে পার্থক্য করতে চায়, তারা আশাদ্দুদ দরজার জাহিল ও মূর্খ। দেশের বিভিন্ন স্থানে সরকারিভাবে অসংখ্য মূর্তি স্থাপনে একদিকে