ফল-ফসলের পবিত্র যাকাত তথা পবিত্র উশর সম্পর্কিত আলোচনা!


ফসলের পবিত্র যাকাত বা পবিত্র উশর কাকে বলে : পবিত্র ‘উশর’ শব্দখানা আরবী, যা ‘আশরাতুন’ (দশ) শব্দ হতে এসেছেন। উনার আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থ হচ্ছেন- ‘এক দশমাংশ’। আর সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায়- যমীন থেকে উৎপাদিত কৃষিজাত পণ্য তথা ফল ও 

পবিত্র যাকাতের সাথে ইনকাম ট্যাক্স, খাজনা করের পার্থক্য!


খাজনা, অন্যান্য কর এবং ইনকাম ট্যাক্স দিলেও পবিত্র যাকাত প্রদান করতে হবে : ফিকাহ ও ফতোয়ার শতসিদ্ধ মতানুসারে সরকারী রাজস্ব খাতে খাজনা, কর ও ইনকামট্যাক্স ইত্যাদি দিলেও যাদের উপর পবিত্র যাকাত ফরয তাদেরকে অবশ্যই পবিত্র যাকাত ও পবিত্র উশর আলাদাভাবে আদায় 

চিকিৎসাবিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদান!


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার যমীনে অবস্থানের সময় হতে মুসলমানগণ বিশ্বাস করতেন, সকল রোগসমূহের সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ পাক তিনি এবং সকল রোগের চিকিৎসাও মহান আল্লাহ পাক তিনি সৃষ্টি করেছেন। যেমন যাদুল মা’আদ কিতাবে এসেছে, “হযরত আবূ 

পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে বিজ্ঞান চর্চার নির্দেশনা!


পবিত্র কুরআন শরীফ বিজ্ঞানিক অনুসন্ধান ও এর চর্চার অন্যতম অনুপ্রেরণার উৎস। কারণ পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اَلَـمْ تَرَ اَنَّ اللهَ يُسَبِّحُ لَهُ مَن فِي السَّمَاوَاتِ وَالْاَرْضِ وَالطَّيْرُ صَافَّاتٍ كُلٌّ قَدْ عَلِمَ صَلَاتَهُ وَتَسْبِيحَهُ 

সামরিক সারঞ্জাম তৈরি ও ব্যবহারে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান!


মুসলমানগণ বিজ্ঞানের অন্যান্য বিষয়গুলোর মত সামরিক বিজ্ঞানেও প্রভূত উন্নতি সাধন করেন। যদিও বর্তমানে ষষ্ঠ হিজরী শতকের আগ পর্যন্ত এ বিষয়ে তেমন উল্লেখজনক কোন বই পাওয়া যায় না। তবে ষষ্ঠ থেকে পরবর্তী ২০০ বছরের ভিতরে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গ্রন্থ পাওয়া যায়। সম্ভবত ক্রুসেডের 

বিধর্মী-অমুসলিমদের ‘সন্ত্রাসীপনার’ একটি পরিসংখ্যান!


আজকাল অমুসলিম-বিধর্মীরা খুব ভাব ধরে, দাবি করে- তারা খুব নিরীহ, কখনোই কারো কোনো ক্ষতি করেনি। মুসলমানরা নাকি খারাপ, মুসলমানরা নাকি সন্ত্রাসী। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস কিন্তু বলে ভিন্ন কথা। ইতিহাস বলে, নাস্তিকরা যখনই কোনো দেশের ক্ষমতায় গেছে, কিংবা আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে, তারা 

বিশ্বের যে সকল দেশে নারীদের শ্লীলতাহানি বেশি হয়!


কানাডা: ১ বছরেই এ দেশে সম্ভ্রমহরণের রিপোর্টেড কেসের সংখ্যা ২৫ লাখের বেশি। যা মোট রেপ কেসের মাত্র ৬ ভাগ। এদেশের প্রতি ৩ জন নারীর মধ্যে ১ জন নারী শ্লীলতাহানির শিকার হয় কিন্তু মাত্র ৬ শতাংশ রিপোর্ট করা হয়। জার্মানি: এখানে শুধু 

নামায পরিত্যাগকারী কবরের মধ্যে কঠিন আযাবে গ্রেফতার হবে!


মুসলমান মাত্রই পবিত্র কুরআন শরীফ কম-বেশী তেলওয়াত করে থাকেন। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র সালাত তথা নামায আদায় করার ব্যাপারে অনেক আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে। নামায পরিত্যাগকারীর শাস্তি সম্পর্কেও পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের মধ্যে বহু বহু 

ইসলামই একমাত্র আধুনিকতায়, সভ্যতায় ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রাচুর্যতায় পূর্ণ দ্বীন!


পবিত্র ইসলাম সর্বকালের জন্য, সর্বযুগের জন্য এমনকি ক্বিয়ামত পর্যন্ত আধুনিক। কেউ যদি পরিপূর্ণ ইসলাম উনার সৌন্দর্য অবলোকন করে তাহলে মুসলমানতো অবশ্যই, বরং অনেক কাফির মুশরিকও মুগ্ধ হবে এবং ইসলাম গ্রহণ করবে। এ যাবৎ যত অমুসলিম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে তারা পবিত্র 

আজ মুসলমান হত্যায় কাফেরদের হাত রক্ত লালে লাল!


তোমরা আমার ভাইকে কেড়ে নিচ্ছো,আমার কাছ থেকে স্নেহময়ী পিতা কেড়ে নিচ্ছো, বোন আফিয়া সিদ্দীকিকে মুশরিকরা ছিড়ে খেয়েছো,।।।।।ইয়ামেনের শত শত নারী শিশুকে বোমবিং করে হত্যা করছো,তোমাদের হাত থেকে আমার আল্লাহর ঘর মসজিদও রেহাই পায় নি। তবে জেনো রেখো,সেইদিন আর দেরি নেই,যেদিন মুসলমানদের 

আমরা হয় জিতি, না হয় মরি


মুসোলিনির ইটালিয়ান সেনা অফিসার তাকে জিজ্ঞেস করলঃ তুমি কি ইটালিয়ান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছ? ওমর মুখতারঃ হ্যাঁ করেছি সেনা অফিসারঃ লিবিয়ার মানুষকেও তুমি এর জন্য উষ্কে দিয়েছ? ওমর মুখতারঃ অবশ্যই সেনা অফিসারঃ তুমি কি জান এর জন্য তোমার শাস্তি মৃত্যুদন্ড? ওমর 

বিধর্মী-কাফিরদের সাথে মুসলমানদের সম্পর্কের রূপ সম্পর্কিত আয়াত শরীফসমূহ!


অনেক নামধারী মুসলমান অসাম্প্রদায়িকতার পরিচয় দিতে গিয়ে কাফির-মুশরিকদের ‘ভাই’ বলে কাছে টেনে নেয়, কাফির-মুশরিকদের পূজা, ক্রিসমাস, বৈসাবীতে অংশগ্রহণ করে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে কাফিরদের প্রতি কঠোর মনোভাব পেশ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক