মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ইসলামী শরীয়ত উনার ফতওয়া অনুযায়ী মহা গযব করোনা ভাইরাসের দোহাই দিয়ে আযান পরিবর্তনকারীরা কাট্টা কাফির এবং


সম্প্রতি কুয়েত, কাতার, আরব আমিরাত এবং মক্কা শরীফে আযান পরিবর্তন করা হয়েছে।حى على الصلوة ‘(হাইয়্যা আলাছ ছলাহ্) তথা তোমরা নামায উনার উদ্দেশ্যে আসো।’ এর পরিবর্তে فِي رِحَالِكُمْ صَلُّوا বা صلوا فِي بُيُوتكُمْ (ছল্লূ ফী রিহালিকুম বা ছল্লূ ফী বুয়ূতিকুম) তথা তোমরা 

সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মুহব্বত করলে দুনিয়ায় যাবতীয় অনিষ্টতা থেকে


মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে বেমেছাল মর্যাদা মুবারক, ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছেন। যা কোনো বান্দা-বান্দি, উম্মতের পক্ষে বর্ণনা করা, উপলব্ধি করা কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। উনাদের বেমেছাল মর্যাদা মুবারক উনার অন্যতম একখানা মর্যাদা মুবারক হলেন- 

পবিত্র আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারাই হচ্ছেন সমস্ত কায়িনাতের নিরাপত্তা দানকারী। উনারা যখন থাকবেন না তখন কায়িনাত ধ্বংস


এ প্রসঙ্গে স্পষ্টভাবে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত আছে, عَنْ حضرة عَلِيّ كرم الله وجهه عليه السلام قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ النُّجُومُ أَمَانٌ لأَهْلِ السَّمَاءِ، إِذَا ذَهَبَتِ النُّجُومُ ذَهَبَ أَهْلُ السَّمَاءِ، وَأَهْلُ بَيْتِي أَمَانٌ لأَهْلِ الأَرْضِ، 

সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে রোগ বলতে কিছু নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করবো কিছু বিষয় দ্বারা। সেগুলো হচ্ছে: ভয়-ভীতি, ক্ষুধা দ্বারা এবং মাল, জীবন ও খাদ্যশস্যের ক্ষতি দ্বারা। তবে ধৈর্যশীলদের জন্য সুসংবাদ রয়েছে।” অত্র পবিত্র আয়াত শরীফ উনার তাফসীরে বলা হয়েছে যে, রোগ 

একই ফাঁদে বাংলার মুসলমান


বিশ্বখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা এই বাংলার প্রাচুর্যতা দেখে বলেছিলেন- ‘জান্নাতের দরজা’। এই ‘জান্নাতের দরজা’কে করায়ত্ত করার জন্য কাফিরদের ছিলো ব্যাপক খায়েশ। কিন্তু এদেশের মুসলমানদের ঈমানী জোশ আর জযবার কাছে তারা পরাস্ত হয়েছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এক সময় মুসলমানরা মহান আল্লাহ 

কথিত ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা ও কিছু প্রশ্ন-১


কথিত ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা ও কিছু প্রশ্ন-১ যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “কাফির-মুশরিকরা হিংসাবশতঃ চায় কীভাবে মুসলমানের পবিত্র ঈমান আনার পর আবার কাফির বানানো যায়।” কাফির-মুশরিকদের 

দানে হায়াত বা রিযিক বাড়ে!


দানে হায়াত বা রিযিক বাড়ে! শুধুমাত্র একটি ইবাদতের মাধ্যমে ধন-সম্পদ, নেক হায়াত বৃদ্ধি করে নিন!! পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, اَنْفِقْ بَا اِبْنِ اأدَمَ اُنْفِقْ عَلَيْكَ অর্থ: “হে আদম সন্তান 

ওলীআল্লাহ উনাদের ছোহবতে যাওয়া ব্যতীত কারো পক্ষে প্রকৃত মু’মিন-মুসলমান হওয়া সম্ভব নয়!!!


মহান আল্লাহ পাক উনার হুকুম মুবারকগুলো বান্দাদেরকে বাস্তবে প্রতিপালনের জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে পাঠিয়েছেন এবং সর্বশেষ নবী ও রসূল হিসেবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাঠিয়েছেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর 

ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা


যিনি খালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “কাফির-মুশরিকরা হিংসাবশত চায় কীভাবে মুসলমানের পবিত্র ঈমান আনার পর আবার কাফির বানানো যায়।” কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্রের আরেকটি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র হলো ছোঁয়াচে রোগ বলে 

যাদের ঈমান-আক্বীদা বিশুদ্ধ নয় তাদেরকে যাকাত প্রদান করা যাবে না


মহান আল্লাহ পাক তিনি নির্দেশ মুবারক প্রদান করেন- يَآ اَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا اٰمِنُوْا بِاللهِ وَرَسُوْلِهِ وَالْكِتَابِ الَّذِيْ نَزَّلَ عَلٰى رَسُوْلِهٖ وَالْكِتَابِ الَّذِيْٓ اَنْزَلَ مِنْ قَبْلُ ۚ অর্থ : “হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পরিপূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করো অর্থাৎ 

সকল মুসলমানদের উচিত- রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার মাঝে অবস্থিত ‘আন্তর্জাতিক সুন্নত প্রচার কেন্দ্রে’ এসে পবিত্র সুন্নত মুবারক সম্পর্কে জানা


যিনি খলিক যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সুন্নত মুবারক পালনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য সম্পর্কে উনার পবিত্র ও সম্মানিততম কালাম পাক উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- قُلْ إِن كُنتُمْ تُحِبُّونَ اللّهَ فَاتَّبِعُونِي يُحْبِبْكُمُ اللّهُ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَاللّهُ 

জালিম, সন্ত্রাসী জাতি ইহুদীদের করুণ পরিণতি


জালিম, সন্ত্রাসী জাতি ইহুদীদের করুণ পরিণতি তৃতীয় সহস্রাব্দির প্রথম দশক এমন সময় শেষ হতে চলেছে, যখন কথিত এই সভ্য জগতে যুদ্ধ ও সহিংসতার কারণে প্রতিনিয়ত শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। অতীতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে মানুষের আরাম-আয়েশ ও সুখ-সমৃদ্ধি