✅কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস ধারাবাহিক পর্ব-০৭( কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর বর্ণনায় আহলে বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস


✅কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস ধারাবাহিক পর্ব-০৭( কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর বর্ণনায় আহলে বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ফযীলত ) আরো বর্ণিত রয়েছে, হযরত উমর ফারূক আলাইহিমুস সালাম উনার প্রস্তাবিত বিষয়ে ২২ খানা আয়াত শরীফ নাযিল হয়েছে। সেই 

✅কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস ধারাবাহিক পর্ব-০৬( কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর বর্ণনায় আহলে বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস


✅কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস ধারাবাহিক পর্ব-০৬( কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর বর্ণনায় আহলে বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ফযীলত ) عن يعلى بن مرة رضى الله تعلى عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حسين منى 

✅কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস ধারাবাহিক পর্ব-০৫( কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর বর্ণনায় আহলে বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস


✅কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস ধারাবাহিক পর্ব-০৫( কুরআন শরীফ ও হাদীছ শরীফ-এর বর্ণনায় আহলে বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের ফযীলত ) قل لا اسئلكم عليه اجرا الا المودة فى القربى অর্থ : “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! 

পবিত্র আশুরা শরীফ উনাকে সম্মান করায় খ্রিষ্টান ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ পাক পবিত্র ঈমান দান করলেন এবং জান্নাত দিয়ে সম্মানিত


আল্লাহ পাক উনি ইরশাদ করেন, তোমরা খাও, পান করো, তবে অপচয় করো না। আর হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ হয়েছে, যে ব্যক্তি আশুরা শরীফ উনার দিন তার পরিবার পরিজনের জন্য ভালো খাদ্যের ব্যবস্থা করবে মহান আল্লাহ পাক উনি তাকে এক বৎসরের 

আশুরা শরীফ এবং একজন কাজী, একজন আলিম ও একজন খ্রিস্টান ব্যক্তি…


এক ব্যক্তি ছিল গরিব ও আলিম। একবার অসুস্থতার কারণে তিনি তিন দিন যাবত কাজ করতে পারলেন না। চতুর্থ দিন ছিল আশুরার দিন। তিনি জানতেন, হাদীস শরীফে আছে, “যে ব্যক্তি পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন তার পরিবার পরিজনের জন্য ভালো খাদ্যের ব্যবস্থা 

✅কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস ধারাবাহিক পর্ব -০৪ (সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম)


✅ কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস ধারাবাহিক পর্ব -০৪ (সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম) সাইয়্যিদুশ শুহাদা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম তিনি চতুর্থ হিজরীর শা’বান মাসের ৫ তারিখ মদীনা শরীফ-এ বিলাদত শরীফ লাভ করেন। বিলাদত শরীফ-এর পর সরকারে মদীনা, নূরে 

✅ কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস ধারাবাহিক পর্ব-০৩ (আহলে বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরিচয়)


✅ কারবালার হৃদয় বিদারক ইতিহাস ধারাবাহিক পর্ব-০৩ (আহলে বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের পরিচয়) আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সর্বমোট সন্তান ছিলেন আটজন। চারজন 

সুলতান সালাহুদ্দী আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার কবরের পাশে সতেরো বছর কাটিয়েছে যে ব্যক্তি


সুলতান হযরত সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনিতে সাইফুল্লাহ নামক এক ব্যক্তি পাওয়া যায়, যার সম্পর্কে বলা হয়- কেউ যদি সুলতান হযরত সালাহুদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আনুগত্য করে থাকে, সে হলো সাইফুল্লাহ। লোকটি সুলতানের ওফাতের পর সতেরো বছর জীবিত ছিলেন। 

রবীন্দ্র ছিল নিপীড়ক, অত্যাচারী ও যালিম


(১). যালিম রবীন্দ্র সম্পর্কে তারই স্বজাতি অমিতাভ চৌধুরী লিখেছে- “রবীন্দ্র সামন্তবাদী প্রজাপীড়ক ছিল। তার দফায় দফায় খাজনা বৃদ্ধি এবং জোর-জবরদস্তি করে তা আদায়ের বিরুদ্ধে ইসমাইল মোল্লার নেতৃত্বে শিলাইদহে প্রজাবিদ্রোহ ঘটেছিল।” (তথ্যসূত্র- জমিদার রবীন্দ্রনাথ: অমিতাভ চৌধুরী; দেশ: শারদীয় সংখ্যা, কলকাতা ১৪৮২) (২). 

সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালন করা অবশ্যই ফরয। সুবহানাল্লাহ!


বাতিল ফিরকার লোকেরা কোনো দলীল প্রমাণ ছাড়াই বলে থাকে যে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা নাজায়িয, বিদয়াত ইত্যাদি। নাউযুবিল্লাহ! কেন? কারণ হচ্ছে, তারা বলে থাকে যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার 

পবিত্র সুন্নত মুবারক জারী হওয়া মানেই বিদয়াত দূরীভূত হওয়া।


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ফিতনা-ফাসাদের যুগে যে একটি সুন্নত মুবারক উনাকে মাড়ির দাঁত দ্বারা শক্তভাবে আঁকড়িয়ে ধারণ করবে, সে একশত শহীদ উনাদের সওয়াব পাবে, কেমন শহীদ? বদর এবং উহুদের যুদ্ধে শরীক হওয়া শহীদ উনাদের ছওয়াব তথা মর্যাদা-মর্তবা 

সকল মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে, সব অবস্থায় এবং সর্বক্ষেত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকেই অনুসরণ করা


কোন মুসলমান সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ছেড়ে অন্য কোনো তর্জ-তরীক্বা বা নিয়ম-নীতি পালন করলে সে কশ্মিনকালেও মুসলমান হিসেবে সাব্যস্ত হবে না। কাজেই সকল মুসলমানের জন্য ফরয হচ্ছে, সব অবস্থায় এবং সর্বক্ষেত্রে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকেই অনুসরণ করা। মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র