বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অজুহাতে পবিত্র কুরবানীর পশু যবাইয়ের জন্য স্থান নির্দিষ্ট করা ঠিক হবে না।


সম্প্রতি খবরে এসেছে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অজুহাতে কুরবানীর পশু যবাইয়ের জন্য ঢাকা উত্তরে ৫৬৭ ও ঢাকা দক্ষিণে ৫৮৩টি মোট ১১৫০টি স্থান নির্দিষ্ট করেছে দুই সিটি কর্পোরেশনসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। এছাড়া রাজধানীর বাইরে সারাদেশের ১১টি সিটি কর্পোরেশনের মোট ৬২৩৩টি স্থান পশু কুরবানীর জন্য 

সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লি উম্মিন উনার কর্তৃক সাইয়্যিদুনা হযরত যাবীহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত


  ‘আল বারাহীনুল ক্বিত্ব‘ইয়্যাহ ফী মাওলিদি খইরিল বারিয়্যাহ’ উনার মধ্যে উল্লেখ রয়েছে, اَهْلُ الْكِتَابِ كَانُوْا يَعْرِفُوْنَ عَنْ بَعْضِ الْعَلَامَاتِ اَنَّ نَّبِىَّ اٰخِرِ الزَّمَانِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَكُوْنُ مِنْ صُلْبِ سَيّـِدِنَا حَضْرَتْ عَبْدِ اللهِ عَلَيْهِ السَّلَامُ فَيُعَادُوْنَهٗ عُدْوَانًا وَّيُقِيْمُوْنَ فِىْ مَقَامِ 

নিসবতে আযীমাহ তথা সম্মানিত বন্ধন মুবারক


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে খ¦ইরে কাছীর অর্থাৎ সমস্ত ভালাই বা কল্যাণ মুবারক হাদিয়া করেছেন। যার কারণে উনার সাথে যিনি বা যারা নিসবত বা সম্পর্কযুক্ত হয়েছেন 

যে তিনটি বিষয় সমস্ত উম্মতদের সবসময় স্মরণ রাখা প্রয়োজন…


তিনটি বিষয় উম্মতদেরকে স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম উনাকে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকটে পাঠালেন।   যতদিন ইচ্ছা দুনিয়ায় অবস্থান করুন, একদিন ইন্তেকাল করতেই হবে… অর্থাৎ, দুনিয়ায় মানুষের 

পবিত্র কুরবানীর প্রতি অসহযোগিতামূলক আচরণ জাহান্নামী হওয়ার কারণ


পবিত্র সূরা মুদ্দাছ্ছির শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, مَا سَلَكَكُمْ فِي سَقَرَ . قَالُوا لَمْ نَكُ مِنَ الْمُصَلِّينَ . وَلَمْ نَكُ نُطْعِمُ الْمِسْكِينَ . وَكُنَّا نَخُوضُ مَعَ الْخَائِضِينَ . وَكُنَّا نُكَذِّبُ بِيَوْمِ الدِّينِ . حَتَّىٰ أَتَانَا 

পবিত্র কুরবানী উনার চামড়া দেয়ার উত্তম স্থান হলো- রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার দ্বারা পরিচালিত ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ’ মাদরাসা


মুজাদ্দিদে আ’যম, ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি উনার তাজদীদপূর্ণ বয়ানে বলেন, “বর্তমানে অধিকাংশ মাদ্রাসাগুলোই হচ্ছে জামাতী, ওহাবী, খারিজী মতাদর্শের তথা সন্ত্রাসী তৈরির কেন্দ্র। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দোহাই দিয়ে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে গণতান্ত্রিক 

খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম উনাকে নির্দেশ মুবারক দিয়েছিলেন তিনি যেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া 

পবিত্র কুরবানীর পশুর বয়স কত হতে হবে


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عن حضرت جابر رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لاتذبحوا الا مسنة الا ان يعسر عليكم فتذبحواجذعة من الضآن. অর্থ:- “বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত জাবির রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার 

যাকাত পাওয়ার হক্বদার কে?


যাকাত পাওয়ার হক্বদার কে? নিম্নলিখিত আট খাতে যাকাতের অর্থ ব্যয় করা ফরয। পবিত্র কুরআন শরীফ-এ আল্লাহ পাক তিনি বলেন, “যাকাত কেবল ফকির, মিসকিন ও যাকাত আদায়কারী কর্মচারীদের জন্য, যাদের চিত্ত আকর্ষণ করা প্রয়োজন তাদের জন্য অর্থাৎ নও মুসলিম, দাস মুক্তির জন্য, 

ধর্মব্যবসায়ীদের মাদরাসাতে পবিত্র কুরবানী উনার চামড়া দিলে তা আদায় হবে না


বর্তমানে অধিকাংশ মাদরাসাগুলোই হচ্ছে জামাতী, ওহাবী, খারিজী মতাদর্শের তথা সন্ত্রাসী তৈরির সূতিকাগার। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দোহাই দিয়ে, পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক স্বার্থ ও প্রতিপত্তি হাছিলের প্রকল্প। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার নামে নির্বাচন করার ও ভোটের রাজনীতি করার 

পবিত্র কুরবানীর সময় বেশি দিন ছুটি প্রদান অর্থনৈতিকভাবেও লাভজনক


আমাদের দেশে একটি রীতি একরকম প্রচলিত হয়ে গেছে যে, পবিত্র কুরবানীর সময় তিন দিন ছুটি দেয়া হয়। সম্ভবত ব্রিটিশ বেনিয়ারা এটা জারি করেছিল কিন্তু অদ্যাবধি তার কোনো সংস্কার করা হয়নি। শতকরা ৯৮ ভাগ মুসলমান উনাদের দেশে এটার সংস্কার করার দরকার ছিল। 

সবাই সাবধান!! পবিত্র কুরবানী ঈদ আসলেই ‘মোটাতাজা গরুতে বিষ রয়েছে’ এমন মিথ্যা গুজব ছড়াতে তৎপর হয় ইসলামবিদ্বেষীরা


পবিত্র কুরবানী ঈদ আসলে একটি ইসলামবিদ্বেষী মহল মুসলমান উনাদের গরু কুরবানী থেকে বিরত রাখতে ‘মোটা তাজা গরুতে বিষ রয়েছে’- এমন মিথ্যা গুজব রটিয়ে থাকে। অথচ গরু মোটা তাজাকরণে যেসব ঔষধ প্রয়োগ করা হয়, তার মাধ্যমে মনুষ্য শরীরে ক্ষতি হওয়ার কোনো সম্ভবনাই