‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পালন করা- হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত


মহান আল্লাহ পাক উনার মা’রিফাত-মুহব্বতে দগ্ধীভূত ব্যক্তি তথা মুসলমানগণ উনারা যে দিনটিকে মা’রিফাত-মুহব্বত লাভের উসীলা সাব্যস্ত করে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের অনুসরণে যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছেন সেই মুবারক দিনটি ‘পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ হিসেবে মশহুর। 

” নাফরমানী ও গোলামী “


বিশ্বখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা এই বাংলার প্রাচুর্যতা দেখে বলেছিলেন- ‘জান্নাতের দরজা’। এই ‘জান্নাতের দরজা’কে করায়ত্ত করার জন্য কাফিরদের ছিলো ব্যাপক খায়েশ। কিন্তু এদেশের মুসলমানদের ঈমানী জোশ আর জযবার কাছে তারা পরাস্ত হয়েছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। এক সময় মুসলমানরা মহান আল্লাহ 

ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন নিয়ে ওহাবীদের চুরি ধরা পড়েছে..


ইমাম আবু নুয়াইম আসবাহানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘দালায়েলুন নবুওওয়াত’ থেকে “নিয়ামত” শব্দ বাদ দিয়ে ভয়ানক তাহরীফ করলো ওহাবীরা। মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে বিষয়টা গোড়া থেকে আবার পড়ুন। আপনাদের সুবিধার্থে আবার আলোচনা করছি- কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, يَسْتَبْشِرُونَ 

সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ। যা আসতে আর মাত্র ১২ দিন বাকি।সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফদ্বল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ সুবহানাল্লাহ! আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ 

১৫’শ ঈসায়ী সালেও এই উপমহাদেশে জাতীয়ভাবে জাঁকজমকভাবে পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা হতো।


বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদকুলী খাঁর সময় এই আমল এত ব্যাপকভাবে পালন হতো যে বাদশা মালেক মুজাফর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার চাইতেও বেশি রাজকীয়ভাবে সেটাই মনে হয়। বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত “বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস” বইয়ের ২য় খন্ডে ১৯৭ পৃষ্ঠায় তাকালে আমরা 

হালাল-হারাম নিয়ে কিছু কথা


কোনো কিছুর উৎস হারাম হলেও যদি পরিবর্তিত হয়ে এমন একটি উপাদানে পরিবর্তিত হয় যাতে মুল উপাদানের কোনো লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য থাকে না, তবে সে উপাদানটি হালাল হয়। এর স্বপক্ষে লবণের খনিতে পড়ে যাওয়া বিড়াল বা কুকুরের উদাহরণ আমরা দিয়েছি। অর্থাৎ কোনো 

সুন্নতী বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ফলে প্রতিবন্ধী, অক্ষম জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাবে


বয়সের সাথে সাথে অনেক শিশুর বড় হওয়াটা চোখে পড়ে না। কারণ ওদের বেড়ে উঠা, আর পাঁচটি শিশুর মতো নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই সমস্যাকে বলে ডাউন সিনড্রোম। অর্থাৎ কাঙ্খিত মাত্রায় বেড়ে না উঠা। ডাউন সিনড্রোম শিশুরা সাধারণত প্রতিবন্ধী শিশু হিসেবে বেঁচে থাকে। 

সুমহান ২৮ ছফর শরীফ: পবিত্র নকশবন্দিয়ায়ে মুজাদ্দেদিয়া তরীক্বা উনার ইমাম হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার পবিত্র বিছালী


মহান আল্লাহ পাক উনার খালিছ ওলী দ্বিতীয় সহস্রাব্দের (একাদশ হিজরী শতকের) মহান মুজাদ্দিদ, আফদ্বালুল আউলিয়া, কাইয়্যুমে আউওয়াল শাহ ছূফী শায়েখ আহমদ ফারূক্বী হযরত মুজাদ্দিদে আলফে ছানী সিরহিন্দী হানাফী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি। তিনি ১০৩৪ হিজরী সনের ২৮ পবিত্র ছফর শরীফ মাসে প্রায় 

বর্তমান কুফরী শিক্ষানীতি পরিবর্তনে সরকারকে বাধ্য করতে হবে


রাশিয়ায় কমুনিস্টরা ক্ষমতা দখল করেই প্রথম যে কাজটি করেছিলো সেটি ছিলো- সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। কমুনিস্টরা নতুন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা পর্যন্ত বেশ কয়েকবছর তাদের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখে। এরপর তারা কমুনিজমকে শিক্ষার মূল পাঠ্য করে সেভাবেই পাঠ্যপুস্তকগুলো রচনা করে। কমুনিজমকে বাধ্যতামূলক 

অশুভ বা কুলক্ষণ বিশ্বাস করা কুফরী


ফক্বীহুল উম্মত হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে বর্ণনা করেন। মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, 

পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উনার পরিচিতি ও ফযীলত মুবারক


আখির অর্থ শেষ, আর চাহার শোম্বাহ অর্থ আরবিয়া বা বুধবার। এক কথায় আখিরী চাহার শোম্বাহ অর্থ শেষ আরবিয়া বা বুধবার। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার পরিভাষায় পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ আরবিয়া বা বুধবারকে আখিরী চাহার শোম্বাহ বলা হয়। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, 

ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শাহাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস সুমহান ২৮শে


পবিত্র ছফর শরীফ মাসটিও সম্মানিত ও পবিত্র একটি মাস। এটি মহান আল্লাহ তায়ালা উনার নির্ধারিত পছন্দীয় মাস। এ মাস অনেক নিয়ামত, বরকত, রহমতে পূর্ণ। কারণ এ মাস হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সাথে সম্পর্কযুক্ত। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক