চলমান ১৪৪২ হিজরী হিসেবে আগামী ২৬শে ছফর শরীফ, ১৬ই খমিস ১৩৮৮ শামসী, ১৪ই অক্টোবর ২০২০ খৃঃ, ইয়াওমুল আরবিয়া (বুধবার)


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ দিনগুলো তাদেরকে অর্থাৎ ঈমানদার বান্দাদেরকে স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই এতে ধৈর্যশীল, শোকরগোযার বান্দাদের জন্যে নিদর্শনাবলী রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! চলমান ১৪৪২ হিজরী হিসেবে আগামী 

ঈমানদার হিসেবে দাবিকারী প্রত্যেকের জন্য ফরয হচ্ছে- সম্মানিত শরীয়ত উনার প্রতিটি বিষয়ে আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত অনুযায়ী আক্বীদা পোষণ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদাররা! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং প্রকৃত মুসলমান না হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করো না। যাদের আক্বীদা বিশুদ্ধ নয় এবং আমলও পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ 

পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দৃষ্টিতে- যারা মুসলমান দাবি করেও পূজায় সাহায্য-সহযোগিতা করে, প্রসাদ খায়, শুভেচ্ছা


মূর্তিপূজা তথা শিরক করা যে কত কঠিন একটি গুনাহ, এ সম্পর্কে খালিক মালিক রব মহান আল্লাহপাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “মহান আল্লাহ পাক তিনি শিরক-এর গুনাহ মাফ করবেন না। শিরক ছাড়া অন্য যত গুনাহ আছে সেগুলো যাকে ইচ্ছা মাফ করে দিবেন।’’ 

সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ‘আমি মূর্তি


অনেকেই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার অর্থকে যার যার মতো করে ব্যাখ্যা করে বুঝাতে চায়- ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক শুধুমাত্র পূজার জন্য যে মূর্তি বা প্রতিকৃতি তৈরি করা হবে, সেটাই নাকি নিষিদ্ধ। আসলে এই ব্যাপারটি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টিকারীদের সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক তিনি 

যে ব্যক্তি মসজিদ ভাঙ্গে বা উচ্ছেদ করে সে ব্যক্তি সবচেয়ে বড় যালিম


যিনি খালিক্ব, যিনি মালিক, যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- ওই ব্যক্তির চেয়ে বড় যালিম কে আছে যে পবিত্র মসজিদে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির আযকার করতে বাধা প্রদান করে।” উল্লেখ্য যে, মসজিদ মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর। 

যার তার পিছনে যেরূপ নামায পড়া জায়িয নেই; তদ্রপ যাকে তাকে যাকাত দেয়াও জায়িয নেই


যেই ব্যক্তির ঈমান-আক্বীদা ছহীহ-শুদ্ধ নয় এবং যে ব্যক্তির আমল-আখলাক্ব ছহীহ শুদ্ধ নয় অর্থাৎ যার আক্বীদা সম্মানিত আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত উনাদের আক্বীদার ন্যায় আক্বীদা নয় এবং যার আমল-আখলাক্ব সম্মানিত শরীয়ত ও সম্মানিত সুন্নত মুয়াফিক্ব নয় তথা যারা ফরয, ওয়াজিব, সুন্নতে মুয়াক্কাদা 

পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ: ‘সর্বোচ্চ আর্থিক বরাদ্দ ও ভাতার ব্যবস্থা করতে হবে’ -এটা মুসলমানদের অধিকার


এদেশের প্রতিটি খাত, প্রতিটি সেক্টর, প্রতিটি উন্নয়ন- প্রত্যেকটিই হলো দেশের কোটি কোটি মুসলমানদের একক অবদান। এখানে অন্য কারো তুলনা আনা যায় না। যে দেশের ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠিই মুসলমান, সেখানে ভিন্ন কোন কথা তারাই বলবে, যাদের মধ্যে ঈমানের ঘাটতি আছে, মুসলমানিত্বের ঘাটতি 

যারা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিতা করে তাদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে


দুনিয়াবী জিন্দেগীতে দেখা যায় কোনো নেতা-নেত্রী কিংবা কোনো বিশেষ ব্যক্তির জন্মদিন বা যেকোনো বিষয় নিয়ে কটূক্তি করলে সরকার তাদের জন্য কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করে। আবার দেখা যায় রাষ্ট্রের কোনো বিষয় নিয়ে বাজে মন্তব্য করলে দেশদ্রোহী হয়। নারী টিজিংয়ের জন্যও সরকার আইন 

পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার


সুওয়াল: আমাদের এলাকার এক মসজিদের ইমামের বক্তব্য হচ্ছে, পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস তা নাকি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত নয়। উক্ত ইমাম তার বক্তব্যের 

পবিত্র হাদীছ শরীফ ব্যতীত ইসলামী শরীয়ত অনুধাবন করা কস্মিনকালেও সম্ভব নয়


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার একমাত্র মনোনীত, পছন্দনীয়, সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত ও পরিপূর্ণ দ্বীন হচ্ছে ইসলাম। আর এই সুমহান দ্বীন ইসলাম উনার সকল বিষয়েরই সুন্দর ও সুষ্ঠু সমাধান দিয়েছেন এই পবিত্র হাদীছ শরীফ বা পবিত্র সুন্নাহ শরীফ। পবিত্র হাদীছ শরীফ বা পবিত্র 

ছাহিবু ক্বাবা ক্বাওসাইনি আও আদনা, ছাহিবু লাওলাক, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী


মা’শূক্বে মাওলা, ছাহিবু ক্বাবা ক্বাওসাইনি আও আদনা, ছাহিবু লাওলাক, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশকালে অসংখ্য অগণিত মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মু’জিযা শরীফ প্রকাশিত হয়েছেন, যা ভাষায় প্রকাশ করা কস্মিনকালেও 

সুমহান পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ ও পবিত্র মীলাদ শরীফ-ক্বিয়াম শরীফ সর্বত্র জারী করার গুরুত্ব ও ফযীলত


নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারণে উম্মত যেহেতু যাবতীয় নিয়ামতের অধিকারী হয়েছে, সেহেতু উনার জন্যেই খুশি প্রকাশ করাটা হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ঠ নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত। যেমন এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يايها الناس