মুসলমান কি এটা চিন্তা-ফিকির করে দেখেছে? কথিত স্বাস্থ্যবিধির নামে ঘুরেফিরে শুধুমাত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতিই আঘাত করা হচ্ছে


কাফিরদের প্রতি নাযিলকৃত করোনা নামক গযব প্রতিরোধের নামে বার বার সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি আঘাত হানছে কাফির-মুশরিকদের পা চাটা গোলাম নাস্তিক, মুনাফিক্ব, উলামায়ে সূ এবং গোমরাহ শাসকরা। শুরু থেকেই এরা বিভিন্ন কৌশলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিভিন্ন বিষয় নষ্ট করে 

মুসলমান কি এটা চিন্তা-ফিকির করে দেখেছে? কথিত স্বাস্থ্যবিধির নামে ঘুরেফিরে শুধুমাত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতিই আঘাত করা হচ্ছে


কাফিরদের প্রতি নাযিলকৃত করোনা নামক গযব প্রতিরোধের নামে বার বার সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি আঘাত হানছে কাফির-মুশরিকদের পা চাটা গোলাম নাস্তিক, মুনাফিক্ব, উলামায়ে সূ এবং গোমরাহ শাসকরা। শুরু থেকেই এরা বিভিন্ন কৌশলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার বিভিন্ন বিষয় নষ্ট করে 

‘গরু মোটা-তাজাকরণে কোন স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই’


বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদে গরু মোটা-তাজাকরণে যে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করা হয় তা মানুষের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর বলেই প্রচার করা হচ্ছিল। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে এসব সংবাদকে অতি বাড়াবাড়ি বলে এসবের বিরুদ্ধে কথা বললেন ঢাকা কেন্দ্রীয় পশু হাসপাতালের প্রধান 

সুমহান মহাপবিত্র ২রা যিলহজ্জ শরীফ। সুবহানাল্লাহ! উম্মু আবীহা আন নূরুর রবি’য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সুমহান মহাসম্মানিত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক তিনি চান- হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং উনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করতে। অর্থাৎ উনাদেরকে পবিত্র করার মতো পবিত্র করেই সৃষ্টি করেছেন।’ সুবহানাল্লাহ! আজ 

কুরবানীতে সরকারি বরাদ্দ নেই, অথচ অবৈধ কর্মে টাকা ঢালা হয়


পবিত্র কুরবানীতে সরকারের অসহোগিতা ও অবহেলা বহুল সমালোচিত একটি বিষয়। কুরবানীদাতাদের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে সরকারের অবহেলা, অব্যবস্থাপনা ও পশু সঙ্কট সৃষ্টির সমালোচনা। মানুষের সবচেয়ে বেশি ক্ষোভ কুরবানীর হাটে কৃত্রিমভাবে পশু সঙ্কট ও আকাশচুম্বী দাম। অনেক মধ্যবিত্ত পরিবার পশুর উচ্চমূল্যের ফলে 

সুমহান মহাপবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ২, ৬, ৭, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৮, ১৯, ২৫,


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান মহাপবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার ২, ৬, 

পবিত্র দশদিন ও দশ রাতসমূহকে যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে হাছিল করতে পারবে অসংখ্যা আমলের ফযীলত।


আরবী পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার পরই শুরু হবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস। আর এ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসটি অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ একটি মাস। এ মাসের প্রথম দশদিন হলো বান্দা-বান্দির জন্য অশেষ নিয়ামত তথা অজস্র রহমত, বরকত, সাকিনা লাভের মহান এক উপলক্ষ্য। 

পবিত্র যাকাত আদায় না করলে নামাযও কবুল হবে না


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি যাকাত আদায় করবে না, তার নামায কবুল হবে না। আর মহাসম্মানিত ও বিশিষ্ট ছাহাবী আমিরুল মুমিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত ছিদ্দীকে আকবর 

পবিত্র যাকাত আদায় না করলে নামাযও কবুল হবে না


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি যাকাত আদায় করবে না, তার নামায কবুল হবে না। আর মহাসম্মানিত ও বিশিষ্ট ছাহাবী আমিরুল মুমিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত ছিদ্দীকে আকবর 

পবিত্র কুরবানীর পশুর চামড়ার বিক্রিত অর্থ মাদরাসা ও ইয়াতিমখানায় খরচের খাতে ব্যবহারের বিধান


পবিত্র কুরবানী পশুর চামড়া বা তার মূল্য, যাকাত, ফিতরা ইত্যাদি গরীব, মিসকীন ও ইয়াতীমদের হক্ব অর্থাৎ ওয়াজিব ছদকা (আদায় হওয়ার জন্য) গরীব, মিসকীন ও ইয়াতীমদেরকে তার (ছদকার) মালিক করে দেয়া শর্ত। তাই যে সকল মাদরাসায় লিল্লাহ বোডিং অর্থাৎ গরীব, মিসকীন ও 

অনলাইন বা ডিজিটাল কুরবানীর হাটের মাধ্যমে পশু কেনায় শরঈ শর্ত প্রতিপালিত হওয়া সম্ভব নয়, তাই এই ডিজিটাল বা অনলাইন


দ্বীন ইসলাম কখনোই উন্নত ও আধুনিক পদ্ধতিকে অস্বীকার করে না, তবে শর্ত হচ্ছে তা শরীয়তসম্মত হতে হবে। বর্তমান সময়ে বেচাকেনার একটি আধুনিক পদ্ধতি হচ্ছে ডিজিটাল বা অনলাইনে বেচাকেনা। তবে পবিত্র কুরবানীর পশু অনলাইনে বেচাকেনা করা কতটুকু শরীয়তসম্মত তা জানার জন্য কয়েকটি 

মানবজাতির শুরু থেকেই পবিত্র কুরবানী কায়েম রয়েছে এবং থাকবে


পবিত্র কুরবানী নিয়ে আমাদের দেশে এ পর্যন্ত যত কাহিনী রচিত হয়েছে, যেমন যানজটের অজুহাতে শহর থেকে কুরবানীর পশুর হাট শহরের প্রান্তে নিয়ে যাওয়া, কুরবানীর স্পষ্ট নির্ধারণ করা, পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার নিয়ম চালু করা- ইত্যকার কাহিনী পর্যালোচনা করার পর একটি বিষয় অত্যন্ত