সিরিয়াস কৌতুক


উগান্ডার মহারানী বেরিয়েছেন শিকারে। তিনি তাঁর মন্ত্রীদের জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আজকে আবহাওয়ার পূর্বাভাস কী? ঝড়বৃষ্টি কি হবে?’ মন্ত্রীরা বলল, ‘জি না, আজ আবহাওয়া অত্যন্ত চমৎকার। ঝড়বৃষ্টি হওয়ার কোন সম্ভবনা নাই।’ রানী শিকারে চলেছেন। পথে দেখা একজন ধোপার সঙ্গে। রানীকে সে বলল, ‘মহারানী, 

রতের যে গ্রামের মেয়েদের প্রধান পেশা অনৈতিক কাজ; পরিবারের পুরুষরা তাদের দালাল!


ভারতে বসবাসরত মুসলিম নারীরা যালিম ও সন্ত্রাসী মুশরিকদের দ্বারা যেভাবে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে তা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। যারফলে খোদায়ী গযবে তারা নিজেরাই বর্তমানে কঠিনভাবে পর্যদুস্ত। রাজস্থান ভারতের একটি গ্রাম। রাজধানী দিল্লি থেকে এই গ্রামের দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার। এই গ্রামের অধিকাংশ মেয়েই 

‘ভালোবাসা দিবস’ নামক অপসংস্কৃতি তো সংবিধানের সাথেও সাংঘর্ষিক


সংবিধানের ২৩নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্র জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার রক্ষণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’ সংবিধানের ১৫(গ) ধারায় বলা হয়েছে, “যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার।” সংবিধানের ১৮(১) ধারায় বলা আছে, “মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার 

রাজাকার ধর্মব্যবসায়ী আর নাস্তিকরা স্বাধীনতা ব্যবসায়ী


রাজাকার আর নাস্তিকদের মধ্যে একটি গভীর মিল রয়েছে। হা হলো, এরা এদের অপকর্ম ঢাকতে তাদের খোলসটি বিক্রি করে দেয়। যেমন রাজাকাররা ১৯৭১-এ তাদের খুন-সম্ভ্রমহরণ এবং লুন্ঠনের অপকর্ম ঢাকতে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাদের বিক্রি করে। এদের বলা হয় ধর্মব্যবসায়ী, যারা সৃষ্টির নিকৃষ্ট 

বিধর্মীরা মুসলমানদের খাদিম…


বিধর্মীদের আবিষ্কৃত তৈরিকৃত যন্ত্রপাতি, আসবাব ইত্যাদি ব্যবহার নিয়ে অনেকেই মুসলমানদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে থাকে। মহান আল্লাহ পাক তিনি ও নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনারা যেহেতু মুসলমানদের জন্য কাফির-মুশরিক তথা তাবৎ বিধর্মী অমুসলিমদের সাথে কোনো প্রকার মিল-মুহব্বত 

হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং নিজেই বাল্যবিবাহ করেছেন। যা মূলতঃ মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র


কাজেই বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বলা মানে স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরই বিরুদ্ধে বলা; যা কাট্টা কুফরী। কারণ, বাল্যবিবাহ খাছ সুন্নত মুবারক। অতএব হক্কানী রব্বানী আলিম উলামাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য 

ভারতের সম্রাট চেরামান পেরুমল যে কারণে ইসলাম গ্রহন করেছিলেন !


ভারতের কেরালা প্রদেশের তৎকালীন ২৬ বছরের সম্রাট চেরামান পেরুমল হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলােইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক আকাশে চাঁদ দ্বিখন্ডিত হবার মুজিযা শরীফটি স্বচক্ষে দেখেছিলেন। মালাবারে আগত আরব বনিকদের থেকে তিনি নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খবর পান এবং মক্কা শরীফের 

বেহায়াপনা উসকে দেয়া এবং ঈমান কেড়ে নেয়াই ভ্যালেন্টাইন দিবসের উদ্দেশ্য


ভ্যালেন্টাইন ডে পালনের মাধ্যমে মুসলমান একদিক থেকে পবিত্র কুরআন শরীফ উনার নির্দেশ অমান্য করছে, বেপর্দা হচ্ছে আবার কাফির-মুশরিকদের রছম-রেওয়াজ পালনের দ্বারা ঈমান হারাচ্ছে। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যদি কেউ কোনো মেয়েকে বিয়ে করার ইচ্ছা পোষণ করে থাকে, 

ভ্যালেন্টাইন ডে থেকে মুসলমানদের অবশ্যই মুক্ত হতে হবে


নতুন নতুন ফাঁদে ফেলে মুসলমানদেরকে বিপদগামী করার জন্য ইহুদী-মুশরিক, নাছারা তথা সকল বিধর্মীদের কু-পরিকল্পনার অন্তঃ নেই। বিভিন্ন বিচিত্র ধরণের উপায়ে, কৌশলে তারা বিভিন্ন দিবস চালু করেছে। আর এর জন্য তারা ব্যবহার করছে মিডিয়া বা সংবাদ মাধ্যমগুলোকে। মুসলমানদের আকর্ষিত করার জন্য তারা 

প্রসঙ্গ ভ্যালেন্টাইন ডে: মুসলমান কেন বিধর্মীদের দিবস পালন করবে?


গোটা বাঙালি মুসলিম জাতি একটা ভয়ঙ্কর মহামারি ব্যাধিতে ভুগছে। রোগটা একটা মানসিক ব্যাধি, নাম যার ‘হীনম্মন্যতা’। এই রোগে বেশি আক্রান্ত এদেশের কথিত আঁতেল সমাজ অর্থাৎ তথাকথিত বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজ। এদেরকে ব্যবহার করে বিধর্মী-নাস্তিকরা নানাবিধ অপসংস্কৃতির প্রচলন করিয়ে আমাদের যুব সমাজকে 

আপনার সন্তান স্কুলে গিয়ে কি পড়ছে, কি শিখছে- সেটা দেখা আপনার ঈমানী দায়িত্ব


আপনি আপনার সন্তানকে স্কুল-কলেজে পাঠিয়ে শিক্ষিত(!) বানাচ্ছেন- এই আশা নিয়ে আপনি তার জন্য কতই না কষ্ট করছেন। তার জন্য কত শত টাকা-পয়সা খরচ করছেন। তার নিয়মিত স্কুলে যাওয়া তদারকি করছেন, পড়াশুনা ঠিকমত করছে কিনা সেটাও দেখাশুনা করছেন। ভালো কথা! কিন্তু আপনি 

ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস পালন করা সম্পূর্ণরূপে হারাম


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ولا تطع الكافرين والمنافقين অর্থ: ‘তোমরা কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করো না’। যারা ভ্যালেন্টাইন ডে পালন করবে তারা কুফরী করবে। আর তাদের হাশর-নশর ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের সাথেই হবে। কারণ, ইসলামের দৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য ভ্যালেন্টাইন