হযরত জুনায়েদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি – এর এক বিত্তশালী শিষ্য তাঁর কাজে প্রচুর ধন- সম্পদ খরচ করেন


বাকী থাকে কেবল তাঁর বাড়িখানি ৷ হযরত জুনায়েদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি তাঁকে বাড়িখানিও বিক্রি করে মূল্যের টাকাটা তাঁকে দিয়ে দিতে বললেন ৷ শিষ্য তাই করলেন ৷ কিন্তু টাকা দিতে এলে হযরত জুনায়েদ বাগদাদী রহমতুল্লাহি আলাইহি বললেন, তিনি টাকা নিয়ে কি করবেন 

সুস্থ্য থাকতে হলে চাই খাদ্য সচেতনতা: কোমল পানীয় থেকে দূরে থাকুন, রোগ-ব্যাধি থেকে সুস্থ থাকুন


আমাদের দেশে যেকোন পার্টিতে, অনুষ্ঠানে কিংবা অতিথি আপ্যায়নে কোল্ড ড্রিংক্স, সফট ড্রিংক্স কিংবা এনার্জি ড্রিংক্স পরিবেশন করাটা হালের ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি ঘরের অতি আদরের সন্তানদেরও অনেকে অতি উৎসাহে এসব ড্রিংক্স পান করায়। কিন্তু এসব পানীয়ের মধ্যে যে কি পরিমাণ এ্যালকোহল 

প্রচলিত ইসলামবিরোধী শিক্ষানীতি পরিবর্তনে সরকারকে বাধ্য করতে হবে


রাশিয়ায় কমুনিস্টরা ক্ষমতা দখল করেই প্রথম যে কাজটি করেছিলো সেটি ছিলো- সম্পূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। কমুনিস্টরা নতুন শিক্ষাব্যবস্থা তৈরি করা পর্যন্ত বেশ কয়েকবছর তাদের সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বন্ধ রাখে। এরপর তারা কমুনিজমকে শিক্ষার মূল পাঠ্য করে সেভাবেই পাঠ্যপুস্তকগুলো রচনা করে। কমুনিজমকে বাধ্যতামূলক 

হিজরী সন বাতিলের আকাঙ্খা থেকে ফসলী (বাংলা) সনের উৎপত্তি


বিগত ১৪২১ ফসলী সনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পহেলা বৈশাখ পালনের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘প্রদীপ্ত বৈশাখে দীপ্ত পদাচারণা’। জাবির উক্ত কার্যক্রম নিয়ে ২০১৪ সালের ২৫শে এপ্রিলে ‘দৈনিক যায়যায়দিন’ পত্রিকার ওয়েব ভার্সনে প্রকাশিত ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়: প্রদীপ্ত বৈশাখে দীপ্ত পদাচারণা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা 

যারা বাল্যবিবাহ বন্ধ চায়, তারা কি সমাজকে নষ্ট করতে চায়?


সম্প্রতি কিছু এনজিও দালাল বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে। অথচ যখন ১৮ বছরের নিচের ছেলে-মেয়েরা অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ছে, বাবা-মার অমতে পালিয়ে বিয়ে করছে, লিভটুগেদার করছে, পর্নোগ্রাফিতে আসক্ত হচ্ছে, গর্ভপাত করছে তখন এই দালালরা মুখ খুলছে না, কথা বলছে না। প্রকৃতপক্ষে 

বাল্যবিবাহ বিরোধীদের উচিত ক্লিনিকগুলোর গর্ভপাতের বিষয়ে নিয়ে নজর দেয়া


যারা বাল্যবিবাহ নিয়ে ও বিয়ের বয়স নিয়ে কথা বলে তাদের উচিত- আগে বাংলাদেশের যত হাসপাতাল, ক্লিনিক আছে সেখানে জরিপ করা। কেননা যেখানে যথাসময়ে ও উপযুক্ত বয়সে বিয়ে না দেয়ায় অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে, শেষে গর্ভপাত ঘটায় মেয়েরা। বাল্যবিবাহ বিরোধীদের উচিত সেখানে গিয়ে 

কৃত ওলীআল্লাহ উনাদেরকে অনুসরণ করা উম্মতের জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে অনুসরণ করো, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ করো এবং তোমাদের মধ্যে যারা উলিল আমর উনাদেরকে অনুসরণ করো।’ সুবহানাল্লাহ! 

মুসলমানদের শিক্ষাব্যবস্থা ধবংস করাই ছিলো ব্রিটিশ খ্রিস্টানদের টার্গেট!


বলা হয়ে থাকে, ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড’। কথাটি কাফির-মুশরিকরা যতোটা বুঝতে পারে, মুসলমানরা তার কিয়দংশও বুঝতে পারে না। যে কারণে ব্রিটিশরা ভারতবর্ষের মুসলমানদের মেরুদা-স্বরূপ যে ইসলামী শিক্ষাব্যবস্থা, তাকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। এর ফলেই ব্রিটিশরা ১৯০ বছর তাদের শাসন জারি রাখতে পেরেছিল এবং 

চটকদার ও অশ্লীল কথা থেকে সবাইকে বেঁচে থাকতে হবে!


রাজনীতির নামে- মাঠে ময়দানে, বুদ্ধি বিক্রির টক শো’র নামে হারাম টেলিভিশন চ্যানেলে, ওয়াজের নামে বিদাতী ধর্মব্যবসায়ীদের বয়ানে, গল্প গুজবের নামে হোটেলে-চায়ের দোকানে যা হয় তা কখনোই সম্মানিত দ্বীন ইসলামসম্মত আমল নয়। এসব জায়গায় মিথ্যাকে আশ্রয় করে, আজগুবী কথাকে পুঁজি করে, অপরকে 

সুন্নতের আমল করে আভিজাত্যের সাথে জীবনযাপন করুন।


মধু, ঘি, পনির, দুধ, ডিম, খাসীর গোস্ত, সামুদ্রিক মাছ এসব খাবারকে আমরা দামী খাবার হিসেবেই জানি যার প্রত্যেকটাই সুন্নতী খাবার। তথাকথিত আধুনিক, উন্নত সমাজের সজ্ঞায় যারা গরীব তারা কেউ এসব খাবার বছরে একবারও খায় না। অতিরিক্ত প্রয়োজন হলে হয়ত ১/২ বা 

এদেশে রাজনৈতিক সমালোচনাকারীদের শাস্তি হয়, তবে দ্বীন ইসলাম নিয়ে কটূক্তিকারীর শাস্তি হয় না!


দেশের মানুষ এখন অনেক বেশি রাজনীতিতে সচেতন হয়েছে, আইন আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়েছে, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সম্মান দিতে শিখেছে। তাইতো এদেশে কোনো রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের সমালোচনা হলে, কটূক্তি করা হলে প্রশাসন তাদের হন্যে হয়ে খুঁজে, তাদের জেল দেয়, জরিমানা দেয়। কেউ আদালত অবমাননা 

আধুনিকতার নামে পচা মরা গান্দা খাওয়া অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছে!


আধুনিকতার সৃষ্টি ওমুক ফুড তমুক ফুড, যা বর্তমান প্রজন্মকে দারুনভাবে আকৃষ্ট করেছে। এসব রচ চং মার্কা ফুডের উৎপত্তিস্থল পশ্চিমা বিশ্বে। আধুনিক মানুষের বড় সমস্যা হলো সময়। সময় যেন মানুষের প্রতিপক্ষ এবং সময়ের সার্থেই সকল যুদ্ধ। একটা সময় ছিল মানুষের হাতে প্রচুর