ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম তিনি শুধু সম্মানিত মুজাদ্দিদে যামান-ই নন, বরং তিনি হচ্ছেন


  মহান আল্লাহ তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, لَقَدْ مَنَّ اللَّهُ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ إِذْ بَعَثَ فِيهِمْ رَسُولًا مِنْ أَنْفُسِهِمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি মু’মিনদের উপর দয়া-ইহসান মুবারক 

দাড়ি রাখা সম্পর্কে পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আদেশ 


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ইবলিসের অঙ্গীকার হলো যে, আমি তাদেরকে (মানুষকে) আদেশ করবো যে, যা তারা মহান আল্লাহ পাক উনার সৃষ্টিতে বিকৃতি বা পরিবর্তন ঘটাবে।” (পবিত্র সূরা নিসা শরীফ: আয়াত শরীফ ১১৯) এই পবিত্র আয়াত শরীফ উনার 

সন্ত্রাসীদের বইকে ‘জিহাদী বই’ বলা একটি ষড়যন্ত্র 


  অমুসলিম তথা ইসলামবিদ্বেষীদের একটা বড় ধরনের কুট-কৌশল হলো পবিত্র ইসলামের বিভিন্ন বিষয়গুলোকে বিকৃত করা কটাক্ষ করা ও হেয় করে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে লেখালেখির মাধ্যমে প্রকাশ করা। তারই একটা ঘৃণ্য উদাহরণ হলো- উগ্র সন্ত্রাসীদের বইগুলোকে ‘সন্ত্রাসী বই’ বলে না বলে ‘জিহাদী 

মুসলমান উনাদেরকে হাক্বীক্বী ঈমানদার, মুত্তাক্বী হতে হবে। তাহলেই নাযাত পাওয়া সহজ হবে। নতুবা কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। 


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ উনার শুরুতেই যারা ঈমানদার, মুত্তাক্বী (আল্লাহ ভীরু) উনাদের ছিফত মুবারক বর্ণনা করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র কুরআন শরীফ, এমন এক কিতাব যার মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই, উনার মধ্যে মুত্তাক্বীদের 

আল্লাহওয়ালা হওয়ার মধ্যেই রয়েছে সমস্ত ফযীলত ও বুযুর্গী 


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার ইতায়াত বা অনুসরণ কর, উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরণ কর এবং যাঁরা 

পবিত্র মসজিদ শরীফ উনার মধ্যে নামায পড়ার নামে টুল বা চেয়ারে বসা বিদয়াত


ইদানীং বিশেষ করে বেশ কয়েক বৎসর যাবৎ দেখা যাচ্ছে- খালিক মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর পবিত্র মসজিদ শরীফ উনার মধ্যে নামায পড়ার নামে কতিপয় মুসল্লী বিশেষ করে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও মসজিদ কমিটির লোকজনের কেউ কেউ টুল কিংবা চেয়ারে 

হালাল-হারাম বিষয়ে সীমালঙ্গন করা যাবে না


আমরা মুসলমান। আমাদের দ্বীন হচ্ছেন পবিত্র দ্বীন ইসলাম। পবিত্র দ্বীন ইসলাম এমন একটি দ্বীন বা বিধান উনার মধ্যে রয়েছে জিন ইনসানের সকল বিষয়ের সঠিক সমাধান। জিন-ইনসান কি করবে, কি করবে না, কি খাবে কি খাবে না, কোন্ পোশাক পরবে, কোন্ পোশাক 

মূর্তি-ভাস্কর্যের অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকা ফরয


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- فَاجْتَنِبُوا الرِّجْسَ مِنَ الْاَوْ ثَانِ. অর্থ:- “তোমরা মূর্তির অপবিত্রতা থেকে বেঁচে থাকো।” (পবিত্র সূরা হজ্জ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৩০) উক্ত সম্মানিত আয়াত 

বাল্যবিবাহ বিরোধীরা কাফির, মুনাফিক ও উলামায়ে ‘সূ’


প্রথমতঃ সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করার জন্যেই ইহুদী, নাছারারা তথা তাবৎ কাফির-মুশরিকরা বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে আসছে। যেমন- ১৯২৯ সালে ব্রিটিশ সরকার বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন প্রণয়ন 

গীবতকারীদের প্রতি সতর্কবাণী


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আরো কিছুদূর গিয়ে দেখেন, হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা কতকগুলি লোকের পার্শ্বদেশের গোশত কেটে কেটে তাদেরকে খাওয়াচ্ছেন। আর তাদেরকে উনারা বলছেন, ‘যেমন তোমরা তোমাদের জীবদ্দশায় তোমাদের ভাইদের 

সৎ ও অসৎ সঙ্গের মেছাল 


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবু মূসা আশয়ারী রদ্বিয়াল্লাহু তা’য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- সৎ লোকদের সংসর্গ ও অসৎ লোকদের 

যারা স্বেচ্ছায় বেপর্দা হয়, তারা ইবলিসের উত্তরসূরি 


সর্বপ্রথম লা’নত বা অভিসম্পাত দেয়া হয়েছিল ইবলিসকে। সে সাইয়্যিদুনা হযরত আবুল বাশার ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম উনাকে সিজদা দেয়নি। সিজদা করার মুবারক নির্দেশ ছিল খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার। ইবলিস যখন সিজদা করার বিষয়টি অস্বীকার করলো, তখন মহান আল্লাহ পাক