জগতসমূহের শ্রেষ্ঠ নিয়ামত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- لئن شكرتم لا زيد نكم ولئن كفرتم ان عذابى لشديد. “তোমরা যদি আমার নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করো, তাহলে তোমাদের উপর আমার নিয়ামত আরো বহুগুণে বাড়িয়ে দিবো। আর যদি আমার নিয়ামত পাওয়ার পর অস্বীকার করে 

শিক্ষামন্ত্রী নিজেই প্রশ্নফাঁসে জড়িত ?????????


একটি সূত্র দ্বারা প্রমাণিত হয়, শিক্ষামন্ত্রী নিজেই প্রশ্নফাঁসে জড়িত এবং অবশ্যই সেটা কারও কাছ থেকে পাওয়া টাকার বিনিময়ে হয়। সূত্রটা হলো- কেন এ বছর থেকে সব বোর্ডে এক প্রশ্নে পরীক্ষা হচ্ছে ? হয়ত বলবেন- ১) শিক্ষার্থীদের ফলাফলের তারতম্য দূর করা, ২) 

ইসলামের দৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস পালন করা সম্পূর্ণরূপে হারাম


তথাকথিত ভালোবাসা দিবস পালন মূলত অভালোবাসা তথা নোংরামীর বিস্তার ঘটায়। পাশ্চাত্যে ভালোবাসা দিবস প্রচলনের পেছনে ছিলো ব্যবসায়ীদের স্বার্থ। পাশাপাশি এদেশে তা প্রবর্তনের পেছনে আছে পাশ্চাত্য গোলাম শফিক রেহমান ও ইহুদী খ্রিস্টানদের সুদূরপ্রসারী ইসলাম বিরোধী স্বার্থ। পশ্চিমাদের খাছ গোলাম, মুনাফিক শফিক রেহমান 

সয়াবিন তেল ও সাদা চিনির নামে কি খাচ্ছি ?


টিভিতে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে, স্বচ্ছ সয়াবিন তেল। এত স্বচ্ছ আপনি বাপের জন্মেও দেখেননি। স্বচ্ছ সয়াবিন তেলের মধ্যে খারাপ কিছু আছে, সেটাও আপনার মনে আসতে পারে না। একইভাবে সাদা চিনি, এত ফ্রেস, দেখতেই ভালো লাগে। বর্তমানে তীর, ফ্রেশ, প্রাণ বিভিন্ন কোম্পানি এসব স্বচ্ছ 

প্রকাশ্যেই হচ্ছে ইসলামবিদ্বেষী কাজ- প্রতিবাদ না করার পরিণতি কখনোই ভালো নয়


কিতাবে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে। একবার এ ব্যক্তি কোনো একটি মজলিসে বসা ছিলো। তার উপস্থিতিতেই কিছু লোক সেখানে উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নিয়ে কটূক্তিকর কিছু কথা বললো। লোকটি শুনেও না শুনার ভান করে থাকলো। অত:পর সে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়ার 

আসমাউর রিজাল, জারাহ ওয়াত তা’দীল, উছুলে হাদীছ শরীফ উনার অপব্যাখ্যা করে অসংখ্য ছহীহ হাদীছ শরীফ উনাকে জাল বলছে ওহাবী


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ইমামদের ব্যাবহৃত পারিভাষিক ভাষা সমূহের পার্থক্য: হাফিয ইবনে কাছীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, বিশেষ বিশেষ ইমাম উনাদের বিশেষ বিশেষ পরিভাষা রয়েছে, সেগুলো জেনে রাখা আবশ্যক। (ইখতেছারু উলুমিল হাদীছ ১০৫ পৃষ্ঠা) সকল ইমাম উনাদের ব্যবহৃত পরিভাষা একই রকম 

প্রথম ইন্টারফেইথ বা আন্তঃধর্মীয় সভার ইতিহাস


ইদানিং আন্তঃধর্মীয় সভার কথা খুব বেশি শুনা যাচ্ছে। সকল ধর্মের লোকদের নিয়ে এই সভা করা হয়। বাংলাদেশে কিছুদিন পুর্বে যখন পোপ এসেছিলো তখন সেও এই আয়োজন করে। মূলত এর মাধ্যমে মুসলমান উনাদের ঈমানী চেতনাকে বিলুপ্ত করাই মুল লক্ষ্য। যদিও এখন শুনা 

হিজরী ও শামসী ক্যালেন্ডারই মুসলমানদের অনুসরণ করা উচিত


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি চন্দ্র ও সূর্যের ঘূর্ণন বা আবর্তনের সাথে রাত-দিনের বা তারিখের পরিবর্তনের বিষয়টি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যার কারণে চন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী-প্রবর্তন করা হয়েছে হিজরী সন ও ক্যালেন্ডার। আর সূর্যের হিসাব অনুযায়ী প্রবর্তন করা হয়েছে 

পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ ও হযরত আউলিয়ায় কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের ক্বওল শরীফ উনাদের আলোকে পবিত্র ছলাত


পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করার ফযীলত সম্পর্কে হযরত আউলিয়া কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের ক্বওল শরীফ: (১) শাইখ আহমদ ইবনে ছাবিত আল মাগরিবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘কিতাবুত তাফাক্কুর ওয়াল ইতিবার’ নামক কিতাবে লিখেন, ‘আমি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠের মাধ্যমে যে সকল 

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পিতা-মাতাই বাল্যবিয়ে করেছিলেন


সরকার কথায় কথায় বলে থাকে- তারা বঙ্গবন্ধু শেখ সাহেবের সকল স্বপ্ন পূরণ করবে যা তিনি করে যেতে পারেননি। শেখ সাহেবের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে। কিন্তু সরকার সে স্বপ্ন পূরণ আর আদর্শ বাস্তবায়ন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। মুখে বললেও সরকার করছে তার 

মুসলমানগণ বিধর্মীদের অনুষ্ঠান পালন করবে কেন? বিধর্মীরা কি মুসলমানগণের অনুষ্ঠান পালন করে?


ফসলী সন তথা বাংলা সনের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ মূলত বিজাতীয়-বিধর্মীদের উৎসব। পহেলা বৈশাখের আগের দিন চৈত্র সংক্রান্তি পূজা আর পহেলা বৈশাখ হলো ঘট পূজা, গনেশ পূজার দিন এছাড়া আরো অনেক পূজা রয়েছে। বৌদ্ধরা এইদিনে উল্কিপূজা করে। মজুসীরা (অগ্নিউপাসকরা) এই দিন 

আযাব-গযব


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وانيبوا الى ربكم واسلموا له من قبل ان ياتيكم العذاب ثم لا تنصرون. অর্থ: তোমাদের কাছে আযাব-গযব আসার এবং সাহায্য ও সহায়হীন হওয়ার পূর্বেই তোমরা তোমাদের মহান পালনকর্তা মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ধাবিত