পাঠ্যপুস্তকে দ্বীন ইসলাম উনার শিক্ষা ও ঈমানী চেতনা সমৃদ্ধ লেখনী অন্তর্ভুক্ত করতে হবে


জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রণীত বইসমূহে সম্মানিত পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ব্যাপারে প্রচুর ভুল তথ্য তো রয়েছেই; পাশাপাশি রয়েছে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতি বিদ্বেষমূলক কথা-বার্তা এবং বহু আক্বীদাগত ও তথ্যগত ভুলের ছড়াছড়ি। এছাড়াও রয়েছে কাফির-মুশরিকদের জীবন ও কর্মের অহেতুক 

পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ কাকে বলে?


‘আখির’ অর্থ শেষ, আর চাহার শোম্বাহ অর্থ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার। এক কথায় ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ’ অর্থ শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার। সম্মানিত শরীয়ত উনার পরিভাষায় পবিত্র ছফর মাস উনার শেষ ইয়াওমুল আরবিয়ায়া বা বুধবারকে ‘আখিরী চাহার শোম্বাহ’ বলা হয়। সাইয়্যিদুল 

আসন্ন পবিত্র সাইয়্যিদুশ শুহুরিল আযম শরীফ মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে- বাংলাদেশের সরকারের জন্য যা করণীয়


ঈমানদার ব্যক্তির জন্য পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের ভিত্তিতে যিনি সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কে যেসব আক্বীদা বা সুধারণা পোষণ করতে হবে তন্মধ্যে একটি হচ্ছে যে, 

মুসলমানরা বিধর্মীদের সাথে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান চায়, কিন্তু ইতিহাস কি বলছে?


ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসন জারি হওয়াতে সবচেয়ে বেশি খুশি হয়েছিল বাঙালি বিধর্মী সম্প্রদায়। মুসলমান আমলে নবাবদের দেখলে তাদেরকে সালাম দিতে হতো, আদব-কায়দা রক্ষা করতে হতো। ইংরেজ আমলে সেই সমস্যা ছিল না, কারণ ইংরেজরাও ছিল তাদের মতোই অসভ্য বর্বর বেয়াদব সম্প্রদায়। চোরে চোরে 

ভারত বাংলাদেশকে উন্নয়ন সহযোগিতা দিবে! নাকি শোষণ করতে থাকবে?


বিভিন্ন সময় ভারতীয় আমলা-কামলারা বলে থাকে, ভারত সবসময় বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বকে খুব গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বাংলাদেশকে সবধরনের উন্নয়ন সহযোগিতা দিয়ে যাবে। বাংলাদেশও যে ভারতকে সহযোগিতা করছে সেজন্যে ভারত বাংলাদেশের কাছে কৃতজ্ঞ।” এখানে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য একটু বিশ্লেষণ করলে প্রমাণিত হয় যে, 

বেপর্দা বেহায়া নারীদের দাপট ও বিলবোর্ডের নগ্নতা মুসলমানদের জন্য মরণ ফাঁদ


নারীকুলের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে একটি উপলব্ধির উল্লেখ করছি। অনেক ভেবে দেখলাম- বেপর্দা বেগানা নারী ইবাদতের চরম অন্তরায়। উদাহরণস্বরূপ কেহ সকাল বেলা বাদ ফযর ১ ঘণ্টা যিকির করলো। অবশ্যই সে কিছু নিয়ামত হাছিল করেছে। আহলিয়ার অনুরোধে সে বাজারের ব্যাগ নিয়া কেনাকাটার উদ্দেশ্যে 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট কুল-মাখলুক্বাতের সবকিছুই হাযির এবং তিনি সবকিছুই নাযির বা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, (আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) ‘নিশ্চয়ই আমি আপনাকে শাহিদ অর্থাৎ হাযির-নাযির হিসেবে প্রেরণ করেছি।’ সুবহানাল্লাহ! যিনি শাহিদ উনার জন্য যেরূপ হাযির বা উপস্থিত থাকা শর্ত, তদ্রপ নাযির বা দেখাও শর্ত। তাই, সম্মানিত আহলে 

আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদু শাবাবি আহলিল জান্নাহ, ইমামুছ ছানী আলাইহিস সালাম


তা’রীফ বা পরিচিতি মুবারক: মহান আল্লাহ পাক উনার পরম মাহবূব ব্যক্তিত্ব। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উম্মুল মু’মিনীন আল উলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কুবরা আলাইহাস সালাম উনাদের অত্যন্ত স্নেহধন্য নাওয়াসা বা দৌহিত্র আলাইহিস সালাম। আমীরুল মু’মিনীন, 

পবিত্র ছফর শরীফ মাসে কোনো কুলক্ষণ ও অশুভ বলতে কিছু নেই।


‘নাসী’ করা তথা মাস ও তারিখকে আগে-পিছে করা কুফরী মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই নাসী (তথা মাস, দিন বা সময়কে আগে-পিছে) করা কুফরী বৃদ্ধি করে।” নাউযুবিল্লাহ! অর্থাৎ এক কুফরী আরো শত কুফরীকে, এক হারাম আরো শত হারামকে ডেকে 

নাইজেরিয়ায় পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননা করলেই মৃত্যুদন্ড


পশ্চিম আফ্রিকার দেশ নাইজেরিয়া। ৫০ শতাংশ মুসলিম জনসংখ্যা অধ্যুষিত দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় জামফারা প্রদেশ সম্প্রতি পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননার অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ডাদেশ ঘোষণা করেছে। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় জামফারা রাজ্যের কর্মকর্তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন যে, যারা পবিত্র কুরআন শরীফ অবমাননা করবে তাদেরকে সর্বোচ্চ 

মহাপবিত্র দরূদ শরীফ পাঠে অসীম খাছ রহমত মুবারক নাযিল হয়


হযরত আবু হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দুরূদ শরীফ পাঠ করে; মহান আল্লাহ পাক 

সকল মহিলাদের উচিত হযরত আম্মাজী ক্বিবলা উনার ছোহবত ইখতিয়ারের মাধ্যমে হাক্বীক্বী দ্বীনি ইলম অর্জন করা


প্রতিদিন ফিতনা-ফাসাদের মধ্যে অন্যতম একটি বিষয় হলো বেপর্দা নারী। কাফির-মুশরিক তথা বিধর্মী বিজাতিদের মধ্যে যেমন নারীরা চরম অবহেলিত উপেক্ষিত, লাঞ্ছিত-বঞ্চিত, ঠিক তদ্রƒপ মুসলিমা নারীরাও তাদের সমাজের কাছে জাতির কাছে অপমানিত, লাঞ্ছিত, উপেক্ষিত হচ্ছে। এমন কোনো দিন নাই, যেই দিনটিতে শত শত