একটি ভুল প্রচার নিরসন! পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক কে ?


একটি ভুল প্রচার নিরসন! পবিত্র কুরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক কে ? জানি ৯০% মুসলিম উত্তর দিবে “গিরিশ চন্দ্র সেন”। কিন্তু এটি ভুল তথ্য। সর্বপ্রথম বাংলা ভাষায় পবিত্র কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন #মাওলানা_আমীরুদ্দীন_বসুনিয়া ১৮০৮ সালে। এরপর বাংলা ভাষায় পবিত্র কুরআন 

পাঠ্যবইয়ের রচনাগুলো গভীর ষড়যন্ত্রেরই একটি অংশ ॥ স্বয়ং নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্পর্কেই


স্কুল, কলেজসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বইয়ের লেখাগুলোর বেশিরভাগই চরম গুমরাহ ধর্মবিদ্বেষী নাস্তিক, মূর্তিপূজারী, ফাসিক-ফুজ্জারদের লেখা। ২-১টি লেখাকে ‘ইসলামী’ তথা কথিত মুসলমান নামধারীদের হলেও সেগুলোও মুসলমানদের মত-পথ, আক্বীদা-আমলের সম্পূর্ণ বিপরীত। বইগুলোতে দু’একটি কথিত ইসলামী ভাবধারার যে রচনাগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যেই 

মসজিদে চেয়ারে বসে নামায পড়া বিষয়ে দলীল হিসেবে বাদশাহ শাহজাহানের ঘটনাই যথেষ্ট!


মসজিদে চেয়ারে বসে নামায পড়া বিষয়ে দলীল হিসেবে বাদশাহ শাহজাহানের ঘটনাই যথেষ্ট! বাদশাহ শাহজাহান তাঁর শাসনামলে একবার খুজলী-পাচরা, চুলকানী রোগে আক্রান্ত হলে তৎকালীন হাকীম বা ডাক্তার দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য রেশমী কাপড় পরিধানের পরামর্শ দেয়। অতঃপর বাদশাহ তার দরবারের তিনশত মুফতীর 

মেসওয়াক করা খাছ সুন্নত মুবারক; মেসওয়াককারীগণ উনাদের সাথে হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা মুছাফাহা করে থাকেন।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি আমার সম্মানিত সুন্নত মুবারক উনাকে মুহব্বত করলো, সে যেন আমাকেই মুহব্বত করলো। আর যে আমাকে মুহব্বত করলো সে ব্যক্তি আমার সাথে জান্নাতে অবস্থান করবে।” সুবহানাল্লাহ! প্রত্যেক 

পবিত্র ঈমান ও প্রতিবাদী চেতনা!


পবিত্র ঈমান ও প্রতিবাদী চেতনা! কিতাবে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে। একবার এ ব্যক্তি কোনো একটি মজলিসে বসা ছিলো। তার উপস্থিতিতেই কিছু লোক সেখানে উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নিয়ে কটূক্তিকর কিছু কথা বললো। লোকটি শুনেও না শুনার ভান করে থাকলো। অত:পর 

মোগল সেনাপতির ডায়েরী প্রকাশ ও বিধর্মীদের দাবিকৃত মিথ্যা ইতিহাস ফাঁস!


মোগল সেনাপতির ডায়েরী প্রকাশ ও বিধর্মীদের দাবিকৃত মিথ্যা ইতিহাস ফাঁস! বাংলায় মোগল শাসন কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হলো, তার প্রামাণ্য ইতিহাস পাওয়া যায় ‘বাহারিস্তান-এ-গায়বী’ নামক কিতাবে। এই কিতাবটি হচ্ছে মোগল সেনাপতি মির্জা নাথানের দিনলিপি বা ডায়েরী। প্যারিসের মিউজিয়ামে যদুনাথ সরকার আকস্মিকভাবে এই কিতাবটি 

যে কারণে চেয়ার-টেবিলে নামায পড়ার বিপক্ষে বলে না তারা!


যে কারণে চেয়ার-টেবিলে নামায পড়ার বিপক্ষে বলে না তারা! বর্তমানে মসজিদ কমিটিগুলোতে দেখা যায়, যে যতবেশি মসজিদে টাকা-পয়সা দেয় বা এলাকায় যে যত প্রভাবশালী তাদেরকেই কমিটির সভাপতি-সেক্রেটারী করা হয়। এ কারণে দেখা যায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাতো বটেই পাড়ার বড় বড় সন্ত্রাসীদেরকেও 

পার্বত্য এলাকায় সুবিধাভোগী উপজাতিরা, অবহেলিত বাঙালিরা


প্রাচীনকাল থেকে বাংলাদেশ রূপের ভা-ার। আর এই রূপের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম। এখানে আঁকাবাঁকা পথ দিয়ে যেখানেই যাবেন দেখবেন শুধু সবুজ আর সবুজ। পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে নিচের পানিধারার দিকে তাকাতেই চোখ জুড়িয়ে যাবে। পাহাড় বেয়ে স্বচ্ছ পানির ঝর্ণাধারার এতো সৌন্দর্য আর 

মোগল সেনাপতির ডায়েরী প্রকাশ ও বিধর্মীদের দাবিকৃত মিথ্যা ইতিহাস ফাঁস


বাংলায় মোগল শাসন কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হলো, তার প্রামাণ্য ইতিহাস পাওয়া যায় ‘বাহারিস্তান-এ-গায়বী’ নামক কিতাবে। এই কিতাবটি হচ্ছে মোগল সেনাপতি মির্জা নাথানের দিনলিপি বা ডায়েরী। প্যারিসের মিউজিয়ামে যদুনাথ সরকার আকস্মিকভাবে এই কিতাবটি খুঁজে পায়, পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসী বিভাগ থেকে ‘বাহারিস্তান-এ-গায়বী’র ইংরেজি 

শরীয়তসম্মত বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ নিয়ে যত সমালোচনা; অথচ অবৈধ সম্পর্ক নিয়ে কোনো কথা নেই!


মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী, নাছারা, কাফির, মুশরিকরা কি করে মুসলমানদের ক্ষতি করবে এবং মিথ্যা কল্পকাহিনী রটাবে- এই চিন্তায় মগ্ন থাকে সারাক্ষণ। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন; অন্য সকল ধর্মই বাতিল। সম্মানিত দ্বীন ইসলাম একটি পরিপূর্ণ, নিয়ামতপূর্ণ 

যে কারণে চেয়ার-টেবিলে নামায পড়ার বিপক্ষে বলে না তারা


বর্তমানে মসজিদ কমিটিগুলোতে দেখা যায়, যে যতবেশি মসজিদে টাকা-পয়সা দেয় বা এলাকায় যে যত প্রভাবশালী তাদেরকেই কমিটির সভাপতি-সেক্রেটারী করা হয়। এ কারণে দেখা যায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাতো বটেই পাড়ার বড় বড় সন্ত্রাসীদেরকেও অনেক সময় কমিটির সদস্য হিসেবে রাখা হয়। নাউযুবিল্লাহ! আর 

ভারতীয় পণ্যদ্রব্যগুলো সন্দেহযুক্ত, এগুলো বর্জন করা উচিত!


ভারতীয় পণ্যদ্রব্যগুলো সন্দেহযুক্ত, এগুলো বর্জন করা উচিত! ভারতে গরুকে কথিত দেবতা মান্যকারীরা নিয়মিত গো-মূত্র পান করে। জয়রাম সিঙ্ঘাল বহু বছর ধরে গো-মূত্র পান করে এসেছে সে দাবী করে, গো-মূত্র শুধু রোগ থেকে মুক্তই করে না, এটি পূণ্যের কাজও বটে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!