আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সামরিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক এবং আইন বিভাগসহ দেশ পরিচালনার সমস্ত নিয়ম-পদ্ধতি


খলীফায়ে ছানী, আমিরুল মুমিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি শুধুমাত্র বিশ্বের চারজন শ্রেষ্ঠ বিজেতা উনাদের অন্যতমই ছিলেন না; সামরিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক এবং আইন বিভাগের অত্যাধুনিক কাঠামোর সৃষ্টিকারী হিসেবেও তিনি বিশ্ব ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। তিনি একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি 

আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, আশিদ্দাউল আলাল কুফফার হযরত ফারূক্বে আলাইহিস সালাম উনার সাথে সংশ্লিষ্ট কতিপয় নছীহতমূলক ঘটনা


লোকটি সিরিয়ার অধিবাসী। যুদ্ধের ময়দানে তার গর্জন ছিল সিংহের মতো। এমনকি এক হাজার অশ্বারোহীর চেয়েও তার চিৎকার ছিল ভয়ঙ্কর। তার জ্বালাময়ী ভাষণে সৈন্যরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তো। সে আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পক্ষে কাজ করতো, কিন্তু আমীরুল মু’মিনীন 

আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকালীন চিকিৎসা ব্যবস্থা


আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার সম্মানিত খিলাফতকালীন সময় জনসাধারণ ও সৈন্যগণ উনাদের স¦াস্থ্য বিষয়ে পরিপূর্ণ মনোযোগী ছিলেন। স্বাস্থ্য রক্ষা করা যে পবিত্র সুন্নত ও ফরয উনাদের অন্তর্ভুক্ত, তা তিনি উম্মত উনাদের শিক্ষা দিয়েছেন, ইহসান 

খলীফায়ে ছানী, আমিরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পর্দা ও সুন্নত পালনের দৃঢ়তা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, একবার খলীফায়ে ছানী আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন, সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি উনার সম্মানিত মেয়ে, উম্মুল মু’মিনীন আর রবি’য়াহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত ইবনাতু আবীহা আলাইহাস সালাম উনার সাথে একত্রে একটি রুমে বসে কিছু 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি হাক্বীক্বী মুহব্বত উনার দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন সাইয়্যিদুনা হযরত


এক ব্যক্তি ছিল, তার নাম ছিল বিশর। সে মুসলমান দাবি করতো, হাক্বীক্বত সে ছিল মুনাফিক। এই মুনাফিক বিশরের সাথে এক ইহুদীর সাথে গ-গোল হয়ে যায়। যখন গ-গোল হয়ে গেল, তখন মুনাফিক বিশরকে ইহুদী বললো, হে বিশর এটার বিচার বা ফায়ছালা করতে 

কোন ব্যক্তির উপর সূর্য উদিত হয় নি, যে ব্যক্তি সাইয়্যিদুনা হযরত ফারুকে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে উত্তম


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حضرت جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ رضى الله تعالى عنه قَالَ قَالَ حضرت عُمَرُ عليه السلام لحضرت أَبِي بَكْرٍ عليه السلام يَا خَيْرَ النَّاسِ بَعْدَ رَسُولِ اللهِ فَقَالَ حضرت أَبُو بَكْرٍ 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পরে কেউ নবী হলে, নবী হতেন আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি কোনো পুরুষের পিতা নন, বরং তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে সর্বশেষ নবী ও রসূল।” (পবিত্র 

হযরত সাইয়্যিদুনা ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম উনার ওয়াদা মুবারক…..


খলীফাতুল মুসলিমীন, আমিরুল মু’মনীন খলীফায়ে ছানী হযরত সাইয়্যিদুনা ফারুকে আযম আলাইহিস সালাম উনার মহা সম্মানিত সময়কার একটি মহাপবিত্র ঘটনা মুবারক। পারস্যের নিহাওয়ান্দ প্রদেশের শাসনকর্তা হরমুযান। পর পর অনেকগুলো যুদ্ধে মহাসম্মানিত তৎকালীন মুসলমান উনাদের বিরুদ্ধে লড়বার পর এবং অগনিত মহাসম্মানিত তৎকালীন মুসলমান 

আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার রোব মুবারক


ইসলামী সম্রাজ্যের দ্বিতীয় খলীফা, আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার এতো রোব মুবারক এবং প্রভাব ছিল যে- ভয়ে ভীত হয়ে ইবলিস শয়তানও উনার চলার পথ পরিহার করে চলত। আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু 

স্বয়ং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজে এবং হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم لحضرت عمر بن الخطاب عليه السلام أو لابي جهل بن هشام فأصبح حضرت عمر عليه السلام وكانت الدعوة يوم الاربعاء، فأسلم حضرت عمر عليه السلام 

আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল মহানুভবতা


সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র খিলাফতকাল। তখন ইরানের একটি প্রদেশের শাসক ছিলেন হযরত হরমুজান রহমতুল্লাহি আলাইহি (তিনি তখনো পবিত্র দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করেননি)। ইসলাম গ্রহণের পূর্বে হযরত হরমুজান রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি একদিকে যেমন অত্যাচারী, অপরদিকে ঘোর ইসলাম বিরোধী 

আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার থেকে বর্তমান মুসলিম দেশগুলোর বিধর্মীপ্রীতিতে মত্ত শাসকগোষ্ঠীর শিক্ষা গ্রহণ করা


বর্তমান বিশ্বে মুসলমানরা এক চরম দুরবস্থায় দিনাতিপাত করছে। কাফির-মুশরিকরা তো রয়েছেই, সাথে সাথে কাফির-মুশরিকদের সন্তুষ্টি অর্জনে মুসলিম দেশগুলোর শাসকরাও নিজ দেশের মুসলিম জনগোষ্ঠীর উপর অত্যাচারের স্টীমরোলার চালাচ্ছে। কথিত ‘অসাম্প্রদায়িক’ সাজার জন্য মুসলিম জনগোষ্ঠীর অধিকার খর্ব করে, হিন্দু-উপজাতিদের প্রাধান্য বিস্তারে যাবতীয় সহায়তা