দাইয়্যুছ কে? 


  পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে যে, “দাইয়্যূছ বেহেশতে প্রবেশ করবে না। দাইয়্যূছ ঐ ব্যক্তি যে নিজে পর্দা করে না এবং তার অধীনস্থ পরিবারবর্গকে পর্দা করায় না।” এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার দ্বারা প্রতিভাত হয়েছে যে, যে ব্যক্তি 

শয়তান যখন মানুষের সঙ্গী হয় 


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির থেকে গাফিল হয় তার জন্য একটি শয়তান নির্দিষ্ট হয়ে যায়। আর সে তার সঙ্গী হয়ে যায়।” (পবিত্র সূরা যুখরুফ শরীফ : পবিত্র 

গরুর গোশত খাওয়া সুন্নত ॥ অবজ্ঞা করা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُحَرِّمُوا طَيِّبَاتِ مَا أَحَلَّ اللَّـهُ لَكُمْ وَلَا تَعْتَدُوا إِنَّ اللَّـهَ لَا يُحِبُّ الْمُعْتَدِينَ. وَكُلُوا مِمَّا رَزَقَكُمُ اللَّـهُ حَلَالًا طَيِّبًا وَاتَّقُوا اللَّـهَ অর্থ: “হে ঈমানদারগণ! মহান আল্লাহ পাক তিনি তোমাদের 

ওলীআল্লাহগণ উনারা নাজাতের উসীলা


وابتغو اليه الوسيلة অর্থ: “তোমরা আল্লাহ পাক উনার রহমত পাওয়ার জন্য উসীলা তালাশ করো।” সমস্ত তাফসীরে উসীলা বলতে হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহগণ উনাদের ব্যাপারে বলা হয়েছে, যে ওলীআল্লাহগণ ক্বিয়ামতের দিন সুপারিশ করে মানুষদের জান্নাতে নিয়ে যাবেন। আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে 

মুসলমান মাত্রই প্রত্যেক মালেকে নেছাব ব্যক্তির উপর যাকাত আদায় করা ফরয


হাওয়ায়েজে আছলিয়া তথা নিত্যপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, মাল-সামানা ইত্যাদি বাদ দিয়ে এবং কর্জ ব্যতীত নিজস্ব মালিকানাধীন সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা এক বছর কারো নিকট থাকলে তার উপর যাকাত ফরয। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা 

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ভিত্তি হচ্ছেন সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনারা


জামিউল আহাদীছ, জামউল জাওয়ামি’, জামিউল কবীর, কানযুল উম্মাল ইত্যাদি কিতাবসমূহে বর্ণিত রয়েছে- ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদুনা হযরত আলী র্কারামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি বর্ণনা করেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 

সুদের সাথে সংশ্লিষ্টতা ভয়াবহ কবীরা গুনাহ যা থেকে বিরত থাকা সকলের জন্য ফরয ওয়াজিব 


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করা হয়েছে- فَإِنْ لَمْ تَفْعَلُوا فَأْذَنُوا بِحَرْبٍ مِنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ وَإِنْ تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُءُوسُ أَمْوَالِكُمْ لَا تَظْلِمُونَ وَلَا تُظْلَمُونَ অর্থ:- অতঃপর তোমরা যদি সুদ খাওয়া পরিত্যাগ না করো, তবে মহান আল্লাহ পাক উনার ও 

ইসলামী লেবাস ও আধুনিক বিজ্ঞান


সাদা কাপড় সাধারণত সর্বপ্রকার আবহাওয়া পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা করে থাকে। তীব্র গরম মওসুমে সাদা লেবাস গরম হয়ে যায় না।কেননা তা গরমকে অাকর্ষণ করে না। অপরদিকে তীব্র শীতের মওসুমে ঠান্ডার কারণে তা শীতলও হয়ে যায় না। হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 

নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত শরীফের দিন আল্লাহপাক উনার খুশি প্রকাশ!


হাবীবুুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বরকতময় বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার সময় তথা জন্ম গ্রহনের সময়, মহান আল্লাহপাক কতটা খুশি মুবারক প্রকাশ করেছেন, তা কারো পক্ষে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়।তবে হাদীস শরীফে সামাণ্যই এসেছে। যেমন, হযরত জিবরীল 

সাহাবীগণ উনারা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করেছেন


হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও হযরত সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা যখন হিজরত মুবারক করে মদীনা শরীফ পৌছলেন, তখন মদিনা শরীফের আনসার সাহাবীগণ খুশি হয়ে ‘ত্বলায়াল বাদরু আলাইনা মিন সানিয়াতিল বিদা’ এই ক্বাসিদা শরীফটি সমুচ্চস্বরে পাঠ করে নবীজী 

সঙ্গদোষ


সঙ্গদোষে পড়ে কম্বল খায় লাঠির মার, কম্বল তবু নির্দোষ গায়ে ধুলাবালি তার। সঙ্গদোষে লোহাও ভাসে লোহার ধর্ম তা নয়, কর্দমা আর কস্তুরিতে চলছে সুবাস প্রণয়। সঙ্গদোষে যাবজ্জীবন কষ্টভোগের গ্লানি, সঙ্ঘজীবী মানুষ তবু সঙ্গের হানাহানি। শেয়ার করুন TwitterFacebookGoogle+ 

মহাসম্মানিত রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস উনার ৮ তারিখ।সাইয়্যিদুনা হযরত আন নূরুছ ছানী আলাইহিস সালাম উনার এবং সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার সম্মানিত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করো আমার সন্তুষ্টি মুবারক লাভের জন্য।’ সুবহানাল্লাহ! সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র মহাসম্মানিত সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আসইয়াদ, সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম, মহাসম্মানিত