হিজরী ও শামসী ক্যালেন্ডারই মুসলমানদের অনুসরণ করা উচিত


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি চন্দ্র ও সূর্যের ঘূর্ণন বা আবর্তনের সাথে রাত-দিনের বা তারিখের পরিবর্তনের বিষয়টি নির্ধারণ করে দিয়েছেন। যার কারণে চন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী-প্রবর্তন করা হয়েছে হিজরী সন ও ক্যালেন্ডার। আর সূর্যের হিসাব অনুযায়ী প্রবর্তন করা হয়েছে 

পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ ও হযরত আউলিয়ায় কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের ক্বওল শরীফ উনাদের আলোকে পবিত্র ছলাত


পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করার ফযীলত সম্পর্কে হযরত আউলিয়া কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের ক্বওল শরীফ: (১) শাইখ আহমদ ইবনে ছাবিত আল মাগরিবী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার ‘কিতাবুত তাফাক্কুর ওয়াল ইতিবার’ নামক কিতাবে লিখেন, ‘আমি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠের মাধ্যমে যে সকল 

বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পিতা-মাতাই বাল্যবিয়ে করেছিলেন


সরকার কথায় কথায় বলে থাকে- তারা বঙ্গবন্ধু শেখ সাহেবের সকল স্বপ্ন পূরণ করবে যা তিনি করে যেতে পারেননি। শেখ সাহেবের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে হবে। কিন্তু সরকার সে স্বপ্ন পূরণ আর আদর্শ বাস্তবায়ন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। মুখে বললেও সরকার করছে তার 

মুসলমানগণ বিধর্মীদের অনুষ্ঠান পালন করবে কেন? বিধর্মীরা কি মুসলমানগণের অনুষ্ঠান পালন করে?


ফসলী সন তথা বাংলা সনের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ মূলত বিজাতীয়-বিধর্মীদের উৎসব। পহেলা বৈশাখের আগের দিন চৈত্র সংক্রান্তি পূজা আর পহেলা বৈশাখ হলো ঘট পূজা, গনেশ পূজার দিন এছাড়া আরো অনেক পূজা রয়েছে। বৌদ্ধরা এইদিনে উল্কিপূজা করে। মজুসীরা (অগ্নিউপাসকরা) এই দিন 

আযাব-গযব


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- وانيبوا الى ربكم واسلموا له من قبل ان ياتيكم العذاب ثم لا تنصرون. অর্থ: তোমাদের কাছে আযাব-গযব আসার এবং সাহায্য ও সহায়হীন হওয়ার পূর্বেই তোমরা তোমাদের মহান পালনকর্তা মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি ধাবিত 

বছর বছর ধরেই চলছে ভারতে মুসলিম নিধনের দাঙ্গা


কয়েকদিন পরপরই হিন্দু সন্ত্রাসীরা তুচ্ছ অজুহাত তুলে মুসলমানদের নির্মমভাবে শহীদ করে! ভারতে মুসলমান নিধনকারী দাঙ্গা শুধু আজকে নয়, বহু পূর্ব থেকেই হিন্দুরা জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালিয়ে আসছে। ১৯৬১-এর অক্টোবরে আলিগড় মুসলিম নিধনে দাঙ্গা। ১৯৬২-তে মধ্য-প্রদেশের জাবালপুরে মুসলিম নিধনে দাঙ্গা। ১৯৬৪-তে মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্দিতে 

শিক্ষানীতির নীতিই যখন প্রশ্নবিদ্ধ: পাঠ্যপুস্তক, নাকি অমুসলিম-বিধর্মীদের ‘প্রশংসা-পুস্তক’?


বেখবর বাংলার কোটি কোটি মুসলমান! মুশরিক ও নাস্তিক-মুরতাদদের প্লানগুলো একে একে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্তরে হিন্দুকরণ ও নাস্তিকদের পদায়নের পর এখন এ দেশের স্কুল, কলেজ, মাদরাসাসহ সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠ্যপুস্তকগুলোকে সেই নীলনকশা বাস্তবায়নের আয়ত্তে আনা হয়েছে এবং হচ্ছে। ক্লাস ওয়ান 

মসজিদে চেয়ারে নামায পড়ে বেয়াদবরা!


সারা রাস্তায় হেঁটে হেঁটে এসে মসজিদে এসেই টুপ করে চেয়ারে বসেই নিজেকে কি জানি মনে করা হচ্ছে? এটা ভুলে যাওয়া চলবে না- এটা ক্ষমতা দেখানোর জায়গা নয়, এটা সমস্ত ক্ষমতার যিনি মালিক, যিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা দেন ও যার থেকে ইচ্ছা 

ওরা ভেঙে দিতে চায় আমাদের সামাজিক বন্ধন৷ বর্জন করুন ক্লোজআপ…


ওরা ভেঙে দিতে চায় আমাদের সামাজিক বন্ধন৷ কুঠারাঘাত করে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিতে চায় আমাদের পরিবার৷ অশালীন কাজ কর্ম দিয়ে বিষিয়ে তুলতে চায় আমাদের পারিবারিক জীবন৷ বিজাতীয় সংস্কৃতির আমদানীকারকদের বর্জন করুন… বর্জন করুন ক্লোজআপ… ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষে যৌনতা উস্কে দেয়ার অভিযোগে ক্লোজআপ 

কানজুস: যারা নিজেদের মূলই ফউত করে ফেলে


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “বখিল মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু, যদিও সে আবিদ হোক না কেন। আর ছখী মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু যদিও সে ফাসিক হোক না কেন।” এই পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার ব্যাখ্যায় হযরত মুহাদ্দিসীনে 

যে দেশের সরকার ও যে দেশের মানুষ- শাহরুল আ’যম সাইয়্যিদুশ শুহূর পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ এবং পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ


আলোচনার শুরু হোক পবিত্রতম একটি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাকে নিয়ে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তোমাদের মুসলমানদের উপর এমন একটি সময় আসবে, তোমাদের উপর যুলুম-নির্যাতন 

পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ ও হযরত আউলিয়ায় কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাদের ক্বওল শরীফ উনাদের আলোকে পবিত্র ছলাত


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ করার নির্দেশ স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক তিনি দিয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- اِنَّ اللهَ وَمَلَائِكَتَه يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا