মহিলাদের জামায়াতের ব্যাপারে ধর্মব্যবসায়ীদের মুনাফিকী


উটপাখিকে বোঝা নিতে বললে সে বলে, আমি তো ভাই পাখি। বোঝা বইবো কী করে? আবার উড়তে বলা হলে জবাব দেয়, আমি তো উট, উড়তে জানি না। একই অবস্থা খারিজী, ওহাবী, দেওবন্দী, তাবলীগী, মওদুদী, জামাতী গংসহ তাবৎ বাতিল ৭২ ফিরক্বার। তারা পবিত্র 

সন্তানদের পবিত্র কুরআন শরীফ ও আরবী ভাষা শিক্ষা দেয়া পিতা-মাতার দায়িত্ব


সবাই বলে- আপনার সন্তানদের বেশি বেশি বই পড়ান, যত পড়বে তত জানবে, তত শিখবে। ভালো কথা। কিন্তু এটা কি শুধুই গল্প-উপন্যাস আর আউট নলেজের নামে এমন কিছু শিখানো, যেখানে ইসলাম নেই, মুসলমানিত্ব নেই? যদি তা নাই হয়- তাহলে সন্তানকে সবই শিখাচ্ছেন 

মুসলমান নর-নারী হাক্বীক্বী পর্দা করলে দেশ থেকে বেশিরভাগ ফিতনা দূর হয়ে যাবে


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে দেখে এবং দেখায় তার উপর মহান আল্লাহ পাক উনার লা’নত।” কাজেই এই লা’নত থেকে বাঁচার জন্য এবং মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া 

মহাসম্মানিত ‘রবীউল আউওয়াল শরীফ’ মাস সন্নিকটে, মুসলমানরা কি এবারও গাফেল থাকবে ?


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, ‘আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি যদি আপনাকে সৃষ্টি না করতাম; তবে আসমান-যমীন, লওহ-কলম কোনো কিছুই সৃষ্টি করতাম না।’ সুবহানাল্লাহ! স্বাভাবিক নিয়মে দেখা যায়, একজন মানুষ আরেকজন 

বুড়িগঙ্গার তীরে পবিত্র মসজিদসমূহকে ‘অবৈধ মসজিদ’ বলার সাহস ওদের কে দিলো?


শত শত ড্রেন-নর্দমা দিয়ে রাজধানীর কোটি মানুষের পয়ঃবর্জ্য, হাসপাতাল, কল-কারখানাগুলোর বিষাক্ত বর্জ্য, হাজারীবাগের ট্যানারীর বিষাক্ত বর্জ্যসহ বিভিন্ন বর্জ্য-আবর্জনা নদীতে পড়ে নদী দূষিত হচ্ছে যুগ যুগ ধরে। যা নিয়ে কারো কোনো কথা নেই। নদীর তীরে সরকারি জায়গা দখল করে ক্ষমতাসীনদের দলীয় কার্যালয়, 

গরুর খামার গড়ে তুলতে সহযোগিতা জরুরী


পবিত্র কুরবানী ছাড়াও প্রতিদিনই হাজার হাজার গরু আমাদের এ দেশে জবাই হয়ে থাকে। এদেশের মানুষের নিত্যদিনের খাবারের অন্যতম একটি উপাদেয় খাবার হলো গরুর গোশত। অথচ গরুর গোশতের দাম বেড়েই চলছে হু হু করে। মূলত সরকারের অসহযোগিতা ও গরু জবাই বিরোধী একটি 

বাংলাদেশে এসেও চাকরিক্ষেত্রে বাঙালি মুসলমানের অপমানের পালা শেষ হলো না


শামসুল হুদা চৌধুরী ছিলেন জিয়াউর রহমান আমলের তথ্যমন্ত্রী, পরবর্তীতে জাতীয় সংসদের স্পীকার। ১৯২০ সালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে জন্মগ্রহণ করেন। পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় হিসেবে সাতচল্লিশের দেশবিভাগের পর তিনি বাংলাদেশে আসতে চাননি, পশ্চিমবঙ্গেই থেকে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তাকে চাকরিক্ষেত্রে হিন্দুদের দ্বারা অপমানিত হয়ে বাংলাদেশে 

স্রষ্টার কোন সৃষ্টি অযথা, নিষ্প্রোয়জনীয়, উদ্দেশ্যবিহীন নয়!


হযরত মুসা কালিমুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি একদিন আল্লাহপাক উনাকে প্রশ্ন করলেন… “হে আল্লাহপাক! যদি ৪টি জিনিস হতো আর ৪টি জিনিস না হত তবে খুব ভাল হত, ১) যদি জীবন হত, মৃত্যু না হত । ২) যদি জান্নাত হত জাহান্নাম না হত। 

কামিল মুর্শিদ উনাদের সাহায্য ছাড়া নফস ও শয়তানের বাধা অতিক্রম করা সম্ভব না


মরিতে চাহি না আমি এই সুন্দর ভুবনে। কবি এখানে পৃথিবীকে সুন্দর বলে নাই, সুন্দর বলেছে পৃথিবীর কতিপয় বন্তুকে। যার প্রতি মানুষের রয়েছে দারুণ আকর্ষণ। এই আকর্ষণ স্বয়ং খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনিই মানুষকে দান করেছেন। এ সবের উল্লেখ রয়েছে 

ক্বলবী যিকির ব্যতীত দায়িমীভাবে মহান আল্লাহ পাক উনার যিকিরে মশগুল থাকা সম্ভব নয়


বর্তমানে দেখা যায় অনেকে বলে থাকে যে, ক্বলবী যিকির উনার তেমন একটা গুরুত্ব নেই। আর ক্বলবী যিকির বলে কোনো যিকিরের অস্তিত্বও পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মধ্যে নেই। নাউযুবিল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ 

পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনাকে অশুভ ও কুলক্ষণ মনে করা কাট্টা কুফরীর শামিল


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সংক্রামক রোগ বলতে কিছু নেই। পেঁচার 

সব সরকার-শাসকদের নছীহত গ্রহণের মাস পবিত্র ছফর শরীফ মাস


পবিত্র ছফর শরীফ মাসটি শুরু হয়েছে। সরকার প্রধানগণ এ সম্মানিত মাস থেকে কতটুকু শিক্ষা গ্রহণ করার প্রস্তুতি নিয়েছেন- তা বুঝা যাচ্ছে না। বিধায় কিছু লিখতে বাধ্য হলাম। বাদশাহ আকবরের পরিচয় জানেন না এমন কোনো সরকার আছেন কিনা তা আমার জানা নেই।