প্রত্যেক মুসলমানের উচিত, নিজ সন্তানদেরকে তাদের শত্রু সম্পর্কে অবহিত করা।


আমরা মুসলমান। কে বা কারা আমাদের প্রধান ও আসল শত্রু তা আমরা জানি না। আমরা তা জানার জন্য চেষ্টাও করি না। আমাদের মাতা-পিতারাও আমাদেরকে শিখান না কে বা কারা আমাদের শত্রু। অথচ ইহুদী নাছারা, কাফির, মুশরিক, বেদ্বীন, বদদ্বীনেরা তাদের সন্তানদেরকে জন্মের 

পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনাকে অশুভ ও কুলক্ষণ মনে করা কাট্টা কুফরীর শামিল


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সংক্রামক রোগ বলতে কিছু নেই। পেঁচার 

যারা কামিল শায়েখ বা মুর্শিদ ক্বিবলা উনার নিকট বাইয়াত হয় না, তারা গোমরাহ বা পথভ্রষ্ট।


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি গোমরাহীর মধ্যে দৃঢ় থাকে, কোনো ওলীয়ে মুর্শিদ (কামিল শায়েখ) তার নছীব হয় না।” (পবিত্র সূরা কাহফ্ শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৭) পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ 

মুসলমানদের জন্য কাফির-মুশরিক, বিধর্মী-বিজাতীয়দের প্রবর্তিত দিবসসমূহ পালন করা হারাম। যে পালন করবে, সে মুসলমান থেকে খারিজ হয়ে যাবে


সম্মানিত মুসলমান উনাদেরকে যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি “আইয়্যামুল্লাহ” অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক উনার সম্মানিত দিবসসমূহ পালন করার জন্য আদেশ মুবারক করেছেন। বিপরতী পক্ষে মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু কাফির-মুশরিক, বেদ্বীন-বিজাতিদের প্রবর্তিত ও পালিত দিবসসমূহ পালন করতে নিষেধ 

মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি সম্মানিত দুরূদ শরীফ পাঠ করা ব্যতীত নামায পূর্ণ হয় না


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ جَعْفَرٍ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِـىِّ بْنِ الْـحُسَيْنِ عَلَيْهِمُ السَّلَامُ اَنَّهٗ قَالَ لَوْ صَلَّيْتُ صَلٰوةً لَّـمْ اُصَلِّ فِـيْهَا عَلَى النَّبِـىِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَلَا عَلـٰى اَهْلِ بَيْتِهٖ لَرَاَيْتُ اَنَّهَا لَا تَتِمُّ. 

বিশ্বের যে প্রান্তেই মুসলমানরা শহীদ ও নির্যাতনের শিকার হোক না কেন, তাতে কাফির দেশগুলো খুশি হয়


মুসলমান নিপীড়ন, নির্যাতন, শহীদ ও গণশহীদের মতো ঘটনায় মানবতা লঙ্ঘনের বিষয়টি অনুচ্চারিতই থেকে যায়। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র রাষ্ট্রগুলো কখনোই মানবতার বিষয়টি উত্থাপন করেনি। অথচ মুসলমান বাদে অন্য কোনো ধর্মাবলম্বীর ক্ষেত্রে পান থেকে চুন খসলেই তারা হায় হায় করে 

রোহিঙ্গা মুসলমান নয়, মায়ানমারের পক্ষে কাজ করছে জাতিসংঘ


বাংলাদেশে এক/এগারোর জঘন্যতম কুচক্রী জাতিসংঘ কর্মকর্তা রেনেটা লক ডেসালিয়েন এখন রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমার সরকারের পক্ষে কাজ করছে বলে বিবিসি’র এক রিপোর্টে উঠে এসেছে। জাতিসংঘের এই কর্মকর্তা বাংলাদেশে থাকাকালীন সেনা সমর্থিত অবৈধ সরকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জাতিসংঘের একজন সাবেক কর্মকর্তা 

ছোঁয়াচে রোগ এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানের অজ্ঞতা ও কিছু প্রশ্ন


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “কাফির-মুশরিকরা হিংসাবশতঃ চায় কীভাবে মুসলমানের পবিত্র ঈমান আনার পর আবার কাফির বানানো যায়।” কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্রের আরেকটি সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র হলো ছোঁয়াচে রোগ বলে কিছু আছে 

ইমামুছ ছানী মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শাহাদাত মুবারক উনার সংক্ষিপ্ত বর্ণনা


মহান আল্লাহ পাক তিনি কখনো হযরত নবী ও রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বাসনা অপূর্ণ রাখেন না। আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি প্রায়শই শাহাদাত মুবারক কামনা করতেন। ছহীহ ‘আবু দাউদ শরীফ’ উনার মধ্যে বর্ণিত পবিত্র 

আপনি কি জানেন কোন্ তিন ব্যক্তি যুগযুগ ধরে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতিসাধন করে আসছে?


একদিন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ২য় খলীফা সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি হযরত যিয়াদ বিন হুদাইর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনাকে বললেন, আপনি কি জানেন কোন্ ব্যক্তি বা কারা পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ক্ষতিসাধন করে থাকে। তখন তিনি বললেন, আমার সেটা 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শাফায়াত মুবারক ওয়াজিব- পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়িমীভাবে বা অনন্তকাল নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করো।’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শাফায়াত মুবারক ওয়াজিব- 

সম্মানিত জুময়া’র দিন যদি “দিন সমূহের সাইয়্যিদ” হয়, তবে সম্মানিত ইছনাইনিল আ’যীম শরীফ (সোমবার) হচ্ছেন- “দিন সমূহের সাইয়্যিদ উনারও


  এ প্রসঙ্গে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছেন- عن حضرة ابى ليلة بن عبد المنذر رضي الله تعالي عنه قال قال النبى صلى الله عليه وسلم ان يوم الجمعة سيد الايام واعظمها عند الله وهو اعظم عند الله من