পহেলা বৈশাখ পালন বনাম ঈমানের লেনদেন


মুসলমানদের কাছে কাফির-মুশরিকরা এসে প্রস্তাব দিয়েছিল- মুসলমানগণ যদি তাদের ধর্মের কিছু মেনে নেন, তাহলে কাফির-মুশরিকরাও সম্মানিত দ্বীন ইসলামের কিছু মেনে নেবে। এরই পটভূমিতে যিনি খালিক্ব মালিক রব আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা কাফিরুন শরীফ নাযিল করে জানিয়ে দিলেন যে, কস্মিনকালেও এটা 

‘অমঙ্গল যাত্রা’র কলঙ্কিত ইতিহাসটি জেনে নিন


এক শ্রেণীর সুবিধাভোগী এবং কথিত কু-বুদ্ধিজীবি ‘অপসাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব’ পহেলা বৈশাখের ‘অমঙ্গল যাত্রা’ নিয়ে হৈচৈ শুরু করেছে। পহেলা বৈশাখের অমঙ্গল যাত্রা যেন অঞ্চলের অপসংস্কৃতির মূল। ব্যবসায়িক স্বার্থে ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়াগুলোতে পহেলা বৈশাখে অমঙ্গল যাত্রাকে সংস্কৃতি হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। বেসরকারি টিভি মিডিয়াগুলো ব্যবসায়িক 

যে কারনে অ-মঙ্গল যাত্রা ১লা বৈশাখ উদযাপন করা মুসলমানদের জন্য জায়েজ নয়


বর্তমানে ফসলী নববর্ষ উদযাপনকে কেন্দ্র করে যে নাজায়েজ হুল্লোড়ের প্রচলন রাষ্ট্রিয়ভাবে করা হচ্ছে সেটা বহুবিধ কারনে সম¥ানিত দ্বীন ইসলাম উনার মাঝে জায়েজ নেই। আর যেটার অনুমোদন সম্মানিত শরীয়তে নেই সেটা উদযাপন করা, পালন করা কোন মুসলমানের জন্য কি করে জায়েজ হতে 

ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ফায়সালা: বৈশাখী পুজা ও অ-মঙ্গল যাত্রা পালন করলে কাট্টা মুশরিক হিসেবেই মৃত্যুবরন করতে হবে


নববর্ষ পালনের নামে পহেলা বৈশাখ উৎসব হোক কিংবা বৈশাখী পুজা হোক অথবা অমঙ্গলযাত্রা হোক যেটাই করা হোক না কেনো সেটা কাট্টা শিরক বলে গন্য হবে। যেহেতু বৈশাখী পুজার মাধ্যমে মূর্তিপূজারী মুশরিকদের বিভিন্ন কল্পিত দেব-দেবীর পূজা করা হয়, আর্চনা করা হয় এবং 

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার অন্যতম বুনিয়াদ হলেন পবিত্র যাকাত


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- وَاَقِيمُوا الصَّلوةَ وَاٰتُوا الزَّكَوةَ وَاَطِيعُوا الرَّ‌سُولَ. অর্থ : “আর তোমরা নামায কায়িম কর ও যাকাত প্রদান কর এবং সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম 

১লা বৈশাখের হুজ্জোতিকে ইসলামী পর্ব মনে করা কুফরী


১লা বৈশাখকে পর্ব বা উৎসব বলা হয়ে থাকে। ১লা বৈশাখকে পর্ব বা উৎসব হিসাবে পালন করা মুশরিকদের একটা চক্রান্ত। হিন্দু মুশরিকদের ঘটপূজার অংশ ১লা বৈশাখকে কেউ যদি পর্ব বা অনুষ্ঠান মনে করে বিভিন্ন কার্যবলী করে থাকে; যেমন এই দিন ভালো খেতে 

পহেলা বৈশাখ দ্বীনে ইলাহীর একটি অংশ!


মুসলমানগণ কি “পবিত্র দ্বীন ইসলাম” চায়, নাকি “দ্বীনে ইলাহী” চায়? মোগল সম্রাট বাদশাহ আকবর উলামায়ে ‘সূ’দের ধোঁকায় ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম’ বাদ দিয়ে কুফরী ধর্ম ‘দ্বীনে ইলাহী’ প্রবর্তন করে। সে ইসলামবিদ্বেষী হওয়ার কারণে হিজরী সন থেকে মুসলমানগণেরকে সরিয়ে দেয়ার জন্য খাজনা আদায়ের 

অমঙ্গলযাত্রা নিয়ে জাহিল মূর্খদের মূর্খতাসূচক বক্তব্য


বৈশাখী পূজার একদিন আগে এক বক্তা বলেছে- কথিত অমঙ্গযাত্রা নাকি মুঘল আমল থেকেই হয়ে আসছে। আর মঙ্গল শব্দটার সাথে নাকি হিন্দুয়ানীর কোনো সম্পর্ক নেই। এমন খবর শুনে দেখে দেশের শিশু-কিশোর থেকে সব শ্রেণী পেশার মানুষ একপ্রকার হতবাক বললেও চলে। কারণ, যদিও 

পবিত্র মি’রাজ শরীফকালীন যে সকল হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম


প্রথম আসমানে সাক্ষাৎ মুবারক করেছেন প্রথম নবী ও রসূল হযরত আবুল বাশার ছফীউল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি। দ্বিতীয় আসমানে হযরত রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম এবং হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম উনারা। উল্লেখ্য, হযরত ইয়াহইয়া আলাইহিস সালাম এবং হযরত রূহুল্লাহ আলাইহিস সালাম উনারা পরস্পর খালাতো 

পবিত্র রজব মাস উনার ২৭ তারিখ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার আমল ও রোযার বিষয়ে লা’মাযহাবীদের কুফরী বক্তব্যের জবাব


সালাফী ওহাবীরা পবিত্র ২৭ রজব তথা পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার রাতে ইবাদত ও দিনে রোযা রাখার বিরোধিতা করে। তারা বলে- সুন্নী উনাদের কাছে নাকি ‘গুন্ইয়াতুত তালিবীন’ ও ‘মাছাবাতা বিস সুন্নাহ’ ছাড়া আর কোনো কিতাবের দলীল নেই। নাউযুবিল্লাহ! আজকে আমরা দেখবো ‘গুন্ইয়াতুত 

‘পবিত্র লাইলাতুর রগায়িব শরীফ’-এ মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম


পবিত্র ইসলাম উনার সূচনাকাল থেকেই হযরত ছাহাবা আজমাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম এবং পরবর্তীতে সকল আউলিয়ায়ে কিরাম রহমতুল্লাহি আলাইহিম উনারা জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত ব্যয় করেছেন নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুন্নতসমূহ জীবনে প্রতিষ্ঠিত করতে। কিন্তু এই সুন্নতসমূহ 

পবিত্র মি’রাজ শরীফ সংঘটনের সঠিক তারিখ কোনটি?


পবিত্র মি’রাজ শরীফ সম্মানিত রজবুল হারাম শরীফ মাস উনার ২৭ তারিখ লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ (সোমবার) রাতেই হয়েছে। এটাই মশহূর বা প্রসিদ্ধ, গ্রহণযোগ্য ও দলীলভিত্তিক মত। এর বিপরীত মতগুলো গ্রহণযোগ্য নয়। পবিত্র মি’রাজ শরীফ সম্পর্কে মশহূর, গ্রহণযোগ্য ও দলীলভিত্তিক মত নিয়ে