মুসলমানদের ওয়াজিব ইবাদত পবিত্র কুরবানী করার সুবিধার্থে সারাদেশে কমপক্ষে ১০ দিন পূর্ব থেকেই পবিত্র কুরবানীর পশুর হাট বসানোর ঘোষণা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইশরাদ মুবারক করেন, তোমরা পরস্পর পরস্পরকে নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করো, পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে সাহায্য-সহযোগিতা করো না। তাই ৯৮ ভাগ মুসলমান ও রাষ্ট্রদ্বীন ইসলাম উনার দেশের সরকারের জন্য ফরয হচ্ছে- মুসলমানদের ওয়াজিব ইবাদত পবিত্র কুরবানী 

সুন্নতী পোশাক টুপি


সুন্নতী পোশাক টুপির বর্ননা: হযরত আবু কাবশা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ছাহাবী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের টুপি ছিল গোল। [তিরমিযী শরীফ, মিশকাত শরীফ] অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম, 

পবিত্র সুন্নত মুবারক জারী হওয়া মানেই বিদয়াত দূরীভূত হওয়া


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ফিতনা-ফাসাদের যুগে যে একটি সুন্নত মুবারক উনাকে মাড়ির দাঁত দ্বারা শক্তভাবে আঁকড়িয়ে ধারণ করবে, সে একশত শহীদ উনাদের সওয়াব পাবে, কেমন শহীদ? বদর এবং উহুদের যুদ্ধে শরীক হওয়া শহীদ উনাদের ছওয়াব তথা মর্যাদা-মর্তবা 

খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহকে অবৈধ বলার দুঃসাহস দেখাচ্ছে ওরা কারা?


প্রশাসন ও সরকার ব্রিটিশ বেনিয়াদের দ্বারা রচিত খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন বাতিল করেছে। কিন্তু একইসাথে নতুন করে দেশিবিদেশী জাহিলদের কাছে মাথানত করে বাল্যবিবাহ নিরোধ বিল নতুন আঙ্গিকে সংসদে পাস করা হয়েছে। নাউযুবিল্লাহ! এর দ্বারা সরকারী আমলারা তাদের নির্বাচনী ওয়াদা থেকে 

বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যই বিধর্মীরা ভারতবর্ষের মুসলিম শাসকদের ইতিহাসকে বিকৃত করে থাকে


“মহোদয়গণ, এখানে ঐ ছবির সামনে দাঁড়িয়ে (দেয়ালে টাঙ্গানো শিবাজির ছবি দেখিয়ে) আমরা কি তার জীবন থেকে অনুপ্রেরণা লাভ করতে পারি না।… আমি জানি শিবাজি বার বার বঙ্গদেশে হামলা করেছিল (হাস্য), তার বাহিনী আমাদের সম্পদ লুট করেছে, আমাদের মন্দির ও গৃহদেবতা পর্যন্ত 

জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি, কাশি হলেই করোনা নয়।


জ্বর, ঠাণ্ডা, সর্দি ও কাশি হওয়া খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। এ সম্পর্কে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, عن حضرت أَبِىْ عَسِيبٍ رضى الله تعالى عنه مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى 

তারা ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই বলে, কিন্তু মুসলমানরা প্রতিবাদ করতেও লজ্জা পায়!


ইন্টারনেট খুললে, দেশের পত্র-পত্রিকাগুলোর পাতা উল্টালে বেপর্দা, বেহায়া আর ইসলাম নিষিদ্ধ কাজগুলোরই প্রশংসা। অমুক নারী খেলোয়াড় এটা জিতেছে, অমুক নায়িকা এটা করেছে সেটা করেছে। যেন সে বিরাট কিছু। অথচ সে যে বিবস্ত্র প্রায় পোশাক পরে লাখো পুরুষদের সামনে শারীরিক কসরত করে 

নদী রক্ষার নামে পবিত্র মসজিদ ভাঙ্গা বা স্থানান্তর করা চলবে না, কারণ পবিত্র মসজিদ উনার মালিক কোন ব্যক্তি-গোষ্ঠি বা


রাস্তা-ঘাট, ফ্লাইওভার, মেট্ররেল, নদী সংরক্ষণ বা সরকারী-বেসরকারী যে কোন প্রয়োজনের নাম দিয়ে পবিত্র মসজিদ ভাঙ্গা, স্থানান্তর করা অথবা মসজিদ উনার জমি বিক্রয় করা চলবে না। কারণ পবিত্র মসজিদ উনার মালিক কোন ব্যক্তি-গোষ্ঠি বা কোন দেশের সরকার নয়। পবিত্র মসজিদ উনার একমাত্র 

তিনি এমন এক মর্যাদাসম্পন্না ওলীআল্লাহ, যে মাক্বামে সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আর কেউ পৌঁছাতে পারবে না


আমাদের মহাসম্মানিতা সাইয়্যিদাহ হযরত দাদীজান ক্বিবলা আলাইহাস সালাম তিনি এমন এক মর্যাদার অধিকারিণী সেই অবস্থান বা মাক্বামে সৃষ্টির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আর কেউ কখনো পৌঁছতে পারবে না। যা হচ্ছে, ‘উম্মু মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহাস সালাম হওয়ার সুমহান মর্যাদা। অর্থাৎ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ 

উম্মু সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম হযরত দাদী হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার বেমেছাল ফাযায়িল-ফযীলত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র হাদীছে কুদছী শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি পুশিদা ছিলাম। যখন আমার মুহব্বত হলো যে, আমি প্রকাশ পাই; তখন আমি আমার হাবীব, নূরে মুজাসাসম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে 

আজ সুমহান বরকতময় ২৫শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আওলাদে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত সাইয়্যিদাতুন নিসা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই আমার ওলী উনারা আমার জুব্বা মুবারক উনার নিচে অর্থাৎ আমার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে অবস্থান করেন, আমি ছাড়া উনাদেরকে কেউ 

প্রকৃত ইতিহাস কি বলে? কথিত দেবোত্তর সম্পত্তি, নাকি মুসলমানদের লাখেরাজ সম্পত্তি?


লাখেরাজ সম্পত্তি বলা হয় নিষ্কর বা শুল্ক মুক্ত ভূমিকে। মুসলিম শাসন আমলে মুসলিম শাসকগণ কর্তৃক এ অঞ্চলের মুসলিম ছূফী-দরবেশ ও আলিম-উলামা উনাদেরকে প্রশাসনের তরফ থেকে নিষ্কর অর্থাৎ বিনা খাজনায় হাজার হাজার বিঘা সম্পত্তি দেয়া হতো; যাতে করে উনারা নির্বিঘেœ ইসলামী শিক্ষা-দিক্ষার