প্রাণীর ছবি ও ছবি সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় হারাম


মানুষের ছবি, জীব বা প্রাণীর ছবি, প্রতিকৃতি, পুতুল আঁকা, ছাপা, তোলা সবই হারাম। হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছালিছাহ ছিদ্দীক্বা আলাইহাস সালাম উনার থেকে বর্ণিত রয়েছে, সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক 

মুসলমান বেশ ধারণ করে সউদী ওহাবী সরকার বছর বছর ধরে মুসলমানদের পবিত্র হজ্জ নষ্ট করে যাচ্ছে


দলীল-প্রমাণ থেকে জানা যায় সউদী শাসনকারী বাদশাহদের পূর্বপুরুষ ছিলো ইহুদী। সে সূত্রে বর্তমান সউদী ওহাবী সরকার মুসলমানের বেশ ধারণ করে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রাণকেন্দ্র পবিত্র মক্কা শরীফ-এ বসে ইহুদী ধ্যান-ধারণা নিয়ে ইহুদী স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে। উপরে লম্বা জামা আর 

দ্বয়ীফ হলেই কি হাদীছ শরীফ গ্রহণ করা যাবে না?


যারা এমন কথা বলে তাদের জেনে রাখা দরকার ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার বিখ্যাত “আদাবুল মুফরাদ” কিতাবে এমন অনেক পবিত্র হাদীছ শরীফ বর্ণনা করেছেন যার সনদ দ্বয়ীফ। বিখ্যাত হাদীছ শরীফ বিশারদ ইবনে হাজার আসকালানী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার “তাকরীবুত তাহযীব” নামক 

‘উন্নয়নের’ কথা বলে যারা মসজিদ ভাঙছে তাদেরকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنْ مَنَعَ مَسَاجِدَ اللهِ أَنْ يُذْكَرَ فِيهَا اسْمُهُ وَسَعَى فِي خَرَابِهَا أُولَئِكَ مَا كَانَ لَهُمْ أَنْ يَدْخُلُوهَا إِلَّا خَائِفِينَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا خِزْيٌ 

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মান-মর্যাদা ও গুরুত্ব বুঝতে- চলো যাই রাজারবাগ দরবার শরীফ দলে দলে


পুঁথিগত শিক্ষা দ্বারা কখনো পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানার্জন হয় না। কেননা বই বা পুস্তক দেখে যদি শিক্ষার্জন করা যেতো তাহলে মাদরাসা, মক্তব, স্কুল, কলেজ, মহাবিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি বিদ্যাপীঠ স্থাপনের প্রয়োজন হতো না। প্রত্যেক ছাত্ররাই লাইব্রেরী থেকে বই-পুস্তক ক্রয় করে পড়ালেখা করতে পারতো। কিন্তু 

পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ পাঠ কমে যাওয়ার কারণেই মানুষ রহমত বরকত থেকে বঞ্চিত হচ্ছে


মুসলিম সমাজে পবিত্র মীলাদ শরীফ ক্বিয়াম শরীফ উপলক্ষে সমবেত হওয়া, দুরূদ শরীফ এবং সালাম শরীফ উনাদের মাহফিল করা সেই সালফে সালেহীন রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদেরও আগে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদের যামানা হতেই চলে আসছে। সুবহানাল্লাহ! সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের দেশের 

যাদের আক্বীদা বিশুদ্ধ নয় এবং আমলও পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ তারা কস্মিনকালেও মুসলমানের অন্তর্ভুক্ত


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং প্রকৃত মুসলমান না হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করো না। যাদের আক্বীদা বিশুদ্ধ নয় এবং আমলও পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের খিলাফ 

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য ফরয


উছুলে ফিক্বাহর সমস্ত কিতাবেই উল্লেখ আছে যে- اَلْاَمْرُ لِلْوُجُوْبِ অর্থাৎ আদেশসূচক বাক্য দ্বারা সাধারণত ফরয-ওয়াজিব সাব্যস্ত হয়ে থাকে। (উছূলুল বাযদুবী, উছূলুশ শাশী, আল মানার, নূরুল আনওয়ার) যেমন- পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- اَقِيْمُوا الصَّلٰوةَ অর্থাৎ “তোমরা নামায আদায় 

মুসলিমদের বিরুদ্ধে এত এত চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র যে কারণে


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদীদেরকে অতঃপর মুশররিকদেরকে।” (সম্মানিত ও পবিত্র সূরা মায়িদাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২) আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- 

বিধর্মীরা তাদের কথিত ধর্মীয় ঐতিহ্য লালন করতে অসভ্যতা, বর্বরতা, কুসংস্কারকে আঁকড়ে ধরে আছে; পক্ষান্তরে মুসলমানরা কাফিরদের সাথে মিশে নিজের


মালউন (অভিশপ্ত) সম্প্রদায় হিসেবে যবন, ম্লেচ্ছ, অস্পৃশ্য মূর্তিপূজারী (মুশরিক) জাতি কুখ্যাতি অর্জন করেছে বহু বছর আগে। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ, পবিত্র আয়াত শরীফ-২৮) কাফির-মুশরিকরা এখনো সভ্য সমাজে (মুসলমানদের সাথে) বাস 

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারীর জন্য শুভ সংবাদ


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “হযরত আবু দ্বারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আমির আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার গৃহে উপস্থিত 

ইতিহাস পর্যালোচনা:‘আমার সোনার বাংলা’ মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিধর্মীদেরকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য লিখিত


আমার সোনার বাংলা বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হলেও এর রচনার মূলে ছিল রবীন্দ্রের মুসলিমবিদ্বেষী মনোভাব এবং বাংলাদেশ সৃষ্টির বিরুদ্ধাচরণ। ১৯০৫ ঈসায়ী সালে বঙ্গভঙ্গ আইনের দ্বারা বাংলা প্রদেশকে ভাগ করে পূর্ব-বাংলা এবং পশ্চিম-বাংলা নামে দুটি প্রদেশে রুপান্তর করা হয়। পূর্ব-বাংলার অংশে যোগ হয়