পুরুষদের ন্যায় মহিলাদেরও দ্বীনী তা’লীম গ্রহণ করা ফরযে আইনের অন্তর্ভুক্ত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ-মহিলার জন্য ইলম অর্জন করা ফরয।” বর্তমানে দেখা যায়, দেশে-বিদেশে পুরুষরা বাইয়াত গ্রহণ করে, যিকির-ফিকির করে আমল করে। কিন্তু মেয়েদেরকে কিতাবাদি পড়তে বা যিকির-ফিকির করতে খুব একটা দেখা যায় না। বরং 

অবশেষে গউছুল আ’যম উনার পিছনে নামায পড়ার সৌভাগ্য নছীব হলো। সুবহানাল্লাহ!


হযরত আউলিয়ায়ে কিরাম রহমাতুল্লাহি আলাইহিম উনাদের লক্বব মুবারক সমূহের মধ্যে একটি বিশেষ লক্বব মুবারক হচ্ছে গউছুল আ’যম। গউছুল আ’যম লক্বব মুবারক উনার শাব্দিক অর্থ হচ্ছে মহান আশ্রয়দাতা, মহান পরিত্রাণ দানকারী ইত্যাদি। পারিভাষিক অর্থ হচ্ছে, যার উসীলায় বা যে মহান ব্যক্তিত্ব উনার 

শয়তানের ওয়াসওয়াসার কারণে কোন গুনাহর কাজ সংগঠিত হলে উপায় কি?


শয়তান নিজে বিভ্রান্ত এবং সে মানুষকেও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা হিজর শরীফ উনার ৩৯ ও ৪০ নং আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- قَالَ رَبِّ بِمَا اَغْوَيْتَنِىْ لَاُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِىْ الْاَرْضِ وَلَاُغْوِيَنَّهُمْ 

দুনিয়াবী পড়ালেখার অজুহাতে সন্তানদের পবিত্র ইসলামী শিক্ষার অধিকার থেকে বিরত রাখা যাবে না


পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে রোযা রাখা প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়ষ্ক মুমিন মুসলমান ছেলে মেয়ে সবার জন্যই ফরযে আইন। আর বলার অপেক্ষাই রাখে না যে, পবিত্র দ্বীন ইসলামে নির্দেশিত প্রতিটি আমল আখলাক ছোট বেলা হতে শিক্ষা দিতে হয় কিংবা প্র্যাকটিস করাতে হয়। এটা 

‘অছাম্প্রদায়িক’ চেতনা ধারণের কারণেই একদা প্রাচ্যের অক্সফোর্ড বলে পরিচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন ছা-ছমুছা-ছপের কারখানাতে পরিণত হয়েছে


“এক কাপ ছা, একটা ছমুছা, আর একটা ছপ, মাত্র দশ টাকায় এই তিনটা জিনিস পাওয়া যাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে।” প্রতি বছর আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় র‌্যাঙ্কিং প্রকাশিত হওয়ার পর যখন তাতে ঢাবি, বুয়েট কিংবা বাংলাদেশের কোনো ভার্সিটিকেই প্রথম ১০০০ এর তালিকায় খুঁজে 

এত সুন্দর নামায! সুবহানাল্লাহ!


আজ থেকে অনেক বছর আগের কথা, আনুমানিক ১৯৯৫/১৯৯৬ খৃঃ সনে হবে। পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ সংলগ্ন রাস্তাটি হচ্ছে ৫নং সার্কুলার রোড নামে পরিচিত। এ রোডের সাথে ঘেঁষে ছিল তিন তলা বিশিষ্ট মার্কেট। মাঝ বরাবর সুন্নতী জামে মসজিদ গেইট এবং রাস্তার বিপরীত 

প্রত্যেক মুসলমান পুরুষ ও মহিলা সকলের জন্যই ফরযে আইন হচ্ছে- যথাযথভাবে পাঁচ ওয়াক্ত পবিত্র ছলাত বা নামায যথা সময়ে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই পবিত্র ছলাত বা নামায মু’মিনদের উপর ফরয নির্দিষ্ট সময়ে’। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, পবিত্র ছলাত বা নামায হচ্ছেন সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার স্তম্ভ, যে 

জান ও মাল দ্বারা অবারিত খিদমত মুবারকের আন্জাম!


হযরত আবূ সাঈদ খুদরী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাইয়্যিদুনা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম তিনি হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের মধ্যে 

এক স্বঘোষিত ঈমানহারা, বেঈমানের মুখোশ উন্মোচন


‘অসীম ইলম মুবারক উনার অধিকারী’ বিশ্বাস করলে বা বললে যদি ঈমানহারা হতে হয়, তাহলে আইনুল হুদা ওরফে আইনুশ শয়তান লা’নাতুল্লাহি আলাইহি সদরল আমিনকে মাওলানা বলে এবং মাদরাসা থেকে ফারেগ হওয়া ব্যক্তিদেরকে মাওলানা বলা জায়েয বলে, সে নিজেই ঈমানহারা হয়ে বেঈমান হয়ে 

হে পিতা-মাতা! আপনার সন্তান পাঠ্যবই থেকে কি শিখছে?


আপনিতো খুব করে ভাবছেন আপনার সন্তান স্কুল-কলেজে গিয়ে খুব করে পড়াশুনা করে অনেক বড় কিছু হবে। কিন্তু আপনি কি ভেবে দেখেছেন আপনার এ সন্তান আপনারই আদর্শ থেকে ছিটকে পড়ছে। আপনি যে দ্বীন-ধর্ম শিক্ষা করে বড় হয়েছেন, যে ঈমান নিয়ে আপনি পিতা-মাতা 

মুসলমান ঈমানী বলে বলীয়ান হলে কাফিরদের উপর বিজয় নিশ্চিত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “মু’মিন-মুসলমানগণকে সাহায্য করাই মহান আল্লাহ পাক উনার হক্ব।” (পবিত্র সূরা রূম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৭) সুবহানাল্লাহ! মহাপবিত্র কুরআন শরীফে নাযিলকৃত পবিত্র আয়াত শরীফ দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রতিভাত 

গান-বাজনা হারাম; যা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে স্পষ্ট করেই বলে দেয়া হয়েছে


পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের বিধান মুবারক দ্বারা গান বাজনা হারাম সাব্যস্ত হয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে لَـهْوَ الْـحَدِيْثِ “লাহওয়াল হাদীছ” উনার দ্বারা গান বাজনাকেই বুঝানো হয়েছে। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- اِسْتِمَاعُ الْمَلَاهِىْ