সরকারের প্রতি- পাঁচ ওয়াক্ত নামায যে মহা পবিত্রতম ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ-এ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষে নাযিল হলেন সেই


মুসলিম উম্মাহ উনাদের সবচেয়ে বড় অবিস্মরণীয় ও ঐতিহাসিক রাত ও দিন হচ্ছে পবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ তথা মি’রাজ শরীফ উনার রাত ও দিন। গ্রহণযোগ্য ও বিশুদ্ধ বর্ণনা মতে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহু হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দুনিয়াবী পবিত্রতম 

পবিত্র মি’রাজ শরীফ উপলক্ষে ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ রোযা রাখা নিয়ে দেওবন্দী-খারিজী মৌলুভীদের এতো গাত্রদাহ কেন?


পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ মাস আসলেই কতিপয় চিহ্নিত খারিজী দেওবন্দী মৌলুভী লিখে থাকে- পবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ উনার রোযাকে বিশেষ বৈশিষ্ট্যের সাথে মূল্যায়ন করা যাবে না। কারণস্বরূপ তারা বলে এই দিনে নাকি মহান আল্লাহ পাক তিনি বা মহান আল্লাহ পাক 

ছাহিবে কা’বা কাওসাইনে আও আদনা, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত আযিমুশ শান মি’রাজ


বোরাক মুবারকে আরোহন ও পথিমধ্যে যা ঘটলো: খালিক্ব, মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, আখিরী নবী, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আয়াত শরীফ তিলাওয়াত করলেন এবং ইরশাদ করলেন। (রজব মাসের ২৭ তারিখ) ইশার নামাযের পর আমার 

পবিত্র মি’রাজ শরীফ নিয়ে পত্র-পত্রিকা ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়াগুলোর মিথ্যাচার মুসলমান উনারা বরদাশত করবেন না


আমাদের মাঝে অবস্থান করছেন পবিত্র মাহে রজবুল হারাম; যা একখানা অতি সম্মানিত মাস। এ পবিত্র মাস উনার অনেকগুলো বরকতময় ও রহমতপূর্ণ রাতের মাঝে পবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ রাত্র তথা ২৬শে রজবুল হারাম শরীফ দিবাগত রাত অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ মুবারক 

আজ সুমহান বরকতময় মহাপবিত্র ২৭শে রজবুল হারাম শরীফ। অর্থ্যাৎ পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার বরকতপূর্ণ দিন। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক যিনি উনার মহাসম্মানিত মাহবুব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে কোনো এক রাতের সামান্য সময়ে (প্রথমে) পবিত্র বাইতুল্লাহ শরীফ থেকে পবিত্র বাইতুল মুকাদ্দাস শরীফ পর্যন্ত, যার আশপাশ বরকতময়; অতঃপর উনার নিদর্শনসমূহ দেখানোর 

অমুসলিম জাতিসমূহের বংশপরম্পরায় পালনীয় বিশেষায়িত মুসলিমবিরোধী খাদ্যাভ্যাস-সংস্কৃতি-পোশাকরীতি ও মুসলমানদের করণীয়


অস্ট্রেলিয়ার সিডনি রাজ্যের লিভারপুল শহরে একটি ‘আন্তঃধর্মীয় সম্মেলনে’র আয়োজন করেছিল লিভারপুল সিটি কাউন্সিল কর্তৃপক্ষ। সম্মেলনে আগতদের মধ্যে মুসলিম অতিথি থাকায় খাবারের মেন্যুতে স্বাভাবিকভাবেই শুকরের গোশত রাখা হয়নি। কিন্তু তাতে করে ফুঁসে উঠে উক্ত এলাকার মেসিডোনিয়ান খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যরা। স্থানীয় পত্রিকা ‘সিডনি 

মুসলমানদের একটি মর্মান্তিক ইতিহাস ‘পহেলা এপ্রিল’


“এপ্রিল ফুল” বাক্যটা মূলত ইংরেজি। অর্থ- এপ্রিলের বোকা। এপ্রিল ফুল ইতিহাসের এক হৃদয় বিদারক ঘটনা। প্রতি বছর পহেলা এপ্রিল এলেই একে অপরকে বোকা বানানো এবং নিজেকে চালাক প্রতিপন্ন করার জন্য এক শ্রেণীর লোকদের বিশেষভাবে তৎপর হয়ে উঠতে দেখা যায়। বলাবাহুল্য, তারা 

যারা হিজাব বা বোরকার বিরুদ্ধে বলবে, তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে মুসলমান থাকবে না; বরং মুরতাদ ও গুমরাহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের মাধ্যমে পর্দা বা বোরকা ফরয করেছেন। হিজাব বা বোরকা মুসলমানদের দ্বীনি অধিকার আর খাছ করে মুসলিম মহিলাদের সম্মান এবং 

পবিত্র যাকাত আদায়ের বিষয়ে চু-চেরা করা ঈমানদারের লক্ষণ নয়


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে। ঘটনাটি পর্দার হুকুম নাযিল হওয়ার পূর্বের ঘটনা। যখন মহিলা ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নছীহত মুবারক শুনতে সরাসরি আসতেন। সেই সময় 

১লা এপ্রিলের সেই মর্মান্তিক ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি কি এ দেশেও হতে যাচ্ছে?


স্পেন মুসলমানদের দ্বারা বিজীত হয় ৭১১ ঈসায়ী সালে। কিন্তু কিছু সংখ্যক মুসলিম নামধারী মুনাফিক, গাদ্দার এবং ইহুদী-নাছারাদের গভীর ষড়যন্ত্রের ফলে স্পেন মুসলমানদের হাতছাড়া হয় ১৪৯২ সালে। প্রায় ৮ শত বছরের মুসলিম ঐতিহ্যের এক গৌরবেজ্জ্বল অধ্যায়। বর্তমানকালের যে কথিত সভ্য ইউরোপ দাবি 

পবিত্র ইসলামী মূল্যবোধ ও আদর্শ প্রতিফলনে পবিত্র লাইলাতুল মি’রাজ শরীফ হোক আমাদের চেতনা


পবিত্র রজবুল হারাম মাস উনারই ২৬ তারিখ দিবাগত রাত অর্থাৎ ২৭ তারিখ রাতটি হচ্ছেন পবিত্র মি’রাজ শরীফ উনার মুবারক রাত। এ মুবারক রাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মানিত নুবুওওয়াত মুবারক প্রকাশের একাদশ বৎসরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে মহান 

সম্মানিত আহলে বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদেরকে মুহব্বত করার প্রতিদানসমূহ


সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নূরানী, পূত-পবিত্র আহলু বাইত শরীফ অর্থাৎ উনার সম্মানিত আব্বা-আম্মা আলাইহিমাস সালাম, হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম এবং সম্মানিত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম, আলাইহিন্নাস সালাম