১৩ বছরের শিশু মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পায়, কিন্তু ১৮ বছরের ছেলে- মেয়েরা কেন বাল্যবিবাহের স্বীকৃতি পায় না?


মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা ও বয়স নির্ধারণ করে গত ৮ নভেম্বর (২০১৬ঈসায়ী ) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে নতুনভাবে অন্তর্ভূক্তির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার বয়স ২৬-০৩-১৯৭১ তারিখে ন্যূনতম ১৩ বছর হতে হবে। ১৯৭১ সালে ১৩ বছর বয়সী শিশুরা যারা 

বিষাক্ত জিএম শস্য কেন নিষিদ্ধ হচ্ছে না, এ দেশের সরকার কি জিএম ফুড বিষয়ে অজ্ঞ?


বর্তমান বিশ্বের প্রায় সব দেশই বিষাক্ত বিকৃত জিন বা জিএম (জেনেটিক্যাল মডিফাইড) শস্য কঠোরভাবে নিষেধাজ্ঞা করছে। ইউরোপের ২৬টি দেশের মধ্যে ১৯টি দেশে জিএম শস্য চাষ নিষিদ্ধ। ফিলিপাইনে গোল্ডেন রাইস ব্যা- করার জন্য সাধারণ জনগণ আন্দোলন পর্যন্ত করেছে। ভারতে প্রবল বিতর্ক এবং 

অসুবিধা শুধু ইসলাম পালন করলেই কেন?


পবিত্র ঈমানে মুফাসসাল উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে, ‘আমি বিশ্বাস করলাম মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি, মহান আল্লাহ পাক উনার রাসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি, মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে প্রেরিত কিতাবসমূহের প্রতি, হযরত 

রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ কোথায়-কিভাবে খরচ হচ্ছে তার জবাবদিহিতা প্রাপ্তি জাতির মৌলিক অধিকার


সরকার দেশের কর্ণধার, পরিচালক। একটি সরকার দেশের মালিক নয়, জাতির প্রতিনিধি মাত্র। তাকে রাষ্ট্রীয় যেকোনো কাজ করতে হলে যেমন জাতিকে অবহিত করতে হবে; অনুরূপ রাষ্ট্রীয় কোষাগারের আয়-ব্যয়ের হিসাবও সুস্পষ্টভাবে দিতে হবে। সরকারের ইচ্ছা হলেই কোনো খাতে রাষ্ট্রীয় টাকা ব্যয় করতে পারবে 

পবিত্র মীলাদ শরীফ উনার তারতীবের একাল-সেকাল


অনেকেই বলে থাকে- আগে কি মীলাদ শরীফ ছিল? এখন যেভাবে পড়া হয় সেভাবে কি পড়া হতো? হযরত ছাহাবা আজমাইন রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা কি পবিত্র মীলাদ শরীফ পড়েছেন? উনারা কি পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ (শ্রেষ্ঠ দিনসমূহের মধ্যে যেদিন শ্রেষ্ঠতম) শরীফ অর্থাৎ পবিত্র 

‘আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ’ পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার ৩০ তারিখে পালিত না হয়ে এ মাস উনার শেষ আরবিয়া


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ১১ হিজরী সনের পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার শেষ আরবিয়া বা বুধবার সকাল বেলা মারীদ্বী শান মুবারক থেকে ছিহ্হাতী শান মুবারক প্রকাশ করেছিলেন। তাই উক্ত মুবারক দিন আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ 

সংখ্যালঘুরা নয় বরং সংখ্যাগুরু মুসলিমরাই বেশি বঞ্চনার শিকার


স্বাভাবিক নিয়মেতো বটেই কথিত গণতান্ত্রিক নিয়মেও সংখ্যাগরিষ্ঠদের প্রাধান্য দেয়াই নিয়ম। সে হিসেবে বাংলাদেশের মুসলমানরাই দেশের সমস্ত ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাবে এটাই ছিলো স্বাভাবিক। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা কি সেটা প্রকাশ করে? না, বাস্তবতা কিন্তু তার বিপরীত। কারণ এখনো এদেশের কোটি কোটি মুসলমান 

বাংলাদেশ থেকে টাকা চলে যাচ্ছে এতগুলো দেশে!!!


বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ভোগ করছে ভারত। ভারত ছাড়াও আরো ৩৬টি দেশ পাচার হওয়া অর্থ ভোগ করে যাচ্ছে। এ সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণাদি এখন অনলাইনে ভেসে বেড়াচ্ছে। সবাই দেখছে, আর আশ্চর্য হচ্ছে!! প্রতিবেদনগুলো থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ভারত 

“নিজ দায়িত্ব বাদ দিয়ে অন্যের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সব কিছু ভণ্ডল করেছে নারী আনোয়ার হুসাইন খান”


বিভ্রান্ত ও আত্মবিস্মৃত নেতৃত্বের বোঝা বইছে হতভাগ্য বাংলাদেশী জনতা। ক্ষমতাসীন কিংবা বিরোধী কোনো দলই নিজ ক্ষমতা বলে নেতৃত্ব দেয় না। ভাগ্যের ইশারায় এরা নেতৃত্ব দিচ্ছে। দুই প্রধান দলের দুই শীর্ষ নেতার একজন পিতার পক্ষে অন্যজন স্বামীর পক্ষে দায়িত্ব পালন করছে। আসলে 

সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আ’যম পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ। যা আসতে আর মাত্র ২০ দিন বাকি।সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলুন, মহান আল্লাহ পাক উনার ফদ্বল ও রহমত মুবারক অর্থাৎ আমাকে পাওয়ার কারণে তোমাদের উচিত ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা।’ সুবহানাল্লাহ! আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ 

সউদী সরকার তাদের অপকর্মগুলো ঢেকে রাখতেই ওহাবীপন্থীদের নিয়ন্ত্রিত মসজিদ-মাদরাসায় অর্থ যোগান দিচ্ছে


ইহুদী বংশধর সউদী কথিত রাজপরিবারের সমস্ত অপকর্মের পক্ষে সাফাই গায় ওলীআল্লাহ বিদ্বেষী, নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিদ্বেষী ওহাবীরা, তাদের সমর্থন ও ওয়াসওয়াসার কারণেই মুসলমানগণ সউদী শাসকদের অপকর্মের বিরুদ্ধে বোবা হয়ে থাকে। এমনকি মুসলিম দেশগুলোতে হামলা চালিয়ে হাজার হাজার মুসলমান শহীদ করার 

সন্ত্রাসী উপজাতিদের এ দেশ থেকে বিতাড়িত করলেই পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসবে


বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্ব থেকেই বার্মা, নেপাল, ভারত প্রভৃতি দেশ থেকে আসা উপজাতিরা বাংলাদেশের পাহাড়গুলোতে খুঁটি গেড়েছিল। তৎকালীন সরকারের উচিত ছিল এগুলোকে আশ্রয় না দিয়ে বিতাড়িত করা। কিন্তু সেটা না করায় আজ অবধি এর যন্ত্রণার ফল ভোগ করছে দেশের সরকার ও জনগণ।