নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শাফায়াত মুবারক ওয়াজিব————-


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র শাফায়াত মুবারক ওয়াজিব- পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পালনকারী উম্মত উনাদের জন্য। সুবহানাল্লাহ! মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা সকাল-সন্ধ্যা অর্থাৎ দায়িমীভাবে বা অনন্তকাল নূরে মুজাস্সাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক 

ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নতুন কোন আমল নয়


হে মুসলমান! বিদয়াতি ওহাবীদের ফিতনায় বিভ্রান্ত হবেন না। ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নতুন কোন আমল নয়। জেনে রাখুন স্বয়ং আখেরী রসূল হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু অালাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নিজেই উনার বিলাদত শরীফ আলোচনা করেছেন। সহীহ হাদীস শরীফে 

মুসলমানরা যখন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাবে, তখন তাদের উপর জালেম শাসক চাপিয়ে দেওয়া হবে


বাগদাদ দখলের পর হালাকু খাঁর মেয়ে বাগদাদ ঘুরতে বের হল। পথিমধ্যে সে দেখল একদল লোক একজন লোককে ঘিরে জটলা পাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। হালাকু খাঁর কন্যা কৌতুহলী হয়ে লোকটি সম্পর্কে জানার জন্য লোক পাঠালো। খবর নিয়ে জানা গেল লোকটি একজন আলেম। অতঃপর 

পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের উপর ইজমা প্রমাণিত। আর ইজমার বিরোধীতা করে আহলে সুন্নাত ওয়াল


ইতিহাস স্বাক্ষী মুসলমানরা সেই খাইরুল কুরুন থেকেই পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করে আসছেন, এবং কোন আলেম, ইমাম বূজুর্গ সেই কাজের প্রতি কোন বিরুপ মন্তব্য করেন নাই। পবিত্র মক্কা শরীফ, মদীনা শরীফ, সিরিয়া, বসরা, মিশর, স্পেন, ভারতবর্ষ 

সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে, অশুভ, কুলক্ষণ ইত্যাদি বিশ্বাস করা এবং কোনো মাস, দিন ও সময়কে খারাপ বলা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা ঈমান আনো। অর্থাৎ পবিত্র আক্বীদা উনাকে বিশুদ্ধ করো।’ পবিত্র আক্বীদা শুদ্ধ করার মাস হচ্ছেন ‘পবিত্র ছফর শরীফ মাস’। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে, অশুভ, কুলক্ষণ ইত্যাদি বিশ্বাস করা এবং কোনো 

আমরা খুশি প্রকাশ করি


ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করার কথা শুনলেই তোমাদের চুলকানি শুরু হয়ে যায় । এটাই স্বাভাবিক । ইবলিশ তো চিৎকার করে কেঁদেছিল নবীজি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমনের দিন। তোমরাতো ইবলিসেরই শাগরেদ । এমনিতো হবে। নাউজুবিল্লাহ । তোমরা চিৎকার করে কাঁদতে থাকবে 

হারাম আর হালাল হবে না , হালাল আর হারাম হবে না


হারাম বিষয় টাকে হারাম জানাই শরীয়তের বিধান । হারামকে হালাল করা বা বলা যাবে না । হালালকে হারাম বলা বা করা যাবে না । কেউ হারাম কাজ করলে গুনাহ হবে সেটাই শরীয়তের ফায়সালা । এটা মানাই ঈমানি দায়িত্ব। এটা মানাই মহান 

নাস্তিক ও সংশয়বাদীরা ভাববে কী


মহাজ্ঞানী স্রষ্টা তিনি যা হারাম করছেন তা আপনার যুক্তি দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা আর তলোয়ার দিয়ে সাগরের পানি দুইভাগ করার চেষ্টা সমান। আল্লাহকে ভয় করুন, হারাম হালাল মেনে চলুন। শেয়ার করুন TwitterFacebookGoogle+ 

হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে পাওয়ার কারনে খুশি প্রকাশ করা আল্লাহ পাকের আদেশ


হাবীবুল্লাহ, হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হচ্ছেন আল্লাহ পাক উনার রহমত। আর উনাকে পাওয়ার কারনে ঈদ বা খুশি প্রকাশ করা আল্লাহ পাকের আদেশ। মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ! আমি আপনাকে সমগ্র 

ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঈদ হলে এই ঈদে নামাজ কত রাকাত?


ঈদ হলে তার সাথে নামাজ থাকতে হবে এমন শর্ত শরীয়তে কোথায় আছে? সহীহ হাদীস শরীফ থেকে প্রমানিত জুমুয়ার দিন ঈদের দিন। আমি প্রশ্ন করবো এই ঈদে নামাজ কত রাকাত? চালাকী করে হয়তো বলতে পারেন জুমুয়ার নামাজই হচ্ছে ঈদের নামাজ। এই চালাকীর 

খবরে এসেছে-“মাদ্রাসা পাঠ্যবই থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে জিহাদ অধ্যায়”


খবরের ভেতরে বলা হচ্ছে- “বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডের নতুন পাঠ্যবইয়ে জিহাদ শিক্ষা বিষয়ক কোনও অধ্যায় থাকছে না। গত চার দশকে এ বিষয়ে এটাই প্রথম উদ্যোগ। আলিয়া বোর্ডের পাঠ্যবই থেকে জিহাদ সম্পর্কিত সব অধ্যায় বাদ দেওয়া হচ্ছে। ২০১৮ সালে এসব বই বিতরণ করা 

বাদশা মুজাফফর আবু সাঈদ রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার আগে থেকেই পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জাঁকজমকের সাথে


মুহম্মদ বিন আব্দুল্লাহ বিন জুফার মক্কী রহমতুল্লাহি আলাইহি ( ৪৯৭- ৫৬৫ হিজরী) তিনি উনার “দুররুল মুনাজ্জাম” গ্রন্থে লিখেন, وقال العلامة ابن ظفر – رحمه الله تعالى -: بل في الدر المنتظم: وقد عمل المحبون للنبي صلى الله عليه وسلم فرحا بمولده