মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ এবং মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের আলোকে ছোঁয়াচে রোগ বা সংক্রামক রোগ বলতে


মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে বা সংক্রামক বলতে কোনো রোগই নেই। কোনো রোগের কোনো ক্ষমতা নেই যে, মহান আল্লাহ পাক উনার ইচ্ছা ব্যতীত কারো উপর আক্রমণ করে। আল্লাহ পাক তিনি সমস্ত জিন-ইনসান ও প্রাণী সৃষ্টি করেছেন এবং তাদের হায়াত-মাওত, 

‘লাইলাতুম মুবারাকাহ’ বা পবিত্র লাইলাতুল বরাত উনার রাত্রি মুবারকে মহান আল্লাহ পাক তিনি বনী কাল্বের মেষের গায়ে যত পশম


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عن حضرت ام المؤمين الثالثة الصديقة عليها السلام قالت فقدت رسول الله صلى الله عليه وسلم ليلة فاذا هو بالبقيع فقال اكنت تخافين ان يحيف الله عليك ورسوله قلت يا رسول الله صلى 

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সুমহান সম্মানার্থে মাহফিল করা, সাধ্যমত খরচ করা সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম ইবাদত


খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন, يَا ايُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءتْكُم مَّوْعِظَة مّن رَّبّكُمْ وَشِفَاء لّمَا فِى الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَة لّلْمُؤْمِنِينَ .قُلْ بِفَضْلِ اللّهِ وَبِرَحْمَتِه فَبِذلِكَ فَلْيَفْرَحُواْ هُوَ خَيْر مّمَّا يَجْمَعُونَ অর্থ 

পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকাহ বা ‘লাইলাতুল বরাত’ কি কি নামে পরিচিত


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার পবিত্র সূরা ‘আদ দুখান’ শরীফ উনার ৩, ৪ নম্বর পবিত্র আয়াত শরীফে ‘শবে বরাত’কে ‘লাইলাতিম মুবারকাতিন’ (বরকতপূর্ণ রাত) হিসেবে উল্লেখ করে ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই আমি উহা (পবিত্র কুরআন শরীফ) এক বরকতপূর্ণ রাত্রিতে 

পবিত্র শবে বরাত অস্বীকারকারীরা চরম বিদয়াতী ও গুমরাহ


আরবী বছরের যে পাঁচটি খাছ রাতে দোয়া কবুলের কথা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে ‘বরাত’ উনার রাত। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার ভাষায় পবিত্র শবে বরাত উনাকে “লাইলাতুম মুবারকা বা বরকতময় রজনী” এবং পবিত্র 

পবিত্র লাইলাতুল বরাত সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানো উলামায়ে ‘সূ’দের বৈশিষ্ট্য


বরকতময় ভাগ্য রজনী বা পবিত্র লাইলাতুল বরাত সমাগত। পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার প্রস্তুতির মাস, শবে বরাত উনার মাস। এ সুমহান মাসের ফযীলত অপরিসীম। দোয়া কবুলের ৫টি রাতের মধ্যে ১টি রাত এই মাসেই। মূর্খরা ভাগ্য রজনী বোঝে না। আসলে আত্মার খুলুছিয়াত না 

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ‘লাইলাতুম মুবারাকাহ’ দ্বারা ‘লাইলাতু নিছফি মিন শা’বান’ বা শবে বরাত উনাকেই বুঝানো হয়েছে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে (পবিত্র শবে বরাত শরীফ-এ) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর আমি ভয় প্রদর্শনকারী। উক্ত রাত্রিতে আমার পক্ষ থেকে সমস্ত প্রজ্ঞাময় কাজগুলো ফায়ছালা করা হয়। আর 

আফসুস! ওইসব ব্যক্তির জন্য, যারা ‘পবিত্র শবে বরাত’ পাওয়ার পরও ইবাদত-বন্দেগী হতে গাফিল থাকে


“হাশরের দিনে বান্দার হিসাব-নিকাশ গ্রহণের পর দেখা যাবে, কতক উম্মতে হাবীবী তাদের উপর জাহান্নামের ফায়ছালা হয়ে গেছে। তখন হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা তাদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যেতে থাকবেন এবং পথিমধ্যে জিজ্ঞাসা করবেন, হে ব্যক্তিরা! তোমাদের দেখে মনে হচ্ছে তোমরা উম্মতে 

যারা পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকাহ তথা শবে বরাত সম্পর্কে চু-চেরা করবে, তারা কাট্টা কাফির ও চিরজাহান্নামী হয়ে যাবে


‘বরাত’ উনার বরকতময় রাতটির বর্ণনা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার কালাম পাক উনার মধ্যে ঘোষণা করেছেন। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি বরকতময় রজনীতে (লাইলাতুল বরাতে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নিশ্চয়ই 

দোয়া কবুলের বিশেষ রাত পবিত্র লাইলাতুল বরাত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- ان الدعاء يستجاب فى خمس ليال اول ليلة من رجب وليلة النصف من شعبان وليلة القدر المباركة وليلتا العيدين অর্থ: “নিশ্চয়ই পাঁচ রাত্রি মুবারকে দোয়া নিশ্চিতভাবে কবুল হয়ে থাকে। (১) রজব মাস উনার 

পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ সম্পর্কে বিশুদ্ধ সনদে বর্ণিত একটি হাদীছ শরীফ; যা ছহীহ হওয়ার ব্যাপারে সকলেই একমত


পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ প্রসঙ্গে অসংখ্য ছহীহ হাদীছ শরীফ বর্ণিত আছে। এত ব্যাপক সংখ্যক বর্ণনার ফলে লা’মাযহাবীদের গুরুরাও পবিত্র হাদীছ শরীফগুলোকে ছহীহ মেনে নিয়েছে। তারপরও কিছু কুয়োর ব্যাঙ সালাফী, লা’মাযহাবীরা হাদীছ শরীফ উনার উছূল সম্পর্কে অজ্ঞ হওয়ার কারণে ছহীহ হাদীছ শরীফসমূহের 

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের মর্যাদা-মর্তবা মুবারক সম্পর্কে স্পষ্ট থেকে স্পষ্ট, বিশুদ্ধ থেকে বিশুদ্ধতম আক্বায়িদ মুবারক শিক্ষা


ছাহিবু ইলমিল আউওয়ালি ওয়াল ইলমিল আখিরি, ক্বইয়ূমুয যামান, আল জাব্বারিউল আউওয়াল, আল ক্বউইউল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুজাদ্দিদে আ’যম মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ আলাইহিছ ছলাতু ওয়াস সালাম