পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালন করা সুন্নত; বিদয়াত বলা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, والذين اتبعوهم باحسان رضى الله عنهم ورضوا عنه অর্থ: “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে যারা উত্তমভাবে অনুসরণ করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের প্রতিও সন্তুষ্ট হবেন এবং তারাও মহান আল্লাহ পাক উনার 

মুসলমানদের জন্য আত-তাক্বউইমুশ শামসী প্রণয়নের প্রেক্ষাপট: বিধর্মীদের প্রণীত যতগুলো ক্যালেন্ডার আছে প্রত্যেকটির সাথেই কুফরী-শিরকী জড়িত


গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির উদ্ভব: বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতে প্রচলিত সৌরবর্ষপঞ্জিটি খ্রিস্টানদের তথাকথিত ধর্মযাজক পোপ গ্রেগরির নামানুসারে “গ্রেগরিয়ার বর্ষপঞ্জি” নামে পরিচিত। তবে আমাদের দেশে এই বর্ষপঞ্জিটি “ইংরেজি ক্যালেন্ডার” নামেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। পোপ গ্রেগরির প্রকৃত নাম উগো বেনকোমপাগনাই; সে ছিল ১৩তম পোপ। ১৫৮২ সালের 

এ কী ধরনের প্রশাসন: বিধর্মীদের সাথে বন্ধুত্ব, মুসলমানদের বিরোধিতা!


পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি দেশেই লক্ষ্য করলে দেখা যাচ্ছে, মুসলমানগণের ফরয আমল তথা পর্দার বিরোধিতা, পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মানহানি করা, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মানহানি করা, মুসলমানগণের পবিত্র মসজিদ তৈরিতে 

পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালনে মুসলিম বিশ্বের সরকারগুলোকে বিশেষ মনোযোগী হতে হবে


পবিত্র ছফর মাস উনার শেষ ইয়াওমুল আরবিয়া বা বুধবার দিন ইসলামের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য তাৎপর্যময় ঘটনার ঐতিহাসিক দিন। এ সম্পর্কে একমতে বর্ণিত আছে, মাহবুব-ই ইলাহী হযরত নিযামুদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার শায়েখ হযরত বাবা ফরিদউদ্দিন মাসউদ গঞ্জে শকর রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার 

সখী বা দানশীল হওয়া পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার অন্যতম শিক্ষা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “সখী বা দানশীল ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু যদিও সে ব্যক্তি ফাসিক হয়। আর বখীল বা কৃপণ ব্যক্তি মহান আল্লাহ পাক উনার শত্রু যদিও সে ব্যক্তি আবেদ হয়।” (লুগাতুল হাদীছ) হযরত নবী 

মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধিরা আবু লাহাবের চেয়ে কোটি কোটিগুণ নিকৃষ্ট


আবু লাহাব একাধারে বারো বছর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধিতা করেছিল। মহান আল্লাহ পাক তিনি আবু লাহাব ও তার স্ত্রীসহ পরিবারের সকলের ধ্বংসের ব্যাপারে পবিত্র সূরা লাহাব শরীফ নাযিল করেছেন এবং তারা আযাবে-গযবে ধ্বংস হয়ে 

একজন মুসলমানের কেমন হওয়া উচিত?


যিনি মহান আল্লাহ পাক উনার উপর পরিপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করেছেন, আখিরী নবী, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপর ঈমান এনেছেন, উনাকে সম্মানিত নবী ও রসূল হিসেবে এবং একমাত্র আদর্শ হিসেবে মেনে নিয়েছেন, সর্বোপরি আহলে 

পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ পালন করা সুন্নত; বিদয়াত বলা কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, والذين اتبعوهم باحسان رضى الله عنهم ورضوا عنه অর্থ: “হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে যারা উত্তমভাবে অনুসরণ করবে, মহান আল্লাহ পাক তিনি তাদের প্রতিও সন্তুষ্ট হবেন এবং তারাও মহান আল্লাহ পাক উনার 

সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- ক্বদমবুছী বা পদচুম্বন করা খাছ সুন্নত। বিদয়াত-শিরক বলা কাট্টা কুফরী


‘ক্বদম’ শব্দের অর্থ হলো ‘পা’। আর ‘বুছী’ শব্দটি ফার্সী যার অর্থ হলো চুম্বন করা। সুতরাং ক্বদমবুছীর অর্থ দাঁড়ায় পা চুম্বন বা পদ চুম্বন করা। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুগণ উনারা সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু 

পরিশুদ্ধ অন্তর ব্যতীত কোনো কামিয়াবী নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “ক্বিয়ামতের দিন কেউ কোনো ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি দিয়ে ফায়দা হাসিল করতে পারবে না একমাত্র ঐ ব্যক্তি ছাড়া, যে সুস্থ অন্তকরণ নিয়ে এসেছে।” (পবিত্র সূরা আশ শুয়ারা: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৮-৮৯) 

হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের আগমন এবং বিদায় উভয় দিনই উম্মতের জন্য ঈদের দিন


অনেকে বলে থাকে- নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যেদিন আগমন করেছেন আবার সেই দিন বিদায়ও নিয়েছেন। তাই আমরা কি করে এ দিন খুশি প্রকাশ করতে পারি। মূলত, তারা না জানার কারণে তা বলে থাকে। পবিত্র হাদীছ 

দেশের খনিজ সম্পদের ইজারা বারবার বিদেশী মুনাফাখোরদের নিকট দেয়ার প্রতিবাদ জানাই


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার অবারিত রহমতের ধনভা-ার বিরাজ করছে আমাদের এই সোনার বাংলায়। বিশেষ করে খনিজ সম্পদের মজুদ এখানে ব্যাপক। এসব খনিজ সম্পদগুলো যথাযথ পদ্ধতিতে উত্তোলন করে দেশের জনসাধারণের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রফতানী করা যায়। সরকারি-বেসরকারি অনেক