আজ সুমহান বরকতময় ২৫শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! আওলাদে রসূল সাইয়্যিদাতুনা হযরত সাইয়্যিদাতুন নিসা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই আমার ওলী উনারা আমার জুব্বা মুবারক উনার নিচে অর্থাৎ আমার কুদরত মুবারক উনার মধ্যে অবস্থান করেন, আমি ছাড়া উনাদেরকে কেউ 

প্রকৃত ইতিহাস কি বলে? কথিত দেবোত্তর সম্পত্তি, নাকি মুসলমানদের লাখেরাজ সম্পত্তি?


লাখেরাজ সম্পত্তি বলা হয় নিষ্কর বা শুল্ক মুক্ত ভূমিকে। মুসলিম শাসন আমলে মুসলিম শাসকগণ কর্তৃক এ অঞ্চলের মুসলিম ছূফী-দরবেশ ও আলিম-উলামা উনাদেরকে প্রশাসনের তরফ থেকে নিষ্কর অর্থাৎ বিনা খাজনায় হাজার হাজার বিঘা সম্পত্তি দেয়া হতো; যাতে করে উনারা নির্বিঘেœ ইসলামী শিক্ষা-দিক্ষার 

বিধর্মীদের দোকানপাট থেকে কেনাকাটায় মুসলমানদের বিরত থাকার বিকল্প নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আমার (মহান আল্লাহ পাক উনার) শত্রু এবং তোমাদের (মুসলমানদের) শত্রু (কাফির, মুশরিক, ইহুদী, নাসারা ইত্যাদি) তাদেরকে বন্ধু হিসেবে গ্রহন করো না।” (পবিত্র সূরা মুমতাহিনাহ শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১) প্রসঙ্গত উল্লেখ্য 

পবিত্র কুরবানী নিয়ে ষড়যন্ত্র কঠোর হস্তে বন্ধ না করলে সরকারের সহযোগিতা প্রমাণিত হবে


পবিত্র কুরবানী মুসলমানদের ঈমানের সাথে অর্থাৎ মুসলমানিত্বের সাথে সম্পৃক্ত, যা গোটা দেশের জন্য শুধু বরকতের কারণই নয়; বরং অর্থনৈতিকভাবেও ব্যাপক সমৃদ্ধির কারণ। এই বরকতময় কুরবানীতে যেন মুসলমানগণ বাধাগ্রস্ত হয়, কুরবানীর সংখ্যা যেন ধীরে ধীরে কমে আসে, কুরবানীতে যেন বিশৃঙ্খল সৃষ্টি হয় 

আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২৪শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম! নিশ্চয়ই আপনারা অন্য কোনো মহিলাদের মতো নন।” সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান বেমেছাল বরকতময় ২৪শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে সাইয়্যিদাতুন 

“ছোঁয়াচে রোগ বলতে কোনো রোগ নেই” এটা সম্মানিত শরীয়ত উনার কথা, শরীয়তের কথা বলার অধিকারও কি তারা কেড়ে নিতে


কাফির মুশরিকরা করোনাকে ছোঁয়াচে রোগ বলে প্রচার করছে আর তাদের এই প্রচারনায় মুসলমানরাও বিশ্বাস করছে। নাউযুবিল্লাহ! এমতাবস্থায় হক্কানী উলামায়ে কিরাম উনারা মুসলমানদের ঈমান আক্বীদা হিফাযতের লক্ষ্যে প্রচার করছেন যে, সম্মানিত ইসলামে ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই। ছোঁয়াচে বিশ্বাস করা শিরকের অন্তর্ভুক্ত। 

উম্মতগণ অবশ্যই নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা উনার নাম মুবারকে পবিত্র কুরবানী করবে


পবিত্র কুরবানী উনার আদেশ করে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, فصل لربك وانحر আপনার রব মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টির জন্য নামায আদায় করুন এবং তারপরে পবিত্র কুরবানী করুন। কাজেই এ আদেশ মুবারক দ্বারাও প্রমাণিত হয় যে, পবিত্র কুরবানী 

পবিত্র কুরবানী উনার আহকাম ও মাসয়ালা


اُضْحِيَّةٌ – এর পরিচয়ঃ اُضْحِيَّةٌ শব্দটি চার ভাবে পড়া যায়, এর প্রথম অক্ষর পেশ অথবা যের যোগে। যেমন- اُضْحِيَّةٌ ও اِضْحِيَّةٌ – এর বহুবচন হলো اضاحى তৃতীয়ত ضحية তখন এর বহুবচন হবে ضحايا এর শাব্দিক অর্থ হলো- পশু কুরবানী করা। কেননা 

পবিত্র যিলহজ্জ মাস ও পবিত্র কুরবানী উনার ফযীলত


১। উম্মুল মু’মিনীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আস সাদিসাহ আলাইহাস সালাম উনার হতে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা মুবারক করেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যখন যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ তারিখ শুরু হয়, আর তোমাদের কেউ পবিত্র 

পবিত্র কুরআন শরীফ এবং পবিত্র সুন্নাহ শরীফ উনাদের দলীল-আদিল্লা দ্বারা প্রমাণিত যে- ‘ছোঁয়াচে রোগ বা সংক্রামক রোগ বলতে দ্বীন


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ‘ছোঁয়াচে’ বা ‘সংক্রামক’ বলতে কোনো রোগ নেই। এ সম্পর্কে অসংখ্য মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ রয়েছেন। যেমন- মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, عَنْ حَضْرَتْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى 

ওলীয়ে মাদারযাদ, আওলাদে রসূল হযরত নাক্বীবাতুল উমাম আলাইহাস সালাম এবং ওলীয়ে মাদারযাদ, আওলাদে রসূল হযরত নিবরাসাতুল উমাম আলাইহাস সালাম


পঞ্চদশ হিজরী শতকের সুমহান মুজাদ্দিদ, মুজাদ্দিদে মাদারযাদ, সাইয়্যিদে মুজাদ্দিদে আ’যম, হুজ্জাতুল ইসলাম, ছাহিবু সুলত্বানিন নাছীর, জামিউল আলক্বাব, আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম, ইমামুল উমাম, জব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয্যুল আউওয়াল, আস সাফ্ফাহ, হাবীবুল্লাহ সাইয়্যিদুনা মামদূহ হযরত ইমামুল উমাম ক্বিবলা কা’বা আলাইহিস সালাম তিনি, 

সুমহান পবিত্র বরকতময় ২২শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ! যা আখাছ্ছুল খাছ আহলু বাইত শরীফ ও আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুনা হযরত নাক্বীবাতুল


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত আহলু বাইত শরীফ ও হযরত আওলাদে রসূল আলাইহিমুস সালাম ও আলাইহিন্নাস সালাম উনারা আসমান ও যমীনের নিরাপত্তা দানকারী।’ সুবহানাল্লাহ! আজ সুমহান পবিত্র বরকতময় ২২শে শাওওয়াল শরীফ। সুবহানাল্লাহ!