আকরামুল আউওয়ালীন ওয়াল আখিরীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং উনার মহাসম্মানিত হযরত আহলু


কারো অন্তরে সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি বিদ্বেষ থাকে, তাহলে তার নামায, রোযা, হজ্জ, যাকাতসহ সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে সে চিরজাহান্নামী হয়ে যাবে। না‘ঊযুবিল্লাহ! এই সম্পর্কে সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- اَلَا وَمَنْ مَاتَ 

এক নজরে সাইয়্যিদুন নাস, সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আজম, আল ফাইয়্যায, যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ, মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল


সাইয়্যিদুন নাস, সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আজম, আল ফাইয়্যায, যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ, মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল ওয়াহ্শি ওয়াত ত্বইর, সাইয়্যিদুল বাত্বহা’, আবুল বাত্বহা’, আবূ যাবীহিল্লাহ আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক 

সুন্নতে রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালনের একমাত্র উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হচ্ছেন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম


পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- رَضِيَ اللَّـهُ عَنْهُمْ وَرَضُوا عَنْهُ অর্থাৎ মহান আল্লাহ পাক তিনি উনাদের (হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম) প্রতি সন্তুষ্ট এবং উনারাও মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক যথাযথভাবে অর্জন করতে পেরেছেন। (পবিত্র সূরা 

“তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী উনাদেরকে মুহব্বত করো, নিশ্চয়ই উনারা মক্ববুল। আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না,


মহান আল্লাহ পাক সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা উনার মাহবূব ওলী উনারা মাহফূয। মহান আল্লাহ পাক তিনিই উনাদেরকে হিফাযত করে থাকেন। উনাদের প্রতি মাখলূক্বের ইহানত-অবজ্ঞা মহান আল্লাহ পাক তিনি বরদাশত করেন না। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে: احبوا اولياء الله 

মহিলাদের জন্য উত্তম আমল হলো পর্দানশীন থাকা


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মহিলারা পর্দার সাথে থাকবে। কেননা যখন তারা বের হয় তখন শয়তান উঁকিঝুঁকি দিতে থাকে।” অর্থাৎ তাদের দ্বারা কোনো পাপ কাজ সংঘটিত করানো যায় কিনা এ চেষ্টা করতে থাকে। নাঊযুবিল্লাহ! পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার 

এক নজরে সাইয়্যিদুন নাস, সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আজম, আল ফাইয়্যায, যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ, মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল


সাইয়্যিদুন নাস, সাইয়্যিদু কুরাইশ, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আজম, আল ফাইয়্যায, যুল মাজদি ওয়াস সু’দাদ, মুত্ব‘ইমুল ইন্সি ওয়াল ওয়াহ্শি ওয়াত ত্বইর, সাইয়্যিদুল বাত্বহা’, আবুল বাত্বহা’, আবূ যাবীহিল্লাহ আলাইহিস সালাম সাইয়্যিদুনা হযরত জাদ্দু রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সবচেয়ে বড় পরিচয় মুবারক 

মুবারক হো ২২ ই জুমাদাল উলা শরীফ।


মুবারক হো ২২ ই জুমাদাল উলা শরীফ। ✶✵✴❄❅❆❇❈✶✵✴❄❅❆❇❈✶✵✴❄❅❆❇❈✶✵ কায়িনাতের বুকে মহান আল্লাহ পাক উনার এক অনন্য বেমেছাল মহাসম্মানিত বরকতপূর্ণ ফযীলতপূর্ণ দিবস হচ্ছেন মহাপবিত্র ও মহাসম্মানিত ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ। ✶✵✴❄❅❆❇❈✶✵✴❄❅❆❇❈✶✵✴❄❅❆❇❈✶✵ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ 

তোমরা হীনবল হয়ো না , চিন্তিত হয়ো না, তোমারাই জয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও।


৯২ হিজরী সনের আন্দুলুস (বর্তমান স্পেন) বিজয়ী তারেক বিন যিয়াদের কথা কে না জানে?   লেইনপোল নামক এক ঐতিহাসিক লিখেছে, আঠার দিনের লড়াই মুসলমানদের আটশত বছরের স্পেনের রাজত্ব প্রদান করেছিল। মুসলমানরা যুদ্ধ বিদ্যা ও বীরত্বে নজীরবিহীন ছিল। তাদের বিজয়ের কারন মূলতঃ 

বৈশাখের চৈত্র মেলা বা হিন্দু মেলার ইতিহাস, মুসলিমবিদ্বেষীতার ইতিহাস


“হিন্দু পুনরুথানবাদী আন্দোলনের ধারায় একটি প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করে তা হলো চৈত্র মেলা বা হিন্দু মেলা। এই মেলা প্রতিষ্ঠা এবং মেলা কার্য্যক্রমের সাথে জোড়াসাকোর ঠাকুর পরিবার ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলো। ১৮৬৭ সালে নবগোপাল মিত্র এই মেলা প্রতিষ্ঠা করে। এই শতকের আশির 

কর্পোরেট দাসত্বের কবলে বাংলাদেশ-


বহুজাতিক কোম্পানি বা মাল্টি-ন্যাশনাল কোম্পানি হল সেসব কোম্পানি যারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ব্যবসা চালিয়ে থাকে। উদাহরণস্বরূপ- ইউনিলিভার, ব্রিটিশ-আমেরিকা কোম্পানী, রেকিট, এইচএসবিসি, স্ট্যাণ্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাঙ্ক প্রভৃতি। এসকল কোম্পানি যে দেশে ব্যবসা করে সে দেশের কাঁচামাল ব্যবহার করে, সে দেশের থেকেই কর্মসংস্থান করে, 

আমল করেই জান্নাতে যেতে চান? তাহলে আপনার জন্য রয়েছে দুঃসংবাদ !


এক ব্যক্তি ২০ বছর একস্থানে নামায পড়ে কিছুদিন আগে জানতে পারলো তার বাসায় ক্বিবলা নির্ধারণ ভুল ।এক্ষেত্রে তার ২০ বছরের আমলের বদলা কি হবে ? এক্ষেত্রে তার কি-বা উপায় থাকতে পারে আল্লাহর রহমতের উপর নির্ভর ব্যতিত? অথচ মানুষ আমল করেই জান্নাতে 

“সুলতা বনাম বনলতা সেন”


   একটি তুলনামূলক কাব্য বিশ্লেষণ –ডঃ সৈয়দ এস আর কাশফি   কবি শফিকুল ইসলামের কবিতায় তার কাব্য প্রেয়সী সুলতার যে নান্দনিক ও শৈল্পিক সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া যায় তা সামগ্রিক ও কাব্যময়। কবি জীবনানন্দ দাসের বনলতা সেনের মতো কোন খন্ড চিত্রকল্প নহে।