বাংলাদেশে জিএমও ফুড প্রচলনের সকল ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে


মহান আল্লাহ পাক তিনি মহা পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে মহাপবিত্র ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা তোমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবে ইহুদী অতঃপর মুশরিকদেরকে।” (পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮২) তারই প্রতিফলন ঘটেছে বাস্তবে বার বার বহুভাবে। যেমন, বর্তমানে 

সরকারের প্রতি- রমাদ্বান শরীফ উনার পবিত্রতা রক্ষার্থে হারাম খেলাধুলা, নাচ, গান-বাজনা, বন্ধ করা, দ্রব্যমূল্য হ্রাস করা, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের


মহান আল্লাহপাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন – يا ا يها الذين امنوا كتب عليكم االصيام كما كتب علي الذ ين من قبلكم لعلكم تتقون অর্থ: হে ঈমানদার বান্দা-বান্দীগণ! আপনাদের জন্য পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার মাসে পবিত্র ছিয়াম 

‘সারা বছর ইবাদত-বন্দেগী না করে পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ, লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান, পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ পালন করে লাভ


যেখানেই ধর্মব্যবসায়ী আলেমদের ওয়াজ ও কথিত প্রগতিবাদীদের মিটিং-সমাবেশ হয়, সেখানেই চলে ইহুদী-খ্রিস্টানদের প্রশংসা ও মুসলমানগণকে ঈমান ও আমল তথা মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইহসান থেকে দূরে রাখার 

শ্রমিক অধিকার নয়, একটি ধোঁকার নাম ‘১লা মে’


কেন শ্রমিক দিবস পালন করবে? ১লা মে কী হয়েছিলো? ১লা মে শ্রমিকদের কী কোনো ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা হয়েছিলো? ১লা মে কী পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার সমর্থিত শ্রমিক দিবস। না, কখনোই নয়। কারা আজ শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার কথা বলছে? ছূরতান লোক দেখানো 

সালাফীদের মূল মুরুব্বী ইবনে তাইমিয়া, আলবানী, উসাইমিন- এরা পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাতের ফযীলত ও আমল স্বীকার


বর্তমান সালাফী-ওহাবীরা লাইলাতুম মুবারকাহ, লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাত শরীফ আসলে বিরোধিতায় মেতে উঠে। অথচ তাদের পূর্বসূরি মুরুব্বীরা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র তাফসীর শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, হযরত সলফে ছালিহীন উনাদের আমলে ব্যাপকতার কারণে অসীকার করার কোনো সাহসই 

৯ প্রকার লোকের লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান বা সম্মানিত বরাত উনার রাতের ফযীলত নছীব হবে না


সীমাহীন রহমত, বরকত, সাকীনা, মাগফিরাত নাযিলের রাত লাইলাতুন নিছফি মিং শা’বান তথা শবে বরাত। এ মহিমান্বিত রাতে যারাই ক্ষমাপ্রার্থনা করবে সবাইকে ক্ষমা করে দেয়া হবে। শুধু তাই নয়, এ মহিমান্বিত রাতে যে যা চাইবে তাকে তা দিয়ে দেয়া হবে। তবে ৯ 

সালাফীদের মূল মুরুব্বী ইবনে তাইমিয়া, আলবানী, উসাইমিন- এরা পবিত্র লাইলাতুম মুবারকাহ অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাতের ফযীলত ও আমল স্বীকার


বর্তমান সালাফী-ওহাবীরা লাইলাতুম মুবারকাহ, লাইলাতুন নিছফি মিন শা’বান অর্থাৎ পবিত্র শবে বরাত শরীফ আসলে বিরোধিতায় মেতে উঠে। অথচ তাদের পূর্বসূরি মুরুব্বীরা পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র তাফসীর শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, হযরত সলফে ছালিহীন উনাদের আমলে ব্যাপকতার কারণে অসীকার করার কোনো সাহসই 

পবিত্র শা’বান শরীফ মাস হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার নিকটবর্তী হওয়ার মাস।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই আমি লাইলাতুম মুবারকাহ বা বরকতময় রজনীতে (মশহুর পবিত্র লাইলাতুল বরাত শরীফ উনার মধ্যে) পবিত্র কুরআন শরীফ নাযিল করেছি অর্থাৎ নাযিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ সুবহানাল্লাহ! পবিত্র শা’বান শরীফ মাস হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার 

নামায, রোযা, বেহেশত, দোযখ, ফেরেশতা এ শব্দগুলো পবিত্র কুরআন শরীফ-এ খুঁজলে যদি পাওয়া না যায়, তবে শবে বরাত কী


সম্প্রতি দেশের কিছু পত্র-পত্রিকা খুললে দেখা যায় যে, কিছু তথাকথিত মালানা তথা উলামায়ে ‘সূ’রা লিখে থাকে যে পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের কোথাও শবে বরাত নেই। নাউযুবিল্লাহ! তথাকথিত এসব মালানা, মুফতী এরা চরম মূর্খ তথা উলামায়ে ‘সূ’। কারণ ‘শব’ 

১লা মে’র সাথে মুসলমানদের কোন সম্পর্ক নেই


যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের ‘হে মার্কেট স্কয়ারে’ ১৮৮৬ সালে একটি র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো, ইলিনয়েস-এ তিনদিন স্ট্রাইক পালিত হয় একটি কারখানায় ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে। সেখানে কাফির সন্ত্রাসীদেরই একটি গোষ্ঠী বোমা বিস্ফোরণ ঘটালে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে, এতে ডজনখানেক লোক মারা যায়। 

মে দিবস পালন করা অজ্ঞতা ও মূর্খতারই নামান্তর


১লা মে তথাকথিত শ্রমিক দিবস, হিসেবে পালন করছে কাফিরদের সাথে অনেক মুসলমানরা। কিন্তু কেউ কী একবার ভেবে দেখেছে, এ দিবস কোথা থেকে এসেছে? কে এর প্রবক্তা? না জেনে, না শুনে অন্ধের মতো পালন করে যাচ্ছে ইহুদী-খ্রিস্টানদের প্রবর্তিত দিবসগুলো। কথিত শ্রমিক দিবস 

পবিত্র লাইলাতুম মুবারাকা অর্থাৎ শবে বরাত শরীফ উপলক্ষ্যে কমপক্ষে ৩ দিন সরকারি ছুটি দেয়া জরুরী


আমাদের বাংলাদেশের শতকরা ৯৮ ভাগ লোক মুসলমান। তাই সরকারের উচিত ছিল ইসলামিক পর্বগুলোতে ব্যাপক আকারে ছুটি প্রদান করা। কিন্তু বাস্তবে তার উল্টোটা হয়ে আসছে। অর্থাৎ ইসলামিক পর্বগুলোতে ছুটি দেয়া হচ্ছে না, আর ছুটি দিলেও নামকাওয়াস্তে ছুটি দেয়া হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ! আমরা লক্ষ্য