পবিত্র আক্বীদা শুদ্ধ করার মাস হচ্ছেন ‘পবিত্র ছফর শরীফ মাস’।


সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে ছোঁয়াচে, অশুভ, কুলক্ষণ ইত্যাদি বিশ্বাস করা এবং কোনো মাস, দিন ও সময়কে খারাপ বলা কুফরী-শিরকীর অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ কুফরী আক্বীদার অন্তর্ভুক্ত। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা ঈমান আনো। অর্থাৎ পবিত্র আক্বীদা উনাকে 

৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশে হিন্দুয়ানী পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে নয়, বরং ‘১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ উপলক্ষে বোনাস’ দিতে হবে।


খবরে এসেছে পহেলা বৈশাখে ‘বাংলা নববর্ষ ভাতা’ নামে একটি উৎসব ভাতা চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সরকারি চাকরিজীবীদেরকে তাদের মূল বেতনের ২০ শতাংশ হিসেবে এই বোনাস দেয়া হবে। (সূত্র: দৈনিক সকালের খবর, ১০.০৯.২০১৫) এখানে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে- সারা বছরে এত উৎসব থাকার 

হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি জন্মঅনুষ্ঠান বা মীলাদ শরীফ পালন করার হাদীছ বর্ণনা করেছেন


পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবী অস্বীকারকারীরা বলে হযরত ইমাম বুখারী রহমতুল্লাহি আলাইহি কি এই অনুষ্ঠান পালন করার কথা কোন হাদীছ শরীফে এনেছেন? আর জন্মদিন পালন করা খৃষ্টানদের কালচার। আপনারা কেন তা পালন করেন? মজার কথা হলো আমীরুল মু’মিনিন ফিল হাদীছ হযরত ইমাম 

বিরোধীতাকারীদের মুরুব্বীদের কিতাব থেকে সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার দলীল


দেওবন্দী, তাবলীগি কওমীদের চাইতে বড় ভন্ড মুনাফিক দুনিয়ায় আছে কিনা সন্দেহ আছে। আমারা যে আমল গুলো করলে তারা শিরক- বিদয়াতের গরম ফতোয়া দেয়, সে কাজগুলো তাদের মুরুব্বীরা করলো সম্পূর্ণ নিশ্চুপ থাকে। নবীজী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আশেকগনের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, উনারা 

‘দুই ঈদ ব্যতীত আর কোন ঈদ নাই’ এই বক্তব্য হাদীস শরীফ বিরোধী


ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অস্বীকার করতে গিয়ে কিছু মুরতাদ সম্প্রদায় বলে থাকে ‘দুই ঈদ ব্যতীত আর কোন ঈদ নাই”। নাউযুবিল্লাহ !! দুই ঈদ ব্যাতীত ঈদ নাই। এই কথার মত হাস্যকর কথা আমি কমই শুনেছি। যারা এই কথা বলে তাদের 

পৃথিবীর ইতিহাসে নজীরবিহীন অনন্তকালব্যাপী জারীকৃত পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিশেষ শান মুবারক ৬৩ দিনব্যাপী বিশেষ মাহফিল


খ্বলীফাতুল্লাহ, খ্বলীফাতু রসূলিল্লাহ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, আওলাদে রসূল ঢাকা রাজারবাগ শরীফ উনার সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার কর্তৃক পৃথিবীর ইতিহাসে নজীরবিহীন অনন্তকালব্যাপী জারীকৃত পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিশেষ শান মুবারক ৬৩ দিনব্যাপী আয়োজিত 

মুসলমানদের বোধোদয় এখন সময়ের দাবি


হুজুগে বাঙ্গালীর নতুন হুজুগ হল “পদ্মাবতী”। নায়িকা কত কেজি সোনার গয়না পরেছে, কত কেজি ওজনের লেহেঙ্গা পরেছে, এসব তথ্যের পাশাপাশি খুব কৌশলে আরো যে তথ্য প্রচার করা হচ্ছে তা হল, এটি নাকি ইতিহাস নির্ভর সিনেমা! অর্থাৎ এখন ম্যাক্সিমাম মানুষের মনে গেঁথে 

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আগমন উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করে আবু লাহাব ফায়দা পেলে মু’মিন


বিশ্বখ্যাত ঐতিহাসিক আল্লামা হযরত ইয়াকুব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘তারীখে ইয়াকুবী’ গ্রন্থের ১ম খন্ড ৩৩০ পৃষ্ঠায় লিখেন- قال رسول الله، بعد ما بعثه الله: رأيت أبا لهب في النار يصيح العطش العطش فيسقي في نقر إبهامه. فقلت: بم هذا؟ فقال: بعتقي ثويبة 

মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রতি সম্মানিত দুরূদ শরীফ পাঠ করা ব্যতীত নামায কবূল হয় না


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اَبِـىْ مَسْعُوْدِ ۣ الْاَنْصَارِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ صَلّٰى صَلٰوةً لَّـمْ يُصَلِّ فِيْهَا عَلَىَّ وَلَا عَلـٰى اَهْلِ بَيْـتِـىْ لَـمْ تُقْبَلْ مِنْهُ. অর্থ: 

ইমামুল মুসলিমীন, মুকতাদায়ে জামীয়ে উমাম, ইনায়েতে হিলম, পেশওয়ায়ে আহলে বাছীরাত, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি


পরিচিতি মুবারক: ইমামুল মুসলিমীন, মুকতাদায়ে জামীয়ে উমাম, ইনায়েতে হিলম, পেশওয়ায়ে আহলে বাছীরাত, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ছিলেন আহলে বাইত শরীফ উনাদের সপ্তম ইমাম। তিনি ইলম, আমল, জ্ঞান-গরিমায় সর্বশ্রেষ্ঠ মাক্বামে সমাসীন 

ইমামুল মুসলিমীন, মুকতাদায়ে জামীয়ে উমাম, ইনায়েতে হিলম, পেশওয়ায়ে আহলে বাছীরাত, আওলাদে রসূল সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুস সাবি’ মিন আহলি বাইতি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, اِنَّا اَعْطَيْنٰكَ الْكَوْثَرَ অর্থ: “নিশ্চয়ই আমি আপনাকে সম্মানিত কাউছার মুবারক হাদিয়া মুবারক করেছি।” সুবহানাল্লাহ! (সম্মানিত সূরা কাওছার শরীফ: সম্মানিত আয়াত শরীফ ১) এই সম্মানিত কাওছার মুবারক উনার লক্ষ-কোটি ব্যাখ্যা মুবারক। উনাদের মধ্যে একখানা ব্যাখ্যা 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘ইলম হচ্ছে আমল উনার ইমাম।’


সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার মধ্যে কোন্ বিষয়গুলো জায়িয বা হালাল এবং কোন্ বিষয়গুলো নাজায়িয বা হারাম এ সম্পর্কিত ইলম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত না থাকার কারণেই বর্তমানে মুসলমান উনারা হালাল কাজে মশগুল না থেকে, হারাম কাজে মশগুল থাকছে। নাউযুবিল্লাহ! তাই ৯৮ ভাগ