সুমহান মহাপবিত্র ২রা রজবুল হারাম শরীফ-


মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেছেন- “(হে হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) তাদেরকে (বান্দা-বান্দীদেরকে) মহান আল্লাহ পাকের বিশেষ বিশেষ দিন ও রাতগুলো স্মরণ করিয়ে দিন। (যাতে তারা সেসব দিন ও রাত্রগুলো উদযাপন বা পালন করতে পারে।)” সুবহানাল্লাহ! সুমহান মহাপবিত্র ২রা রজবুল হারাম 

সর্বত্র ‘পবিত্র দ্বীন ইসলাম’কেই প্রাধান্য দিতে হবে


মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা পবিত্র দ্বীন ইসলামের মধ্যে পরিপূর্ণরূপে দাখিল হয়ে যাও। আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।’ বাংলাদেশের ৯৮ ভাগ লোক মুসলমান এবং রাষ্ট্রধর্ম হচ্ছেন ‘পবিত্র ইসলাম’। পাশাপাশি এদেশের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ 

কোনটা করলে মুসলমান থাকে আর কোনটা করলে কাফির হয়- তা কি আজ মুসলমান জানে?


যিনি খালিক্ব যিনি মালিক যিনি রব মহান আল্লাহ পাক তিনি সম্মানিত কিতাব কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন যে- “সমস্ত কাফির-মুশরিকরা মুসলমানগণ উনাদের শত্রু। তোমরা কখনোই তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করিও না।” আজকে যারা কাফির-মুশরিকদের হারাম খেলাধুলাকে সমর্থন করছে, দেখছে, এবং 

আত্মহত্যা মহাপাপ , মুক্তির একমাত্র পথ আত্মহত্যা নয় !


*স্বামী-স্ত্রীর একটু আনমন হলে দৌড়ে যায় ফাসি দিতে। এ নিয়ে ৪ বার হলো কোশেশ, প্রতিবারই হায়াতের জোড়ে বেচেঁ গেছে। এবার জিব প্রায় বের হয়েই গিয়েছিল , সৌভাগ্যক্রমে এবারও বেচেঁ গেছে। বলা হয়ে থাকে , কোন ব্যক্তি যদি জিদের বশে বারবার ফাসিঁর 

২০, ২১, ২২ জুমাদাল উখরা শরীফ ১৪৩৯ হিজরী উপলক্ষে হযরত মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মহান ঘোষণা-


নির্দেশ মুবারক: বিশেষ দিবসসমূহে কাফিরদের বিরুদ্ধে কঠিন বদদোয়া করা।   বিশেষ দিবসসমূহে যতবেশি কাফিরদের বিরুদ্ধে বদদুয়া হবে, তারা তত তাড়াতাড়ি ধ্বংস হবে। সুবহানাল্লাহ।   শেয়ার করুন TwitterFacebookGoogle+ 

মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষার একমাত্র উপায় ইসলামী অনুশাসন


আজকাল টিভি মিডিয়া থেকে শুরু করে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় ফলাও করে দেখানো হচ্ছে, ছাপা হচ্ছে প্রতিদিন মাদকের ছোবলে কিভাবে আমাদের ভবিষৎপ্রজন্ম ধ্বংস হচ্ছে। অনাকাঙ্খিত এমন কোন সংবাদ পাঠক আর দেখতেও চায় না; পড়তেও চায় না। মাদকের করাল গ্রাসে তরুণ সমাজ 

মসজিদে নববী বা রওযা শরীফ-উনাদের ছবিযুক্ত জায়নামাযে নামায পড়া হারাম ও নাজায়িয।


(১) মসজিদে নববী বা রওযা শরীফ-উনাদের ছবিযুক্ত জায়নামাযে নামায পড়া হারাম ও নাজায়িয। আর আমভাবে কা’বা শরীফ-উনাদের ছবিযুক্ত জায়নামাযে নামায পড়া মাকরূহ তাহরীমী এবং খাছভাবে হারাম ও নাজায়িয। অতঃপর আমভাবে নকশা খচিত জায়নামাযে নামায পড়া সুন্নতের খেলাফ বা মাকরূহ এবং হুযূরী 

আমীরুল মু’মিনীন, খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার সংক্ষিপ্ত পবিত্র সাওয়ানেহ উমরী মুবারক


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূক্বে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার মুহব্বত ঈমান এবং উনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা কুফরী।” সঙ্গতকারণেই উনার শান মুবারক সম্পর্কে অবগত হওয়া সকলের জন্য ফরয। নিম্নে উনার 

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশের পর হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক মুবারক গ্রহণ করার পর মুসলিম বিশ্বে কিছু চরম সঙ্কটময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সঙ্কটকালীন এ অবস্থার সুযোগে মুনাফিক ও ইসলামবিদ্বেষী চক্ররা পবিত্র ইসলাম ও মুসলমানগণের ক্ষতি করার সুযোগ 

সম্মানিত খিলাফত মুবারক পরিচালনায় যেরূপ ছিলেন খলীফাতুল মুসলিমীন, আমীরুল মু’মিনীন আলাইহিমুস সালামগণ


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন,“তোমাদের জন্য আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মধ্যে রয়েছে সর্বোত্তম আদর্শ।” অর্থাৎ সমস্ত কায়িনাতের জন্য মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক 

সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনার বেমেছাল তাক্বওয়া মুবারক


বেহেশতের প্রতিটি দরজা মুবারক সাইয়্যিদুনা হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহিস সালাম উনাকে আহবান করবে। উম্মতের মধ্যে তিনি সর্বপ্রথম বেহেশতে প্রবেশ করবেন। এতোসব মর্যাদাসম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও তিনি বলতেন, “আফসুস! আমি যদি গাছ হতাম, যা কেটে ফেলা হয়।” অনেক সময় বলতেন, “আমি যদি ঘাস 

সর্বপ্রকার নেক কাজে তিনিই ছিলেন অগ্রগামী


আমীরুল মু’মিনীন হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বলেন, একবার নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি আমাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার রাস্তায় দান-ছদকা করার জন্য নির্দেশ করলেন। সে সময় আমার পর্যাপ্ত সম্পদ ছিলো। তখন আমি ভাবলাম, হাদিয়ার