সবুজ বাংলা ব্লগ

সবুজ বাংলা ব্লগ

পবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার

পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার নামায আদায় করার মহাসম্মানিত সুন্নতী তারতীব মুবারক

পবিত্র ঈদের নামাযের পদ্ধতি স্বাভাবিক নামাযের মতো নয়। যেমনঃ ঈদের দুই রাকায়াত নামাযের কোনো আযান, ইক্বামাত নেই। এতে অতিরিক্ত ছয়টি তাকবীর রয়েছে। সেগুলো আদায়ের নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। নিম্নে সেই নিয়মগুলো তুলে ধরা হলো : পবিত্র ঈদের নামায আদায় করার পদ্ধতি পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার নিয়ত- نَوَيْتُ اَنْ اُصَلِّىَ لِلّهِ تَعَالى رَكْعَتَىْ صلوة العيد الأضحى مع ستة تكبيرات واجب اللهِ تَعَالى اقتديت بهذا الإمام مُتَوَجِّهًا اِلى جِهَةِ الْكَعْبَةِ الشَّرِيْفَةِ اَللهُ اَكْبَرُ. বাংলায় নিয়ত করলে এভাবে করবে: মহান অল্লাহপাক উনার সন্তুষ্টি মুবারক হাছিলের লক্ষ্যে পবিত্র ঈদুল আদ্বহা উনার দুই রাকায়াত ওয়াজিব নামায ছয় তাকবীরের সাথে কিবলামুখী হয়ে উক্ত ইমাম ছাহিব উনার সাথে আদায় করছি- আল্লাহু আকবার। ১। প্রথমত, স্বাভাবিক নামাযের মতোই তাকবীরে তাহরীমা বলে হাত বাঁধতে হবে। অত:পর ছানা পাঠ করতে হবে। ২। অতঃপর অতিরিক্ত তিনটি তাকবীর বলতে হবে। প্রথম দুই তাকবীরে হাত তুলে ছেড়ে দিতে হবে এবং তৃতীয় তাকবীরে হাত বাঁধতে হবে। ৩। অতঃপর পবিত্র আউযুবিল্লাহ শরীফ ও পবিত্র বিসমিল্লাহ শরীফ পড়ার পর ইমাম ছাহিবকে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পড়ে এর সঙ্গে অন্য একটি সূরা শরীফ মিলাতে হবে। ৪। অতঃপর স্বাভাবিক নামাযের মতোই রুকু-সিজদাহ করে প্রথম রাকায়াত শেষ করতে হবে। ৫। দ্বিতীয় রাকায়াতে ইমাম ছাহিবকে ক্বিরায়াত পড়া শেষ করে রুকূতে যাওয়ার আগে অতিরিক্ত তিন তাকবীর দিতে হবে। প্রতি তাকবীরের সঙ্গে হাত উঠাতে হবে এবং ছেড়ে দিতে হবে। অত:পর চতুর্থ তাকবীর বলে রুকূতে চলে যেতে হবে। ৬। অতঃপর স্বাভাবিক নামাযের মতোই নামায শেষ করতে হবে। ৭। নামায শেষ করেই ইমাম ছাহিব মিম্বরে উঠবেন। দু'টি খুতবা দিবেন। এ সময় ইমাম ছাহিবের খুতবা খুব মনোযোগ সহকারে শুনতে হবে। কোনো ধরনের কথা বলা বা অন্য কাজে ব্যস্ত হওয়া যাবে না। ৮। খুতবা শেষে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ ও দোয়া-মুনাজাত করতে হবে। মাসয়ালা: কেউ ইমাম ছাহিবকে দ্বিতীয় রাকায়াতে পেলে সালামের পর যখন ওই ব্যক্তি ছুটে যাওয়া রাকায়াতের (প্রথম রাকায়াতের) জন্য দাঁড়াবেন তখন প্রথমে পবিত্র ছানা শরীফ পাঠ করবে, তারপর পবিত্র আউযুবিল্লাহ শরীফ এবং পবিত্র বিসমিল্লাহ শরীফ পড়ে পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ ও ক্বিরায়াতের পর রুকূর পূর্বে তাকবীর বলবে। পবিত্র সূরা ফাতিহা শরীফ পাঠের আগে নয়।

0 টি মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই।

মন্তব্য করতে হলে লগ ইন করুন।