Posts Tagged ‘ইবাদত’

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সুমহান সম্মানার্থে মাহফিল করা, সাধ্যমত খরচ করা ফরয এবং সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম ইবাদত


খালিক মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেন, يَا ايُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءتْكُم مَّوْعِظَة مّن رَّبّكُمْ وَشِفَاء لّمَا فِى الصُّدُورِ وَهُدًى وَرَحْمَة لّلْمُؤْمِنِينَ .قُلْ بِفَضْلِ اللّهِ وَبِرَحْمَتِه فَبِذلِكَ فَلْيَفْرَحُواْ هُوَ خَيْر مّمَّا يَجْمَعُونَ অর্থ

সারাবিশ্বে যারা একই দিনে পবিত্র রোযা-ঈদসহ অন্যান্য ইবাদত পালন করার কথা বলে- তাদের কথা সম্পূর্ণ ভুল; ভূগোলের সামান্যতম জ্ঞানও তাদের নেই।


সারাবিশ্বে যারা একদিনে রোযা রাখা এবং একদিনে ঈদ করার কথা বলে থাকে, সামান্যতম ভৌগোলিক জ্ঞানও তাদের নেই। কেননা, পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তের সময়ের পার্থক্য হচ্ছে ১২ ঘণ্টা। পৃথিবীর এক প্রান্তে যখন দিন, তখন অন্য প্রান্তে রাত। কাজেই সেখানে তখন

‘সারা বছর ইবাদত-বন্দেগী না করে শবে বরাত পালন করে লাভ নেই’ এ কথা বলা চরম জিহালতী ও কুফরী


যেখানেই ধর্মব্যবসায়ী মাওলানাদের ওয়াজ ও কথিত প্রগতিবাদীদের মিটিং-সমাবেশ হয়, সেখানেই চলে ইহুদী-খ্রিস্টানদের প্রশংসা ও মুসলমানগণকে ঈমান ও আমল তথা মহান আল্লাহ পাক উনার রহমত ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইহসান থেকে দূরে রাখার বিভ্রান্তিমূলক যত সব

দোয়া কবুলের খাছ পাঁচটি রাতের প্রথম হচ্ছে রজবের পহেলা রাত


হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “নিশ্চয় দোয়া খাছভাবে পাঁচ রাতে কবুল হয়ে থাকে। ১. রজব মাসের পহেলা রাত ২. শবে বরাত বা বরাতের রাত ৩. শবে ক্বদর বা ক্বদরের রাত ৪. ঈদুল

প্রশ্নঃ দোয়ার গুরুত্ব, মাহাত্ম্য ও নিয়ম কি? (১ম পর্ব)


উত্তরঃ আমাদের জামানা কিয়ামতের বহু নিকটের জামানা। এ জামানায় নানান জনের নানা মত। দুঃখের বিষয় হল বর্তমান জামানায় যেসব মতের উদ্ভব হয় সেগুলোর বেশিরভাগই সাধারণ চিন্তা-ধারনা প্রসূত। মুসলমান বলুন আর অমুসলমান বলুন আমরা আমাদের ধর্মের ব্যাখ্যা আজকাল এমনভাবে দিতে পছন্দ করি

পবিত্র শবে ক্বদরের রাতে ইবাদত-বন্দেগী করার উত্তম তারতীব


পবিত্র শবে ক্বদরের রাতে জাগ্রত থেকে বিভিন্ন প্রকারের ইবাদত-বন্দেগী করার ব্যাপারে অসংখ্য হাদীছ শরীফ-এর মাধ্যমে তারগীব ও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পবিত্র শবে ক্বদরের রাতে ইবাদত-বন্দেগীর ফাযায়িল-ফযীলত সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ-এ ও হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, এই রাতের ইবাদত বণী ইসরাঈলের জনৈক

দুনিয়া কি সমস্ত পাপাচারের রণক্ষেত্র নয়???এর ফাঁদে গ্রেপ্তার থেকে আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সন্তুষ্টি অর্জন কি সম্ভব??


হাদীছ শরীফ থেকে আমরা জানি“ দুনিয়া আর আখিরাত সতীনের মত একটিকে সন্তুষ্ট করতে চাইলে অন্যটি অসন্তুষ্ট হয়ে যায়”। অল্লাহ পাক উনার কাছে দুনিয়ার মুল্য যদি একটি মাছির পাখার সমমূল্য থাকত তাহলে একটি কাফেরকেও এক ঢোক পানি খেতে দিতেন না।অন্য হাদীছ শরীফে