Posts Tagged ‘ঈমানদার’

ইলমে তাছাউফ অর্জন ব্যতীত কস্মিনকালেও ঈমানদার হওয়া সম্ভব নয়


আমরা জানি, ইলিম দুই প্রকার। ইলমে যাহির ও ইলমে বাতিন অর্থাৎ ইলমে ফিক্বাহ ও ইলমে তাছাওউফ। এ দু’প্রকার ইলিম অর্জন করা সকলের জন্য ফরযে আইন। এ প্রসঙ্গে হযরত ইমাম মালিক রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন- যে ব্যক্তি ইলমে ফিক্বাহ শিক্ষা করলো অথচ

বিধর্মী-মূর্তিপূজকদের যারা ভাই বা বন্ধু বলতে চায়- তারা কি করে ঈমানদার হতে পারে?


সীমা অতিক্রমকারীকে কেউই পছন্দ করে না। পিতা তার সন্তানকে, শিক্ষক তার ছাত্রকে, মনিব তার চাকরকে একবার দুইবার অনেকবারই ক্ষমা করতে পারে কিন্তু যখন তারা অবাধ্যতার সীমা অতিক্রম করে পাল্টা বিদ্রোহ করে বসে তখন তা আর কোনভাবেই বরদাশত করা হয় না। অসংখ্য

প্রসঙ্গ পর্দা পালন: কোন ঈমানদার-মুসলমানই লানতগ্রস্ত হতে চায় না


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “দাইয়ুছ পবিত্র জান্নাত উনার মধ্যে প্রবেশ করতে পারবে না।” যে ব্যক্তি নিজে পর্দা করে না এবং তার অধীনস্থদের পর্দা করায় না- সে ব্যক্তিই দাইয়্যুছ। এ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার থেকে বুঝা গেল যে,

মুসলমান উনাদেরকে হাক্বীক্বী ঈমানদার, মুত্তাক্বী হতে হবে। তাহলেই নাযাত পাওয়া সহজ হবে। নতুবা কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। 


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা বাক্বারা শরীফ উনার শুরুতেই যারা ঈমানদার, মুত্তাক্বী (আল্লাহ ভীরু) উনাদের ছিফত মুবারক বর্ণনা করেছেন। মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র কুরআন শরীফ, এমন এক কিতাব যার মধ্যে কোনো সন্দেহ নেই, উনার মধ্যে মুত্তাক্বীদের

প্রকৃত ঈমানদার-মুসলমান হয়েই মৃত্যুবরণ করুন


মহান আল্লাহ পাক তিনি সকল জিন-ইনসানকে লক্ষ্য করে ইরশাদ মুবারক করেছেন- “হে ঈমানদারগণ! মহান আল্লাহ পাক উনাকে ভয় করার মতো ভয় করো, তোমরা মারা যেও না মুসলমান না হয়ে।” (পবিত্র সূরা আল ইমরান শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-১০২) মহান আল্লাহ পাক এখানে

তিনটি বিষয় যার মধ্যে থাকবে সে ঈমানের স্বাদ পাবে।


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-   হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তিনটি বিষয় যার মধ্যে থাকবে সে ঈমানের স্বাদ পাবে। ঈমানদার

ওই ব্যক্তি মু’মিন মুসলমানের অন্তর্ভুক্ত নয়…..


কেউ মু’মিন হতে হলে তাকে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনাকে বিশ্বাস করতে হবে, একইভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যে মহান আল্লাহ পাক উনার নবী ও রসূল তা বিশ্বাস করতে হবে এবং সেইসাথে তিনি

ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষের কারণেই খাছ সুন্নতী বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করা হয় কোনো ঈমানদার মুসলমান বাল্যবিবাহকে “না” বলতে পারে না


    অতি সম্প্রতি খবরে প্রকাশ- “কলোম্বিয়ার উত্তরাঞ্চলের লা গুয়াজিরিয়া এলাকার ওয়েউ গোত্রের ১০ বছরের গর্ভবতী এক বালিকা একটি মেয়েশিশুর জন্ম দিয়ে বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ মায়ের তালিকায় নাম লিখিয়েছে। চিকিৎসকদের দাবি, মেয়েটির শারীরিক অবস্থা নাজুক থাকায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বাচ্চাটি প্রসব করানো হয়েছে।