Posts Tagged ‘ঈমান’

হে মুসলিম আপনি- কোথায় থাকবেন, কার সাথে থাকবেন, কোন বিষয় থেকে দূরে থাকবেন? 


প্রসিদ্ধ তারিখ ও সীরাত গ্রন্থসমূহে উল্লেখ রয়েছে, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র মক্কা শরীফ অবস্থান মুবারক করার সময় কতিপয় যুবক তারা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম গ্রহণ করে। কিন্তু নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

পবিত্র যাকাত ব্যতীত ইবাদত-বন্দেগী অপূর্ণ রয়ে যায় 


  সম্মানিত সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ কুল-মাখলুকাতের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত। যে সম্মানিত ইবাদত উনার সাথে অন্য কোন ইবাদতের তুলনা চলবে না। এছাড়া অন্য সকল ইবাদতসমূহকে পূর্ণতা দানকারী ইবাদত হচ্ছেন সম্মানিত যাকাত। সম্মানিত যাকাত সঠিকভাবে আদায় না করলে এবং হক্কস্থানে না পৌঁছালে অন্য ইবাদত-বন্দেগী

নাজাতপ্রাপ্ত একটি দল


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে। তন্মধ্যে একটি দল হবে নাজাতপ্রাপ্ত। হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা নাজাতপ্রাপ্ত দলটির

হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে নিজেদের মতো বাশার বলা কাট্টা কুফরী


কালামুল্লাহ শরীফে ইরশাদ হয়েছে, আল্লাহ পাক রোয আযলে অর্থাৎ সৃষ্টির শুরুতে সমস্ত নবী-রসূল আলাইহিমুস্ সালামগণের কাছ থেকে ওয়াদা নিলেন এই শর্তে যে, “আমি আপনাদেরকে কিতাব ও হিকমত দান করবো অতঃপর আমার যিনি হাবীব যিনি সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু

মুহব্বত করাই হচ্ছে ঈমান


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, শাফেউল মুজনেবীন, রহমাতুল্লিল আলামীন, হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন সমস্ত কায়িনাত বা সৃষ্টি জগতের মূল উৎস। তিনি আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার সকল নিয়ামতের উৎস। উনার সন্তুষ্টি ব্যতিত আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টি কখনোই

যাকাত…১


পবিত্র সূরা মায়িদা শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, وَتَعَاوَنُواْ عَلَى الْبرِّ وَالتَّقْوَى وَلَا تَعَاوَنُواْ عَلَى الإِثْـمِ وَالْعُدْوَانِ وَاتَّقُواْ اللهَ اِنَّ اللهَ شَدِيْدُ الْعِقَابِ তোমরা নেকী ও পরহেযগারীর মধ্যে সহযোগিতা করো; পাপ ও নাফরমানীর মধ্যে সহযোগিতা করো না। এ ব্যাপারে মহান

মুসলমান-ঈমানদার হলে জেনে রাখা উচিত- পরকালের কত কঠিন শাস্তির স্থান জাহান্নাম


মুসলমান-ঈমানদার সকলেই মৃত্যু পরবর্তী জিন্দেগী আখিরাত তথা পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে। কিন্তু দুনিয়ার কর্মব্যস্ত জীবন, নিজের জীবন, নিজের পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ইত্যাদি নানা কারণগুলো অনন্তকালের জিন্দেগী আখিরাত তথা পরকালকে ভুলিয়ে রাখে। অথচ এই ভুলে যাওয়াই মানুষের জীবনের সবচাইতে বড় ভুল

জান্নাতের নিয়ামত কি নতুন প্রজন্মের মুসলমানরা জানে?


  বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি একদিন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আরজি করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- আমাদেরকে জান্নাতের বিবরণ দান করুন। তখন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর

মুসলমানরা ঈমান রক্ষার্থে বিধর্মীদের উৎসব পরিত্যাগ করুন


  পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- “যে কেউ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নিয়মনীতি তর্জ-তরীক্বা পরিত্যাগ করে অন্য কোনো ধর্ম-নিয়মনীতি অনুসরণ-অনুকরণ করে কিংবা সম্মান করে, তাহলে তা কখনোই তার থেকে কবুল করা হবে না। বরং

মুবারক খিলাফত এবং প্রাসঙ্গিক পর্যালোচনা


আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের সকলের ঐকমত্যে- আমীরুল মু’মিনীন খলীফাতুল মুসলিমীন সাইয়্যিদুনা হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহূ আলাইহিস সালাম তিনি পবিত্র দ্বীন ইসলাম এবং সম্মানিত হযরত খুলাফায়ে রাশেদীন আলাইহিমুস সালাম উনাদের মধ্যে চতুর্থতম সম্মানিত খলীফা। পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে উনার মুবারক খিলাফতকাল অত্যন্ত

যেভাবে মাইনাস টু ফর্মুলার বাস্তবায়ন


মুসলমান উনাদের জান, মাল, দ্বীন, ঈমান-আমল ইত্যাদীর শত্রু ইহুদী, মুশরিক ও নাছারারা। এই শত্রুরা সবসময় চায় এবং ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করে কি করে, মুসলমান উনাদের ক্ষতি করা যায়, ধন-সম্পদ লুণ্ঠন করা যায়, যুলুম-নির্যাতন করা যায়, শহীদ করা যায়, সর্বোপরি মুসলমান উনাদের

মৃত্যু যেহেতু আছেই, তবে প্রকৃত ঈমানদার-মুসলমান হয়েই মৃত্যুবরণ করুন


মৃত্যু যে শ্বাশত সত্য- এটা মহান আল্লাহ পাক তিনিও পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন। এ সম্পর্কে পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “প্রত্যেক নফসকে, প্রত্যেক মানুষকে তথা জিন-ইনসানসহ সমস্ত মাখলুকাতকে মৃত্যুবরণ করতে হবে।” (পবিত্র সূরা আল