Posts Tagged ‘ওলীআল্লাহ’

কৃত ওলীআল্লাহ উনাদেরকে অনুসরণ করা উম্মতের জন্য ফরয। সুবহানাল্লাহ!


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে অনুসরণ করো, মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে অনুসরণ করো এবং তোমাদের মধ্যে যারা উলিল আমর উনাদেরকে অনুসরণ করো।’ সুবহানাল্লাহ!

ওলীআল্লাহগণ উনারা নাজাতের উসীলা


وابتغو اليه الوسيلة অর্থ: “তোমরা আল্লাহ পাক উনার রহমত পাওয়ার জন্য উসীলা তালাশ করো।” সমস্ত তাফসীরে উসীলা বলতে হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহগণ উনাদের ব্যাপারে বলা হয়েছে, যে ওলীআল্লাহগণ ক্বিয়ামতের দিন সুপারিশ করে মানুষদের জান্নাতে নিয়ে যাবেন। আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে

সাইয়্যিদুনা আস সাফফাহ মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার দায়িমীভাবে শরাফত মুবারক ও শালীনতা রক্ষা প্রসঙ্গে, যার নজির অন্য কোথাও দেখা যাবে না


সাধারণ মানুষের বেশকিছু দুর্বলতা রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো পরিবেশ দ্বারা প্রভাবিত হওয়া। পরিবেশ ও নফসের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে সাধারণ মানুষেরা নিজেদের ভদ্রতা, শরাফত ও শালীনতা বজায় রাখতে পারে না। সে দৃঢ় হওয়ার চেষ্টা করলেও তার সীমাবদ্ধতা রয়েছে, একটি নির্দিষ্ট সময়

হক্কানী-রব্বানী ওলীআল্লাহ উনার আলামত


গাউছুল আ’যম সাইয়্যিদুনা হযরত বড়পীর আব্দুল ক্বাদির জ্বিলানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার দরবারে একবার বাগদাদের খলীফা ইউসুফ বিন মনছুর তার এক মন্ত্রীর দ্বারা কিছু স্বর্ণমুদ্রা হাদিয়া করলে হযরত বড়পীর ছাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বললেন, তোমার স্বর্ণমুদ্রা হারাম। আমি এটা গ্রহণ করবো না।

আজ সুমহান বরকতময় ৫ মুহররমুল হারাম শরীফ। আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত জাদ্দাতু খলীফাতিল উমাম আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। যিনি খাছ হযরত আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘সাবধান! নিশ্চয়ই যেসকল মহৎ ব্যক্তিত্ব উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার ওলী, উনাদের কোনো ভয় ও চিন্তা নেই।’ আজ সুমহান বরকতময় ৫ মুহররমুল হারাম শরীফ। আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদাতুন নিসা হযরত জাদ্দাতু খলীফাতিল উমাম আলাইহাস সালাম

মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদেরকে মুহব্বত করো, কেননা উনারা কবুলকৃত আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না, কেননা উনারা সাহায্যপ্রাপ্ত


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার ওলী তথা বন্ধুগণ উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মনোনীত ও মকবুলকৃত। ওলীআল্লাহগণ উনাদের পরিচয় মুবারক হলো- উনারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে অধিক ভয় করেন। উনারা কখনো সম্মানিত শরীয়ত উনার বিরোধী কোনো কাজ করেন না,

মহান আল্লাহ পাক উনার ওলীগণ উনাদেরকে মুহব্বত করো, কেননা উনারা কবুলকৃত আর উনাদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না, কেননা উনারা সাহায্যপ্রাপ্ত


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার ওলী তথা বন্ধুগণ উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মনোনীত ও মকবুলকৃত। ওলীআল্লাহগণ উনাদের পরিচয় মুবারক হলো- উনারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে অধিক ভয় করেন। উনারা কখনো সম্মানিত শরীয়ত উনার বিরোধী কোনো কাজ করেন না,

পবিত্র ‘ঈমানী কুওওয়াত’ উনার বৃদ্ধির জন্য দরকার নিয়মিত ক্বলবী জিকির করা


বর্তমান সময়ে মুসলমানদের চেপে ধরেছে কাফির-মুশরিকরা। কিন্তু মুসলমানরা কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে পারছে না, জবাব দিতে পারছে না। এর মূল কারণ হচ্ছে বর্তমানে মুসলমানদের ঈমানী শক্তি বা কুওওয়াত শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে। মুসলমানগণ চাইলেও কাফিরদের বিরুদ্ধে কিছু করতে পারছে না।

প্রতিদিন ৩২ বার…..!!


৫বার ১০বার নয়, প্রতিদিন ৩২বার আমাদেরকে পড়তে হয়। অথচ এরপরও আমরা এর অর্থ-মর্মার্থ নিয়ে চিন্তা করি না, বুঝি না। অথচ এর মধ্যেই রয়ে গেছে আমাদের জীবন-যাপনের মৌলিক সূত্র। আমরা শুধু কেবল এই সর্বাধিক পঠিত বিষয়টির আলোকে জীবনকে পরিচালিত করতে পারলেই এতদিনে

পরিশুদ্ধ অন্তর ব্যতীত কোনো কামিয়াবী নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “ক্বিয়ামতের দিন কেউ কোনো ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি দিয়ে ফায়দা হাসিল করতে পারবে না একমাত্র ঐ ব্যক্তি ছাড়া, যে সুস্থ অন্তকরণ নিয়ে এসেছে।” (পবিত্র সূরা আশ শুয়ারা: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৮-৮৯)

পোষণ করো না, কেননা উনারা সাহায্যপ্রাপ্ত


মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন উনার ওলী তথা বন্ধুগণ উনারা মহান আল্লাহ পাক উনার নিকট মনোনীত ও মকবুলকৃত। ওলীআল্লাহগণ উনাদের পরিচয় মুবারক হলো- উনারা মহান আল্লাহ পাক উনাকে অধিক ভয় করেন। উনারা কখনো সম্মানিত শরীয়ত উনার বিরোধী কোনো কাজ করেন না,

নেক ছোহবতের অভাবেই আজকের মানুষ পথহারা, দিশেহারা ও গুমরাহ হয়ে যাচ্ছে


হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছিলেন নেক ছোহবত ইখতিয়ারের মাধ্যমেই। উনারা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক ছোহবত ইখতিয়ারের মাধ্যমেই এই কৃতিত্ব তথা ফযীলত অর্জন করেন। যুগে যুগে যারাই হাক্বীক্বী