Posts Tagged ‘কবিতা’

মুজাদ্দিদে আলফে ছানী নূরে নূরানী


আলফে ছানী, আলফে ছানী, আলফে ছানী ॥মুজাদ্দিদে আলফে ছানী, নূরে নূরানী ॥   হাজার চৌত্রিশ হিজরীর ছফর মাসেতে, বিছাল শরীফ উনার দীদারে ইলাহীতে ॥ সেদিন ছিল ছফর মাসের শেষ বুধবার, আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ রসূলে আলা উনার ॥ বিদায় নিলেন নায়েবে

ভেঙ্গে দিন মোর অলসতা


কাছে থেকেও আছি দূরে অলসতারই কারণে ভেঙ্গে দিন মোর অলসতা চাহি আপনায় প্রাণপণে। দায়েমী হোক কোশেশ আপনায় পাওয়ার সাধনে আপনায় পেলে সবই পাবো জীবন আর মরণে। প্রতিটি মুহূর্ত কাটে যেন আক্বা আপনারই স্মরণে শূন্য আমি শূন্যই রবো মামদূহ আপনি বিহনে। ভাবি

চলুন মোরা একটু ফিকির করি সারাটা দিন কিভাবে অতিবাহিত করি


  গুণে গুণে এক দুই তিন যায় যায়, যায় চলে দিন। দেখেছি কি একটু ভেবে! আম্মাজী উনার ইশক বিনে কি হবে দুনিয়ায় বেঁচে থেকে। দেখেছি কি মোরা ভেবে! উনার ফায়েজ তাওয়াজ্জুহ বিনে কি হবে ইহ ও পরকালে। দেখেছি কি আম্মাজীর স্মরণ

দুনিয়ার সব কিছু যদি ছেড়ে দিতে হয় তবুও দিব, কিন্তু আমি আপনাকে কখনো ছেড়ে যেতে পারবো না।


দুনিয়ার সব কিছু যদি ছেড়ে দিতে হয় তবুও দিব, কিন্তু আমি আপনাকে কখনো ছেড়ে যেতে পারবো না। আমি আপনার জন্য পেয়েছি সব কিছু কিন্তু আমি কখনো সেটা উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়নি। এখন ভাবছি সবকিছু তো আপনার জন্যই পেয়েছি। আপনাকে যদি না

একটি কবিতা


  ইসলামের নামে কেন তোদের এত চুলকানী আল্লাহ পাক ভুলে মেতে রহেছিস নাফরমানি বাংলার মুমিন মেনে নেবেনা আইনের ছলচাতুরি সময় থাকতে  তওবায় বস ; ছাড়িয়া বাহাদুরি রে সময় কিঞ্চিত আছে; ছেড়ে আয়রে নাস্তিকতা শয়তানিতে ভুলে রহেছিস; নারী আর মাদকতা কান পাতি

অনেক দূর চলে গেছো আজ


অনেক দূরে চলে গেছো তুমি আজ যা এত দূরে থেকে যে হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় না তোমায়। তবু ও তোমাকে আমি স্পর্শ করি হৃদয়ের অনুভবে হৃদয়ের স্পন্দনে – স্পন্দনে অনেক দূরে চলে গেছো তুমি আজ এত দূর থেকে যে -চোখ

শ্রেষ্ঠ প্রতিবাদী কবিতা (বইটির ডাউনলোড লিঙ্কসহ)


Download Book    Read the book Live কবি শফিকুল ইসলাম বিপ্লবী কবি। তার কাব্যের বিষয়বস্তু’ হচ্ছে সাম্যবাদী চেতনা। তার লক্ষ্য শোষণ বঞ্চনা নিপীড়ন নির্যাতনে নিষ্পেষিত মানুষের মুক্তি অণ্বেষা। তার দুটি প্রতিবাদী কাব্যগ্রন্থ ‘দহন কালের কাব্য’ ও ‘প্রত্যয়ী যাত্রা’ কাব্যগ্রন্থসহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও

ফাগুনের শীতল হাওয়া


-চাঁদনী রাত, আছি বসে, তুমি আমি পাশে এসে থেমে থেমে হাওয়া এসে, পরশ বুলিয়ে যায় ফাগুনের শীতল হাওয়া মনে দুল দেয় । পাচ্ছি সুভাস, মিষ্টি বাতাস, গাদা,গোলাপ,বেলি, আরো আছে আমের মুকুল, দিচ্ছে সুবাস করছে ব্যাকুল ।

হায়দার হোসেন এর একটি কবিতা:আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার


কতটুকু অশ্রু গড়ালে হৃদয় জলে সিক্ত, কত প্রদীপ শিখা জ্বালালেই জীবন আলোয় ত্রিপ্ত। কত ব্যথা বুকে চাপালেই তাকে বলি আমি ধৈর্য, নির্মমতা কতদূর হলে জাতি হবে নির্লজ্জ। আমি চিৎকার করে কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার|| বুকের ব্যথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি

আসিবে হক্বের দাওয়াত (কবিতা)


আসিবে হক্বের দাওয়াত হক্বের সূর্য উদিছে দেখো পূর্ব দিগন্তে বেদ্বীন-বদদ্বীন, মুনাফিক আর গাফিলের অজান্তে, গাফিল যদি না হও তুমি, দেখো তব দ্বারপ্রান্তে, নিদ ভাঙ্গিতে আসিয়াছে কিরণ হক্বের দাওয়াতে। আসিয়াছে আজ, আসিবে কালও  করিয়া নিশি চূর্ণ খুলিয়া নয়ন, লভো সে কিরণ ঈমানদার

ও মুরিদানা- আমায় ফিরানা


ও মুরিদানা - ড. মুহম্মদ রাশেদুল আবেদিন ও মুরিদানা, আমায় ফিরানা ভবঘুরে আমি উনার আঙ্গিনায় বসে আছি আমি মামদূহ উনার অপেক্ষায় মামদূহ যদি বলেন সূফী হয়ে যাও তাই হবো আমি শুধু মামদূহজীকে দাও মামদূহজীকে দাও শুধু মামদূহজীকে দাও ॥ ও মুরিদানা,

আমি ও আমার


       আমি ও আমার                 আমার স্বপ্বগুলো যেন দূর আকাশের তারা দেখা যায়, যায় না ধরা আমার ইচ্ছেগুলো যেন নদীর জলের শেওলা যা আমি ছাড়া বাকি সবার কাছে ময়লা আমার সৃষ্টিগুলো অসৃষ্টির-ই মূল যা কৃষ্টি মনের খোরাক যোগাতে