Posts Tagged ‘কুফরী’

“সুন্নতকে ইহানত করা কুফরী।”


সুন্নতকে অস্বীকার করা এবং সেটাকে বিদয়াত বলে অভিহিত করা শক্ত কুফরী আর যে কুফরী করে সে কাফির হয়ে যায়। যেমন, হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ মুবারক হয়েছে, মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিয়্যীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক

ইসলামী আক্বীদা এবং উনার গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন,” যে দেখো, কুফরী করলে কোন রেহাই নেই। কুফরী করার পর যদি মারা যাও যমীন থেকে আসমান পরিমাণ স্বর্ণও যদি কাফফারা দাও, যেটা তোমাদের পক্ষে কখনও সম্ভব নয় তারপরেও যদি তোমরা দাও সেটা কিন্তু গ্রহণ

তিনটি বিষয় যার মধ্যে থাকবে সে ঈমানের স্বাদ পাবে।


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে-   হযরত আনাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, তিনটি বিষয় যার মধ্যে থাকবে সে ঈমানের স্বাদ পাবে। ঈমানদার

টুপি পড়ার মাসয়ালা


সুওয়াল: যদি কেউ বিনয়ের জন্য টুপি ব্যতীত নামায পড়ে, আর কেউ যদি তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের জন্য টুপি না পরে, তবে তাদের কি ফয়সালা হবে? জাওয়াব: টুপি পরে নামায পড়া মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

“গান-বাজনা করা গুনাহের কাজ এবং এর মজলিসে বসা ফাসিকী ও তার স্বাদ গ্রহণ করা কুফরী।”


গান বাজনা করা সম্পূর্ণ হারাম- সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে গান-বাজনা করা হারাম এবং সাথে বাদ্যযন্ত্র ও তবলা, ঘন্টা এইসবও হারামের অন্তর্ভুক্ত। নাউযুবিল্লাহ।   মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা লুক্বমান শরীফ উনার ৬নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক

মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যমীনে যেসব প্রাণী রয়েছে, তাদের সকলের রিযিকের একমাত্র মালিক হলেন মহান আল্লাহ পাক তিনি।’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘রিযিক মানুষকে এমনভাবে তালাশ করে; যেমন মৃত্যু মানুষকে তালাশ করে।’ তাই রিযিকের অভাব হবে মনে করে ফ্যামিলি প্ল্যানিং বা জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করা কাট্টা কুফরী।


বর্তমানে কিছু উলামায়ে ‘সূ’ (দুনিয়াদার মালানা) জন্মনিয়ন্ত্রণের পক্ষে ফতওয়া দেয়। যারা জন্মনিয়ন্ত্রণের পক্ষে বলে থাকে, তারা মিথ্যাবাদী ও মূর্খ ড. ম্যালথাসের একটি মনগড়া, বিভ্রান্তিকর বিবৃতির উল্লেখ করে বলে যে, ‘বর্তমানে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা জরুরী’। নাউযুবিল্লাহ! মূলত, মিথ্যাবাদী ও মূর্খ ড. ম্যালথাস ১৭৯৮

পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারত করা পবিত্র হজ্জ কবুল হওয়ার শর্ত এবং পবিত্র হজ্জ করে পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারত না করে ফিরে আসা বেঈমান হওয়ার কারণ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত মুবারক করো, উনাকে সম্মান করো এবং সকাল-সন্ধ্যা উনার ছানা-ছিফত মুবারক বর্ণনা করো।’ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি

জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মালানা মওদুদীর কুফরীমুলক ধৃষ্টতাপূর্ণ উক্তি


(ক) পবিত্র কুরআন শরীফ সম্পর্কে বক্তব্যঃ মালানা মওদুদী পবিত্র কুরআন শরীফ এর মুল্যায়ন প্রসঙ্গে লিখেছে, “কোরআন করিম হেদায়েতের জন্য যথেষ্ট, কিন্তু নাজাত বা মুক্তির জন্য নয়।” [তাফহিমাত, ১ম খন্ড, ৩১২ পৃষ্ঠা] (খ) পবিত্র হাদীছ শরীফ সম্পর্কে বক্তব্যঃ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি

মহান আল্লাহ পাক উনার যারা ওলী উনাদের বিরোধিতাকারীরা মুসলমানের অন্তর্ভুক্ত নয়


‘ওলীআল্লাহ’ অর্থ খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার বন্ধু, অভিভাবক, প্রতিনিধি। যিনি প্রকৃত ওলীআল্লাহ তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার আদেশ-নিষেধ অনুযায়ী চলে থাকেন। সম্মানিত শরীয়ত ও পবিত্র সুন্নত মুবারক উনাদের পরিপূর্ণ পাবন্দ। তিনি মহান আল্লাহ পাক উনার সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত ও প্রিয়

দায়েমীভাবে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার দলীল পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার থেকে


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اُبَـىِّ بْنِ كَعْبٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنّـِىْ أُكْثِرُ الصَّلٰوةَ عَلَيْكَ فَكَمْ اَجْعَلُ لَكَ مِنْ صَلٰوتِىْ فَقَالَ مَا شِئْتَ قُلْتُ اَلرُّبُعَ قَالَ

পর্দা বিরোধী কাট্টা কুফরী বক্তব্য দেয়ার পরেও ভূমি মন্ত্রীকে কেন মুরতাদ বলা হবে না?


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে মহিলারা তোমরা (পর্দার সাথে) নিজ ঘরে অবস্থান কর, জাহিলিয়াত যুগের মহিলাদের মতো বেপর্দা হয়ে ঘুরে বেড়াবে না।” (পবিত্র সূরা আহযাব শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-৩৩) আর হাদীছ শরীফে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,

মুসলমানগণ উনাদের জন্য ভ্যালেন্টাইনস ডে বা ভালোবাসা দিবস পালন করা সম্পূর্ণরূপে নাজায়িয, হারাম ও কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করো না।  যারা ভ্যালেন্টাইন ডে পালন করবে তারা কুফরী করবে। আর তাদের হাশর-নশর ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের সাথেই হবে। কারণ, ইসলামের দৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস পালন করা