Posts Tagged ‘জাহান্নাম’

আহ! কত ভয়ানক শাস্তির স্থান জাহান্নাম! 


বর্ণিত রয়েছে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে যখন সম্মানিত মি’রাজ শরীফ উনার রাতে ভ্রমন করানো হলো তখন উনার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন হযরত জিবরীল আলাইহিস সালাম। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি জাহান্নামের

লোকদেখানো দানশীল ব্যক্তির জন্য জাহান্নাম। নাউযুবিল্লাহ!


  কিছু সংখ্যক ধনী ব্যক্তি আছে তারা পছন্দ করে যে, দলে দলে ভিক্ষুক কাতারবন্দি হয়ে তাদের দরজায় এসে সমাবেত হোক। তখন তারা একসাথে জাঁকজমক সহকারে দান খয়রাত করবে, যাতে তাদের এই কথা শহরের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। আবার কোনো কোনো ধনী ব্যক্তি

মুসলমান-ঈমানদার হলে জেনে রাখা উচিত- পরকালের কত কঠিন শাস্তির স্থান জাহান্নাম


মুসলমান-ঈমানদার সকলেই মৃত্যু পরবর্তী জিন্দেগী আখিরাত তথা পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে। কিন্তু দুনিয়ার কর্মব্যস্ত জীবন, নিজের জীবন, নিজের পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ইত্যাদি নানা কারণগুলো অনন্তকালের জিন্দেগী আখিরাত তথা পরকালকে ভুলিয়ে রাখে। অথচ এই ভুলে যাওয়াই মানুষের জীবনের সবচাইতে বড় ভুল

সাইয়্যিদুল আম্বিয়া ওয়াল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনার মুহব্বতকারীগণ জান্নাতী এবং বিদ্বেষকারীরা জাহান্নামী


কুল-মাখলুক্বাতের নবী ও রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্রতম, সম্মানিত, নূরানী আহাল-ইয়াল, পরিবার-পরিজন উনারাই হচ্ছেন ‘আহলু বাইত’ উনাদের অন্তর্ভুক্ত। হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের প্রথম সারির অন্তর্ভুক্ত

মৃত্যুর পরেই কবরে যেতে হবে ; তাই না !


হাদীস শরীফ উনার মধ্যে রয়েছে, “কবর হবে বেহেশতের বাগান সমূহ থেকে একটি বাগান, কিংবা জাহান্নামের গর্ত সমূহ হতে একটি গর্ত ।” (তিরমীযী শরীফ) কবর কি মৃত্যুর আগে নাকি পরে ? মৃত্যুর পরেই কবরে যেতে হবে ; তাই না ! সে কবর

দুনিয়াতে এসে সৎ কাজ করার আবেদন করবে জাহান্নামীরা —-


  মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন – وَهُمْ يَصْطَرِخُونَ فِيهَا رَبَّنَا أَخْرِجْنَا نَعْمَلْ صَالِحًا غَيْرَ الَّذِي كُنَّا نَعْمَلُ ۚ أَوَلَمْ نُعَمِّرْكُم مَّا يَتَذَكَّرُ فِيهِ مَن تَذَكَّرَ وَجَاءَكُمُ النَّذِيرُ ۖ فَذُوقُوا فَمَا لِلظَّالِمِينَ مِن نَّصِيرٍ ﴿٣٧ অর্থঃ “জাহান্নামীরা জাহান্নামে পতিত হয়ে

যেমন কর্ম তেমন ফল


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূরা জারিয়াত উনার ৫৬নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আমি জিন এবং ইনসানকে একমাত্র আমার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি।” উক্ত পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক মানব জাতিকে সৃষ্টি করার উদ্দেশ্য

যারা ছবি তুলবে, আঁকবে বা ছবি তুলতে আঁকতে উৎসাহ প্রদান করবে তাদের জন্য পরকালে কঠিন শাস্তি নির্ধারিত


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র সূর হাশর শরীফ উনার ৭নং পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি তোমাদের জন্য যা নিয়ে এসেছেন, তা তোমরা আঁকড়ে ধরো এবং

আপনি কি জানেন ‘যালিম’ কারা? আর তাদের জন্য কিরূপ শাস্তি প্রস্তুত?


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই আমি যালিমদের জন্য জাহান্নাম প্রস্তুত করেছি। জাহান্নামের তাবু তাদেরকে বেষ্টন করে নিবে। যদি তারা সাহায্য চায় তাহলে তাদেরকে সাহায্য করা হবে পুঁজ জাতীয় পানি দ্বারা যা তাদের চেহারাকে দগ্ধ করবে। কতইনা নিকৃষ্ট পানীয়

মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বিরোধীরা আবু লাহাবের চেয়ে কোটি কোটিগুন নিকৃষ্ট জাহান্নামের কীট


আবু লাহাব একাধারে বার বছর নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধীতা করেছিল।  মহান আল্লাহ পাক তিনি আবু লাহাব ও তার স্ত্রীসহ পরিবারের সকলের ধ্বংসের ব্যাপারে পবিত্র সুরা লাহাব নাযিল করেছেন এবং তারা আযাবে-গযবে ধ্বংস হয়ে জাহান্নামের কীটে

মি’রাজ শরীফ-এর পবিত্র রাতে কতিপয় পাপের শাস্তি অবলোকন


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি যখন পবিত্র মি’রাজ শরীফ-এ গমন করেন তখন তিনি জান্নাত ও জাহান্নাম পরিদর্শন করেন। তিনি যখন জাহান্নাম পরিদর্শন করেন তখন কতিপয় লোকের পাপের শাস্তি নিজ চক্ষু মুবারক-এ অবলোকন করেন। যা হাদীছ শরীফসমূহে