Posts Tagged ‘দিবস’

পবিত্র রজবুল হারাম শরীফ


মহান আল্লাহ পাক-উনি ইরশাদ মোবারক করেন, –“আর তাদেরকে মহান আল্লাহ পাক উনার দিবসসমূহকে স্মরণ করিয়ে দিন। নিশ্চয়ই উক্ত দিবসসমূহের মধ্যে প্রত্যেক ধৈর্যশীল-শোকরগোযার বান্দাদের জন্য নিদর্শনাবলী(নিয়ামত) রয়েছে।”– -পবিত্র সুরা ইব্রাহীম শরীফঃ আয়াত শরিফ ৫ * নবী-রাসুল আলাইহিমুস সালাম, সাহাবায়ে কেয়াম রাদিয়াল্লহু তাআলা

কায়িনাতের বুকে মহান আল্লাহ পাক উনার এক অনন্য বেমেছাল মহাসম্মানিত বরকতপূর্ণ ফযীলতপূর্ণ দিবস হচ্ছেন ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِىْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ. অর্থ: “আর (হে আমার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি তাদেরকে (সমস্ত জিন-ইনসান,

পিলখানা হত্যা দিবসে বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেটিয় উল্লাস!!!


২৫ ফেব্রুয়ারী ২০০৯। বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয়, নিন্দনীয় ও মর্মান্তিক দিবস। এ দিবসে পিলখানায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়! অথচ অত্যন্ত জঘন্যতম বিষয় হচ্ছে- এ দিনেই বাংলাদেশ-ভারত ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আর খুব স্বাভাবিক ভাবেই এ খেলার মধ্য

ভ্যালেন্টাইন ডে সম্পর্কে পবিত্র দ্বীন ইসলাম কি বলে, আমরা কি করি


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করো না।’ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখবে তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।’ তাই ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে

আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ১১ই যিলক্বদ শরীফ- আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে ‘ফযল’ ও ‘রহমত’ লাভ করার কারণে খুশি প্রকাশ করো।’ আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ১১ই যিলক্বদ শরীফ- আওলাদে

সুমহান পবিত্রতম বরকতময় ২৯শে শা’বান শরীফ। আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদাতাল উমাম আলাইহিমাস সালাম উনারা এই দিন উনাদের পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করেন।


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘নিশ্চয়ই আমার হযরত আওলাদ আলাইহিমুস সালাম উনারা হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার কিশতী মুবারক উনার অনুরূপ। উনার মধ্যে যাঁরা আরোহণ করেছিল উনারা নাজাত পেয়েছিল।’ অর্থাৎ আওলাদে রসূল ছল্লাল্লাহু

সুমহান ও বেমেছাল ১৭ ও ১৮ই রমাদ্বান শরীফ- সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার ইতিহাসে এক বেমেছাল ফযীলতপূর্ণ, রহমতপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ এবং আখাছুল খাছ বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত দিন।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘মহান আল্লাহ পাক উনার নিদর্শন সম্বলিত দিবসগুলিকে স্মরণ করিয়ে দিন সমস্ত কায়িনাতকে। নিশ্চয়ই এর মধ্যে ধৈর্যশীল ও শোকরগোজার বান্দা-বান্দী উনাদের জন্য ইবরত ও নছীহত রয়েছে।’ সুমহান ও বেমেছাল ১৭ ও ১৮ ই রমাদ্বান শরীফ-

নারী দিবসের উপজীব্য নারী না হয়ে মুসলিম নারী হও, সম্মানিতা হবে


প্রতি বছরের ন্যায় পালিত হয়ে গেল ৮ই মার্চ কথিত আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বলা হয়ে থাকে, নারীদেরকে সম্মান জানাতে, তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে, তাদের অর্জনকে মূল্যায়ন করতে এই দিনের আয়োজন। এই উপলক্ষে সোচ্চার বিভিন্ন মানবাধিকার, নারী অধিকার সংগঠন। নিজেদের এই গ্রহণযোগ্যতাটুকু পেয়ে

সুমহান ৯ জুমাদাল ঊলা শরীফ ।। একজন ওলীয়ে মাদারযাদ, আওলাদে রসূল, কুতুবুল আলম, হাদীউল উমাম, বাবুল ইলম, সাইয়্যিদুনা হযরত শাহদামাদ ছানী ক্বিবলা কা’বা আলাইহিস সালাম উনার অতুলনীয় শান-মান, ইয্যত-ঐতিহ্য, বুযূর্গী-সম্মান এবং উনার অনন্য মানস প্রকৃতি


মহান আল্লাহ পাক সুবহানাহূ ওয়া তায়ালা তিনি এবং উনার প্রিয়তম রসূল, মাশুকে মাওলা, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি অর্থাৎ উনারা উনাদের উদিষ্ট ব্যবস্থায় জগৎ-সংসার পরিচালনা এবং বিশ্ব পরিসরে মনোনীত দ্বীন-ইসলাম উনার হাক্বীক্বী আবাদের জন্য কালে কালে,

সম্মানি দ্বীন ইসলাম নারীদের হক সংরক্ষণ করেছেন অধিকার দিয়েছেন, সেখানে কাফিরদের তথা কথিত প্রবর্তিত “বিশ্ব নারী অবমাননা দিবস” কেন ?


  আগামী কাল  ৮ মার্চ । কথিত নারী দিবস নামক কাফিরদের প্রথাকে নারিরা পালন করে খুব আত্বতৃপ্তি বোধ করবে৤ আর  নারী স্বাধীনতার শরগোল কে আরো মজবুত করার জন্য ইসলাম বিরোধী কথাও বলে মুসলমান নারীরা  নিজেদের ঈমান আক্বীদাকে ধ্বংস করে দিবে। (নাউযুবিল্লাহ)

মুসলমানগণ উনাদের জন্য ভ্যালেন্টাইনস ডে বা ভালোবাসা দিবস পালন করা সম্পূর্ণরূপে নাজায়িয, হারাম ও কুফরী


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, তোমরা কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করো না।  যারা ভ্যালেন্টাইন ডে পালন করবে তারা কুফরী করবে। আর তাদের হাশর-নশর ইহুদী-নাছারা তথা বিধর্মীদের সাথেই হবে। কারণ, ইসলামের দৃষ্টিতে মুসলমানদের জন্য ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস পালন করা

কোন নিয়মনীতিগুলো পালন করবো?


আমরা জানি মুসলমান উনাদের একমাত্র দ্বীন হচ্ছে পবিত্র ইসলাম। আর পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র হাদীছ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনাদের বিধি-বিধান, নিয়ম-কানুন এবং উনাদের আদেশ-নিষেধগুলো হলো পবিত্র ইসলাম। আর বর্তমান যামানার প্রচলিত নীতি তথা হরতাল, লংমার্চ, গণতন্ত্র