Posts Tagged ‘দ্বীন’

একমাত্র মনোনীত দ্বীন হলো ইসলাম


মহান আল্লাহ্ পাক কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ করেন, ان الدين عند الله السلام. অর্থঃ-“নিশ্চয়ই আল্লাহ্ পাকের নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হলো ইসলাম।” (সুরা আলে ইমরান/১৯)   আর এ প্রসঙ্গেই মহান আল্লাহ্ পাক অন্য আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ করেছেন, ومن

যেভাবে মাইনাস টু ফর্মুলার বাস্তবায়ন


মুসলমান উনাদের জান, মাল, দ্বীন, ঈমান-আমল ইত্যাদীর শত্রু ইহুদী, মুশরিক ও নাছারারা। এই শত্রুরা সবসময় চায় এবং ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করে কি করে, মুসলমান উনাদের ক্ষতি করা যায়, ধন-সম্পদ লুণ্ঠন করা যায়, যুলুম-নির্যাতন করা যায়, শহীদ করা যায়, সর্বোপরি মুসলমান উনাদের

মহান আল্লাহ পাক তিনি কী কাউকে সালাম জানিয়েছেন?


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা সম্মানিত দিবসসমূহের কথা স্মরণ করো, নিশ্চয়ই প্রত্যেক শোকর গোযার এবং ধৈর্য্যশীলদের জন্য রয়েছে নিদর্শন, ইবরত, নছীহত।” সেই মহাসম্মানিত দিনসমূহ উনাদেরকে স্মরণ করতে এগিয়ে যাই সম্মানিত ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ উনার দিকে। সেই দিন

৯৮ ভাগ মুসলমানের দেশে মুসলমানের সংজ্ঞা কতজন মুসলমান জানে? প্রকৃত মুসলমান না হয়ে শুধু বাহ্যিক মুসলমান দাবি কী অন্যায় নয়? মুসলমান মাত্রই পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ করতে হবে।


সব প্রশংসা মুবারক খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার জন্য। সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি অফুরন্ত পবিত্র দুরূদ শরীফ ও সালাম মুবারক। সরকারি হিসেবে দেশের মুসলমানের সংখ্যা নব্বইভাগ

আপনি জানেন কি?


(১) কোন্ দেশ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার কথা বললেও অনুসরণ করে ইহুদী কাফিরদের? (২) কোন্ দেশ চাঁদ দেখে আরবী মাস শুরু করার কথা বললেও বাস্তবে আরবী মাস শুরু করে মনগড়া ভাবে? (৩) কোন্ দেশ সবসময় আগে চাঁদ দেখার মিথ্যা দাবি করে?

আশ্চর্য হলাম এমন একটি বিশেষ দোয়া কবুলের রাতে একটি মানুষও মসজিদে নাই।


রাত ১১ টায় বাসায় ফিরলাম। ফিরার পথে লক্ষ করলাম মসজিদগুলোতে  একটি করে লাইট জ্বলছ্‌   ভিতরে একটি লোকও নেই বাইরে তালা মারা। আশ্চর্য হলাম এমন একটি বিশেষ দোয়া কবুলের রাতে একটি মানুষও মসজিদে নাই। এবং কোন আলোচনা নেই, দোয়াও নেই। চিন্তা

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও সম্মানিত ঈমান


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার মূলভিত্তি সম্মানিত ঈমান। সম্মানিত ঈমান ব্যতীত আমল কোনো কাজেই আসবে না। সম্মানিত ঈমান উনার কোনো একটি বিষয় অস্বীকার করলে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম হতে খারিজ হয়ে যাবে। সম্মানিত ঈমান ব্যতীত যত নেক কাজই করা হোক না কেন কোনোই

সম্মানিত দ্বীন ইসলাম সম্পর্কিত আর্টিকেল লেখার জন্য ইংরেজি ভাষার কিছু সংস্কার করা আবশ্যক


বর্তমানে সারাবিশ্বে সবার নিকট বোধগম্য ভাষা বলতে ইংরেজিকেই বোঝানো হয়। অন্যান্য ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষায় বিভিন্ন প্রবন্ধ ও আর্টিকেল লিখে ছড়ানো হয়, যেন তা অন্যান্য ভাষাভাষীর নিকট পৌঁছানো যায়। তবে এখানে একটি সমস্যা রয়েছে, তা হচ্ছে প্রচলিত ইংরেজি ভাষায় আদব, শরাফত,

বিধর্মীদের নিয়ম-নীতি পালন করা হারাম


  মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি পবিত্র দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্ম অনুসরণ-অনুকরণ করবে, তার থেকে তা গ্রহণ করা হবে না। সে অবশ্যই পরকালে ক্ষতিগ্রস্থ হবে অর্থাৎ জাহান্নামী হবে। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র

এখনও সংবিধানে রাষ্টধর্ম ইসলাম রয়েছে তাই এই অবস্থা আর যদি সংবিধান থেকে রাষ্টধর্ম ইসলাম তুলে দেয় তখন কি হবে ?


কাফের-মুশরিকরা অজান্তেই সুক্ষ্মভাবে মুসলমানদের ঈমানটা নষ্ট করে দিচ্ছে। মুসলমানরা সেটা ফিকির করে না।  মহান আল্লাহ পাক তিনি  পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন- لتجدن اشد الناس عداوة للذين امنوا اليهود والذين اشركوا মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, হে আমার

নাস্তিক ও বিধর্মীদের কত বড় স্পর্ধা! ৯৮ ভাগ মুসলমান দেশ থেকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে প্রত্যাখ্যান করার দাবি?


আর্শ্চযের বিষয় হচ্ছে! নাস্তিক ও বিধর্মীদের সম্মানিত রাষ্ট্রধর্ম দ্বীন ইসলাম উনাকে সরিয়ে ফেলার দাবি করল এবং এ বিষয়ে মামলা করল। এই মামলাকে গ্রহণও করেছে এবং এ বিষয়ে শুনানি ও হবে। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু এখন পর্যন্ত মুসলমানদের চোখ-কান খুলেনি। মুসলমান দেশ থেকে রাষ্ট্রধর্ম

পবিত্র সুন্নত তথা দ্বীন ইসলাম থেকে দূরে সরে যাওয়ার পরিণাম অত্যন্ত ভয়াবহ


মহান আল্লাহ পাক তিনি নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সমস্ত উম্মতকেই সর্বশ্রেষ্ঠ জান্নাত হাদিয়া করবেন এবং সর্বোচ্চ সম্মানে অধিষ্ঠিত করবেন। সুবহানাল্লাহ! তবে তাঁকে অবশ্যই হাক্বীকী ‘বান্দা’ ও ‘উম্মত’ হতে হবে। এজন্য মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ