Posts Tagged ‘নববর্ষ’

নববর্ষ পালনকারীরা কাট্টা গুমরাহ


আমরা মুসলমান। আমাদের দ্বীন হচ্ছে পবিত্র ইসলাম। মহান আল্লাহ পাক তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেন- “নিশ্চয়ই আমার নিকট একমাত্র মনোনীত দ্বীন হচ্ছে পবিত্র ইসলাম”। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১৯) আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ

নববর্ষ উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিমও দান করে, তবে তার ৫০ বৎসরের আমল থাকলে সেটাও বরবাদ হয়ে যাবে


“নববর্ষ উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিমও দান করে, তবে তার ৫০ বৎসরের আমল থাকলে সেটাও বরবাদ হয়ে যাবে।” -ইমাম হাফস কবীর রহমতুল্লাহি। বৈশাখী পূজা ও অ-মঙ্গল যাত্রার প্রতিটি অংশই বিধর্মী-বিজাতীয়দের অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন- নববর্ষতো বাঙালির উৎসব; এটা হিন্দুদের বা বৌদ্ধৈদের

ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত যে- বাদশাহ আকবর নিজে বাঙালি বা বাংলাদেশী বা তার মাতৃভাষা বাংলা ছিলো না। আর বর্তমানে প্রচলিত বাংলা সন প্রকৃতপক্ষে মোগল বাদশাহ আকবর কর্তৃক প্রবর্তিত এলাহী সন বা ফসলী সন। তাহলে কি করে তার প্রবর্তিত এলাহী সন বা ফসলী সন- বাংলা সন ও বাঙালিদের সন হতে পারে? এলাহী সন বা ফসলী সন গণনা শুরু হয় ৯৬৩ হিজরীতে। আর উদ্ভব ঘটে ৯৯৩ হিজরীতে। যা ৫০০ বছরও অতিবাহিত হয়নি। তাহলে তা কি করে হাজার বছরের ঐতিহ্য হতে পারে?


ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত যে বাদশাহ আকবর নিজে বাঙালি বা বাংলাদেশী বা তার মাতৃভাষা বাংলা ছিলো না। আর বর্তমানে প্রচলিত বাংলা সন প্রকৃতপক্ষে মোগল বাদশাহ আকবর কর্তৃক প্রবর্তিত এলাহী সন বা ফসলী সন। তাহলে কি করে তার প্রবর্তিত এলাহী সন বা ফসলী সনটি

‘যে ব্যক্তি ইসলাম ভিন্ন অন্য কোনো তর্জ-তরীক্বা তালাশ করে তার কাছ থেকে তা কবুল করা হবে না।’


ইসলামের দৃষ্টিতে নওরোজ বা নববর্ষ পালন করা জায়িয তো নয়ই বরং তা সম্পূর্ণ নাজায়িয, হারাম ও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। মুসলমানদের ঈমান-আমল নষ্ট করে চিরজাহান্নামী করার জন্য বিধর্মীদের ষড়যন্ত্র থেমে নেই। মুসলমানদেরকে কুফরীতে নিমজ্জিত করে কাফির বানানোর জন্য তারা নতুন এক ষড়যন্ত্রের জাল

মুসলমানেরা বাংলা নববর্ষ তথা পহেলা বৈশাখ পালনের নামে যে মাতামাতি করছে তা আসলে বাঙালি সংস্কৃতি নয়।


আমরা মুসলমান। আমরা মহান আল্লাহ পাক উনার বান্দা ও হুযুর পাক সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনার উম্মত। আমাদের জানা দরকার যে, পহেলা বৈশাখ পালন করা নাজায়িয, হারাম ও কুফরীর অন্তর্ভুক্ত। কেননা পহেলা বৈশাখ হচ্ছে- হিন্দু-মুশরিকদের ঘটপূজা, বৌদ্ধদের উল্কিপূজা আর মুজসী বা অগ্নিউপাসকদের

বাংলা নববর্ষ হিন্দুদের খাছ ধর্মীয় উৎসবের দিন


বাংলা নববর্ষ হিন্দুদের খাছ ধর্মীয় উৎসবের দিন। এর আগের দিন তাদের চৈত্র সংক্রান্তি। আর পহেলা বৈশাখ হলো ঘট পূজার দিন।হযরত ইমাম আবু হাফস্ কবীর রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি বলেন, “নওরোজ বা নববর্ষ উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিমও দান করে তার ৫০ বৎসরের

যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে, সে তাদের দলভুক্ত অর্থাৎ তার হাশর-নশর তাদের সাথেই হবে।”


পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে নওরোজ বা যে কোন নববর্ষ পালন করা হারাম ও বিদয়াত।” কাজেই, নববর্ষ সেটা বাংলা হোক, ইংরেজি হোক, আরবী হোক ইত্যাদি সবই ইহুদী-নাছারা, বৌদ্ধ, মজুসী-মুশরিকদের তর্জ-তরীক্বা; যা পালন করা থেকে বিরত থাকা সকল মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব। উল্লেখ্য,

১লা বৈশাখ তথা নববর্ষ কাফির-মুশরিকদের রীতিনীতি, তা কখনো মুসলমানদের উৎসবের দিন হতে পারে না


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “তোমরা কাফির-মুশরিকদের অনুসরণ কর না।” আর পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- “যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাথে মিল রাখে সে সেই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত হয়ে

পহেলা বৈশাখকে যারা সার্বজনীন বাঙালী উৎসব বলে, ধর্মীয় প্রেক্ষিতের থেকে আলাদা করে বর্ণনা করতে চায় তারা আসলে বোকার স্বর্গে বাস করে


পহেলা বৈশাখ ফসলী (কতিথ বাংলা) সনের প্রথম দিন। দিনটি পালিত হচ্ছে বাঙালীর ঐতিহ্য ধরে রাখার চেতনা হিসেবে। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ইত্যাদি পরিচয়ের বাইরে আলাদাভাবে এ বাঙালী পরিচয়ের দাবী। কিন্তু পহেলা বৈশাখ উদযাপনকারীরা একদিকে যেমন জানেনা যে, ফসলী (কতিথ বাংলা) সনের ‘সন’

নববর্ষ পালন হারাম? তাইলে আরবী নববর্ষ পালন করলে কি হবে?


সবুজ বাংলা ব্লগে দেখলাম। নববর্ষ পালন হারাম। আবার জীবনের সমস্ত আমলও নাকি নষ্ট হবে। যাই হোক তাইলে আরবী নববর্ষ পালন করলে কি হবে? আরবী নববর্ষ পালনও কি হারাম?

থার্টি ফার্স্ট পালন করলে, জীবনের সব আমল নষ্ট হয়ে যাবে ।


হযরত ইমাম আবু হাফস কবীর রহমতুল্লাহি আলাইহি বলেন, নওরোজ বা নববর্ষ উপলক্ষে যদি কেউ একটা ডিমও খরচ করে, তার ৫০ বৎসরের আমল থাকলে তা বরবাদ হয়ে যাবে। অর্থাৎ নওরোজ বা নববর্ষ পালনের কারণে তার জিন্দেগির সমস্ত আমল বরবাদ হয়ে যাবে এবং

এদেশে অনেকেই মুসলিম পরিবারে জন্মেও হিন্দুয়ানীর প্রতি আসক্ত, যেমনটি ছিল বিশ্বাসঘাতক মীরজাফর ও আকবর।


বাংলার ইতিহাসে মীরজাফর হলো বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীক অর্থাৎ ‘বিশ্বাসঘাতক’ শব্দটির সমার্থক শব্দই হয়ে গিয়েছে মীরজাফর। ইতিহাস বলছে, এই মীরজাফর ছিল মুসলমান নামধারী হিন্দু। ব্রিটিশদের হাতে বাংলায় মুসলমান শাসনের পতনের পেছনে মূল কারণ হলো নবাবী আমলে রাজপ্রাসাদে হিন্দুদের উত্থান ও রাজপরিবারে হিন্দু সংস্কৃতির