Posts Tagged ‘নামায’

শবে বরাত শরীফ উনার আ’মল


শবে বরাত হচ্ছে মুক্তি বা ভাগ্য অথবা নাজাতের রাত। অর্থাৎ বরাতের রাত্রিতে ইবাদত-বন্দেগী করে ও পরবর্তী দিনে রোযা রেখে আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনাদের সন্তুষ্টি অর্জন করাই মূল উদ্দেশ্য। শবে বরাতে কোন্ কোন্ ইবাদত-বন্দেগী করতে

পবিত্র মসজিদ শরীফ উনার মধ্যে নামায পড়ার নামে টুল বা চেয়ারে বসা বিদয়াত


ইদানীং বিশেষ করে বেশ কয়েক বৎসর যাবৎ দেখা যাচ্ছে- খালিক মালিক্ব রব মহান আল্লাহ পাক উনার ঘর পবিত্র মসজিদ শরীফ উনার মধ্যে নামায পড়ার নামে কতিপয় মুসল্লী বিশেষ করে সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তি ও মসজিদ কমিটির লোকজনের কেউ কেউ টুল কিংবা চেয়ারে

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি স্বয়ং খোদা তায়ালা নন, তবে তিনি খোদা তায়ালা থেকে জুদাও নন


পবিত্র হাদীছে কুদসী শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত হয়েছে- যিনি খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক রব্বুল আলামীন তিনি ইরশাদ মুবারক করেন يا حبيبى انا وانت وما سواك خلقت لاجلك قال رسول الله صلى الله عليه وسلم يا رب انت وما انا

মুসলমানগণ উনারা কেমন ইমাম উনার পিছনে নামায পড়বেন?


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “তোমরা কার নিকট থেকে দ্বীন শিক্ষা করতেছ তা দেখে নাও।” অর্থাৎ যার নিকট হতে দ্বীন শিক্ষা করবে তাকে যাচাই-বাছাই করে নাও। এখন মুসলমানগণ যার পিছনে ইক্তিদা করবে, তাকে অবশ্যই পরীক্ষা করে নিতে হবে।

পবিত্র ঈদুল আযহা উনার নামায ওয়াক্ত হওয়ার সাথে সাথেই আদায় করা খাছ সুন্নত মুবারক উনার অন্তর্ভুক্ত


আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র ঈদ উনার নামায সূর্য উদয় হওয়ার পর অর্থাৎ ইশরাক ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পরপরেই পড়তেন, দেরি করতেন না। তবে পবিত্র ঈদুল ফিতর উনার নামায তুলনামূলক একটু দেরি করে পড়ে

পবিত্র ঈদ উনার নামায কখন আদায় করলে সুন্নত আদায় হবে মামদূহ শিখালেন মোরে


  ফযরের ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পর ২৩ মিনিট পর্যন্ত মাকরূহ ওয়াক্ত এবং এরপর ঈদ উনার নামাযের ওয়াক্ত শুরু হয় এবং যোহরের ওয়াক্ত শুরু হওয়ার ১ ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত ঈদ উনার নামায আদায়ের ওয়াক্ত থাকে। অতএব, এই ওয়াক্তের পূর্বে অথবা পরে ঈদ

কেবল পবিত্র ঈদ উনার নামাযই নয়, সকল বিষয়েই রাজারবাগ দরবার শরীফ উনার অনুসরণ করুন


  সারা আলমে রাজারবাগ দরবার শরীফ পবিত্র কুরআন শরীফ, পবিত্র সুন্নাহ শরীফ, পবিত্র ইজমা শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াস শরীফ উনার পূর্ণাঙ্গ মিছদাক। মৌলিক বিষয়ই বলুন আর অমৌলিক বিষয়ই বলুন, যে কোনো বিষয়ে সঠিক ফায়ছালা জানতে ও তার অনুসরণ করতে রাজারবাগ দরবার

প্রতিদিন বারবার পড়ার মধ্যে অবশ্যই লক্ষ-কোটি ইবরত, নছীহত, শিক্ষা আছে


বিষয়টি কি কখনো আপনি লক্ষ্য করেছেন? নামায পড়লেই পড়তে হয়। যত রাকায়াত ততবার। প্রতিদিন কমপক্ষে ১৭ রাকায়াত ফরয, ৩ রাকায়াত বিতর ওয়াজিব, ১২ রাকায়াত সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ মোট ৩২ রাকায়াতে আমাদেরকে পাঠ করতে হয়। ব্যাপারটির মাঝে অবশ্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিকমত আছে। কারণ

তাহাজ্জুদ ও তারাবীহ নামাযের পার্থক্য


পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায়কারী ব্যক্তির সমস্ত গুনাহখতা মহান আল্লাহ পাক তিনি মাফ করে দেন


হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ইরশাদ মুবারক করতে শুনেছি; তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, বলুন তো আপনাদের কারো বাড়ির দরজায় যদি একটি নহর (ঝর্ণা) থাকে আর তিনি

তখন তার গুনাহসমূহ এমনভাবে ঝরে পড়ে যেমন এই গাছের পাতাগুলি ঝরে পড়ছে


‘একবার নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি শীতের মৌসুমে বাইরে তাশরীফ নিলেন তখন গাছে পাতাগুলি ঝরে পড়ছিল। তিনি একটি গাছের ডাল হাতে ধরলেন, এতে তার পাতা আরো বেশি করে ঝরতে লাগলো। তিনি ইরশাদ মুবারক করলেন, মুসলমান বান্দা

যে ব্যক্তি যথাযথভাবে নামায আদায় করলো সে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে কায়িম রাখলো


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে, ‘সম্মানিত নামাযই মুসলমান ও অমুসলমানদের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টিকারী। নামায হলো সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার খুঁটি বা স্তম্ভ। যে ব্যক্তি যথাযথভাবে নামায আদায় করলো সে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে কায়িম রাখলো আর যে সঠিকভাবে সম্মানিত