Posts Tagged ‘নারী’

বিভিন্ন ধর্মে নারীদের মর্যাদা


ইহুদী ধর্ম- নারীদের গুণের চেয়ে পুরুষের দোষও ভালো। খ্রিষ্ট ধর্ম- নারীরা নরকের দ্বার। বৌদ্ধ ধর্ম- সকল পাপের মূল নারী। প্রাচীন গ্রীক ধর্ম- নারী হল শয়তানের প্রতিভু। হিন্দু ধর্ম- নারীদের কোন উত্তরাধিকার নেই। ইসলাম ধর্ম- ১) মায়ের পদতলে সন্তানের বেহেশত ২) বিবাহের

একদিনই লেখালেখি করলে কি নারীর অধিকার, নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে?


‘নারী দিবস’ একদিন হবে কেন? একদিনই লেখালেখি করলে কি নারীর অধিকার, নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে? তা কিন্তু নয়, ৩৬৫ দিনই নারীর মর্যাদা থাকতে হবে। শুধু তাই নয়, আমরা আশা করি পরিবারে, সমাজে, দেশে, পৃথিবীর সর্বত্রই সার্বক্ষণিক নারীরা স্ব-স্ব বৈশিষ্ট্যে উদ্ভাসিত

নারীদের ‘সমধিকার


আফসুস! নারীদের ‘সমধিকার’ সম্পর্কেই নারী সমাজ আজ সজাগ নয়! ‘সমধিকার’ শব্দের অর্থটাই তারা বুঝতে পারে না। তথাকথিত নারীরা মনে করে, সমধিকার বলতে একজন পুরুষ যা করতে পারে একজন নারী তাদের পাশে থেকে তাই করবে। বরং তাদের এ ধারণাই ভুল, মিথ্যা এবং

কোন ছেলে যদি চায় তার জীবন সঙ্গিনী হোক নেককার-পরহেযগার মেয়ে তাহলে …..


কোন ছেলে যদি চায় তার জীবন সঙ্গিনী হোক নেককার-পরহেযগার মেয়ে তাহলে তাকেও নেককার-পহেযগার হতে হবে। আবার কোন মেয়ে যদি চায় তার স্বামী হোক নেককার-পরহেযগার তাহলে তারও উচিত হবে নেককার-পরহেযগার হওয়া। কেননা মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- “সচ্চরিত্রা নারী সচ্চরিত্র

একজন মেয়ের যখন বিয়ে হয় তখন সে সবকিছু ছেড়ে স্বামীর বাড়ীতে চলে আসে।


নারীর বড় কঠিন কাজ কষ্ট করে বড় হয় পরের ঘরে যেতে হয় পরকে আপন করতে হয়।। একজন মেয়ের যখন বিয়ে হয় তখন সে সবকিছু ছেড়ে স্বামীর বাড়ীতে চলে আসে। তাই সব আহালদের (স্বামী) উচিৎ তার আহলিয়ার (স্ত্রীর) সাথে ভাল ব্যবহার করা

প্রসঙ্গ সমঅধিকার!


বর্তমান সমাজে অনেকে সমঅধিকারের কথা বলে। আসলে সমাধিকার বলতে কি বুঝায় তা আমাদের বুঝতে হবে। সমঅধিকার বলতে যার যা প্রাপ্য তাকে তা দেয়া বুঝায়। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় পিঁপড়া এবং হাতি। পিঁপড়ার যতটুকু খাবার প্রয়োজন তা যদি একটি হাতি কে দেয়া

ধোকা নয়, সঠিক পথ বাতলে দিন৷


News— যুদ্ধ-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন কাজে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও নিয়োজিত থাকার দৃষ্টান্ত ইসলাম ধর্মে রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিবি খাদিজা যখন প্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন, তিনি কিন্তু ব্যবসা-বাণিজ্য করতেন। তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য করতেন, দেশ-বিদেশেও ঘুরতেন। কাজেই আমাদের সামনে দৃষ্টান্ত রয়েছে। আমাদের ঘাবড়াবার

পবিত্র মা’রিফাত-মুহব্বত মুবারক, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক, কুরবত-নৈকট্য মুবারক তালাশকারী পুরুষগণের উদ্দেশ্যে


উম্মুল মু’মিনীন, সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন হযরত সালমা আলাইহাস সালাম তিনি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক খিদমতে আরজ করলেন নারীরা অর্ধেক আক্বল-সমঝ ও অর্ধেক দ্বীন উনার অধিকারিণী তা কিরূপ? নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি

প্রত্যেকেই খোলা খাবার থেকে বেঁচে থাকুন


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা সমস্ত মহিলারা ঘরে অবস্থান করো। জাহেলী যুগের নারীদের ন্যায় সৌন্দর্য প্রদর্শন করে বের হইও না।” অন্য পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন- “যদি

নারী দিবসের উপজীব্য নারী না হয়ে মুসলিম নারী হও, সম্মানিতা হবে


প্রতি বছরের ন্যায় পালিত হয়ে গেল ৮ই মার্চ কথিত আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বলা হয়ে থাকে, নারীদেরকে সম্মান জানাতে, তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে, তাদের অর্জনকে মূল্যায়ন করতে এই দিনের আয়োজন। এই উপলক্ষে সোচ্চার বিভিন্ন মানবাধিকার, নারী অধিকার সংগঠন। নিজেদের এই গ্রহণযোগ্যতাটুকু পেয়ে

সম্মানি দ্বীন ইসলাম নারীদের হক সংরক্ষণ করেছেন অধিকার দিয়েছেন, সেখানে কাফিরদের তথা কথিত প্রবর্তিত “বিশ্ব নারী অবমাননা দিবস” কেন ?


  আগামী কাল  ৮ মার্চ । কথিত নারী দিবস নামক কাফিরদের প্রথাকে নারিরা পালন করে খুব আত্বতৃপ্তি বোধ করবে৤ আর  নারী স্বাধীনতার শরগোল কে আরো মজবুত করার জন্য ইসলাম বিরোধী কথাও বলে মুসলমান নারীরা  নিজেদের ঈমান আক্বীদাকে ধ্বংস করে দিবে। (নাউযুবিল্লাহ)

নারীকুলের আলোর দিশারী উম্মুল উমাম হযরত আম্মাজী ক্বিবলা আলাইহাস সালাম:-


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা সকলেই আল্লাহওয়ালা-আল্লাহওয়ালী হয়ে যাও।” এখানে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরকেও অবশ্যই আল্লাহওয়ালী হতে হবে। তাছাড়া নারীদের আল্লাহওয়ালী হওয়ার ক্ষেত্রে পুরো দেশ, জাতি, সমাজকে ও সচেতন হওয়া বাঞ্ছনীয়। “আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যত”