Posts Tagged ‘নাস্তিক’

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার ব্যাপারে ইতিহাসের একটি কুফরী দিক এবং তার খণ্ডন মূলক জবাব 


একটি বিষয় খুব ভালোভাবে উপলব্ধি আবশ্যক যে, শুধু যাহিরী বা কিতাবী বর্ণনার দ্বারা সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতিটি বিষয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ের ফায়ছালা দেয়া কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিষয়টি এরূপ ঘটে থাকে যে, যাহিরী বা কিতাবী বর্ণনা এক রকম

সতর্কীকরণ ! সতর্কীকরণ !!


  একটা জিনিস আমি একটু চিন্তা ফিকির করে পরিস্কার হলাম। বর্তমানে একটা সুসংগঠিত নাস্তিক ( মূলত হিন্দু) বাহীনি ফেসবুকে কৌশলে একটা ইসলাম বিদ্বেষী কাজ করে যাচ্ছে । কাজটা হচ্ছে, বিভিন্ন মুসলমান আইডি থেকে ইসলাম বিদ্বেষী কিছু পেজ রিপোর্ট করার কথা বলে

ভিক্ষুকের নিদ্রা বিলাস


আগে কয়েকটি খবর দেখুন পরে মুল কাহিনীটা বলব। খবর ০১- ০৩/০৫/২০১৬ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি স্বাধীন কমিশনের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে বিশ্বজুড়েই ধর্ম পালন ও ধর্মীয় মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব হচ্ছে যাতে বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। রিপোর্ট করেছে- নিউ

বাংলা পরীক্ষার প্রশ্নে ‍এন্টি ইসলামীকদের কৌশলগত আক্রমণ: মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ উস্কে আঘাত


সেই দিন একাত্তর টিভির একটা টক শো শুনছিলাম, বিষয়বস্তু-রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম। নিয়ে আসা হয়েছে তিন জন ইসলামী ব্যক্তিত্বকে। অনুষ্ঠানটির এক পর্যায়ে ফোনে এক দর্শক ফোন করে, দর্শকের প্রশ্নটা ছিলো এরকম- “ইসলামের এত ভাগ কেন ? একেক জন কেন একেক ইসলাম পালন করেন,

সবাই নাস্তিকের খাতায় নাম লেখালো, কিন্তু কবি ফররুখ আহমদ যিকির-ফিকিরের কারণে টিকে রইলেন


বর্তমান সময়ে এদেশের কথিত বুদ্ধিজীবী শ্রেণী মানেই নাস্তিক গোষ্ঠী, এমনটি সবাই মনে করে। অথচ বাংলাদেশের এই বুদ্ধিজীবী শ্রেণী গঠিত হয়েছিল পাকিস্তান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে। মুসলমানদের আলাদা ভূখণ্ডের দাবিতে সাতচল্লিশের আগে যেই বুদ্ধিবৃত্তিক প্রচেষ্টা, তার পুরো দায়িত্বই ছিল বাঙালি মুসলমান কবি-সাহিত্যিক ও

বিমান বন্দরের নিরাপত্তার মিথ্যা অজুহাতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি আবার আসছে বাংলাদেশে। তবে এখন কিন্তু ১৭৫৭ সাল নয়।


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “আহলে কিতাব-অর্থাৎ ইহুদী-নাছারারা চায় মুসলমান উনাদেরকে ঈমান আনার পর আবার কাফির বানিয়ে দিতে। তাদের হিংসা বশত!” (পবিত্র সূরা বাকারা শরীফ)। খলিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক

‘যে ধর্ম মানে না, দেশটা তারও’; তবে দেশটা তার রামরাজত্ব কায়েম করার ক্ষেত্র নয়।


সাবেক প্রধান বিচারক এবিএম খায়রুল হক বলেছে, “বাংলাদেশ সকলের জন্য। সকলের কথাই আমাদের শুনতে হবে। সকলে যে যার যার ধর্ম পালন করতে পারে। এমনকি যে ধর্ম মানেও না, দেশটি তারও। আল্লাহ কিন্তু তাকেও খাওয়াচ্ছেন, পরাচ্ছেন, প্রতিপালন করছেন- সে কথাগুলো আমাদের মনে

শহীদুজ্জামান সরকার নামে এক নাস্তিক পেজ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেওয়ার জন্য ফেছবুকে ইভেন্ট তৈরি করেছে


শহীদুজ্জামান সরকার নামে এক নাস্তিক পেজ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেওয়ার জন্য ফেছবুকে ইভেন্ট তৈরি করেছে এবং অবমাননাকর ব্যাঙ্গচিত্র প্রকাশ করছে। আপনারা যারা ফেছবুক ব্যবহার করেন তারা এই নাস্তিক পেজ টায় রিপোর্ট করেন… https://web.facebook.com/%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-1466776173620593/     নাস্তিক পেজ টার ইসলাম বিরোধী ইভেন্ট

নাস্তিক ও বিধর্মীদের কত বড় স্পর্ধা! ৯৮ ভাগ মুসলমান দেশ থেকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে প্রত্যাখ্যান করার দাবি?


আর্শ্চযের বিষয় হচ্ছে! নাস্তিক ও বিধর্মীদের সম্মানিত রাষ্ট্রধর্ম দ্বীন ইসলাম উনাকে সরিয়ে ফেলার দাবি করল এবং এ বিষয়ে মামলা করল। এই মামলাকে গ্রহণও করেছে এবং এ বিষয়ে শুনানি ও হবে। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু এখন পর্যন্ত মুসলমানদের চোখ-কান খুলেনি। মুসলমান দেশ থেকে রাষ্ট্রধর্ম

নাস্তিক,কাফেরদের কথা তো কোন মুসলমানরা শুনবে না।


মুসলমানদের কিছু এসে যায় না। মুসলমানরা তো ওদের কথার মোহতাজ নয়। নাস্তিক,কাফেরদের কথা তো কোন মুসলমানরা শুনবে না। মুসলমানরা মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার রাসুল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার আদেশ নিষেধ শুনবে , মানবে । আর তাই কারো জন্য

তুরস্কে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম তুলে দেওয়ার পর…


১) শিশুদের ইসলামী শিক্ষা নিষিদ্ধ করা হয়। ২) ধর্ম মন্ত্রণালয়, মাদরাসা-মসজিদ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং হজ্জ-ওমরা যাত্রা নিষিদ্ধ করা হয়। ৩) বড় বড় মসজিদগুলোতে নামায বন্ধ করে দিয়ে সেগুলোকে জাদুঘর হিসেবে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। তুরস্কের সর্ববৃহৎ মসজিদ ‘আয়া ছুফিয়া’কে

ধিক্কার জানার সেই সব মুসলমান নামধারী মুনাফিকদের যারা মুশরিকদের সামনে মাথা নত করতে দ্বিধা করে না


রবিবারের ফাইনালের জন্য শনিবার অনুশীলনে ব্যস্ত ছিল ভারত ও বাংলাদেশ দল। মাঠের একদিকে অনুশীলন করছিল টিম ইন্ডিয়া, অপর প্রান্তে ছিল বাংলাদেশ দল। এমন সময় বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজা এগিয়ে আসে যেখানে ভারতের ক্রিকেটার যুবরাজ দাড়িয়ে ছিল। যুবরাজ মাশরাফির সঙ্গে করমর্দন করার