Posts Tagged ‘নির্যাতন’

প্রসঙ্গ: সীমান্তে সন্ত্রাসী বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশী হত্যা 


ভারতের সীমান্ত বাহিনী হানাদার বিএসএফ বাংলাদেশ সীমান্তে অনেক দিন ধরে বাংলাদেশীদের উপর গুলি চালিয়ে আসছে; যাতে নিহত হয়েছেন বহু বাংলাদেশী। এমন কোনো দিন নেই যেদিন হানাদার বিএসএফ সীমান্তে বাংলাদেশীদের উপর নির্যাতন চালায় না। কিন্তু কি সরকার, কি জনগণ কেউ-ই প্রতিবাদ জানায়

কিয়ামতের দিন সকল পাওনাদারের পাওনা আদায় করে দেয়া হবে


হাশরের ময়দানে কোন বান্দা এটা পছন্দ করবে না যে, তার সাথে এমন একজনের দেখা হয়ে যাক, কারণ দেখা হলে চিনতে পারবে যে, সে তার প্রতি নির্যাতন চালিয়েছিল, যার দরুন সে তার প্রতি জুলুমের প্রতিশোধ তলব করবে। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক

রোহিঙ্গা মুসলিমরা নিজ দেশে পরবাসী


ঈমান থেকে দূরে সরে যাওয়া এবং অনৈক্যর কারণে মুসলিম উম্মত আজ পৃথিবীর সর্বত্র নির্যাতিত ও নিপীড়িত। সম্মিলিতভাবে কাফিররা মুসলিম দেশগুলিকে তাদের যুলুমের লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ করে রেখেছে। প্রতিটি মুসলিম দেশ আজ সমস্যায় জর্জরিত যদিও মহান আল্লাহ পাক তিনি বেশুমার রহমত ও বরকত

‘মধ্য আফ্রিকায় মুসলমানদের জিম্মি করে রেখেছে উগ্র খ্রিস্টান সন্ত্রাসীরা’


মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের মুসলমানরা কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে আছেন। ফরাসি সেনারাসহ নিরাপত্তা বাহিনী অস্ত্রধারীদের নিরস্ত্র করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে পরিস্থিতির কোন উন্নতি হয়নি। প্যান-আফ্রিকান নিউজ ওয়াইরের সম্পাদক আবাইওমি আজিকিয়ে এসব মন্তব্য করেছে। আবাইওমি আজিকিয়ে বলেছে, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের মুসলিম জনগণ অবরোধের মধ্যে

৯৭% মুসলমানগণ আজ ৩% হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানদের হাতে জিম্মি!!! ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করতে চাইলে মুসলমানগণ উনাদের এগিয়ে আসা উচিত।


মুসলমানগণ উনাদের শত্রু কাফির-মুশরিকরা। মুসলমানগণ উনারা একটু বিপদে পড়লে তারা খুশি হয়। আর ভালো অবস্থায় থাকলে কাফিরদের কষ্ট হয়। নিজেরাই তাদের মন্দির, প্যাগোডা, গির্জায়, উপাসনালয়ে আগুন দিয়ে ক্ষয়ক্ষতি করে ভিডিও করে, মিডিয়ায় ছড়িয়ে আর প্রচার করে মুসলমানগণ উনারা এ কাজ করেছে।

বর্তমানে হিন্দুদের ব্যাপারে ‘টু’ শব্দটা করলে খোদ পুলিশেরও তেরোটা বাজিয়ে ছাড়ে এদেশের পুলিশ বিভাগ!


বাংলাদেশে পুলিশ বিভাগের ইতিহাসে বেশকিছু ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পুলিশ হত্যা কিংবা সম্ভ্রমহানিতে জড়িত থাকার পরও তার বিচার হয়নি। কারণ পুলিশের অপরাধের তদন্ত যে করে সেও তো আরেকজন পুলিশ! ‘কাকে কাকের গোশত খায় না’ এই প্রবাদের সার্থক উদাহরণ এটি। তবে এ ধরনের

‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’(?) রোধে আমাদের যা করণীয়…


বর্তমানে এদেশের অন্যতম একটি প্রধান সমস্যা হলো ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’। হিন্দুদের ব্যাপকহারে সরকারি উচ্চপদ দিয়ে, কিংবা তাদের কুঁড়েঘর থেকে শুরু করে হিন্দুগ্রামের রাস্তাগুলো পাকা করে দিলেও এদেশের মুসলমানরা ‘অসাম্প্রদায়িকতা’র সার্টিফিকেট পাচ্ছে না, আফসোস! এই অচলাবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে যা করণীয়, তা নিয়েই

পাঠকগণ দেখুন তো বাংলাদেশে কি এভাবেই ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’ হয়ে থাকে! (১)


বর্তমানে বাংলাদেশের একদল চিহ্নিত বুদ্ধিজীবী ও দালাল মিডিয়ার ট্রাম্পকার্ড হলো ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন। যদিও আওয়ামী মদদে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে হিন্দুদের প্রাধান্য, তারপরও বাংলাদেশে নাকি হচ্ছে ব্যাপক সংখ্যালঘু নির্যাতন! পাঠকগণ আসুন দেখি, এসব হিন্দুর পেয়ারের ভারতে যেভাবে মুসলমান নির্যাতন (সংখ্যালঘু নয়?) হয়ে থাকে

কত নিষ্ঠুর ভারতের মুশরিকরা!! মুসলমানদের কত কষ্টই না দিচ্ছে….


ভারতের মুসলমান উনারা সন্ত্রাসবাদী মুশরিকদের দ্বারা চরম যুলুম নির্যাতনের শিকার। সম্প্রতি ভারতের উত্তর প্রদেশের মুজাফফনগরে মুসলিমবিরোধী দাঙ্গায় গৃহহীন হয়েছে লাখো মুসলমান, যাদের আশ্রয় মিলেছে খোলা মাঠের তাবুতে। বলাবাহুল্য, প্রচণ্ড শীতল আবহাওয়া আর শৈত্য প্রবাহ বয়স্করা সহ্য করতে পারলেও সহ্য করতে পারেনি

ভারতের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার না জানা নির্মম ঘটনাসমূহ -২


সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বলতে আমাদের চোখে ভেসে উঠে কেবলই গুজরাটের কথা। কানে ভেসে আসে হিন্দু নরপশুদের উদ্দেশ্যে মুসলিম মা-বোনদের ইজ্জত বাঁচানোর আকুতি, “তোমরা আমাদের প্রতিবেশী। চাচা বলে, ভাই বলে এতদিন ডেকেছি তোমাদের। তোমরা আমাদের সর্বনাশ করো না!” কিন্তু কেবল গুজরাটেই নয়, ভারতের

সামান্য সময়ের ব্যবধানে সন্ত্রাসীদের হিন্দুবাদ কর্তৃক মুসলমান শহীদ হওয়ার ৪টি ঘটনা: আমরা কি বাংলাদেশে আছি; না ভারতে? (পর্ব-৩)


ঘটনা- ৩ গত ১৫ই নভেম্বর, ২০১৩ ঈসায়ী তারিখে বরিশাল সদরে পারভেজ গাজী নামে এক কিশোরকে জবাই করে হত্যা করে উগ্র সন্ত্রাসীবাদি হিন্দুরা। একই সাথে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় আরো তিন মুসলিম যুবককে। এ ঘটনায় পুলিশ সন্ত্রাসবাদী হিন্দুদের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তা প্রকাশ

ইতিহাসের পাতা থেকে: ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’ এর উৎস হলো ব্রিটিশ আমলের শেষেরদিকে মুসলিম ক্ষমতায়ন


বাংলাদেশকে রাষ্ট্রীয়ভাবে চাপে রাখার জন্য দেশবিরোধী শক্তির প্রধান ইস্যু হলো ‘সংখ্যালঘু নির্যাতন’। এই সংখ্যালঘু ইস্যু ব্যবহার করে বাংলাদেশকে বহির্বিশ্বে হেয় করাসহ ভারতে মুসলিমনির্যাতনের ইন্ধনও দেয়া যায়। এককথায় এটি হলো হিন্দুপন্থী মিডিয়ার একটি অন্যতম শয়তানি ব্রহ্মাস্ত্র। ব্রিটিশআমলে প্রথমপর্যায়ে বাংলার মুসলমানদের ক্ষমতাচ্যুত করে