Posts Tagged ‘পহেলা বৈশাখ’

পহেলা বৈশাখ পালন করা কেন হারাম ??


আমাদের রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হিজরতের পর মদীনা শরীফ গিয়ে ঐ এলাকাবাসীর দুটি উৎসব বন্ধ করেছিলেন। একটি হচ্ছে, বছরের প্রথম দিন উদযাপন বা নওরোজ; অন্যটির নাম ছিলো ‘মিহিরজান’। এ উৎসবের দুটির বিপরীতে চালু হয় মুসলমানদের দুই ঈদ। (তাফসিরসমূহ দেখতে

পহেলা বৈশাখে নয় বরং পবিত্র শবে বরাত শরীফ উপলক্ষ্যে বোনাস দেয়া আবশ্যক


নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সীমাহীন বেমেছাল সুমহান শান মুবারক সমূহ উনাদের মধ্যে একটি অন্যতম বিশেষ সম্মানিত শান মুবারক বা মর্যাদা মুবারক-মর্তবা ও আমল মুবারক হচ্ছেন সম্মানিত শবে বরাত শরীফ। যা বিশ্বাস ও আমল করা প্রত্যেক

‘পহেলা বৈশাখ’ মুসলিমবিদ্বেষীদীদের অপসংস্কৃতি


বাংলাদেশে প্রথম পহেলা বৈশাখ পালিত হয় ‘ছায়ানটের’ মাধ্যমে। ১৯৬৪ সনে খুবই সল্প পরিসরে, যার মূলে ছিল কিছু রবীন্দ্রপ্রেমী ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক। ওয়াহিদুল হক, সানজীদা হোসেন, শামসুন্নাহার রহমান, সুফিয়া কামাল এদের অন্যতম। (সূত্র- মুনতাসীর মামুন, ঢাকা: স্মৃতি বিস্মৃতির নগরী ২য় খন্ড) উল্লেখ্য, সুফিয়া

পহেলা বৈশাখের নামে মুসলমানদেরকে পূজার ন্যায় শিরকী কাজে জড়াতে চায়, পূজার বৈধতার বিষয়ে শরীয়ত হতে তাদেরকে দলীল দিতে হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো তবে দলীল পেশ করো। পহেলা বৈশাখ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি বিষয়ই বিধর্মীদের পূজার অন্তর্ভূক্ত। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পূজা করা কুফরী-শিরকীর অন্তর্ভুক্ত। যারা পহেলা বৈশাখের নামে মুসলমানদেরকে

পহেলা বৈশাখ: দৃঢ়তার সাথে বর্জন করতে হবে


মুসলমানদের সাথে কাফির-মুশরিক সবদিক থেকে পরস্পর বিপরীতমুখী। মুসলমানদের জন্য সম্মানিত দ্বীন ইসলাম, শরীয়ত এবং সুন্নাহ শরীফ সমস্ত কিছুই যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের মনোনীত এবং

সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে তো অবশ্যই; এমনকি সাংবিধানিকভাবেও পহেলা বৈশাখ ও (অ)মঙ্গল শোভাযাত্রা পালন করা হারাম


বাংলাদেশের সংবিধানের ৩ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। সে প্রেক্ষিতে দেশে ইংরেজি ভাষাসহ বিভিন্ন উপজাতীয় ভাষার ঊর্ধ্বে যেমন রাষ্ট্রভাষা বাংলার মর্যাদা ও প্রাধান্য; তেমনি সংবিধানের ২ নম্বর ধারায় বর্ণিত রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার কথা স্বীকারের প্রেক্ষিতে অন্যান্য ধর্ম

প্রত্যেক মুসলমানের জন্য পহেলা বৈশাখ পালন করা হারাম ও কুফরীঃ


প্রত্যেক মুসলমানের জন্য পহেলা বৈশাখ পালন করা হারাম ও কুফরীঃ প্রশ্নঃ পহেলা বৈশাখ পালন করা কেন হারাম ?? উত্তরঃ নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরতের পর মদীনা শরীফ গিয়ে ঐ এলাকাবাসীর দুটি উৎসব বন্ধ করেছিলেন। একটি হচ্ছে, বছরের প্রথম দিন

পহেলা বৈশাখ কোনো ইসলামী বা শরীয়তসম্মত উৎসব নয়, মুসলমানদের জন্য তা করা জায়িয নেই


বর্তমানে বাংলাদেশে ৯৮% মুসলমান রয়েছে। অথচ মুসলমানদের ঘরে ঘরে পালন হয় পহেলা বৈশাখ। প্রশ্ন হচ্ছে- পহেলা বৈশাখ কি? এটা কি কোনো ইসলামী বা শরীয়তসম্মত উৎসব? না, এটা কোনো শরীয়তসম্মত উৎসব নয়। এটা একটি বিধর্মীয় কুপ্রথা বা উৎসব। তাহলে কেন মুসলমারা এই

পহেলা বৈশাখ পালন করে এখন বোধহীন বাঙালী মুসলমানরা বুক ফুলিয়ে বোঝাতে চায়, “আমার বাপ-দাদারা সব হিন্দু ছিল, আমরা হিন্দুর জাত।


ব্রিটিশরা কমনওয়েলথ প্রতিষ্ঠা করেছে খুব কায়দা করে। ব্রিটিশদের উপনিবেশ ভেঙ্গে গেলেও শত বছর পর তারা বলতে পারবে, ‘এই কমনওলেথ সদস্যগুলোকে এক সময় আমরা শাসন করেছি।’ ভারত উপমহাদেশে এক সময় হিন্দুদের উপস্থিতি ছিল। তবে সেখানে আরব থেকে ওলী আল্লাহগণও এসেছেন, স্থায়ীভাবে বসবাস

ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত যে- বাদশাহ আকবর নিজে বাঙালি বা বাংলাদেশী বা তার মাতৃভাষা বাংলা ছিলো না। আর বর্তমানে প্রচলিত বাংলা সন প্রকৃতপক্ষে মোগল বাদশাহ আকবর কর্তৃক প্রবর্তিত এলাহী সন বা ফসলী সন। তাহলে কি করে তার প্রবর্তিত এলাহী সন বা ফসলী সন- বাংলা সন ও বাঙালিদের সন হতে পারে? এলাহী সন বা ফসলী সন গণনা শুরু হয় ৯৬৩ হিজরীতে। আর উদ্ভব ঘটে ৯৯৩ হিজরীতে। যা ৫০০ বছরও অতিবাহিত হয়নি। তাহলে তা কি করে হাজার বছরের ঐতিহ্য হতে পারে?


ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত যে বাদশাহ আকবর নিজে বাঙালি বা বাংলাদেশী বা তার মাতৃভাষা বাংলা ছিলো না। আর বর্তমানে প্রচলিত বাংলা সন প্রকৃতপক্ষে মোগল বাদশাহ আকবর কর্তৃক প্রবর্তিত এলাহী সন বা ফসলী সন। তাহলে কি করে তার প্রবর্তিত এলাহী সন বা ফসলী সনটি

মুসলমান পহেলা বৈশাখ পালন করতে পারেনা।


  পহেলা বৈশাখ বিধর্মীদের পূজার দিন। পহেলা বৈশাখ মুসলমানদের কোন দিবস নয়। মুসলমান পহেলা বৈশাখ পালন করতে পারেনা। পহেলা বৈশাখে পূজা সমূহ: ১) হিন্দুদের ঘটপূজা ২) হিন্দুদের গণেশ পূজা ৩) হিন্দুদের সিদ্ধেশ্বরী পূজা ৪) হিন্দুদের ঘোড়ামেলা ৫) হিন্দুদের চৈত্রসংক্রান্তি পূজা-অর্চনা ৬)

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে নওরোজ বা যে কোন নববর্ষ পালন করা হারাম ও বিদয়াত।”


  কাজেই, নববর্ষ সেটা বাংলা হোক, ইংরেজি হোক, আরবী হোক ইত্যাদি সবই ইহুদী-নাছারা, বৌদ্ধ, মজুসী-মুশরিকদের তর্জ-তরীক্বা; যা পালন করা থেকে বিরত থাকা সকল মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব। উল্লেখ্য, সাধারণভাবে প্রাচীন পারস্যের পরাক্রমশালী সম্রাট জমশীদ খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ সালে এই নওরোজের প্রবর্তন করেছিল এবং