Posts Tagged ‘পহেলা বৈশাখ’

সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে তো অবশ্যই; এমনকি সাংবিধানিকভাবেও পহেলা বৈশাখ ও (অ)মঙ্গল শোভাযাত্রা পালন করা হারাম


বাংলাদেশের সংবিধানের ৩ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। সে প্রেক্ষিতে দেশে ইংরেজি ভাষাসহ বিভিন্ন উপজাতীয় ভাষার ঊর্ধ্বে যেমন রাষ্ট্রভাষা বাংলার মর্যাদা ও প্রাধান্য; তেমনি সংবিধানের ২ নম্বর ধারায় বর্ণিত রাষ্ট্রদ্বীন পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার কথা স্বীকারের প্রেক্ষিতে অন্যান্য ধর্ম

প্রত্যেক মুসলমানের জন্য পহেলা বৈশাখ পালন করা হারাম ও কুফরীঃ


প্রত্যেক মুসলমানের জন্য পহেলা বৈশাখ পালন করা হারাম ও কুফরীঃ প্রশ্নঃ পহেলা বৈশাখ পালন করা কেন হারাম ?? উত্তরঃ নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজরতের পর মদীনা শরীফ গিয়ে ঐ এলাকাবাসীর দুটি উৎসব বন্ধ করেছিলেন। একটি হচ্ছে, বছরের প্রথম দিন

পহেলা বৈশাখ কোনো ইসলামী বা শরীয়তসম্মত উৎসব নয়, মুসলমানদের জন্য তা করা জায়িয নেই


বর্তমানে বাংলাদেশে ৯৮% মুসলমান রয়েছে। অথচ মুসলমানদের ঘরে ঘরে পালন হয় পহেলা বৈশাখ। প্রশ্ন হচ্ছে- পহেলা বৈশাখ কি? এটা কি কোনো ইসলামী বা শরীয়তসম্মত উৎসব? না, এটা কোনো শরীয়তসম্মত উৎসব নয়। এটা একটি বিধর্মীয় কুপ্রথা বা উৎসব। তাহলে কেন মুসলমারা এই

পহেলা বৈশাখ পালন করে এখন বোধহীন বাঙালী মুসলমানরা বুক ফুলিয়ে বোঝাতে চায়, “আমার বাপ-দাদারা সব হিন্দু ছিল, আমরা হিন্দুর জাত।


ব্রিটিশরা কমনওয়েলথ প্রতিষ্ঠা করেছে খুব কায়দা করে। ব্রিটিশদের উপনিবেশ ভেঙ্গে গেলেও শত বছর পর তারা বলতে পারবে, ‘এই কমনওলেথ সদস্যগুলোকে এক সময় আমরা শাসন করেছি।’ ভারত উপমহাদেশে এক সময় হিন্দুদের উপস্থিতি ছিল। তবে সেখানে আরব থেকে ওলী আল্লাহগণও এসেছেন, স্থায়ীভাবে বসবাস

ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত যে- বাদশাহ আকবর নিজে বাঙালি বা বাংলাদেশী বা তার মাতৃভাষা বাংলা ছিলো না। আর বর্তমানে প্রচলিত বাংলা সন প্রকৃতপক্ষে মোগল বাদশাহ আকবর কর্তৃক প্রবর্তিত এলাহী সন বা ফসলী সন। তাহলে কি করে তার প্রবর্তিত এলাহী সন বা ফসলী সন- বাংলা সন ও বাঙালিদের সন হতে পারে? এলাহী সন বা ফসলী সন গণনা শুরু হয় ৯৬৩ হিজরীতে। আর উদ্ভব ঘটে ৯৯৩ হিজরীতে। যা ৫০০ বছরও অতিবাহিত হয়নি। তাহলে তা কি করে হাজার বছরের ঐতিহ্য হতে পারে?


ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত যে বাদশাহ আকবর নিজে বাঙালি বা বাংলাদেশী বা তার মাতৃভাষা বাংলা ছিলো না। আর বর্তমানে প্রচলিত বাংলা সন প্রকৃতপক্ষে মোগল বাদশাহ আকবর কর্তৃক প্রবর্তিত এলাহী সন বা ফসলী সন। তাহলে কি করে তার প্রবর্তিত এলাহী সন বা ফসলী সনটি

মুসলমান পহেলা বৈশাখ পালন করতে পারেনা।


  পহেলা বৈশাখ বিধর্মীদের পূজার দিন। পহেলা বৈশাখ মুসলমানদের কোন দিবস নয়। মুসলমান পহেলা বৈশাখ পালন করতে পারেনা। পহেলা বৈশাখে পূজা সমূহ: ১) হিন্দুদের ঘটপূজা ২) হিন্দুদের গণেশ পূজা ৩) হিন্দুদের সিদ্ধেশ্বরী পূজা ৪) হিন্দুদের ঘোড়ামেলা ৫) হিন্দুদের চৈত্রসংক্রান্তি পূজা-অর্চনা ৬)

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে নওরোজ বা যে কোন নববর্ষ পালন করা হারাম ও বিদয়াত।”


  কাজেই, নববর্ষ সেটা বাংলা হোক, ইংরেজি হোক, আরবী হোক ইত্যাদি সবই ইহুদী-নাছারা, বৌদ্ধ, মজুসী-মুশরিকদের তর্জ-তরীক্বা; যা পালন করা থেকে বিরত থাকা সকল মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব। উল্লেখ্য, সাধারণভাবে প্রাচীন পারস্যের পরাক্রমশালী সম্রাট জমশীদ খ্রিস্টপূর্ব ৮০০ সালে এই নওরোজের প্রবর্তন করেছিল এবং

সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে যারা পহেলা বৈশাখ পালন করবে তারা কুফরী করবে। কারণ প্রকৃতপক্ষে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান হচ্ছে- হিন্দু, মজুসী ও বৌদ্ধদের অর্থাৎ বিধর্মীদের উৎসব। এতে তারা পান্তা খায়, গান-বাজনা করে, র‌্যালী করে, জীব-জানোয়ারের মুখোশ পরে, মিছিল করে, শরীরের নানা অঙ্গ-প্রতঙ্গে উল্কি আঁকে, ডুগডুগি বাজিয়ে নেচে নেচে হৈহুল্লোড় করে, পুরুষরা ধুতি ও কোণাকাটা পাঞ্জাবী- যা বিধর্মীদের জাতীয় পোশাক তা পরে, মেয়েরা লাল পেড়ে সাদা শাড়িসহ হাতে রাখি বাঁধে, শাঁখা পরে, কপালে লাল টিপ ও চন্দন এবং সিথিতে সিঁদুর দেয়, বেপর্দা, বেহায়া হয়- যা সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে সম্পূর্ণরূপে হারাম ও কুফরী।


সম্মানিত দ্বীন ইসলাম হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি পবিত্র ওহী মুবারক উনার মাধ্যমে নাযিলকৃত, একমাত্র পরিপূর্ণ, সন্তুষ্টিপ্রাপ্ত, নিয়ামতপূর্ণ, অপরিবর্তনীয় ও মনোনীত দ্বীন; যা

যে দশ কারনে পহেলা বৈশাখ পালন ইসলামে নিষিদ্ধ !


‌(১) “এসো হে বৈশাখ”বলা নিষেধ ৷ কারন এর দ্বারা মাখলুকের নিকট কল্যাণ কামনা করা হয়৷ অথচ কল্যানের মালিক একমাত্র আল্লাহ তা’লা ৷ ২) বড় বড় র‍্যালি বের করা যাকে মঙ্গল শুভ যাত্রা বলা হয় , এটা নিরেট হিন্দুদের ধর্মীয় কাজ। যা

পহেলা বৈশাখ সম্পর্কে কিছু অপ্রিয় সত্য…….


আসুন জেনে নেই, পহেলা বৈশাখ সম্পর্কে কিছু অপ্রিয় সত্য………. ১) অনেকে দাবি করে, পহেলা বৈশাখ বাঙালী সংস্কৃতির অংশ। অথচ বৈশাখ তথা বাংলা মাস সৃষ্টি করেছে মঙ্গলীয় বংশোদ্ভূত বাদশাহ আকবর, যার ভাষা ছিলো ফার্সী। ২) অনেকে দাবি করে, পহেলা বৈশাখ বাঙালীর হাজার

পহেলা বৈশাখ বর্জন করুন


বাদশাহ আকবরের রচিত ফসলী সনকে বাংলা সন হিসেবে গ্রহণ করা মূর্খতার নামান্তর। কারণ বাদশাহ আকবর নিজে যেমন বাঙালি ছিলো না, তেমন সে বাংলাদেশীও ছিলো না; বরং সে মঙ্গোলীয়ান ছিলো। আর তার ভাষাও ছিলো ফার্সী। কাজেই ফসলী সন কখনো বাংলা সন হতে

পহেলা বৈশাখ নিষিদ্ধ করা হোক—


বাংলাদেশীরা যদি চায়- বাংলাদেশ ভারতের অন্তর্ভূক্ত না হোক, ভারতীয় জাতীয়তাবাদ বাংলাদেশীদের মধ্যে আর প্রবেশ না করুক, তবে অবশ্যই অবশ্যই উচিত হবে বাংলাদেশে পহেলা বৈশাখ নিষিদ্ধ করা। মনে রাখতে হবে “দাও দুই বাংলা এক করে দাও”- এ থিউরী ঠেকাতে পহেলা বৈশাখ নিষিদ্ধ করা