Posts Tagged ‘পূজা’

মাত্র ১.৫ ভাগ সংখ্যালঘুর দুটির জন্য ৯৮ ভাগেরও বেশি বিশাল জনগোষ্ঠীকে বসিয়ে রাখার অর্থ কি?


একটি রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে হলে তাকে ছুটি দেয়ার সময় অবশ্যই লাভ-ক্ষতির হিসেব কষতে হবে। দেশের সামান্য কিছু লোকের ছুটির প্রয়োজনে গোটা দেশের মানুষের ছুটি দিয়ে দিলে নিয়ম-শৃঙ্খলা বলে কিছু থাকবে না। কেননা একদিন ছুটি দেয়া মানে দেশের অর্থনীতিকে পুরোপুরি অবশ

১লা বৈশাখে বিধর্মীরা যে সকল পূজা-পার্বণ পালন করে


পহেলা বৈশাখে রয়েছে- ১) হিন্দুদের ঘটপূজা ২) হিন্দুদের গণেশ পূজা ৩) হিন্দুদের সিদ্ধেশ্বরী পূজা ৪) হিন্দুদের ঘোড়ামেলা ৫) হিন্দুদের চৈত্রসংক্রান্তি পূজা-অর্চনা ৬) হিন্দুদের চড়ক বা নীল পূজা বা শিবের উপাসনা ও সংশ্লিষ্ট মেলা ৭) হিন্দুদের গম্ভীরা পূজা ৮) হিন্দুদের কুমীরের পূজা

স্কুল-কলেজের বর্তমান শিক্ষাপদ্ধতি শিক্ষার্থীদের ‘মুসলিম’ পরিচয়ে আঘাত করছে 


প্রাইমারি থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত অমুসলিম শিক্ষকদের গড় হার ৫৮ ভাগেরও বেশি। কোনো কোনো বিদ্যালয়ের ৮৫ ভাগ শিক্ষকই বিধর্মী। অনেক ক্ষেত্রে স্কুলের ইসলাম শিক্ষা বই পড়ায় বিধর্মী শিক্ষক। একটি শিশু কোমল মন নিয়ে যখন শিক্ষালাভ শুরু করে, তখন তার শিক্ষকের বা

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার দৃষ্টিতে- বিধর্মীদের সাথে মুসলমানদের সম্পর্ক যেরূপ


অনেক নামধারী মুসলমান অসাম্প্রদায়িকতার পরিচয় দিতে গিয়ে কাফির-মুশরিকদের ‘ভাই’ বলে কাছে টেনে নেয়, কাফির-মুশরিকদের পূজা, ক্রিসমাস, বৈসাবীতে অংশগ্রহণ করে। নাউযুবিল্লাহ! অথচ মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে কাফিরদের প্রতি কঠোর মনোভাব পেশ করেছেন। মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক

সাকরাইন পূজা: হিন্দুয়ানী অপসংস্কৃতির স্লো পয়জনিং


সাকরাইন উৎসব, মূলত পৌষসংক্রান্তি, ঘুড়ি উৎসব নামেও পরিচিত, বাংলাদেশে শীত মৌসুমের বাৎসরিক উদযাপন, ঘুড়ি উড়িয়ে পালন করা হয়। সংস্কৃত শব্দ ‘সংক্রান্তি’ ঢাকাইয়া অপভ্রংশে সাকরাইন রূপ নিয়েছে। পৌষ ও মাঘ মাসের সন্ধিক্ষণে, পৌষ মাসের শেষদিন সারা ভারতবর্ষে সংক্রান্তি হিসাবে উদযাপিত হয়। #মকর

যে ব্যক্তি নিজেকে মুসলমান দাবি করবে আবার পূজার শুভেচ্ছাও দিবে সে কিন্তু মুশরিক হয়ে যাবে


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “নিশ্চয়ই মুশরিকরা নাপাক।” (পবিত্র সূরা তওবা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ-২৮) “তোমরা ছবি বা মুর্তির অপবিত্রতা বেঁচে থাকো এবং মিথ্যা কথা বা (গান-বাজনা, নাটক-সিনেমা, কাল্পনিক, মনগড়া-বানোয়াটি

একজন মুসলমানের জন্য ইসলামের যে বিষয়টা রয়েছে সেটা তাকে ফিকির করতে হবে।


মহান আল্লাহ পাক তিনি সেটা পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন- لتجدن اشد الناس عداوة للذين امنوا اليهود والذين اشركوا মহান আল্লাহ পাক তিনি বলেন, হে আমার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন উম্মতদেরকে, তোমরা

পহেলা বৈশাখে পূজা সমূহ: ————————–


পহেলা বৈশাখ বিধর্মীদের পূজার দিন।পহেলা বৈশাখ মুসলমানদের কোন দিবস নয়। মুসলমান পহেলা বৈশাখ পালন করতে পারেনা।পহেলা বৈশাখে পূজা সমূহ: ————————– ১) হিন্দুদের ঘটপূজা ২) হিন্দুদের গণেশ পূজা ৩) হিন্দুদের সিদ্ধেশ্বরী পূজা ৪) হিন্দুদের ঘোড়ামেলা ৫) হিন্দুদের চৈত্রসংক্রান্তি পূজা-অর্চনা ৬) হিন্দুদের চড়ক

বৃহত্তর স্বার্থে পূজায় শব্দ দূষণ নিষিদ্ধ ভারতে, বাংলাদেশে কেন লোকালয়ে শব্দ দূষণকারী পূজা নিষিদ্ধ হবে না


সংখ্যাগত দিক থেকে বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায় যতসামান্য হলেও তাদের পূজার সময়ে মন্দির ছেড়ে যততত্র পূজাম-প করায় উচ্চমাত্রায় শব্দ দূষণে ভারি হয়ে উঠে শহর-নগরীর লোকালয়গুলো। অতিষ্ঠ হয়ে উঠে চারপাশের মানুষ। হাসপাতালের রোগী, মসিজদে ইবাদতরত মুসল্লিদের, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী, বাড়িতে শিশু-বৃদ্ধ কিংবা অসুস্থদের

পহেলা বৈশাখকে যারা সার্বজনীন বাঙালী উৎসব বলে, ধর্মীয় প্রেক্ষিতের থেকে আলাদা করে বর্ণনা করতে চায় তারা আসলে বোকার স্বর্গে বাস করে


পহেলা বৈশাখ ফসলী (কতিথ বাংলা) সনের প্রথম দিন। দিনটি পালিত হচ্ছে বাঙালীর ঐতিহ্য ধরে রাখার চেতনা হিসেবে। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ইত্যাদি পরিচয়ের বাইরে আলাদাভাবে এ বাঙালী পরিচয়ের দাবী। কিন্তু পহেলা বৈশাখ উদযাপনকারীরা একদিকে যেমন জানেনা যে, ফসলী (কতিথ বাংলা) সনের ‘সন’

জাতীয় প্রেসক্লাব বাংলাদেশ আওয়ামী ওলামা লীগের সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন


জামাত জোটের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে দেশকে রক্ষার লক্ষ্যে হরতাল বিরোধী আইন প্রণয়ন করা,  সব যুদ্ধাপরাধীদের দ্রুত বিচার করে অবিলম্বে ফাঁসি কার্যকর করা, শুধু নিবন্ধন বাতিল নয় অবিলম্বে জামাত শিবিরসহ সকল ধর্মব্যবসায়ী দল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা, মুসলমানের ধর্মীয় অধিকার ক্ষুন্নকারী বোরকা ও

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে কথিত সরস্বতী পূজার নামে শিরকী কর্মকাণ্ড আইন করে নিষিদ্ধ করুন


সম্প্রতি উগ্র হিন্দু সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী বাংলাদেশকে পূজার দেশ বানানো জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। তারা টার্গেট নিয়ে বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তাদের কথিত সরস্বতী পূজার আয়োজন করেছে, যা মুসলমান শিক্ষার্থীদের জন্য চরম অস্বস্তিকর এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার কারণও বটে। এখানে ভুলে গেলে