Posts Tagged ‘ফযীলত’

মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদের পরিচিতি মুবারক এবং পালনের গুরুত্ব, তাৎপর্য ও ফাযায়িল-ফযীলত মুবারক


اَيَّامٌ (আইয়্যামুন) শব্দ মুবারকখানা يَوْمٌ (ইয়াওমুন) শব্দ মুবারক উনার বহুবচন। অর্থ দিনসমূহ। আর শব্দ মুবারকখানা লফযে আল্লাহ (اَللهُ শব্দ মুবারক) উনার সাথে ইযাফত হয়ে- اَيَّامُ اللهِ (আইয়্যামুল্লাহ্) হয়েছেন। সুবহানাল্লাহ! আর اَيَّامُ اللهِ (আইয়্যামুল্লাহ্) উনার অর্থ হচ্ছেন- যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান

হযরত খুলাফায়ে রাশিদীন আলাইহিমুস সালাম উনারা উনাদের খিলাফতকালে নাবিইয়ুর রহমাহ, নাজিইয়ুল্লাহ, নূরুম মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করেছেন এবং এ উপলক্ষে খরচ করার ফযীলতও বর্ণনা করেছেন


যেমন এ প্রসঙ্গে বিশ্ব সমাদৃত ও সুপ্রসিদ্ধ ‘আন নি’মাতুল কুবরা আলাল আলাম’ কিতাবে বর্ণিত রয়েছে- আফদ্বালুন নাস বা’দাল আম্বিয়া, খলীফাতু রসূলিল্লাহ হযরত আবূ বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম তিনি বলেন- من انفق درهما على قرائة مولد النبى صلى الله عليه وسلم كان

পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম শরীফ উনার বিশেষ আমলসমূহ এবং ফযীলত মুবারক


পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার উল্লেখযোগ্য ও শ্রেষ্ঠতম দিন হচ্ছে ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন। এই মুবারক দিনটি বিশ্বব্যাপী এক আলোচিত দিন। কেননা সৃষ্টির সূচনা হয় এ দিনে এবং সৃষ্টির সমাপ্তিও ঘটবে এই দিনে। বিশেষ বিশেষ

পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস উনার প্রথম ১০ দিনের ইবাদত অশেষ ফযীলত লাভের মহান উপলক্ষ্য


আরবী পবিত্র যিলক্বদ শরীফ মাস উনার পরই শুরু হবে পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাস। আর এ পবিত্র যিলহজ্জ শরীফ মাসটি অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ একটি মাস। এ মাসের প্রথম দশদিন হলো বান্দা-বান্দির জন্য অশেষ নিয়ামত তথা অজস্র রহমত, বরকত, সাকিনা লাভের মহান এক উপলক্ষ্য।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গ্রীষ্ম ও শীতকালীন ছুটি নয়, বরং পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ছুটিই ইহকাল ও পরকালের জন্য কল্যাণকর পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ফযীলত সম্পর্কে উল্লেখ থাকার পরও আমাদের দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ করে মাদরাসা, স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রীতিমত খোলা থাকে এবং ক্লাস, পরীক্ষা নিয়মিত চলে। নাঊযুবিল্লাহ! কিন্তু প্রতিবছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে গ্রীষ্মকালীন ছুটি উপলক্ষে মে-জুন মাসে ২০-৩০ দিন এবং শীতকালীন ছুটি উপলক্ষে ডিসেম্বরে ১৫-২০ দিন ছুটি দিয়ে থাকে। স্মর্তব্য, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলে অধিকাংশ শিক্ষার্থীর রাতের শেষভাগে সাহরী গ্রহণ, সারাদিনের রোযা, মাগরিবের ইফতার, পবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত, মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির, পবিত্র দুরূদ শরীফ পাঠ, রাত্রি জেগে পবিত্র শবে ক্বদর তালাশ করা ইত্যাদি সব নেক ও কবুলযোগ্য আমলে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে। যার ফলশ্রুতিতে তারা মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের অভাবনীয় রহমত, বরকত মাগফিরাত উনাদের হিস্সা হতে বঞ্চিত হওয়ার উপক্রম হয়। বস্তুত, পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উপলক্ষে মহান আল্লাহ পাক উনার ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের দেয়া অনন্য মর্যাদা মর্তবা উপলব্ধি করে দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থীদের একান্ত দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো অবিলম্বে এ মর্মে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করা যে, গ্রীষ্ম ও শীতকালীন ছুটির পরিবর্তে পুরো রমাদ্বান শরীফ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস পরীক্ষাসহ সমস্ত প্রাতিষ্ঠানিক


পবিত্র কুরআন শরীফ ও পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার ফযীলত সম্পর্কে উল্লেখ থাকার পরও আমাদের দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিশেষ করে মাদরাসা, স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রীতিমত খোলা থাকে এবং ক্লাস, পরীক্ষা নিয়মিত চলে। নাঊযুবিল্লাহ! কিন্তু প্রতিবছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে গ্রীষ্মকালীন

কায়িনাতের বুকে মহান আল্লাহ পাক উনার এক অনন্য বেমেছাল মহাসম্মানিত বরকতপূর্ণ ফযীলতপূর্ণ দিবস হচ্ছেন ২২শে জুমাদাল ঊলা শরীফ


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, وَذَكِّرْهُمْ بِاَيَّامِ اللهِ اِنَّ فِىْ ذٰلِكَ لَاٰيَاتٍ لِكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ. অর্থ: “আর (হে আমার হাবীব, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি তাদেরকে (সমস্ত জিন-ইনসান,

আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ১১ই যিলক্বদ শরীফ- আওলাদে রসূল হযরত সাইয়্যিদুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস।


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি বলে দিন, তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার পক্ষ থেকে ‘ফযল’ ও ‘রহমত’ লাভ করার কারণে খুশি প্রকাশ করো।’ আজ সুমহান ও বরকতময় পবিত্র ১১ই যিলক্বদ শরীফ- আওলাদে

বেমেছাল রহমত, বরকত, ছাকিনাপূর্ণ মাস পবিত্র জুমাদাল উখরা।। উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি এ পবিত্র মাস উনার ২০ তারিখ পবিত্র বিলাদত শরীফ গ্রহণ করেন এবং খলীফাতু রসূলিল্লাহ হযরত ছিদ্দীক্ব আকবর আলাইহিস সালাম তিনি এ পবিত্র মাস উনার ২২ তারিখ পবিত্র বিছাল শরীফ গ্রহণ করেন।


সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ, উম্মু আবীহা হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র শান-মান মর্যাদা-মর্তবা ফযীলত ও সংক্ষিপ্ত সাওয়ানেহ উমরী বা জীবনী মুবারক নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘হযরত ফাতিমাতুয যাহরা আলাইহাস সালাম তিনি

ফাদ্বাইলু হযরত ইমামুল আউওয়াল মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম


ফক্বীহুল উম্মত সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাস’উদ রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বলেন, “নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, হযরত কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহু আলাইহিস সালাম উনার চেহারা মুবারক উনার দিকে নজর করাও ইবাদতের শামিল।” সুবহানাল্লাহ! (মুসতাদরাকে

পবিত্র ছফর শরীফ মাস উনার অনেক ফাযায়িল-ফযীলত


আরবী মাস হচ্ছে ১২টি। এই ১২টি মাসই কোনো না কোনো কারণে ফযীলতপূর্ণ। উনার মধ্যে একটি অন্যতম মাস হচ্ছে- পবিত্র ছফর শরীফ মাস। এ মাসটি অশেষ রহমত, বরকত ও সাকীনাপূর্ণ একটি মাস। এ মাস উনার শেষ বুধবার হচ্ছে- পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ

পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররম শরীফ উনার বিশেষ কিছু আমল ও ফযীলত-(১)


পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ মাস উনার উল্লেখযোগ্য ও শ্রেষ্ঠতম দিন হচ্ছে ১০ই মুহররমুল হারাম শরীফ পবিত্র আশূরা শরীফ উনার দিন। এই মুবারক দিনটি বিশ্বব্যাপী এক আলোচিত দিন। কেননা সৃষ্টির সূচনা হয় এ দিনে এবং সৃষ্টির সমাপ্তিও ঘটবে এই দিনে। বিশেষ বিশেষ

পবিত্র মুহররম শরীফ মাস উনার রোযা ফাযায়িল-ফযীলত


হযরত আবূ হুরায়রা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি বর্ণনা করেন, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার রোযার পর মহান আল্লাহ পাক উনার মাস পবিত্র মুহররম শরীফ উনার রোযাই