Posts Tagged ‘বাতিল’

সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মুল মু’মিনীন আছ ছানিয়াহ্ ‘আশার আলাইহাস সালাম উনার ব্যাপারে ইতিহাসের একটি কুফরী দিক এবং তার খণ্ডন মূলক জবাব 


একটি বিষয় খুব ভালোভাবে উপলব্ধি আবশ্যক যে, শুধু যাহিরী বা কিতাবী বর্ণনার দ্বারা সম্মানিত ও পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার প্রতিটি বিষয়ে চূড়ান্ত পর্যায়ের ফায়ছালা দেয়া কস্মিনকালেও সম্ভব নয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিষয়টি এরূপ ঘটে থাকে যে, যাহিরী বা কিতাবী বর্ণনা এক রকম

কেউ দেখাতে পারবে না যে, কোনো বিধর্মী তারা- মুসলমান উনাদের কোনো বিষয় অনুসরণ করে বা পালন করে।


কাফির-মুশরিকগুলো তাদের ধর্ম বাতিল ও নাহক্ব হওয়ার পরও তারা তাদের কথিত ধর্মীয় বিষয়গুলো গুরুত্ব দেয় এবং গুরুত্বের সাথে পালন করে ও জারি করার কোশেশ করে। নাউযুবিল্লাহ! আর মুসলমানরা সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার তর্জ-তরীক্বা সব পর্বগুলোকে গুরুত্ব না দেয়া ও পালন না

‘রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলের দুঃসাহস দেখাবেন না’


সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে বাতিলের দুঃসাহস না দেখাতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আলেম শ্রেণীর একটি দল। গতকাল ইয়াওমুল ইছনাইনিল আযীম (সোমবার) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এ আহ্বান জানান। বিবৃতিতে উলামাগণ বলেন, সরকার ও প্রশাসনের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা ইসলাম বিরোধী

রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল হলে দেশকে আর মুসলিম দেশ বলা যাবেনা; কাফির রাষ্ট্রে পরিণত হবে বাংলাদেশ


খেলায় মগ্ন বাংলাদেশ। যেমনটা নেশায় বুদ হয়ে থাকে মাদকসেবীরা। আর ওদিকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল করার জোর প্রস্তুতি চলছে বিচারবিভাগে। আপনি কি জানেন, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল হলে কি হতে পারে? আর আপনার অবস্থান-ই বা কোথায় যাবে? বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল মানেই বাংলাদেশকে

প্রসঙ্গ: পহেলা বৈশাখ-১ পহেলা বৈশাখের সরকারি ছুটি বাতিল করতে হবে


বাংলাদেশ শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ। তাই এই দেশে ইসলাম ধর্ম প্রাধান্য পাবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বাস্তবে তার বিপরীত দেখা যাচ্ছে। পহেলা বৈশাখ আসলেই সারাদেশে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই একাকার হয়ে উৎসব পালন করে বেড়ায়। তখন দেখে বুঝবার উপায়

হিযবুত তাহরীর যে কারনে সন্ত্রাসবাদী ও বিভ্রান্ত বাতিল আক্বীদার দল — পর্ব (১)


হিযবুত তাহরীর সন্ত্রাসবাদী ও বিভ্রান্ত-পথভ্রষ্ট দল। বাংলাদেশেও মেধাবী তরুনদের মগজধোলাই করে তাদেরকে ইসলামের নামে ভ্রষ্ট পথে নিয়ে যাচ্ছে। হযরত সুলতান সালাহ উদ্দীন আইউবী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার জীবনী মুবারকে আমরা দেখতে পাই ঐ সময় মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্য ইহুদী ও খ্রীস্টানরা মিলে

হেফাজত: পনের হাজার পবিত্র কুরআন শরীফ পোড়ানোকারী ধর্মদ্রোহী দল; শরীয়া আইনে ওরা কাফির, মুরতাদ। ওদের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড


হেফাজত-জামাত একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। হেফাজত গোমরাহ দেওবন্দী আর জামাত বাতিল মওদুদীর দল। উভয়েই শুধু নিকৃষ্ট ধর্মব্যবসায়ী ও যুদ্ধাপরাধী সমর্থক নয়, বরং গোটা ইতিহাসের কলঙ্ক- পনের হাজার পবিত্র কুরআন শরীফ পোড়ানোকারী ধর্মদ্রোহী দল। শরীয়া আইনে ওরা কাফির, মুরতাদ। ওদের শাস্তি মৃত্যুদ-। ওরা

যারা বলে ‘হজ্জের সাথে পবিত্র রওযা শরীফ যিয়ারতের কোনো সম্পর্ক নেই’ তারা গুমরাহ ও বাতিল ফিরক্বার অন্তর্ভুক্ত।


খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ‘তোমরা নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার খিদমত করো, উনাকে সম্মান করো এবং সকাল-সন্ধ্যা উনার ছানা-সিফত করো।’ সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, খাতামুন নাবিইয়ীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক

“তারাবীহ নামায আট রাকায়াত” এ বাতিল দাবীর দলীল ভিত্তিক খন্ডন


প্রথমতঃ যারা বলে তারাবীহ নামায আট রাকায়াত পড়া সুন্নত, তারা দলীল হিসাবে বুখারী শরীফ প্রথম জিলদ ১৫৪ পৃষ্ঠার বর্ণিত নিম্নোক্ত হাদীছ শরীফ উল্লেখ করে থাকে। হাদীছ শরীফ-এ উল্লেখ আছে, হযরত আবূ সালমাহ ইবনে আব্দুর রহমান রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু, উম্মুল মু’মিনীন হযরত

শিয়াদের আক্বীদা


যারা হযরত আলী আলাইহিস সালাম উনাকে অনুসরণ করে এবং সকল সাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহিমগণ উনাদের উপরে হযরত আলী আলাইহিস সালাম উনাকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে তাই তাদেরকে শিয়ানে আলী বা শিয়া বলা হয়। এদের অপর নাম রাফেযী।  এদের উল্লেখযোগ্য কূফরীমূলক আক্বীদা

মির্জা কাদিয়ানীর গর্ভবতী হবার গল্প


আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের দৃষ্টিতে মির্জা গোলাম কাদিয়ানী কাফির কারণ। সে “খাতামুন নাবিইয়ীন”-এর মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর ব্যাখ্যা করে নিজেকে নবী দাবি করেছিল। মুসলমানরা বিশ্বাস করে যে, কিয়ামতের আগে হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম আগমন করবেন। মির্জা কাদিয়ানী দাবি করলো সে সেই প্রতিশ্রুত

বাতিল ওহাবী মতবাদ এবং তার স্বরূপ।


কা’বা শরীফের পূর্ব দিকের একটি মরুময় ঘৃণিত অঞ্চলকে নজদ বলে। এ অঞ্চলের অধিকাংশ অধিবাসীরা আল্লাহ পাক-এর গযবপ্রাপ্ত এবং হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর অভিশপ্ত। মক্কা বিজয়ের পর হযরত নবী করিম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নজদকে আরবের অন্যান্য দেশ হতে পৃথক করে