Posts Tagged ‘বিধর্মী’

যখন প্রাণী ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয়ে বিধর্মী বা হিন্দুরা থাকে… তখন কি হতে পারে?


জানা থাকার কথা, খ্রিস্টানদের প্রিয় খাবার শূকর আর হিন্দুদের কচ্ছপ-কাকড়া। আবার হিন্দুরা গরুকে দেবতা মনে করে, তারা গরু কুরবানীবিরোধী। তাহলে বাংলাদেশের মতো ৯৮ ভাগ মুসলমানদের দেশে প্রাণী ও পশু সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী হিসেবে হিন্দু, খ্রিস্টান তথা বিধর্মীদের নিয়োগ দেয়া কি তাদের

বিধর্মী-মূর্তিপূজকদের যারা ভাই বা বন্ধু বলতে চায়- তারা কি করে ঈমানদার হতে পারে?


সীমা অতিক্রমকারীকে কেউই পছন্দ করে না। পিতা তার সন্তানকে, শিক্ষক তার ছাত্রকে, মনিব তার চাকরকে একবার দুইবার অনেকবারই ক্ষমা করতে পারে কিন্তু যখন তারা অবাধ্যতার সীমা অতিক্রম করে পাল্টা বিদ্রোহ করে বসে তখন তা আর কোনভাবেই বরদাশত করা হয় না। অসংখ্য

ধর্মব্যবসায়ী ও বিধর্মীদেরকে গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো থেকে অপসারণ জরুরী 


আমাদের দেশের প্রশাসন ও সরকার অনেক সময় হাক্বীকত না জেনে, না বুঝে বিধর্মী, মুশরিক, অমুসলিম, জামাতী খারেজী, ওহাবী, ধর্মব্যবসায়ীদেরকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও পদে বসিয়ে থাকে। অথচ তারা এরপর যে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতির ফলে প্রশাসন, সরকার ও দেশকে হুমকির মুখে ফেলে দেয়

পবিত্র কুরবানীর সম্মান-মর্যাদা রক্ষা করা মুসলমানদের উপর ফরয দেশের কোটি কোটি মুসলমান বেঁচে থাকতে- পবিত্র কুরবানীর উপর হস্তক্ষেপ কখনোই বরদাশত করা হবে না মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদে কুরবানীবিরোধী সর্ব প্রকার ষড়যন্ত্র ও ষড়যন্ত্রকারীরা নিশ্চিহ্ন হবেই হবে। ইনশাআল্লাহ


একটি দুটি নয়, ধারাবাহিকভাবে এক এক করে তারা এগুচ্ছে। বুঝাই যাচ্ছে, তারা প্লান করে পরিকল্পনা করেই কাজগুলো করছে। প্রথমে তারা কুরবানীর পশুতে বিষ আছে, অ্যানথ্যাক্স আছে ইত্যাদি বলে বলে মানুষের মনে কুরবানীর গরু ছাগল নিয়ে ভীতি ছড়ানো শুরু করে। তার সাথে

প্রকাশ্যেই হচ্ছে ইসলামবিদ্বেষী কাজ- প্রতিবাদ না করার পরিণতি কখনোই ভালো নয়


কিতাবে একটি ঘটনা বর্ণিত আছে। একবার এ ব্যক্তি কোনো একটি মজলিসে বসা ছিলো। তার উপস্থিতিতেই কিছু লোক সেখানে উম্মুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের নিয়ে কটূক্তিকর কিছু কথা বললো। লোকটি শুনেও না শুনার ভান করে থাকলো। অত:পর সে বাসায় ফিরে ঘুমিয়ে পড়ার

বিধর্মীদের নিয়ম-নীতি পালন করা হারাম


  মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, যে ব্যক্তি পবিত্র দ্বীন ইসলাম ব্যতীত অন্য কোনো ধর্ম অনুসরণ-অনুকরণ করবে, তার থেকে তা গ্রহণ করা হবে না। সে অবশ্যই পরকালে ক্ষতিগ্রস্থ হবে অর্থাৎ জাহান্নামী হবে। (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র

নাস্তিক ও বিধর্মীদের কত বড় স্পর্ধা! ৯৮ ভাগ মুসলমান দেশ থেকে সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনাকে প্রত্যাখ্যান করার দাবি?


আর্শ্চযের বিষয় হচ্ছে! নাস্তিক ও বিধর্মীদের সম্মানিত রাষ্ট্রধর্ম দ্বীন ইসলাম উনাকে সরিয়ে ফেলার দাবি করল এবং এ বিষয়ে মামলা করল। এই মামলাকে গ্রহণও করেছে এবং এ বিষয়ে শুনানি ও হবে। নাউযুবিল্লাহ! কিন্তু এখন পর্যন্ত মুসলমানদের চোখ-কান খুলেনি। মুসলমান দেশ থেকে রাষ্ট্রধর্ম

বিধর্মীদের কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে শরীক হওয়া জায়িয নেই।


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি মশহুর ‘পবিত্র সূরা কাফিরূন শরীফ’ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্য এবং আমাদের দ্বীন আমাদের জন্য।” কাজেই যারা বলে থাকে যে, মুসলমানরা হিন্দুদের পূজায় যাবে এবং হিন্দুরা মুসলমানদের ঈদে

প্রসঙ্গ: পবিত্র আশূরা শরীফ উনার রোযা- সর্বাবস্থায় বিধর্মীদের অনুসরণ থেকে বেঁচে থাকা মুসলমানদের জন্য ফরয-ওয়াজিব


পবিত্র আশূরা শরীফ উনার অন্যতম আমল হলো ৯ ও ১০ই মুহররম অথবা ১০ ও ১১ই মুর্হরম তারিখে রোযা রাখা। এ রোযা রাখা খাছ সুন্নত উনার অন্তর্ভুক্ত। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি পবিত্র আশূরা উনার রোযা রেখেছেন

কাফিরদের অনুসরণ-অনুকরণ করে কিভাবে কাফিরদের বিরুদ্ধে জয়ী হবে মুসলমান?


সারাবিশ্বে মুসলমানগণ উনারা নির্যাতিত, নিপীড়িত। কিন্তু কেন? মুসলমানগণ উনারা তো মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ হতে গায়েবী মদদ পাওয়ার কথা। যে গায়েবী মদদের কারণে অতীতের স¦ল্পসংখ্যক মুসলমানগণ উনারা জিহাদের ময়দানে লক্ষ লক্ষ কাফির ধ্বংস করে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছেন। তাহলে এখন হবে

মুসলমানরা পটকা ফুটালেই সন্ত্রাসী! বিধর্মী বিজাতিরা নির্বিচারে মানুষ খুন করলে আর শক্তিশালী বোমা ফাটালেও সন্ত্রাসী হয় না


সম্প্রতি নরওয়েতে বোমা হামলা এবং অতর্কিতে কিশোর যুবকদের ব্রাশ-ফায়ার করে খুন করে বিরাট এক অপকা- ঘটানোর পর পত্র-পত্রিকাগুলো লিখতে শুরু করেছিলো- এটা ইসলামী সন্ত্রাসীদের কাজ হতে পারে। কিন্তু পরে জানা গেলো এটা তথাকথিত ডানপন্থী ভাবধারার এক খ্রিস্টান যুবকের কা-! এরপর পত্রিকা

বিধর্মীরাও এখন পর্দা পালনের গুরুত্ব উপলদ্ধি করছে


মহান আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  উনারা পর্দাকে নারী-পুরুষ উভয়ের  জন্য ফরয করে দিয়েছেন। পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে পর্দা করার ব্যাপারে কঠোর আদেশ-নির্দেশ করা হয়েছে।  মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক