Posts Tagged ‘বৈশাখ’

সম্মানিত শরীয়ত উনার দৃষ্টিতে- পহেলা বৈশাখ পালন জঘন্যতম শিরক


যে বদ আমলের দ্বারা খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার আনুগত্য ও সন্তুষ্টি মুবারক লাভ করার পরিবর্তে পাপ অর্জিত হয় সে বদ আমলের মধ্যে শিরিক হচ্ছে সবচাইতে ভয়াবহ জঘন্যতম। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে বর্ণিত রয়েছে যা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু

১৯৫৮ সালে শুরু হওয়া পহেলা বৈশাখ হাজার বছরের ঐতিহ্য হয় কি করে?


বর্তমানে আমাদের দেশে প্রচলিত বাংলা সন আদৌ বাঙালির কোনো সন নয়। বরং এটি শাষক আকবর কর্তৃক প্রবর্তিত এ অঞ্চলের ক্ষেত-খামারে উৎপাদিত ফসলের হিসাব-নিকাশ সহজবোধ্য করার জন্য একটি নতুন সন। যাকে ‘ফসলী সন’ বলা হয়। এটার সাথে এদেশবাসী কিংবা বাঙালি জাতির কোনো

১লা বৈশাখ ও অমঙ্গল যাত্রাকে ‘হালাল’ মনে করা কুফরী


দেশ-গ্রামে শুনা যায়- ছেলে-মেয়েরা আমগাছের দিকে গেলেই বলা হয়, পরব বা পর্ব না গেলে কাঁচা আম খাওয়া যাবে না। অর্থাৎ ১লা বৈশাখকে পর্ব বা উৎসব বলা হয়ে থাকে। বলে থাকে, ১লা বৈশাখের পূর্বে কাঁচা আম খেলে পেট থেকে রক্ত যাবে, এটা

নববর্ষ পালন করা হারাম ও বিদয়াত


পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে নওরোজ বা যে কোন নববর্ষ পালন করা হারাম ও বিদয়াত।” কাজেই, নববর্ষ সেটা বাংলা হোক, ইংরেজি হোক, আরবী হোক ইত্যাদি সবই ইহুদী-নাছারা,  বৌদ্ধ, মজুসী-মুশরিকদের তর্জ-তরীক্বা; যা পালন করা থেকে বিরত থাকা সকল মুসলমানের জন্য ফরয-ওয়াজিব। উল্লেখ্য,

মুসলমানদের দায়িত্ব-কর্তব্য হচ্ছে সকল বিজাতীয়-বিধর্মীদের হারাম উৎসব পরিহার করা


মহান আল্লাহ পার ইরশাদ মুবারক করেন – يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّـهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَلَا تُبْطِلُواأَعْمَالَكُم (সূরা মুহমমদ আয়াত /৩৩ আয়াত) অর্থঃ- “হে ঈমানদারগণ , তোমরা আল্লাহ পাক ও উনার হাবীব হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ইতায়াত বা অনুসরণ

মুসলমানদের জন্য বৈশাখী ভাতা গ্রহণ করা হারাম ও শিরক


কথিত ‘বাঙালি সংস্কৃতি’র উৎস সন্ধানে


পলাশীর যুদ্ধের পর বাংলাদেশকে দখল করে নিল নৌদস্যু ব্রিটিশরা, তারা খুঁজতে লাগলো কিভাবে এই দেশ থেকে সম্পত্তি চুষে নেয়া যায়। ওয়ারেন হেস্টিংস হিসাব করে দেখলো যে, বাংলার চারভাগের একভাগ ভূ-সম্পত্তি মুসলিম ছূফী-দরবেশ ও আলিম-উলামাগণ উনাদের অধীনে রয়েছে। উনারা এসব সম্পত্তি আয়

পুণ্যাহ এবং পয়লা বৈশাখ


পুণ্যাহ মূলত সংস্কৃত শব্দ। অর্থ ভালো কাজের সুফল পাবার দিন। জমিদার প্রথার সময় বছরের সূচনার দিন অর্থাৎ পয়লা বৈশাখে অনুষ্ঠান করা হত। অনুষ্ঠানটি ছিল রাজা-প্রজার দেখা হবার এবং কথা বলার দিন। আসলে পুণ্যাহ ছিল জমিদারদের দিক থেকে আর্থিক স্বার্থ উদ্ধারের কৌশল।১৯২০

প্রসঙ্গ: পহেলা বৈশাখ; মুসলমানরা হিন্দু-বৌদ্ধদের অনুষ্ঠান পালন করে কিন্তু তারা কি মুসলমানদের অনুষ্ঠানে আসে?


ফসলী সন তথা বাংলা সনের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ মূলত বিজাতীয়-বিধর্মীদের উৎসব। পহেলা বৈশাখের আগের দিন চৈত্র সংক্রান্তি পূজা আর পহেলা বৈশাখ হলো ঘটপূজা, গনেশ পূজার দিন। বৌদ্ধরা এইদিন উল্কি পূজা করে। মজূসীরা (অগ্নি উপাসকরা) এই দিন নওরোজ উৎসব পালন করে।

হাল খাতা এবং পয়লা বৈশাখ


জমিদারী প্রথা চলে যাবার পর আসে বেনিয়াদের ব্যবসায়িক বিশেষ দিন “হালখাতা”। হালখাতার বিশেষ বৈশিস্ট্য হলো পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান।ক্রেতাগণ তাদের বকেয়া পাওনা সম্পূর্ণ বা আংশিক পরিশোধ করে।এটাকে বলা হতে লাগলো ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সার্বজনীন অনুষ্ঠান। প্রথম দিকে মুসলমানগণ এ অনুষ্ঠান পালন করতোনা

বাংলা সনের পহেলা বৈশাখ বাঙালীর হাজার বছরের ঐতিহ্য নয়


দেশের তথাকথিত বুদ্ধিবিহীন বুদ্ধিজীবী, মূর্খ সাহিত্যিক ও অশিক্ষিত সমাজ বলে থাকে যে, পহেলা বৈশাখ বাঙালীর হাজার বছরের ঐতিহ্য। এই সকল কথিত বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক, শিক্ষিত সমাজ প্রকৃতপক্ষে ইতিহাস, ভূগোলসহ সকল বিষয়ে নিরেট অজ্ঞ ও মূর্খ। প্রথমতঃ বাংলা সন বলে কোনো সনের অস্তিত্ব

পহেলা বৈশাখের গান্ধা ভাত না খেয়ে পবিত্র আশুরার দিন ভালো খাবার খেতে হবে


বাংলাদেশ শতকরা ৯৭ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত দেশ। এদেশের রাষ্ট্র দ্বীন হলো ইসলাম। কিন্তু উলামায়ে ‘সু’দের বিভ্রান্তি ও কুফরীমুলক বক্তব্য এবং সরকারের বৈষম্যমুলক আচরণের কারণে দেশের মানুষ ইসলামী অনুষ্ঠান পালন বাদ দিয়ে বিজাতীয়-বিধর্মীদের অনুষ্ঠান পালনে মশগুল হয়ে যাচ্ছে। নাঊযুবিল্লাহ! দেশের ধর্মব্যবসায়ী উলামায়ে