Posts Tagged ‘মিলাদ’

পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন এক মহান আমল, এমন এক ঈদ, যদি কোন মানুষ এই ঈদ পালন করে অবশ্যই সে প্রতিদান পাবেই পাবে।


۞ পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন এক মহান আমল, এমন এক ঈদ, যদি কোন মানুষ এই ঈদ পালন করে অবশ্যই সে প্রতিদান পাবেই পাবে। ۞ , মানুষের সমগ্র জীবনের অনেক আমল থাকে, সে আমল আল্লাহ পাক উনার দরবারে

সহজ ভাষায় বিনা দলীলে ঈদে মীল্লাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার ব্যাখ্যা


যারা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থই বুঝেনা তারাই বিরোধীতা করে। শুধু নির্দিষ্ট একদিন নয় সারা জীবন খুশি প্রকাশ করে অর্থাৎ প্রত্যেকটা কাজ হুযূরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অনুসরনে করা এবং উনার প্রশংসায় রত থাকাই হলো ঈদে মীলাদুন্নবী

পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপনকারীদের জন্য জান্নাত ওয়াজিব


বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নিজেই ইরশাদ মুবারক করেন, “একদা তিনি নিজেই সমবেত হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনাদেরকে সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সুমহান বিলাদত শরীফকালীন

আমরা মহাসমারোহে পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করতে চাই


সারা বিশ্বের মুসলমানগণ উনাদের নবরূপে জাগ্রত করতে বর্ষ পরিক্রমায় আবারো এসেছে মহাপবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ মাস। কারণ এই মহান মাসে রয়েছে কুল-কায়িনাতের তথা জিন-ইনসানের সর্বশ্রেষ্ঠ ঈদ সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সারা বৎসর অধীর আগ্রহে

আবু লাহাবের চেয়ে বড় গুনাহগার হলেও পবিত্র রাজারবাগ দরবার শরীফ-এ এলে ৫৮ দিন জান্নাত উনার শান্তি লাভ করবে


সারা বিশ্বের ব্যবসা-বাণিজ্য চলে দুটি ধারায়। প্রথমত, সাধারণ নিত্যপ্রয়োজনে; দ্বিতীয়ত, বিশেষ বিশেষ পর্বকে উপলক্ষ করে। সউদী আরবে পবিত্র হজ্জ উনাকে কেন্দ্র করে প্রায় ৩/৪ মাসব্যাপী বিপুল ব্যবসা হয়ে থাকে। এতে শুধু যে আরব দেশীয় ব্যবসায়ীরাই লাভবান হয় তা নয়, বরং এর

সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গুরুত্ব মর্যাদা-মর্তবা শিক্ষাবোর্ডের বই পুস্তকে উল্লেখ করা হোক


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি রহমত ও ফযল করম হিসেবে উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করেছেন সেজন্য তারা যেন ঈদ

সাইয়্যিদুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিলাদত দিবসে সমস্ত হারাম কাজ বন্ধ করতে হবে


হযরত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, হযরত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হলেন সমস্ত মাখলুকাতের জন্য রহমতস্বরূপ। উনার পক্ষ থেকে রহমত ব্যতীত কোনো নেক কাজ করা সম্ভব নয়। নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ

পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপনে আবু লাহাবের উত্তরসূরিদের প্রতি একটি ইবরত


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের ছহীহ কিতাবসহ বিশ্বখ্যাত অসংখ্য কিতাবে কাট্টা কাফির জাহান্নামী আবু লাহাবের প্রসঙ্গেই এমন একটি ঘটনা বর্ণিত রয়েছে, যা পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার বিরোধীদের মুখে চুন-কালি পড়ার জন্য যথেষ্ট বলে মনে করি। যেমন ছহীহ

সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার গুরুত্ব মর্যাদা-মর্তবা শিক্ষাবোর্ডের বই পুস্তকে উল্লেখ করা হোক


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আপনি উম্মাহকে বলে দিন, মহান আল্লাহ পাক তিনি রহমত ও ফযল করম হিসেবে উনার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে হাদিয়া মুবারক করেছেন সেজন্য তারা যেন ঈদ

প্রত্যেক বান্দা-বান্দী ও উম্মতের জন্য সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, ঈদে আ’যম , ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা ফরয অর্থাৎ ফরযে আইন হওয়ার প্রমাণ


হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রতি। যিনি সমগ্র কায়িনাতের মূল বা উৎস। উনার মুবারক শানে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ করেন, ورفعنا لك ذكرك. অর্থ: “আমি আপনার সুমহান মর্যাদাকে বুলন্দ করেছি।” (সূরা ইনশিরাহ) এ আয়াত শরীফ-এ মহান আল্লাহ

যারা বলে দুই ঈদ ব্যতীত কোন ঈদ নেই তারা হাদীছ শরীফ অস্বীকারকারী


হযরত ইবনে আব্বাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি একদা ‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণ করলাম’ এ আয়াত শরীফটি শেষ পর্যন্ত পাঠ করলেন। তখন উনার নিকট এক ইহুদী ছিলো সে বলে উঠলো, ‘যদি এই আয়াত শরীফ

ক্বিয়াম শরীফ পালনের দলীল সমূহ


হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, হযরত আবু দারদা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু হতে বর্ণিত আছে যে, একদা তিনি রসূলে পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে হযরত আবু আমির আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু  উনার গৃহে উপস্থিত হয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি উনার সন্তানাদি