Posts Tagged ‘মীলাদুন্নবী’

ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন নিয়ে ওহাবীদের চুরি ধরা পড়েছে..


ইমাম আবু নুয়াইম আসবাহানী রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার ‘দালায়েলুন নবুওওয়াত’ থেকে “নিয়ামত” শব্দ বাদ দিয়ে ভয়ানক তাহরীফ করলো ওহাবীরা। মূল আলোচনায় যাওয়ার আগে বিষয়টা গোড়া থেকে আবার পড়ুন। আপনাদের সুবিধার্থে আবার আলোচনা করছি- কুরআন শরীফে মহান আল্লাহ পাক ইরশাদ মুবারক করেন, يَسْتَبْشِرُونَ

মক্কা শরীফ বাসীর মীলাদ :


“আমাদের মাশায়েখদের ইমাম শায়খ শামসুদ্দিন মুহম্মদ সাখাবী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, পবিত্র মক্কা শরীফে মীলাদ শরীফ অনুষ্ঠানে যারা কয়েক বছর উপস্থিত ছিলেন, আমি তাদের মধ্যে অন্যতম একজন। আমরা মীলাদ শরীফ অনুষ্ঠানের বরকত অনুভব করছিলাম যা নিদৃষ্ট কয়েক ব্যক্তির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়।

আজ সুমহান পবিত্র বরকতময় ১৪ই যিলক্বদ শরীফ-


নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনাকে মুহব্বত করো। কেননা তিনি তোমাদেরকে নিয়ামতসামগ্রীর মাধ্যমে অনুগ্রহ করে থাকেন। আর তোমরা মহান আল্লাহ পাক উনার মুহব্বত-মা’রিফাত মুবারক পেতে হলে, সন্তুষ্টি-রেযামন্দি মুবারক পেতে

পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে বিধর্মীদের কালচার বলা কাট্টা কুফরী


সুলত্বানুল আরিফীন হযরত ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি উনার “ওসায়িল ফী শরহি শামায়িল” নামক কিতাবে বলেন, যেকোনো ঘরে অথবা মসজিদে অথবা মহল্লায় মীলাদ শরীফ পাঠ করা হয় বা মীলাদুন্ নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদ্যাপন করা হয়, সেখানে অবশ্যই মহান

পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ এমনই মুবারক আমল যা যে কাউকেই উদ্ধার করে


পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার বিধি-বিধান, ইতিহাস-ঐহিত্যের দ্বিতীয় উৎস পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মাঝে খলীফাতুল মুসলিমীন, আমিরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত ফারূকে আ’যম আলাইহিস সালাম তিনি বর্ননা করেন, হাবিবুল্লাহ, নুরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন- সাইয়্যিদুনা

পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার লুগাতী ও ইছতিলাহী অর্থ


‘ঈদ’ অর্র্থ হচ্ছে খুশি বা আনন্দ প্রকাশ করা। আর ‘মীলাদ’ ও ‘নবী’ দুটি শব্দ একত্রে মিলিয়ে ‘মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ’ বলা হয়। ‘মীলাদ’-এর তিনটি শব্দ রয়েছে- ميلادমীলাদ, مولد মাওলিদ ও مولود মাওলূদ। ميلاد‘মীলাদ’ অর্র্থ জন্মের সময়, مولد ‘মাওলিদ’

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সম্পর্কে বর্ণিত সকল বর্ণনাই মওজু’ বা জাল?নাঊযুবিল্লাহ!


কাফির, মুশরিক, ইহুদী, নাছারাদের কাছে ইসলামী শরীয়তের সমস্ত বর্ণনা বা দলীলই মওজু’ বা জাল। ফলে, তারা কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ও ক্বিয়াস-এর কোন বর্ণনাই গ্রহণ করে না বা মানে না। যেমন এ প্রসঙ্গে বর্ণিত রয়েছে, একবার যামানার মুজাদ্দিদ ও ইমাম,

বিশ্ববাসীর জন্য সার্বজনীন অনুষ্ঠান হলো………………


বিশ্ববাসীর জন্য সার্বজনীন অনুষ্ঠান হলো সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ তথা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহিওয়া সাল্লাম। পান্তা গান্ধা খাওয়া আর জানোয়ারের পূজা কখনো সার্বজনীন অনুষ্ঠান হতে পারে না। মল মূত্র কুকুরের খাবার হতে পারে , তাই বলে সার্বজনীন খাদ্য নয়। পূজা, নববর্ষ হিন্দুদের ,

হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুমগণ উনাদের দৃষ্টিতে সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, ঈদে আকবর, পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-উনার গুরুত্ব ও ফযীলত


(১) খলীফাতু রসুলিল্লাহ হযরত আবু বকর ছিদ্দীক্ব আলাইহিস সালাম বলেন – “যে ব্যক্তি হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মীলাদ শরীফ পাঠ (মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপলক্ষ্যে এক দিরহাম ব্যয় করবে সে জান্নাতে আমার বন্ধু হয়ে থাকবে।” (সুবহানাল্লাহ্‌) (আন্‌ নি’মাতুল

দায়েমীভাবে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ তথা ঈদে মীলাদুন্নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করার দলীল পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার থেকে


সম্মানিত হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে- عَنْ حَضْرَتْ اُبَـىِّ بْنِ كَعْبٍ رَضِىَ اللهُ تَعَالٰى عَنْهُ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اِنّـِىْ أُكْثِرُ الصَّلٰوةَ عَلَيْكَ فَكَمْ اَجْعَلُ لَكَ مِنْ صَلٰوتِىْ فَقَالَ مَا شِئْتَ قُلْتُ اَلرُّبُعَ قَالَ

সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন যেভাবে ফরয


সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ, সাইয়্যিদে ঈদে আ’যম, সাইয়্যিদে ঈদে আকবর পবিত্র ঈদে মীলাদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার উপলক্ষে খুশি প্রকাশ করার গুরুত্ব ও ফযীলত খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক উনার পবিত্র আয়াত শরীফ উনার মধ্যে উল্লেখ করেন- قل بفضل الله

আজ সুমহান ৯ জুমাদাল ঊলা শরীফ


যিনি খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার পবিত্র কালাম কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, أَلَا إِنَّ أَوْلِيَاءَ اللهِ لَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ. الَّذِيْنَ آمَنُوْا وَكَانُوْا يَتَّقُوْنَ. لَهُمُ الْبُشْرى فِى الْحَيَاةِ الدُّنْيَا وَفِى الْآخِرَةِ لَا تَبْدِيْلَ