Posts Tagged ‘মুসলমান’

ইতিহাস পর্যালোচনা: আপনি কি কথিত ভদ্রলোক, না কি মুসলমান?


ভারতবর্ষে সিপাহী বিদ্রোহের পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশরা ভারতবর্ষের মুসলমানগণ, বিশেষ করে বাঙালি মুসলমানগণ উনাদের উপর দমননীতি গ্রহণ করে। তারা সম্ভ্রান্ত মুসলমানগণ উনাদেরকে সমস্ত সরকারি উচ্চপদ থেকে বরখাস্ত করে সেখানে হিন্দুদের নিয়োগ দেয়, কারণ সিপাহী বিদ্রোহের সময়ে বাঙালি হিন্দুরা ছিল ব্রিটিশদের একনিষ্ঠ অনুগত

প্রসঙ্গ পর্দা পালন: কোন ঈমানদার-মুসলমানই লানতগ্রস্ত হতে চায় না


পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “দাইয়ুছ পবিত্র জান্নাত উনার মধ্যে প্রবেশ করতে পারবে না।” যে ব্যক্তি নিজে পর্দা করে না এবং তার অধীনস্থদের পর্দা করায় না- সে ব্যক্তিই দাইয়্যুছ। এ পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার থেকে বুঝা গেল যে,

মুসলমানদের মধ্যে ‘বিভক্তি’ নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলে তারা ইতিহাস জ্ঞানশূন্য 


সমাজে নামধারী অনেক মুসলমান আছে, যারা ইসলাম সম্পর্কে তো কিছু জানেই না, ইতিহাস সম্পর্কেও ধারণা নেই। এ শ্রেণীর লোকগুলো সাধরণত দুনিয়াদার (টাকার মোহে অন্ধ) হয়ে থাকে। ইতিহাস ও ইসলামী শিক্ষায় অজ্ঞতার কারণে মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি নিয়ে এরা প্রায় সময়ই এমন কথা

কে সন্ত্রাসী? মুসলমান নাকি কাফিররা??


আজকাল নাস্তিকরা খুব ভাব ধরে, দাবি করে- তারা খুব নিরীহ, কখনোই কারো কোনো ক্ষতি করেনি। মুসলমানরা নাকি খারাপ, মুসলমানরা নাকি সন্ত্রাসী। নাউযুবিল্লাহ! অথচ ইতিহাস কিন্তু বলে ভিন্ন কথা। ইতিহাস বলে, নাস্তিকরা যখনই কোনো দেশের ক্ষমতায় গেছে, কিংবা আক্রমণের সুযোগ পেয়েছে, তারা

মুসলমান-ঈমানদার হলে জেনে রাখা উচিত- পরকালের কত কঠিন শাস্তির স্থান জাহান্নাম


মুসলমান-ঈমানদার সকলেই মৃত্যু পরবর্তী জিন্দেগী আখিরাত তথা পরকালের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে। কিন্তু দুনিয়ার কর্মব্যস্ত জীবন, নিজের জীবন, নিজের পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ইত্যাদি নানা কারণগুলো অনন্তকালের জিন্দেগী আখিরাত তথা পরকালকে ভুলিয়ে রাখে। অথচ এই ভুলে যাওয়াই মানুষের জীবনের সবচাইতে বড় ভুল

জান্নাতের নিয়ামত কি নতুন প্রজন্মের মুসলমানরা জানে?


  বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি একদিন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আরজি করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- আমাদেরকে জান্নাতের বিবরণ দান করুন। তখন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর

বিধর্মীরা মুসলমানগণের সূত্র চুরি করে নিজেদের জ্ঞানী ভাবছে


এই পৃথিবীতে জ্ঞান বিজ্ঞানের আলোকবর্তিকা জ্বালিয়েছেন মুসলমানগণ। দীর্ঘ দিন ইউরোপ শাসনকালে মূর্খ ইউরোপিয়ানরা মুসলমানগণের জ্ঞানভাণ্ডার সীমাহীন লুটপাট করেছে। সম্মানিত মুসলিম বিজ্ঞানীদের জ্ঞান চুরি করে নিজেদের নামে এই সব সূত্র ও আবিষ্কার প্রচার করছে। আজ জ্ঞান-বিজ্ঞানে পিছিয়ে পরা মুসলমানগণ উনাদের সে সম্পদ

জান্নাতের নিয়ামত কি নতুন প্রজন্মের মুসলমানরা জানে?


বিশিষ্ট ছাহাবী হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তিনি একদিন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নিকট আরজি করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- আমাদেরকে জান্নাতের বিবরণ দান করুন। তখন নুরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক

আপনি যখন নিজেকে মুসলমান বলে দাবি করবেন, তখন আপনাকে কিছু বিষয় ভাবতেই হবে


হ্যাঁ, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না, যখন আপনি নিজেকে একজন মুসলমান বলে দাবি করবেন তখন আপনাকে প্রথমেই ভাবতে হবে- আপনি কেন সৃষ্টি হলেন? আপনাকে কেন সৃষ্টি করা হলো? আপনার নিজের প্রতি কি দায়িত্ব? আপনার স্বজাতির প্রতি আপনার কি দায়িত্ব? আপনাকে আরো

মুসলমান উনাদের জন্য একমাত্র অনুসরণীয় সৌর বর্ষপঞ্জি হচ্ছে‘আত তাক্বউইমুশ শামসী’, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার নয়


  খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন, “মহান আল্লাহ পাক যিনি বানিয়েছেন সূর্যকে উজ্জ্বল আলোকময় করে আর চাঁদকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে। অতঃপর নির্ধারণ করেছেন এর জন্য মঞ্জিলসমূহ যাতে তোমরা চিনতে পারো বছরগুলোর

মুসলমানরা ঈমান রক্ষার্থে বিধর্মীদের উৎসব পরিত্যাগ করুন


  পবিত্র কালাম পাক উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেছেন- “যে কেউ সম্মানিত দ্বীন ইসলাম উনার নিয়মনীতি তর্জ-তরীক্বা পরিত্যাগ করে অন্য কোনো ধর্ম-নিয়মনীতি অনুসরণ-অনুকরণ করে কিংবা সম্মান করে, তাহলে তা কখনোই তার থেকে কবুল করা হবে না। বরং

পবিত্র কারবালা উনার হৃদয় বিদারক ঘটনার স্মরণ ও দুঃখ অনুভব করা হবে মু’মিনের নাজাতের কারণ


পবিত্র আশূরা শরীফ মুসলমানগণ উনাদের জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ রহমত, বরকত, সাকীনা ও মাগফিরাত মুবারক উনার মাস। চন্দ্র মাসের প্রথম মাস পবিত্র মুহররমুল হারাম শরীফ এবং পবিত্র মাস উনাদের একটি। এ মাসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য মুসলমানগণ আগে খুব একটা জানতো না। মানুষ