Posts Tagged ‘মুসলমান’

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওযা মুবারক সরিয়ে নেয়ার সউদী ওহাবী তথা ইহুদীদের ধৃষ্টতাপূর্ণ ষড়যন্ত্রের চরম প্রতিবাদ ও সারাবিশ্বের মুসলমানদের প্রতি ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান


মহান আল্লাহ পাক উনার হাবীব, সমস্ত নবী আলাইহিমুস সালাম উনাদের নবী, সমস্ত রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের রসূল, মুসলমান উনাদের ঈমানের মূল, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওযা শরীফ পবিত্র মসজিদে নববী শরীফ হতে সরিয়ে ফেলার

আখিরাত সম্পর্কে আহলে সুন্নাত ওয়া জামাতের বিশুদ্ধ আক্বিদা


আখিরাত সম্পর্কে আহলে সুন্নাত ওয়া জামাতের বিশুদ্ধ আক্বিদাঃ ইন্তিকালের পরের জীবনকে আখিরাত বলে। ইন্তিকালের পর থেকে ক্বিয়ামত পূর্ব পর্যন্ত কবরের জীবনকে বরযখ বলে। হাশরের ময়দানে মানুষের নেকী (ভালকাজ) ও বদীর (খারাপকাজ) হিসাব হবে। যাদের ঈমান ও আমল আল্লাহ পাকের জন্য হয়েছে

প্রসঙ্গ: পহেলা বৈশাখ; মুসলমানরা হিন্দু-বৌদ্ধদের অনুষ্ঠান পালন করে কিন্তু তারা কি মুসলমানদের অনুষ্ঠানে আসে?


ফসলী সন তথা বাংলা সনের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ মূলত বিজাতীয়-বিধর্মীদের উৎসব। পহেলা বৈশাখের আগের দিন চৈত্র সংক্রান্তি পূজা আর পহেলা বৈশাখ হলো ঘটপূজা, গনেশ পূজার দিন। বৌদ্ধরা এইদিন উল্কি পূজা করে। মজূসীরা (অগ্নি উপাসকরা) এই দিন নওরোজ উৎসব পালন করে।

জামাত-শিবির-হেফাজতের কাছে ইসলামের চেয়ে দলীয় নেতা বড়


মওদুদীবাদী জামাতের যুদ্ধাপরাধী, রাজাকার নেতাদের বিরুদ্ধে কোনো কথা বললে জামাত-শিবির সেটার তীব্র প্রতিবাদ জানায়, হরতাল ডাকে, এমনকি রাগে ক্ষোভে মানুষ খুন করতেও ছাড়ে না। তাদের দলীয় নেতার মানহানীকর কোনো কথা প্রচার হলে সেটা তাদের অনুভূতিতে আঘাত হানে। ঠিক একই ভাবে কট্টর

প্রসঙ্গ “ April fool” ১লা এপ্রিল ১৪৯২ সাল। একটি বেদনাদায়ক অধ্যায়।


১লা এপ্রিল April fool পালন করে আনন্দ উপভোগ করে থাকে কাফের গোষ্ঠী ।৭১২ সালে দামেস্কের উমাইয়া খলিফা আল ওয়ালিদের সময় স্পেনে হযরত তারেক বিন মুসা রহমতুল্লাহি আলাইহি মুসলিম বিজয় পতাকা উত্তোলন করেন।এতেমুসলমান ও খৃষ্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে চলতে থাকে শত্রুতা। মৃত ও

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবর্তন: দেশের স্বাধীনতা ও জাতির নিজস্ব স্বকীয়তার দাবি


জাতীয় পতাকা যেমন বিশ্বের দররবার একটি দেশকে উপস্থাপন করে তেমনি জাতীয় সংগীতও একটি জাতির চিন্তা, চেতনা ও সভ্যতার পরিচয় প্রদান করে। বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত নিয়ে এর আগে অনেক দেশপ্রেমিক আপত্তি করলেও তা ধোপে টিকেনি। ভারতীয় শকুনদের নজরে পড়ে সে আন্দোলন অঙ্কুরেই

স্বাধীন রাষ্ট্র থাকার পরও বাঙালি মুসলমান আজও কেন বারোবণিতা ভিত্তিক কলকাতার হিন্দু সংস্কৃতির মুখাপেক্ষী হয়ে রয়েছে?


হিন্দু সম্প্রদায় নিয়ে একটি মোহ কাজ করে প্রচলিত শিক্ষায় শিক্ষিত মুসলমানদের মধ্যে, হিন্দু সাহিত্যিকদের লেখালেখি পাঠ করার কারণে তারা হিন্দু সংস্কৃতির প্রতি আসক্তি বোধ করে। কলকাতার সংস্কৃতি ধারণের আগে স্বাভাবিকভাবেই তাদের উচিত ছিল সেসব সংস্কৃতির উৎসমূল সম্পর্কে তাহক্বীক করা। কিন্তু হুজুগে

KMT vs GMT


KMT (কাবা শরীফ মিন টাইম) vs  GMT (গ্রিনিচ মিন টাইম) “মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, ‘তোমরা অর্থাৎ মুসলমানরা কাফির ও মুনাফিকদের অনুসরণ করোনা।’ বৃটিশদের চাপানো জিএমটি যদি তাদের সমজাতীয় বিধর্মীরাই মেনে নিতে না চায় তাহলে পবিত্র কুরআন শরীফ ও

৯৭% মুসলমানগণ আজ ৩% হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানদের হাতে জিম্মি!!! ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করতে চাইলে মুসলমানগণ উনাদের এগিয়ে আসা উচিত।


মুসলমানগণ উনাদের শত্রু কাফির-মুশরিকরা। মুসলমানগণ উনারা একটু বিপদে পড়লে তারা খুশি হয়। আর ভালো অবস্থায় থাকলে কাফিরদের কষ্ট হয়। নিজেরাই তাদের মন্দির, প্যাগোডা, গির্জায়, উপাসনালয়ে আগুন দিয়ে ক্ষয়ক্ষতি করে ভিডিও করে, মিডিয়ায় ছড়িয়ে আর প্রচার করে মুসলমানগণ উনারা এ কাজ করেছে।

ভারতের মুসলমানরা বৈষম্যের শিকার: নিয়োগ পায় না সেনাবাহিনীতে


ভারতে জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ মুসলমান হলেও সেখানে সেনাবাহিনীতে মুসলমানদের সংখ্যা একেবারে শূন্যের কোঠায়। যেমন: ২০০৫ সালে: ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নিয়োগ পায় ৩৪৭ জন, এর মধ্যে মুসলমান মাত্র ৪ জন, শতকরা হিসেবে মাত্র ১.১৫ শতাংশ। ভারতীয় নৌবাহিনীতে নিয়োগ পায় ৯০ জন, এর

মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রে গণহারে মুসলমান শহীদ করা হচ্ছে তার তথ্য কি কথিত বিশ্ববিবেকের কাছে যায় না ?


মুসলমান কোন দেশে কাফিরদের পান থেকে চুন খসলেই সব কাফির এক সাথে সাম্প্রদায়িকতার আওয়াজ তোলে ওই মুসলমান দেশের উপর চাপ প্রয়োগ করে তাদের স্বার্থ হাসিল করে। সকল মানবাধিকার, মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা শুধু কাফিরদের জন্যই প্রযোজ্য! মুসলমান উনাদের জন্য যেন কিছুই থাকতে নেই।

মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে মুসলমান শহীদ করা হচ্ছে- অথচ সবাই কেন বোবা শয়তান?


শুধুমাত্র মুসলমান হওয়ার অপরাধে সন্ত্রাসী খ্রিস্টান জাতি অত্যন্ত নির্মমভাবে মুসলমান উনাদের শহীদ করছে। পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে একটা কাফিরের পান থেকে চুন খসলেই কাফিরগোষ্ঠী একসাথে প্রতিবাদ করে, নানা ব্যবস্থা প্রবর্তন করে ওই কাফিরকে রক্ষা করার জন্য। তাহলে মুসলমান উনাদের যে শহীদ