Posts Tagged ‘যিকির’

ক্বলব ও রক্তকণিকা থেকে পাপের ছাপ উঠাবেন কিভাবে?


কাপড়ে দাগ পড়লে আমরা কতো না চেষ্টা করি সেই দাগ পরিষ্কার করতে। সাবান দিয়ে পরিষ্কার না করতে পারলে নানা মেডিসিনের ব্যবহার করি। চেষ্টার কোনো ঘাটতি থাকে না। কিন্তু পাপের দাগ যে মানুষের ক্বলবে ও রক্তকণিকায় পড়ে সে ব্যাপারে মানুষ উদাসীন কেন?

যিকির-ফিকিরের মাধ্যমে মুরীদের কাছে অনেক তথ্য প্রকাশিত হয়


পবিত্র দরবার শরীফে সালেকগণ বিভিন্ন খাতে হাদিয়া পেশ করার সুযোগ লাভ করে থাকেন। এ ব্যাপারে আমার মনে একটা চিন্তা উদয় হলো- যে, সমস্ত হাদিয়া এক খাতে দিলেই তো হতো, তবে বিভিন্ন খাত কেন? বিষয়টি অনেক ভেবেছি কোনো কিণারা পেলাম না। তবে

পরিশুদ্ধ অন্তর ব্যতীত কোনো কামিয়াবী নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “ক্বিয়ামতের দিন কেউ কোনো ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি দিয়ে ফায়দা হাসিল করতে পারবে না একমাত্র ঐ ব্যক্তি ছাড়া, যে সুস্থ অন্তকরণ নিয়ে এসেছে।” (পবিত্র সূরা আশ শুয়ারা: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৮-৮৯)

আরবী হরফে আম্মাজীর বর্ণনা


আলিফ, বা, তা, ছা আম্মাজী ক্বিবলাহ্ খুশি হলে পূর্ণ হবে সকল আশা। জিম, হা, খা, দাল আম্মাজী ক্বিবলা উনার ক্বদমে বিলাবো সদা মোদের জান-মাল। যাল, রা, যা, সীন আম্মাজী আম্মাজী যিকিরে অধমা কাটাই সারা রাত-দিন। শীন, সোয়াদ, দ্বোয়াদ, ত্বোয়া হাক্বিক্বি গোলামীতে

পরিশুদ্ধ অন্তর ব্যতীত কোনো কামিয়াবী নেই


মহান আল্লাহ পাক তিনি পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাঝে ইরশাদ মুবারক করেছেন, “ক্বিয়ামতের দিন কেউ কোনো ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি দিয়ে ফায়দা হাসিল করতে পারবে না একমাত্র ঐ ব্যক্তি ছাড়া, যে সুস্থ অন্তকরণ নিয়ে এসেছে।” (পবিত্র সূরা আশ শুয়ারা: পবিত্র আয়াত শরীফ ৮৮-৮৯)

মানুষের নফস সাফল্যের পথে একটি বাধা ॥ নিজেকে বিলীন না করতে পারলে নফসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া অসম্ভব


  মানুষ সাধারণত নিজের দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখে এবং অন্যের দোষ খুঁজে বেড়ায়। বিষয়টি ফিকিরের। মানুষ যদি এই পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের কারণ বুঝতে পারে, তাহলে সম্ভবত চেষ্টা করে এই ত্রুটি থেকে মুক্তি পেতে পারে। মানুষ আসলে নিজকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে। এই মুহব্বতই মানুষের

সবাই নাস্তিকের খাতায় নাম লেখালো, কিন্তু কবি ফররুখ আহমদ যিকির-ফিকিরের কারণে টিকে রইলেন


বর্তমান সময়ে এদেশের কথিত বুদ্ধিজীবী শ্রেণী মানেই নাস্তিক গোষ্ঠী, এমনটি সবাই মনে করে। অথচ বাংলাদেশের এই বুদ্ধিজীবী শ্রেণী গঠিত হয়েছিল পাকিস্তান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে। মুসলমানদের আলাদা ভূখণ্ডের দাবিতে সাতচল্লিশের আগে যেই বুদ্ধিবৃত্তিক প্রচেষ্টা, তার পুরো দায়িত্বই ছিল বাঙালি মুসলমান কবি-সাহিত্যিক ও

পবিত্র ‘ঈমানী কুওওয়াত’ উনার বৃদ্ধির জন্য দরকার নিয়মিত ক্বলবী জিকির করা


বর্তমান সময়ে মুসলমানদের চেপে ধরেছে কাফির-মুশরিকরা। কিন্তু মুসলমানরা কাফির-মুশরিকদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতে পারছে না, জবাব দিতে পারছে না। এর মূল কারণ হচ্ছে বর্তমানে মুসলমানদের ঈমানী শক্তি বা কুওওয়াত শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে। মুসলমানগণ চাইলেও কাফিরদের বিরুদ্ধে কিছু করতে পারছে না।

“প্রত্যেক জিনিস পরিস্কার করার যন্ত্র আছে আর এই অন্তর পরিস্কার করার যন্ত্র হলো মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির।”


কয়লার মত কালো অন্তর, ঠিক উপুর হয়ে থাকা পাত্রের ন্যায়, যাতে কিছুই ধারণ করার ক্ষমতা থাকে না। ওটা (কালো অন্তর) ভালকে ভাল জানার এবং মন্দকে মন্দ জানার ক্ষমতা রাখে না। ফলে কেবল মাত্র তাই গ্রহণ করে, যা তার নফস বা প্রবৃত্তির

সত্য ঘটনা —


সত্য ঘটনা —( নিজের চোখে দেখা আর নিজের কানে শোনা ) ছন্দ আকারে দিলাম।   “অবলা প্রান কহেনা কথা, শুধু যিকির করে ‘আল্লাহ্‌ আল্লাহ্‌’ । সবাই জানি, কাকের ডাক ‘কা কা’, অথচ শুনেছি কাকের ডাক — ‘আল্লাহ্‌ আল্লাহ্‌’ । ” (

“প্রত্যেক জিনিস পরিস্কার করার যন্ত্র আছে আর এই অন্তর পরিস্কার করার যন্ত্র হলো মহান আল্লাহ পাক উনার যিকির।”


কয়লার মত কালো অন্তর, ঠিক উপুর হয়ে থাকা পাত্রের ন্যায়, যাতে কিছুই ধারণ করার ক্ষমতা থাকে না। ওটা (কালো অন্তর) ভালকে ভাল জানার এবং মন্দকে মন্দ জানার ক্ষমতা রাখে না। ফলে কেবল মাত্র তাই গ্রহণ করে, যা তার নফস বা প্রবৃত্তির

যিকির থেকে গাফিল থাকার পরিণাম


:::::::নিচের আয়াত শরীফখানা খুব খেয়াল করে পড়ে দেখুন এবং চিন্তা করুন::::::: وَمَنْ أَعْرَضَ عَن ذِكْرِي فَإِنَّ لَهُ مَعِيشَةً ضَنكًا وَنَحْشُرُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْمَى এবং যে আমার(আল্লাহ পাক উনার) যিকির থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার (ইহকালে) জীবিকা সংকীর্ণ হবে এবং আমি তাকে কেয়ামতের